ব্রিজবেন, নিউজিল্যাণ্ড মাতিয়ে আমেরিকার ক্রেসিণ্ডো স্টুডিওতে গাইবেন প্রতীক
কিছুদিন আগেই দীর্ঘদিন পর সপরিবারে দেশে এসেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী প্রতীক হাসান।
দেশে বেশ কয়েকটি স্টেজ শোতে পারফর্ম শেষে এরইমধ্যে অষ্ট্রেলিয়ার পূর্বঞ্চলীয় কুইসল্যাণ্ড রাজ্যের রাজধানী ব্রিজবেন-এ গত ৬ মে এবং গত ১৬ মে নিউজিল্যাণ্ডের অকল্যাণ্ডে দুটি ভিন্ন স্টেজ শো শেষ করে গতকালই দেশে ফিরেছেন তিনি।
ব্রিজবেন যেমন মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন ঠিক তেমনি ২০১৪-এর এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী অকল্যাণ্ডে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন তাও আবার স্টেডিয়ামে। দুটো শোই দারুন সফল।
দেশে ফিরেই প্রতীক হাসান জানান, আগামী ২৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বাংলাদেশি অধ্যুষিত স্টেট ভার্জিনিয়ার ফলস চার্জের ক্রেসিন্ডো ষ্টুডিওতে ওপেন এয়ার কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন তিনি। এই কনসার্টটি আয়োজন করেছে বাঙ্গালী কমিউনিটি পরিচালিত সামাজিক সংগঠক ‘দেশী ইভেন্টস গো’, ‘ব্রাইট স্টার’ এবং ‘পি. আর কুইন’। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে টিকিট সংগ্রহ করে বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এই কনসার্টে প্রবেশ করে শ্রোতারা প্রতীক হাসানের সঙ্গে মুজা ও সামির মাহমুদেরও গান উপভোগ করতে পারবেন।
আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান শিল্পীদের মেধা বিকাশের সাথে রুচিশীল আধুনিক শ্রোতাদের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে বাংলা সংস্কৃতি উন্নয়নে অবদান রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রতীক হাসান বলেন,‘ আমি যতোদূর জানি ভার্জিনিয়ার ডিএমভি এলাকায় তারাই প্রথম এতো বড় কনসার্টের আয়োজন করছে। তারা নতুন প্রজন্মের সাথে পরিচিত করিয়ে দিতে নতুন প্রতিভাবান শিল্পীদের নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন। এটি একটি অত্যাধুনিক ইউনিক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখানে হাইব্রিড অপশন থাকায় হঠাৎ বৃষ্টি চলে এলেও দুচিন্তার কিছু নেই, অটো-রুফ সক্রিয় হয়ে যাবে। তাদের এই আয়োজনকে সফল করতে আমি তাদের সঙ্গে আছি। তাদের স্বপ্ন ও লক্ষ্য পূরণে যেন আমিও আগামীতে পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমাকে এই আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য আয়োজক কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা। আশা করছি আমি, মুজা ও সামির আমরা গানে গানে শ্রোতা দর্শককে মুগ্ধ করতে পারবো। এখন শুধুই ২৭ জুনের অপেক্ষা আমাদের।
ব্রিজবেন ও নিউজিল্যাণ্ড-এর শো প্রসঙ্গে প্রতীক হাসান বলেন,‘ দুটি ভিন্ন তারিকে দুটি শো ভীষণ ভালো হয়েছে। যেহেতু প্রবাসী বাংলাদেশীদের আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে এই দুটি কনসার্ট, আমার মৌলিক গানগুলো দিয়ে এবং আব্বার কয়েকটি গান গেয়ে সবাইকে মুগ্ধ করার চেষ্টা করেছি। দুটি শোতেই দর্শকের মাঝে যে উন্মাদনা দেখেছি তা একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। আমিতো সবসময়ই বলি যে স্টেজ শোতে গান করার মতো আনন্দ ভালোলাগা আর কিছুতে নাই।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/169796