বইমেলায় সবার দৃষ্টি কেড়েছে "পুতুলনাট্য"

বইমেলায় সবার দৃষ্টি কেড়েছে "পুতুলনাট্য"
ঢাবি প্রতিনিধি : অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ এ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করছে পুতুলনাট্য। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনকে ঘিরে। সাংস্কৃতিক এই পরিবেশনার আয়োজন করেছে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার।
 
আজ রোববার (৮ মার্চ) বইমেলা প্রাঙ্গণে সরেজমিনে দেখা যায়, বইয়ের স্টলগুলোতে দর্শনার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলক কম হলেও পুতুলনাট্যের মঞ্চের সামনে ভিড় করছেন শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ দর্শনার্থীরাও। পুতুলের প্রাণবন্ত অভিনয়, সংলাপ ও গল্প দর্শকদের মনোযোগ কাড়ছে।
 
বইমেলার সাংস্কৃতিক আয়োজনে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে এই পুতুলনাট্য। প্রতিদিন বিকেল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণের নির্ধারিত স্থানে দর্শকদের জড়ো হতে দেখা যায়। পুতুলের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা, হাস্যরস ও শিক্ষামূলক বিষয় উপস্থাপন করায় দর্শকদের আগ্রহও বাড়ছে।
 
মিরপুর থেকে সন্তানকে নিয়ে বইমেলায় ঘুরতে এসেছেন আসমা বেগম। তিনি বলেন, “মেলায় আসার মূল উদ্দেশ্যই ছিল সন্তানকে পুতুলনাচ দেখানো। শিশুদের জন্য এমন আয়োজন সত্যিই দারুণ।
 
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পুতুলনাট্যের মাধ্যমে শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি সমাজের নানা বিষয় সহজ ও আনন্দঘন উপায়ে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। নাট্যদলের সদস্যরা জানান, বইমেলায় আসা শিশুদের কাছে বইয়ের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও আকর্ষণীয় করে তুলতে তারা এই আয়োজন করেছেন।
 
পুতুলনাট্য দেখতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, বইমেলায় এমন আয়োজন শিশুদের জন্য বিশেষ আনন্দের। পুতুলের অভিনয়, সংলাপ ও গল্প বলার ভঙ্গি দর্শকদের মুগ্ধ করছে। অনেক অভিভাবকই তাদের সন্তানদের নিয়ে এই পরিবেশনা উপভোগ করছেন।
 
কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের সদস্যরা জানান, বইমেলা চলাকালীন নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিত পুতুলনাট্য মঞ্চস্থ করা হবে। মেলার শেষ দিন পর্যন্ত দর্শনার্থীরা এই পরিবেশনা উপভোগ করতে পারবেন।
 
দর্শনার্থীদের মতে, বইয়ের পাশাপাশি এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন বইমেলার পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য করে তুলেছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/160313