রামিসা হত্যাকাণ্ড : কাঠগড়ায় স্বামী সোহেলকে মারতে যায় স্বপ্না
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থানের সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি সোহেল রানাকে মারার চেষ্টা করেছে তার স্ত্রী স্বপ্না।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে যুক্তিতর্ক চলার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বপ্নাকে আটকে দেয় পুলিশ। এদিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তার ছাড়া আর কাউকে দেখেননি সাক্ষীরা। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়ার আগে সোহেল রানাকে তিন ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তখনো তিনি ‘ডলার’ নামে কারো নাম নেননি।’ আদালতকে বিভ্রান্ত করতেই কয়েদিদের কাছ থেকে এই বুদ্ধি পেয়ে সোহেল হঠাৎ তৃতীয় ব্যক্তির নাম নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তে রামিসাকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলায় ডিএনএ স্যাম্পল পাওয়া যায়নি। তাই ময়নাতদন্তই বিচারে প্রাধান্য পাবে। দুলু বলেন, সাক্ষ্যে সোহেলের বিরুদ্ধে চার্জশিটে আনা সব অভিযোগ কনক্রিটলি প্রমাণিত হয়েছে। ধর্ষণ-হত্যা উভয় অপরাধে সোহেলকে আটকাতে স্বপ্না কোনো পদক্ষেপ নেননি। এটাই তার অপরাধ।
সোহেলকে নেশাগ্রস্ত দাবি করেন সরকার নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী। তার জবানবন্দির ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ার জন্য আদালতের কাছে প্রার্থনা জানান তিনি। এদিকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত এ মামলায় রায়ের জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/171273