ঈদুল ফিতরের ছুটির আমেজ আজও কাটেনি শহরে নেই চিরচেনা কোলাহল ও যানজট
স্টাফ রিপোর্টার : ঈদের আমেজ কাটেনি শহরে। ঈদের ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) খুলেছে অনেক অফিস। তবুও অচেনা বগুড়া শহর। চারিদিকে কোলাহল নেই। সড়কে নেই রিকশা এবং গাড়ির জট। রাস্তার পাশে ও অলিগলির দোকান ও শোরুমের সার্টারগুলো এখনও বন্ধ।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ছিল ঈদের পরের চতুর্থ দিন। শহরের মার্কেটের দোকানের বেশিরভাগ বন্ধ ছিল। খোলেনি হোটেল, তবে খোলা ছিল শহরের অভিজাত এলাকার রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুডের দোকানগুলো। শহরের বাইরে থেকে যারা অতিপ্রয়োজনে এসেছেন তারা পড়েছেন বিপদে। এছাড়াও শহরের যানবাহনে সংকট ছিল প্রকট। যারা বের হয়েছেন তারা প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছিল ঈদ উপলক্ষ্যে।
এবারের ঈদের ছুটি ছিলঅন্যান্য বছরের তুলানয় একটু বেশি। এছাড়াও মাঝের এক-দু’দিনের অফিস এর ছুটি ম্যানেজ করে ছুটি আর বেড়ে ১২ দিন পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এই জন্য লম্বা ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশসহ বগুড়া। এই ছুটির মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান সেড়ে ফেলছেন।
এরকমই একজন বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকার মিসেস মিলা ইসলাম। তার মেয়ে মৌসুমীর বিয়ের কথাবার্তা চলছিল আগে থেকেই। কিন্তু ব্যাটে-বলে মিলছিল না। হঠাৎ করেই বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। অল্প সময়ের জন্য তাদের কেনাকাটা করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) শহরে এসেছিলেন কেনাকাটা করতে। কেনাকাটা শেষে শহরের হোটেলে দুপুরের খাবার খাবেন। কিন্তু তারা পড়েন বিপাকে। হোটেল বন্ধ। চা খাবেন তারও উপাই নেই। শেষে রাস্তার পাশে থেকে পানি-বিস্কুট খেয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে শশুর বাড়ি উপশহরে নিজের বাবা-মা ভাইবোন নিয়ে এলাকায় দাওয়াত খেতে এসেছেন সোয়াইব রহমান। খেয়ে তার পরিবারের চারজনকে নিয়ে রিকশার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রায় ঘন্টাখানেক দুটো রিকশা পাচ্ছিলেন না, যা পাচ্ছিলেন তারা উপশহর থেকে মালগ্রাম দক্ষিণপাড়া ফিড়তে ৫০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা চাচ্ছিলেন। শেষে ১৬০ টাকায় বাড়ি ফিরেন।
একই কথা জানালেন বগুড়া নিউ মার্কেটের শাড়ির দোকানের একজন ব্যবসায়ী ওসমান। কর্মচারী নেই নিজেই দোকান খুলে বসে আছেন, ক্রেতা নেই। দুই একজন আসছেন তারা বেশিভাগই বিয়ের কেনাকাটা করছেন। বললেন, আরও একসপ্তাহ পর স্বাভাবিক হবে মার্কেটের বেচাকেনা।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/162275