আমরা ডেঙ্গুমুক্ত নগরী চাই: সিসিক প্রশাসক

আমরা ডেঙ্গুমুক্ত নগরী চাই: সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আমরা একটি ডেঙ্গুমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্য ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে আমরা প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম শুরু করেছি। এখন ডেঙ্গুর মূল মৌসুম শুরু হওয়ায় সবাইকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

তিনি নগরবাসীকে নিজেদের আঙিনা, বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ডেঙ্গু সচেতনতা র‍্যালি শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, এখন পর্যন্ত নগরীতে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে আক্রান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে আমরা আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছি। অতীতেও সিলেটে ডেঙ্গুর প্রকোপ কম ছিল। সবাই সচেতন থাকলে এবারও আমরা নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে পারব। জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণার পাশাপাশি মসজিদের জুমার খুতবায়ও ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হবে বলে তিনি জানান।

আগামী মাস (জুলাই) থেকে প্রতিটি বাসাবাড়িতে গিয়ে এডিস মশার লার্ভা পরীক্ষা করা হবে জানিয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তা ধ্বংস করা হবে।

এ প্রসঙ্গে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, নগরবাসী অত্যন্ত দায়িত্বশীল। তাই প্রাথমিকভাবে কোথাও এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে আমরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব না; বরং সচেতনতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করব। প্রতিটি বাড়িতে লার্ভা নিধনের ওষুধ নিয়ে যাওয়া হবে এবং লার্ভা পাওয়া গেলে স্প্রে করে ধ্বংস করা হবে।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সিসিকের বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিগত বছরের মতো এবারও সমন্বিত পরিকল্পনায় কাজ চলছে। তিনি আরও জানান, কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়া মাত্রই আমাদের কুইক রেসপন্স টিম তাৎক্ষণিক আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িসহ আশেপাশের অন্তত ২০টি বাড়িতে অনুসন্ধান চালাবে এবং লার্ভা ধ্বংস করবে।

র‍্যালিতে সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীনসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/171909