আজ জাতীয় ক্যামেরা দিবস

আজ জাতীয় ক্যামেরা দিবস

লাইফস্টাইল ডেস্ক:একটি ছবি শুধু একটি দৃশ্য নয়, বরং তা একটি সময়, একটি অনুভূতি এবং একটি স্মৃতির সাক্ষী। মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্তগুলোকে ধরে রাখার এক অনন্য মাধ্যম হলো ক্যামেরা।  এই অসাধারণ আবিষ্কার এবং মানুষের জীবনে ফটোগ্রাফির প্রভাবকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর ২৯ জুন পালিত হয় ন্যাশনাল ক্যামেরা ডে বা জাতীয় ক্যামেরা দিবস।

দিনটি কেবল পেশাদার আলোকচিত্রীদের জন্য নয়, বরং সবার জন্য। কারণ আজকের দিনে স্মার্টফোনের কল্যাণে প্রায় প্রত্যেকেই একেকজন আলোকচিত্রী। তাই এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি ছবি হাজার শব্দের চেয়েও বেশি গল্প বলতে পারে।

কীভাবে শুরু হলো জাতীয় ক্যামেরা দিবস?

জাতীয় ক্যামেরা দিবসের উৎপত্তি নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো সরকারি ইতিহাস না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে এই দিবস জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত ক্যামেরার আবিষ্কার, এর ক্রমবিকাশ এবং সমাজে ফটোগ্রাফির অবদানকে স্মরণ করতেই ২৯ জুন দিনটি পালন করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ফটোগ্রাফিপ্রেমীরা এই দিনটিকে বিশেষভাবে উদযাপন করেন। কেউ পুরোনো ছবির অ্যালবাম ঘেঁটে দেখেন, কেউ আবার নতুন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেন।

ক্যামেরার জন্ম ও বিবর্তন

ক্যামেরার ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রাচীনকালে ‘ক্যামেরা অবস্কুরা’ নামের একটি যন্ত্রের মাধ্যমে বাইরের দৃশ্য উল্টোভাবে একটি পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হতো। পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ফরাসি উদ্ভাবক লুই দাগেরের উদ্ভাবিত ‘ডাগেরিওটাইপ’ পদ্ধতির মাধ্যমে আধুনিক ফটোগ্রাফির সূচনা হয়। এরপর ধীরে ধীরে ফিল্ম ক্যামেরা, পোলারয়েড ক্যামেরা, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং বর্তমানে স্মার্টফোন ক্যামেরা মানুষের জীবনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এখন কয়েক সেকেন্ডেই একটি ছবি তোলা, সম্পাদনা করা এবং বিশ্বের অন্য প্রান্তে পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব।

 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/174320