সম্পদশালী কেউ যেন চরের জমি না পায় : নুরুল হক নুর

সম্পদশালী কেউ যেন চরের জমি না পায় : নুরুল হক নুর

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর বলেছেন, চরে যার দলিল আছে সে জমি ভোগ করবে। আর যে সমস্ত জমিগুলো লিজ দেওয়া হয় ইউএনও কিংবা ডিসির মাধ্যমে সেই জমিগুলো আপনারা যে ভূমিহীন তাকে যেন দেয়। যার জমি আছে, যার অর্থ আছে, সম্পদশালী-ব্যবসায়ী সে যেন চরের জমি না পায়।

আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে গলাচিপা পৌরসভার শান্তিবাগ এলাকায় দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় গলাচিপা খাল ও এর শাখা খালগুলো পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলেদের মাছ ধরার ক্ষেত্রেও ইজারা প্রথা বন্ধের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয় সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবে, এখানে কোনো ইজারা হবে না।

সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়।

এ সময় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। সেই তালিকা অনুযায়ী চরের জমি বণ্টন করা হবে। প্রভাবশালী কেউ যেন জমির সুবিধা নিতে না পারে।

তিনি বলেন, এই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনটি গলাচিপা-দশমিনার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় নির্বাচন। আমরা এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গলাচিপায় কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। শুধু এখানেই নয়, বাংলাদেশের কোথাও এবার নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সংঘাত-সহিংসতা হয়নি। এটা সরকারি দলের দায়িত্বশীলতার পরিচয়। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নিজ হাতে কোদাল নিয়ে মাটি কেটে গলাচিপা খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুর।

খাল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/161510