ফ্রান্সের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল স্পেন

ফ্রান্সের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক : মাঠের লড়াইয়ে খুব বেশি ব্যবধান ছিল না স্পেন ও ফ্রান্সের। বল দখল থেকে আক্রমণ—প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময়ই সমানতালে লড়েছে দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তবে একটি পেনাল্টিই গড়ে দিয়েছে পার্থক্য। স্পট কিক থেকে মিকেল ওয়ারসাবালের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন।

ম্যাচের নবম মিনিটে ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন দানি ওলমো। অ্যালেক্স বায়েনার নেওয়া ফ্রি কিক অবশ্য ফরাসি রক্ষণদেয়ালে বাধা পায়।

১৪ মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দ্রুত বল নিয়ে স্পেনের বক্সে ঢুকে পড়েন কিলিয়ান এমবাপে। সামনে ছিলেন কেবল পেদ্রো পোরো ও গোলরক্ষক উনাই সিমন। তবে পাউ কুবারসি ও আয়মেরিক লাপোর্তে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে এমবাপেকে থামিয়ে দেন।

প্রথমার্ধের মূল পার্থক্য তৈরি হয় পেনাল্টি থেকে। কুকুরেয়ার বাড়ানো ক্রস বক্সের মধ্যে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন লুকাস দিনিয়ে। কিন্তু বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার পর সামনে থাকা লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করে বসেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

এই পেনাল্টি আদায় করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে একটি বিশেষ কীর্তিতে নাম লেখান ১৯ বছর ১ দিন বয়সী ইয়ামাল।

স্পেনের হয়ে স্পট কিক নিতে এগিয়ে আসেন মিকেল ওয়ারসাবাল। রিয়াল সোসিয়েদাদের এই ফরোয়ার্ডের শট ডান কোণা দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাগনিয়ঁ সঠিক দিকেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তবে বল তার নাগালের বাইরে থাকায় ২৩ মিনিটে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স।

৩৬ মিনিটে আবারও ফ্রান্সের রক্ষণে আতঙ্ক ছড়ায় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাগনিয়ঁ তাকে আটকাতে এগিয়ে এলেও স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নেওয়ার মুহূর্তে অফসাইডের বাঁশি বাজে।

পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ে বাঁকানো শট নেন ব্র্যাডলি বারকোলা। তবে তার প্রচেষ্টা গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।

৪০ মিনিটের দিকে আরও একটি ভালো আক্রমণ তৈরি করে স্পেন। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাসের পর বল পান ইয়ামাল। ওলমোর ব্যাকহিল থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে ইয়ামালের পাস পেয়ে শট নেন ফ্যাবিয়ান রুইজ। তবে তার শট অল্পের জন্য গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়।

৪৩ মিনিটে সমতায় ফেরার ভালো সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান্স। কিন্তু এমবাপেকে বল নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেননি উনাই সিমন। স্পেনের গোলরক্ষক দ্রুত বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে স্পেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/176273