৪৪ বলে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে রেকর্ড গড়লেন রিকেলটন

৪৪ বলে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে রেকর্ড গড়লেন রিকেলটন

স্পোর্টস ডেস্ক : পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর রানের গতি আরও বাড়ালেন রায়ান রিকেলটন। ৪৪ বলে স্পর্শ করলেন তিন অঙ্ক। তাতে হাতে ধরা দিল দারুণ একটি অর্জন- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলে দ্রুততম মেঞ্চুরি।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে বুধবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিস্ফোরক ইনিংসে সনাৎ জয়াসুরিয়া ও তিলাকা ভার্মার রেকর্ড ছাড়িয়ে যান রিকেলটন। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে এতোদিন রেকর্ড ছিল শ্রীলঙ্কান গ্রেট ও ভারত জাতীয় দলের তারকা ব‍্যাটসম‍্যানের।

২০০৮ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে রেকর্ড গড়েন জয়াসুরিয়া। চলতি আসরে আহমেদাবাদে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ঝড়ো সেঞ্চুরিতে তার রেকর্ড স্পর্শ করেন তিলাক।

ব‍্যাটিংয়ে নেমে প্রথম তিন বলে রান নিতে পারেননি রিকেলটন। পরের বলে সিঙ্গল নিয়ে পান রানের দেখা। প্রাফুল হিঙ্গের পরের ওভারের প্রথম বল ওড়ান ছক্কায়।

এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি রিকেলটনের। কামিন্সের ওভারে মারেন জোড়া চার। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাকিব হুসেইনের বলে দুই ছক্কা ও এক চারে নেন ১৮ রান।

অষ্টম ওভারে নিতিশ কুমারকে উড়িয়ে ছক্কা মেরে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার, ২৩ বলে।

ব‍্যাটিংয়ে নেমে প্রথম তিন বলে রান নিতে পারেননি রিকেলটন। পরের বলে সিঙ্গল নিয়ে পান রানের দেখা। প্রাফুল হিঙ্গের পরের ওভারের প্রথম বল ওড়ান ছক্কায়।

এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি রিকেলটনের। কামিন্সের ওভারে মারেন জোড়া চার। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাকিব হুসেইনের বলে দুই ছক্কা ও এক চারে নেন ১৮ রান।

অষ্টম ওভারে নিতিশ কুমারকে উড়িয়ে ছক্কা মেরে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার, ২৩ বলে।

কামিন্সের ওভারে জোড়া চারের পর শিভাম দুবেকে মারেন জোড়া ছক্কা। পরে নিতিশকে ছক্কা ও চার মারার পর সিঙ্গল নিয়ে স্পর্শ করেন সেঞ্চুরি, টি-টোয়েন্টিতে তার চতুর্থ।

তিন অঙ্ক ছুঁয়ে কিছুটা মন্থর হয়ে যান রিকেলটন। ইনিংসের শেষ দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে শেষটা ভালো করেন তিনি। ৫৫ বলে ১০ চার ও আট ছক্কায় ক‍্যারিয়ার সেরা ১২৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

মুম্বাইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও এটি। ২০০৮ সালে জায়াসুরিয়ার অপরাজিত ১১৪ ছিল আগের সর্বোচ্চ।

রিকেলটনের সেঞ্চুরি ও অন‍্যদের অবদানে ৫ উইকেটে ২৪৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে মুম্বাই।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/167140