ইরানকে সামরিক সহায়তার খবর অস্বীকার চীনের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনে তেলের মোট চাহিদার ৭০ শতাংশ আমদানি করা হয়। এর প্রায় অর্ধেক আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। আমদানিকৃত তেলের বড় অংশ ইরান থেকে এলেও বেইজিং ইরাক, সৌদি আরব ও কুয়েতসহ অন্য দেশ থেকেও তেল কেনে।
এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি অবনতির চিত্র চীন অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক পারমাণবিক আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার ওমান, ইরান এবং ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই আলাপের সারাংশ হলো-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে লাইনচ্যুত করেছে, যা অঞ্চলটিকে অপরিবর্তনীয় অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে।
চীন ক্রমাগত যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে। বেইজিং ইরান সরকারকে বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেছে এবং স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা ইরানের নিজস্ব ভূখণ্ড ও স্বার্থ রক্ষার অধিকারকে সমর্থন করে। তবে, চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের কোনো প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপকে সমর্থন করেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ বা সামরিকভাবে সাহায্য করার কথা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, তাদের সমর্থন কেবল রাজনৈতিক ও নৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/159598