বগুড়ার আদমদীঘিতে জমির খাজনা রশিদ জালিয়াতি, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১

বগুড়ার আদমদীঘিতে জমির খাজনা রশিদ জালিয়াতি, তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে সরকারি জমির খাজনা রশিদ জালিয়াতি করার ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলো, উপজেলার মালশন গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে সাদেকুল ইসলাম সাদ্দাম (৪৫), সান্তাহার নতুন বাজার এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মনসুর আলম বাবু (৩৫) ও সান্তাহার রথবাড়ির মকবুল হোসেনের ছেলে আজমল হোসেন মলো (৪৭)। এদের মধ্যে গত ১৬ জুন মনসুর আলম বাবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে আদমদীঘি থানায় বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন সান্তাহার পৌর ভূমি অফিসের সহকারি ভূমি কর্মকর্তা এসএম ফরহাদ হোসেন। মামলা সুত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার নুতন বাজার এলাকার রঞ্জু মিয়া নামে এক ব্যক্তি অপর আসামিদের যোগসাজশে উপজেলার বশিপুর মৌজার সরকরি সাবেক ১৭৩০ হাল ৩৬১০ দাগের দেড় শতক জমির খাজনা (দাখিলা) একটি চক্র অবৈধ ভাবে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া জাল ভূমি উন্নয়ন কর (দাখিলা) বের করেন।

ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য গত ২৫ সালের ২৮ মে মাসে খাজনা পরিশোধের জন্য আবেদন করলে উক্ত সম্পত্তিটি সরকারি স্বার্থজড়িত থাকায় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সেই আবেদনটি বাতিল করে হোল্ডিংয়ের খাজনা পরিশোধ স্থগিত রাখেন।

এদিকে পুনরায় উক্ত সম্পত্তির খাজনা পরিশোধের জন্য গত ১৫ জুন অনলাইনে আবেদন করার পর কৌশলে খাজনা পরিশোধ করে দাখিলা বের করে সেই দাখিলায় ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থ বছরের খাজনা পরিশোধ দেখানো হয়।

খাজনার রশিদে চলতি অর্থবছর না থাকায় তা সংশোধনের জন্য গত ১৫ জুন আসামি আজমল হোসেন মলো ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে গেলে উক্ত ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ দেখে সন্দেহ হলে যাচাই বাচাই করে দেখেন এই ভূমি উন্নয়ন কর (দাখিলা) জাল জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে বলে ধরা পড়ে।

এঘটনায় সান্তাহার (খ) ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এসএম ফরহাদ হোসেন বাদি হয়ে জমির মালিকসহ উল্লেখিত তিন জনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ মনসুর আলম বাবুকে গ্রেফতার করে।  আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: কামরুজ্জামান মিয়া মামলা দায়েরের বিষযটি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/173046