বগুড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় যানজট নিরসনে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শহরের মধ্যে ট্রাক চলাচল কঠোরভাবে বন্ধ করা, সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড স্থানান্তর, ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া, ফুটপাত রেলিং দেওয়া, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায় বন্ধ করাসহ বগুড়ার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে।
আজ রোববার (১২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ করতোয়ায় জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সভায় বক্তব্য রাখেন বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এড. একেএম মাহবুবর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার রমজান আলী, জেলা বিএনপির সহসভাপতি তৌহিদুল আলম মামুন, বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহজাহান রিপন, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি রাহাত রিটু, সাবেক কাউন্সিলর মো. খোরশেদ আলম প্রমুখ।
সভায় বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানসহ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বলেন, বগুড়ার জন্য মাস্টার প্লান দরকার। মাস্টারপ্লান ছাড়া কোন কাজ করলে পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে।
তিনি, বগুড়ায় মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে তিনি উন্নয়ন কাজের জন্য যেসব টেন্ডার হয়েছে সেই টেন্ডারের কাজ যাতে নির্ধারিত সময়ে শেষ করে ঠিকাদারেরা সেই দিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, এখন থেকে বগুড়ায় রাত ৮টার আগে এবং সকাল ৮টার পর কোন ট্রাক প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনার অভাব আছে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ করতে হবে। সভায় শহরের স্টেশন রোডে স্টেশনের পশ্চিমে ভ্রাম্যমাণ দোকানীদের বসার ব্যবস্থা করা, মোড়ে কোন গাড়ি না রাখা, রাজাবাজারের রাস্তা সচল করা, কাছাকাছি ইউটার্ন না রাখার কথাও বলেন তিনি। তিনি, সমন্বিতভাবে বগুড়ার সকল সমস্যা দূর করার প্রতি জোর দেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা রোধ করতে তাদের নাম ঠিকানা পুলিশে দেওয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন, এরা আমাদের প্রতিবেশী, আমরা জানি কারা অপরাধের সাথে জড়িত।
তাদের নাম দিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি কুরিয়ার সার্ভিসের কর্তৃপক্ষকে বলা আছে, তারা যেন মেটাল ডিটেকটর দিয়ে পার্সেল পরীক্ষা করে যাতে চাকু বা ক্ষতিকর ধাতব কোন বস্তু আছে কি না? থাকলে সেগুলো সরবরাহ করা হবে না।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/164898