বগুড়ার সোনাতলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কায় তড়িঘড়ি করে বোরো ধান কাটছেনকৃষক

বগুড়ার সোনাতলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কায় তড়িঘড়ি করে বোরো ধান কাটছেনকৃষক

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। বর্তমানে হাটে-বাজারে প্রতি মণ নতুন ধান ১১শ’ টাকা থেকে ১৩শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় কৃষক দ্বিগুণ মজুরি দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে মাঠের ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় ১০ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমিতে ধান রোপল করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ১০ হাজার ২২০ হেক্টর। গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় ৩৮০ হেক্টর জমিতে বেশি পরিমাণ বোরো ধান চাষ করা হয়েছে।

হাইব্রিড ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করেছে কৃষক। জাতগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যেই ব্রি-ধান ৮৮, ৮৯, কাটারিভোগ জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। এমনকি হাটে বাজারে কৃষক নতুন ধান বিক্রি করতে দেখা গেছে। প্রতি মণ ধান ১১শ’ টাকা থেকে ১৩শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গতকাল সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে কৃষকদেরকে পুরোদমে ধান কাটতে দেখা গেছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় শ্রমিক সংকট রয়েছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় তিনগুণ মজুরি দিয়ে ধান কাটতে দেখা গেছে। প্রতিবিঘা জমি ২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২২শ’ টাকা দর চুক্তিতে কাটতে দেখা গেছে। তবে এখনও কোন এলাকায় কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা শুরু হয়নি। ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় ওই এলাকার কৃষক তড়িঘড়ি করে মাঠের ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এ বিষয়ে কামারপাড়া গ্রামের কৃষক গোলাম সোবহানি বুলবুল বলেন, এবার তিনি ৫০ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছেন। ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কায় দ্বিগুণ মজুরি দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধান কাটা শুরু করেছি। মহেষপাড়া এলাকার সাইদুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যেই ৬ বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে। প্রতি মণ ধান ১১শ’ থেকে ১৩শ’ টাকা দরে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কাায় অনেক এলাকার  কৃষক তড়িঘড়ি করে ধান কাটা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই হাটে-বাজারে নতুন ধান বেচা-বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতি মণ ধান ১১শ’ টাকা থেকে শুরু করে ১৩শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।দ

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/165989