যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে গুলিতে নিহত ৭
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন হামলাকারীও রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, একটি বাড়ি, আরেকটি বাসভবন ও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, নিহত সবাই হামলাকারীর পরিবারের সদস্য।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে একাধিক স্থানে বন্দুক হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাগুলো পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আইওয়ার মাসকাটিন শহরের দুটি বাসভবন ও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এক বিবৃতিতে মাসকাটিন পুলিশ বিভাগ জানায়, সোমবার (১ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১২ মিনিটের দিকে পার্ক অ্যাভিনিউয়ের একটি বাড়িতে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ও জরুরি সেবা কর্মীরা সেখানে পৌঁছে বাড়ির ভেতরে গুলিবিদ্ধ চারজনকে দেখতে পান। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। তদন্তকারীরা দ্রুত ৫২ বছর বয়সী রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ডকে সন্দেহভাজন হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করেন। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অবশ্য তিনি ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
কিছু সময় পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা একটি সেতুর কাছে ম্যাকফারল্যান্ডকে খুঁজে পান। তার শরীরে নিজের ছোড়া গুলির আঘাত ছিল। পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা তাকে চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এছাড়া তদন্ত করার সময় গোয়েন্দারা আরও ভুক্তভোগীর তথ্য পান। পরে তারা আরও দুজন পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং তাদের মৃত্যু গুলিবিদ্ধ হওয়ার কারণে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ মিল স্ট্রিটের আরেকটি বাসভবনে এবং অন্যজনের মরদেহ গ্র্যান্ডভিউ অ্যাভিনিউয়ের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, এই হামলার পেছনে পারিবারিক বিরোধ কাজ করেছে। নিহত সবাই সন্দেহভাজন হামলাকারীর পরিবারের সদস্য ছিলেন। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম বা বয়স প্রকাশ করেনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীর বিরুদ্ধে আগেও অপরাধমূলক রেকর্ড ছিল। তবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/170976