বগুড়ায় দুদক’র মামলায় জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী ও ক্রোকি পরোয়ানা
কোর্ট রিপোর্টার : সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপনসহ জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভুত ৩ কোটি ৫৫ লাখ ২৫ হাজার ৫০ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ ও বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য একেএম আসাদুর রহমান দুলুর (৫৯) বিরুদ্ধে গ্রেফতারিসহ ক্রোকি পরোয়ানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির সম্প্রতি ওই আদেশ দেন। পলাতক আসামি আসাদুর রহমান দুলু বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার কুন্দইশ গ্রামের মৃত বেলায়েত আলী জোয়াদারের ছেলে এবং তিনি বর্তমানে ফুলদিঘী (জাহানারা মঞ্জিলে) বসবাস করেন।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয় বগুড়ার সহকারী পরিচালক তারিকুল রহমান বাদি হয়ে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া জেলা পরিষদের তৎকালীন সদস্য আসাদুর রহমান দুলুকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করলে দুর্নীতি দমন কশিনের সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান মামলাটি রেকর্ড করেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে ওই আসামি আসাদুর রহমান দুলুকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য আদেশ জারি করা হলে তিনি নিজে বিগত ২০২০ সালের ৫ মার্চ নিজে স্বাক্ষর করে ওই আদেশ গ্রহণ করেন। পরে তিনি ওই বছরের ২৫ জুন নিজে স্বাক্ষর করে দুর্নীতি দমন কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন।
দুলু তার দাখিল সম্পদ বিবরণীতে ২ কোটি ৫২ লাখ ৫ হাজার ৪২২ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা প্রদান করেন। দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন মামলাটি তদন্ত শেষে ওই আসামির বিরুদ্ধে তথ্য গোপনসহ জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভুত ৩ কোটি ৫৫ লাখ ২৫ হাজার ৫০ টাকার টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/168843