বগুড়ার সারিয়াকান্দির ইজারাকৃত যমুনার বালুমহালের রায় পেল ফাবিহা ট্রেডার্স

বগুড়ার সারিয়াকান্দির ইজারাকৃত যমুনার বালুমহালের রায় পেল ফাবিহা ট্রেডার্স

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি: সারিয়াকান্দির যমুনা নদী থেকে নারাপালা বালু মহালের বালু উত্তোলন এবং স্তুপ করার পক্ষে রায় পেয়েছে ফাবিহা ট্রেডার্স। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন এ রায় প্রদান করেছেন। এর আগে ফাবিহা ট্রেডার্স কর্তৃক উত্তোলিত চর কুমারপাড়া বালু মহালের বালু জব্দ করা হয়েছিল এবং ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তখন থেকেই গত কয়েকমাস সারিয়াকান্দিতে বালু বিক্রি বন্ধ ছিল।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৩ সালে ১ বছরের জন্য যমুনা নদীর কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নারাপালা মৌজা থেকে বালু উত্তোলনের জন্য ইজারাপ্রাপ্ত হয় মেসার্স ফাবিহা ট্রেডার্স। এর জন্য তিনি সরকারি কোষাগারে ১ কোটি ৫২ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা জমা প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু উত্তোলন করতে না পারায় হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন এবং আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৭ মাসের জন্য বালু উত্তোলনের কার্যাদেশ প্রাপ্ত হন। পরে তারা এ বছরের প্রথম দিকে বালু উত্তোলন শুরু করেন এবং অনুমোদিত ৫ টি পয়েন্টে বালু মজুদ করতে থাকেন।

এমতাবস্থায় কর্ণিবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি ও উপ সহকারী কর্মকর্তা চর কুমারপাড়া বালুর পয়েন্টের নামে সুজন আলীকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নামে সারিয়াকান্দি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সুমন এ পয়েন্টের ১১ লাখ ৫০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করে আদালতে জব্দ তালিকা পেশ করেন। এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন ফাবিহা ট্রেডার্স এর পক্ষে রায় প্রদান করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, জব্দকৃত আলামত স্তূপকৃত বালুর প্রকৃত মালিক ফাবিহা ট্রেডার্সের পক্ষে আমমোক্তার কে. এম. আজিজুল কবির কে বুঝিয়া দিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করা হইল।

সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অনুযায়ী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইজারাদারের পক্ষে আজিজুল কবিরকে জব্দকৃত বালু বুঝিয়ে দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/168550