‘মেধা ও মননশীলতা বিকাশে বদ্ধপরিকর’—এই প্রত্যয়কে ধারণ করে দেশের অন্যতম স্বনামধন্য প্রথম শ্রেণির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রয়েল পাবলিকেশন আয়োজন করেছে ‘রয়েল সাহিত্য সম্মাননা–২০২৬’।
রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার এক অনন্য উৎসবে পরিণত হয়।
রয়েল পাবলিকেশনের কর্ণধার মো. মনিরুল ইসলাম (রয়েল)-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্য, প্রকাশনা ও শিল্প-সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২০ জন লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও প্রচ্ছদশিল্পীকে সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
‘সেরা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার’ বিভাগে সাহিত্য সম্মাননা লাভ করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠসৈনিক ও প্রখ্যাত লেখক ডা. অরূপরতন চৌধুরী, দৈনিক নয়া দিগন্তের সাহিত্য সম্পাদক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জামসেদ ওয়াজেদ, কথাসাহিত্যিক খান আখতার হোসেন, উম্মে কুলসুম ঝুমু, অভিনেত্রী সিফাত নুসরাত এবং অধ্যাপক রোকেয়া বেগম। এছাড়াও সাহিত্য, প্রকাশনা ও শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য আরও বেশ কয়েকজন গুণী লেখক, কবি, সাহিত্যিক ও প্রচ্ছদশিল্পীকে সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানটি অলংকৃত করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত লেখক ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠসৈনিক ডা. অরূপরতন চৌধুরী, দৈনিক নয়া দিগন্তের সাহিত্য সম্পাদক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক জামসেদ ওয়াজেদ, বীজবিস্তার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. এম. এ. সোবহান এবং দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রকাশক ও সম্পাদক অশোক ধর।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে সাহিত্যচর্চার প্রসার, নতুন লেখকদের বিকাশ এবং একটি মননশীল, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অপরিহার্য ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, সাহিত্য কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি সমাজ পরিবর্তন, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সৃজনশীল চিন্তার অন্যতম শক্তিশালী অনুষঙ্গ। এ ধরনের আয়োজন নবীন ও প্রবীণ লেখকদের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার পাশাপাশি সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লেখক, কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, পাঠক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক প্রাণময় সাহিত্যিক সম্মিলনে। সম্মাননা প্রদান, সাহিত্যভাবনার আদান-প্রদান, বই ও প্রকাশনা নিয়ে আলোচনা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডায় মুখর এ আয়োজন উপস্থিত সকলের কাছে হয়ে ওঠে স্মরণীয়, তাৎপর্যপূর্ণ ও অনুপ্রেরণাদায়ী।
রয়েল পাবলিকেশন এর প্রকাশক মো. মনিরুল ইসলাম রয়েল জানান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতেও রয়েল পাবলিকেশনের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/173339