সেঞ্চুরি মোটেল কান্ড ৬১০ নম্বর রুমে বিপুলের লাশ রেখে পালিয়ে যায় মোর্শেদা
স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় সেঞ্চুরি মোটেলে ৬১০ রুমে বিপুলের সাথে মিলিত হন মোর্শেদা। মিলিত হওয়ার আগে যৌন উত্তেজক সিরাপ সেবন করেছিলেন বিপুল। কিন্তু মিলিত হওয়ার পর পরই মারা যান বিপুল। এরপর তার লাশ বিছানায় ফেলে রেখে রুমের দরজা খুলে বোরকা পড়ে পালিয়ে যায় সে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মোর্শেদা এমন তথ্য দেয়।
মোর্শেদা জানায়, বিপুল চন্দ্র পালের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মাঝেমধ্যে তারা দুজন ওই মোটেলে এসে মিলিত হতো। এই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাতেও ওই মোটেলে তারা মিলিত হয়েছিল। গতকাল বগুড়া সদর থানার ওসি মো: ইব্রাহীম আলী এ তথ্য জানান।
ওসি বলেন, পালিয়ে যাওয়ার পর মোর্শেদা ঠাকুরগাও সদরে জাহের আবাসিক হোটেলে লুকিয়েছিল। গত রোববার সকালে ওই হোটেলের একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে বগুড়ায় আনা হয়। মোর্শেদার বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জের ছয়পুকুরিয়া এলাকায়। গতকাল সোমবার তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে, বিপুল চন্দ্র পালের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। যে কারনে মোর্শেদাকে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করা হয়।
নিহত বিপুল চন্দ্র পাল সদরের এরুলিয়া পালপাড়ার জিতেন্দ্রনাথ পালের ছেলে। তিনি এরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের সুপার ভাইজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/171841