আজ চা দিবস, বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে জুন মাসে

আজ চা দিবস, বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে জুন মাসে

আজ ২১ মে, চা–দিবস। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন সামনে রেখে এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘চা–শিল্পের উন্নতি, সবুজ হোক অর্থনীতি’। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির আমেজ থাকার কারণে আজ দিবসটির মূল আনুষ্ঠানিকতা উদ্যাপিত হচ্ছে না। বাংলাদেশ চা বোর্ড (টি বোর্ড) জানিয়েছে, আগামী জুন মাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি উদ্যাপন করা হবে।

টি বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ জুন আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে দেশের চা–শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করবে সরকার। চা–বাগানের মালিক, সফল চাষি, রপ্তানিকারক ও শ্রমিকদের কাজের মূল্যায়ন করতেই এই পুরস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা এ খাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আরও অনুপ্রাণিত করবে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও ঐতিহ্যবাহী খাত। করোনাকালের ধাক্কা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ সামলে দেশের চা–বাগানগুলো এখন রেকর্ড উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু সিলেট বা চট্টগ্রাম নয়, উত্তরবঙ্গের সমতলেও এখন রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে।

এবারের প্রতিপাদ্যে টেকসই চা–শিল্প গড়তে জোর দেওয়া হয়েছে। পরিবেশের সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে চা উৎপাদন বাড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য। ‘সবুজ অর্থনীতি’র মডেল অনুসরণ করে চা–শিল্পের আধুনিকায়ন করা গেলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদি ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/169757