বগুড়ার সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলে মোবাইল ফোন টাওয়ার চান এলাকাবাসী
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি : সারিয়াকান্দির দুর্গম চরাঞ্চলে মোবাইল ফোন টাওয়ার চান এলাকাবাসী। ৫ গ্রামের ৫০ হাজারের বেশি গ্রামবাসী নেটওয়ার্ক সুবিধা না পেয়ে নানা ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ বিষয়ে বগুড়া মোবাইল অপারেটর কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গ্রামবাসী।
বগুড়া সারিয়াকান্দির কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ধারাবর্ষা, নব্বইয়ের চর, ইন্দুরমারা, পাকুরিয়া এবং ছোনপচা গ্রামের লোকজন মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ৬ টি গ্রামে প্রায় অর্ধলাখের বেশি মানুষের বসবাস।
এর মধ্যে ইন্দুরমারা, ছোনপচা এবং পাকুরিয়া গ্রামে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস। এছাড়া জামথল, নব্বইয়ের চর এবং আনন্দ বাজার এলাকাতেও প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ৫ টি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
এ ৫ গ্রামের সীমানার মধ্যে ফোন নেটওয়ার্ক সীম বন্ধ দেখায়। এতে এসব গ্রামের লোকজন জরুরি প্রয়োজনে বাইরের এলাকার সাথে যোগাযোগ করতে পারছেন না। এসব গ্রামে বড় কোনও ঘটনা ঘটলে জরুরি প্রয়োজনে তারা কারও সাথে যোগাযোগ করতেও পারছেন না। ফলে এসব গ্রামে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ প্রবণতা বেরেই চলছে। ফোনের নেটওয়ার্ক পেতে তাদের পাশের কোনও গ্রামে যেতে হয়। এ সমস্যা থেকে সমাধান পেতে গ্রামবাসীর পক্ষে গত ৫ এপ্রিল ফোন অপারেটর বগুড়া বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন চর শোনপচা গ্রামের আয়েন উদ্দিন শেখ।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সাথে যোগাযোগের অন্যতম নেটওয়ার্ক হলো মোবাইল ফোন। দু:খের বিষয় আমাদের চরের প্রায় ৫ টি গ্রামের অর্ধলাখ মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কারণ আমাদের আশেপাশে কোনও ফোন টাওয়ার নেই তাই নেটওয়ার্কও পায় না। ফোনের মেগাবাইট কিনে তা ব্যবহার করা যায় না। এঅবস্থায় ফোন অপারেটর কাছে আবেদন গ্রামবাসীর সুবিধার্থে এখানে একটি ফোনের টাওয়ার স্থাপন করা হোক।
গ্রামীণফোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজার ওবাইদুর রহমান রুবেল বলেন, এ বিষয়ে গ্রামবাসীকে প্রথমে ১২১ নাম্বারে ডায়াল করে তাদের সমস্যার কথা আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে হবে। এছাড়া গ্রামবাসীর আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করা হবে। আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/164247