দলীয় কেউ যদি প্রিজাইডিং অফিসার হলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে : পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম বাদশা
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, আমরা চাই বগুড়ায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে; যে নির্বাচনের জন্য আমরা ১৭ বছর আন্দোলন করেছি।
তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া প্রেস ক্লাবে আয়োজতি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ১৭ বছর আন্দোলন করেছি, রক্ত দিয়েছি। কাজেই সেই নির্বাচন কোন অবস্থাতেই প্রশ্নবিদ্ধ হবে এটা আমরা চাই না। আমরা সব সময় আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালিয়ে এসেছি।
আমরা চাই ভয়ভীতিহীন সুন্দর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। যেখানে জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারবেন এবং তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারবেন, এটা আমরা চাই। তিনি আরও বলেন, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন করেছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু এই নির্বাচন নিয়ে প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বার বার সংবাদ সম্মেলন করছেন।
জামায়াতের অভিযোগ প্রসঙ্গে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, আমাদের কোন নেতাকর্মী সমর্থক, জামায়াতের কোন নেতাকর্মী সমর্থককে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন এমন অভিযোগের বিষয়ে মিডিয়ায় কোন প্রচার আমাদের চেখে পড়েনি। রাজনৈতিক দলের কেউ যদি প্রিজাইডিং অফিসার হয়ে থাকেন তাদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আমরাও চেয়েছি প্রত্যেক কেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামেরা দেওয়ার জন্য। আমরা জেলা পুলিশকেও বলেছি নির্বাচনে টহল জোরদার করার জন্য। কিন্তু আজকে আমরা লক্ষ্য করছি, এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে, নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে তারা ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের এক পর্যায়ে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘যারা নেকাব পরে ভোট কেন্দ্রে যাবেন, নেকাব খুলে এজেন্টদের মুখ দেখে ভোট দিতে পারবেন, নেকাব পরে কেউ ভোট দিতে পারবেন না।’
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/164415