জামায়াতের গঠনতন্ত্রে আসছে ১৪ সংশোধনী

জামায়াতের গঠনতন্ত্রে আসছে ১৪ সংশোধনী

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সাত বছর পর দলটির গঠনতন্ত্রে আসছে বেশকিছু বড় সংশোধন। এতে নিয়ন্ত্রিত হতে যাচ্ছে দলের আর্থিক খাত। দলের সদস্য না হলেও সাংবিধানিক বড় পদে আসীন হবারও সুযোগ মিলবে৷

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমান আমিরের অর্ধযুগের নেতৃত্বে এবারই প্রথম গঠনতন্ত্রে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১৪টি সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দলটির গঠনতন্ত্রের ষষ্ঠ অধ্যায়ের ৬৮ নম্বর ধারায় নতুন উপধারা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট হতে যাচ্ছে জেলা ও মহানগর আমিরদের অর্থ ব্যায়ের সীমা। এছাড়া একই অধ্যায়ে আরও পরিষ্কার করে বর্ণনা করা হবে দলটির আয়ের উৎস সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য।

 
সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
 
শুধু আর্থিক খাত নয় গঠনতন্ত্রের তৃতীয় অধ্যায়ে নতুন ধারা যুক্ত করে কেন্দ্রীয় সংগঠনের অধীনে উপদেষ্টা পরিষদ সৃষ্টি করা হবে। এই পরিষদের জন্য দলের সঙ্গে জড়িত নয় কিন্তু বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে এমন ব্যক্তিদের স্থান দেয়া হতে পারে৷ এছাড়া আরো বেশকিছু ধারায় আসতে যাচ্ছে সংশোধন ও পরিমার্জন।

 
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত মজলিসে শুরা হয়ে গেল। ২৩তম সংশোধনী প্রস্তাব শুরাতে আনা হয়েছে। কিছু আংশে আমরা সংশোধনী চূড়ান্ত করেছি। আমাদের একটি সংশোধনী কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে প্রস্তাব নিতে হয়। তারপর যেতে হয় নির্বাহী পরিষদে। এভাবেই আমরা সবার কাছে পৌঁছেছি এবং ২৬ জুন বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।’
 
জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাবও আমাদের এসেছে। এটা নিয়ে শুরা সদস্যদের মধ্যে প্রথম আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়ে হয়েছে। আরও আলোচনা হবে, এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আবার আগামী শুরাতে আলোচনা হবে, তখন দেখা যাবে। সংশোধনী গোপন থাকে না, সব কিছুই ওয়েবসাইটে চলে যায়।’

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/175663