সাড়ম্বরে ১৯তম বিবাহবার্ষিকী পালন অভিষেক-ঐশ্বর্যর

সাড়ম্বরে ১৯তম বিবাহবার্ষিকী পালন অভিষেক-ঐশ্বর্যর

১৯তম বিবাহবার্ষিকী পালন করলেন বলিউডের পাওয়ার কাপল অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বর্য রাই। ২০০৭-এর ২০ এপ্রিল সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন এই জুটি। প্রায় দুই দশকের দাম্পত্য তাঁদের। মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে তাঁদের হ্যাপি ফ্যামিলি। এই বিশেষ দিনে সামনে এসেছে অভিষেকের পুরোনো এক সাক্ষাৎকার। যেখানে তাঁদের প্রথম দেখা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছিলেন অভিনেতা। তখন তিনি ছবির কাজে সহকারী হিসেবে সুইৎজ়ারল্যান্ডে গিয়েছিলেন।

সেখানেই এক বন্ধুর মাধ্যমে প্রথম আলাপ ঐশ্বর্যর সঙ্গে। অন্য দিকে, বিয়ে নিয়ে ঐশ্বর্যের ভাবনাও ছিল স্পষ্ট। একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, বিয়ে মানে আসলে একে-অন্যের উপরে বিশ্বাস রাখা। সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই তাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগেনি। মাঝে বিভিন্ন সময়ে বচ্চন পরিবারের অন্তরকলহ নিয়ে নানা খবর সামনে আসে। সমস্ত রটনাকে নস্যাৎ করে অভিষেক জানিয়েছিলেন, ঐশ্বর্য তাঁর বাবা-মায়ের কাছে দ্বিতীয় মেয়ের মতো হয়ে উঠেছেন। এ দিনও একসঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন তাঁরা।

মাঝে এক অনুষ্ঠানে তাঁদের মনোমালিন্য নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ঐশ্বর্য নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে খোলামেলা উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, অন্য সব সম্পর্কের মতো তাঁদের মধ্যেও মতের অমিল হয়। তবে আসল চমক ছিল অন্য জায়গায়। প্রশ্ন ওঠে, ঝগড়ার পরে প্রথমে কে ক্ষমা চান? অনেকেরই ধারণা ছিল, হয়তো অভিষেকই আগে এগিয়ে আসেন। কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করে ঐশ্বর্য জানান, তিনিই আগে ক্ষমা চান।

তাঁর কথায়, তিনি দেরি না করে দ্রুত ‘সরি’ বলে ঝগড়া মিটিয়ে ফেলতে পছন্দ করেন। এই ঘটনাই যেন বুঝিয়ে দেয়, দীর্ঘদিন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ছোটখাটো বোঝাপড়াই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। পেশাগত ক্ষেত্রেও এই জুটি একাধিক সফল ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। পর্দায় তাঁদের রসায়ন যেমন প্রশংসিত হয়েছে, তেমনই বাস্তব জীবনেও তাঁদের মিলন এক আদর্শ উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/165971