আজ উৎসবের নগরী বগুড়া
স্টাফ রিপোর্টার : আজ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে বগুড়া। বগুড়ার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বগুড়া আগমন উপলক্ষ্য বগুড়া শহর পরিণত হয়েছে আনন্দ নগরীতে। সকাল থেকে দলে দলে নেতকর্মীদের পাশাপাশি বগুড়ার আপামর মানুষ তারেক রহমানকে এক নজর দেখতে রাস্তার দুই পাশে অপেক্ষা করতে থাকেন। তাদের চোখে-মুখে শুধু কৌতুহলী প্রশ্ন কখন আসবেন তাদের প্রিয় সন্তান?

এর আগে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে রাতে বগুড়াতে আসলেও তাকে অনেকেই দেখা থেকে বঞ্চিত হন। তাই সেই ভোর থেকে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজের আশেপাশে উৎসুক জনতা ভিড় করেন তাদের প্রিয় সন্তানকে স্বাগত জানাতে।

তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে গতকাল রোববার রাত থেকেই শহরে আসতে শুরু করেন দূর-দূরান্তের নেতাকর্মীরা। আর সকাল থেকে এ শহরের মানুষের মাঝে অন্যরকম এক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে শহরের সৌন্দর্য্যবর্ধনের কাজ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। তারেক রহমানকে এক নজর দেখতে সেই ভোর থেকে বগুড়া সার্কিট হাউজ, কোর্ট চত্বর, পৌরসভা চত্বরসহ এর আশেপাশে দলীয় নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ভিড় জমাতে থাকেন। বগুড়াবাসী দীর্ঘ ১৭ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত থেকে তারা আশায় বুক বেঁধেছেন বগুড়ার সন্তান তারেক রহমানরে ওপর। বগুড়াবাসীর সেই প্রত্যাশা পূরণে অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন এবং বাস্তবায়ন করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবার বগুড়া এসছেন।

আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর। এসময় প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সঙ্গে রয়েছেন। বগুড়ায় পৌঁছলে ডা. জুবাইদা রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার।

বগুড়া সফরে দিনের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত ভবন উদ্বোধন করেন। এরপর বগুড়াসহ সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এরপর বহুল প্রতিক্ষিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বগুড়া পৌরসভা কার্যালয়ে তিনি নবসৃষ্ট দেশের ১৩তম এই সিটি কর্পোরেশনের উদ্বোধন করে বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/165762