নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: এনবিআর চেয়ারম্যান
সোলার প্যানেলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য কেজি প্রতি প্রায় এক ডলার হলেও কাস্টমস তা তিন ডলার হিসাবে মূল্যায়ন করায় আমদানিতে কার্যকর খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার ও এনবিআর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট টিম কাজ করবে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে আগারগাঁওয়ের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতির (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ।
মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, কাস্টমসের উচ্চ মূল্যায়নের কারণে সোলার প্যানেল আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় চাপছে, যা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে অন্তত ৪২ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে ইউরোপীয় বাজারে অর্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
বিএসআরইএ সভাপতি বলেন, ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচলিত জ্বালানিতে বছরে প্রায় ১৮৮ কোটি টাকার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হয়। অথচ একই পরিমাণ সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ইক্যুইপমেন্ট স্থাপনে খরচ হয় মাত্র ৪ থেকে ৪.৫ কোটি টাকা, যা এককালীন ব্যয় এবং ২৫ বছর পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে কাস্টমসের মূল্যায়ন পদ্ধতিকে প্রধান সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সোলার প্যানেলের দাম কেজি প্রতি প্রায় ১ ডলার হলেও কাস্টমস সেটিকে ৩ ডলার হিসেবে মূল্যায়ন করছে, ফলে নামমাত্র শুল্ক থাকলেও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/166022