আর্সেনালকে টপকে শীর্ষে ম্যান সিটি

আর্সেনালকে টপকে শীর্ষে ম্যান সিটি

স্পোর্টস ডেস্ক : বার্নলিকে ১-০ গোলে সিটি হারানোর পর এই মুহূর্তে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ দুই দলের পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান দুটিই সমান। আর্সেনাল ও সিটি দুই দলেরই ৩৩ ম্যাচ ৭০ পয়েন্ট এবং গোল ব্যবধান +৩৭। 

ফলে শিরোপা নির্ধারণে পরবর্তী মানদণ্ড কে বেশি গোল করেছে, সেই হিসাবটাই সামনে আনতে হতো। আর এ হিসাবে টানা ২০০ দিন শীর্ষে থাকা আর্সেনালকে (৬৩ গোল) হতাশ করে চ্যাম্পিয়ন হতো সিটিই (৬৬ গোল)। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, গোল কম করে সিটির কাছে শীর্ষস্থান হারালেও আর্সেনালের শিরোপা জয়ের সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। লিগে দুই দলের পাঁচটি করে ম্যাচ বাকি। এই পাঁচ ম্যাচে হতে পারে যেকোনো কিছু। তবে লম্বা সময় পর্যন্ত দাপট দেখানোর পর শেষ মুহূর্তে শীর্ষস্থান হারানো আর্সেনালের জন্য হতাশারই। আগের তিন মৌসুমের দুটিতেই অনেকটা একইভাবে শেষ মুহূর্তে খেই হারিয়ে সিটির কাছে শিরোপা হাতছাড়া করেছে তারা।

গতকাল রাতে বার্নলির মাঠ টার্ফ মুরে আর্লিং হলান্ডের গোলে মাত্র ৫ মিনিটে লিড নেয় সিটি। এগিয়ে যাওয়ার পর থেকেই গ্যালারিতে উপস্থিত সিটি সমর্থকেরা স্লোগান ধরেন ‘উই আর টপ অব দ্য লিগ’। ম্যাচ শেষেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। হলান্ডের একমাত্র গোলটি তাদের জয় এনে দেয় এবং আট মাস পর প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে তুলে দেয় সিটিকে। মৌসুমের শুরুতে প্রথম ম্যাচেই উলভসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছিল সিটি। এরপর আর শীর্ষে ফেরা হয়নি তাদের।

আর্সেনালের জন্য হিসাবটা বদলে গেছে গত কয়েক দিনে; বিশেষ করে শেষ দুই লিগ ম্যাচে বোর্নমাউথ ও সিটির বিপক্ষে হারে শিরোপা হাতছাড়া করার ঝুঁকি বেড়েছে। অথচ এই দুই ম্যাচে জয় পেলে শিরোপা লড়াইটাকে তারা নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারত। আর্সেনাল না পারলেও এই সুযোগটাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে সিটি। টানা তিন ম্যাচ জিতে এখন শীর্ষে উঠে এসেছে তারা। আর এই তিন জয়ের মধ্যে গত সপ্তাহে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচও আছে। এই মুহূর্তে ইতিহাসকেও পক্ষে পাচ্ছে সিটি। ইতিহাস বলছে, ন্যূনতম ৩৩ ম্যাচ খেলার পর শীর্ষে উঠে কখনোই শিরোপা হাতছাড়া করেনি ‘সিটিজেন’রা। এবারও তেমনটা হয় কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

সিটির শীর্ষে ওঠার বিপরীতে এই ম্যাচে হেরে অবনমন নিশ্চিত হলো বার্নলির। গত পাঁচ মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমিত হলো তারা। এর আগে অবনমনের স্বাদ পেয়েছে উলভারহ্যাম্পটনও।

 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/166187