ঈদের দিনে জায়গা ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিলেন জিকো

ঈদের দিনে জায়গা ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিলেন জিকো
আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। দেশের সবাই যখন পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করছেন, তখন জাতীয় দলের ফুটবলারদের নামাজের পরপরই করতে হয়েছে অনুশীলন।
 
 
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ঢাকায় হোটেল হলিডে ইনে ক্যাম্প করেছে। সকালে হোটেল নিকটবর্তী মসজিদে নামাজ আদায় করেন জামালারা। সেখান থেকে সরাসরি কিংস অ্যারেনায় প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে। এক সময় নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো বছর দুয়েক পর ফিরেছেন দলে। তাই তার প্রতিক্রিয়া খানিকটা ভিন্ন, ‘ঈদের দিন আমাদের মুসলিমদের জন্য আনন্দের। পরিবারের সঙ্গে নেই, একটু খারাপ লাগছে, তবে ত্যাগ করতে হবে দেশের জন্য।’
 
 
২০২৩ সালে সাফে জিকো টুর্নামেন্ট সেরা গোলরক্ষক হয়েছিলেন। এরপরই ছন্দপতন। জাতীয় দলে আর সেভাবে খেলা হয়নি তার। আজ ঈদের দিনে আর অতীত টানতে চাননি তিনি, ‘আপনারা সবকিছুই জানেন। এটা অতীত। এ বিষয়ে আর কথা বলতে চাই না। আমি এখন কন্টিনিউ করতে চাই। নতুন কোচ আসছে। এখন আশা করছি ভালোকিছুর।’
 
 
আগে বাংলাদেশ দলে গোলপোস্টের নিচে জিকোর জায়গা ছিল নিশ্চিত থাকত। তবে গত দুই বছরে সেখানে মিতুল মারমা ও মেহেদী হাসান শ্রাবণ ছিলেন। জিকোর কণ্ঠে তাই নিজের জায়গা ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ, ‘লিগে খেলছি, আত্মবিশ্বাস আছে। জাতীয় দলে ফেরার জন্য অনেক কষ্ট করছি। গোলরক্ষক কোচ নয়ন ভাই অনেক সাপোর্ট করেছে। এই সিজন পুরোটাই খেলছি। জাতীয় দলে আসছি, ভালোই লাগছে। আমি নিজের সেরা দিতে পেরে খেলার আশা করি।’
 
জাতীয় ফুটবল দলের আরেক তারকা শেখ মোরসালিন। পরিবারের বাইরে ঈদ উদযাপন নিয়ে বলেন, ‘পরপর তিন ঈদ বাসার বাইরে। এটা আসলে টাফ, এটাও একটা ফ্যামিলি। মুহূর্তগুলো উপভোগ করছি। পরবর্তী ম্যাচ খুবই সামনে। আমরা খুবই এক্সাইটেড। চাইছি যেন ম্যাচ জিততে পারি।’
 
 
একেক কোচের একেক কৌশল। নতুন কোচ টমাস ডুলি নিয়ে মোরসালিন বলেন, ‘ভালো ট্রেনিং হয়েছে, উপভোগ করছি। তিনি খুব ফ্রেন্ডলি, ভুল হলে বুঝিয়ে দিচ্ছে।’
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/170558