ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে আগুন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে আগুন

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় বাজান গ্রুপ–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আলজাজিরার খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসরায়েলের জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড অ্যাডম জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত একজন আহত হয়েছেন। উত্তর ও মধ্য ইসরায়েলসহ জেরুজালেম এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজার পরপরই হামলার খবর পাওয়া যায়।

তাৎক্ষণিকভাবে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি-না, সে বিষয়েও তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেন, অবকাঠামোগত স্থাপনাগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া অধিকাংশ আবাসিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ইতোমধ্যে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি এলাকাগুলোতেও দ্রুত সংযোগ চালু করা হবে।

এর আগে, গত বছর ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত চলাকালেও হাইফার এই তেল শোধনাগারটি হামলার শিকার হয়েছিল।

এদিকে পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোরে ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায়। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র, যার একটি অংশ কাতারের মালিকানাধীন।

এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে। ইরানের হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্স–এর কিছু অংশে আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতেও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনাগুলোতে ইরানের হামলা জোরদার হওয়ায় চলমান সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে এবং এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে পড়তে পারে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/161890