দুরে থেকেও অধরা খানের প্রত্যাশা
অভি মঈনুদ্দীন ঃ বেশকিছু দিন হলো নতুন সিনেমার শুটিং-এ নেই, নেই নতুন সিনেমার মুক্তি। কিন্তু তারপরও যেহেতু তিনি বাংলাদেশের সিনেমার নায়িকা, তাই চলচ্চিত্রকে ঘিরেই তার যতো ভাবনা, প্রত্যাশা। একটি নতুন নির্বাচিত সরকার এখন ক্ষমতায়। কিছুদিন হলো নতুন নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে। নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে অন্যান্য সকল শিল্পীদের মতো চিত্রনায়িকা অধরা খানেরও রয়েছে প্রত্যাশা। অধরার প্রত্যাশা, নতুন সরকার যেন চলচ্চিত্রের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দেন, সজাগ দৃষ্টি রাখেন।
অধরা খান বলেন,‘ এরইমধ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমই একুশে পদক পুরস্কার প্রদান করেছেন। যদিও ঘোষনা ছিলো অন্তর্বতী কালীন সরকারের সময়। কিন্তু আমাদের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পদকপ্রাপ্তরা একুশে পদক গ্রহন করেছেন। আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তী নায়িকা শ্রদ্ধেয় ববিতা ম্যাডাম একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। এটা আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারের জন্য ভীষণ গর্বের বিষয়। আশা করছি আগামীতেও একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক প্রদানে রাষ্ট্র আমাদের কিংবদন্তী শিল্পীদের দেশ ও দেশের সংস্কৃতির প্রতি তাদের বিশেষ অবদানকে বিশেষভাবে যেন বিবেচনা করে। তাতে আমাদের শিল্পীরা সম্মানীত বোধ করবেন এবং সিনেমায় যারা কাজ করছেন এখনো তারাও নিজেদের পেশাগতকাজে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হবেন। আমরা যারা জুনিয়র আছি আমরা আমাদের দিকপালদেরই অনুসরণ করছি, আগামীতেও তাই করবো। কারণ তাদের অবদানের কারণেই আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গন আজও আলোকিত।’
চিত্রনায়িকা অধরা অভিনীত নতুন দুইটি সিনেমা রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। একটি সৈয়দ ওযাহিদুজ্জামান ডায়মণ্ডের ‘দখিন দুয়ার’ অণ্যটি জাহিদ হোসেনের ‘ঋতুকামিনী’। দুটি সিনেমাতেই গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অধরা অভিনীত সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘নায়ক’,‘ মাতাল’,‘ পাগলের মতো ভালোবাসি’,‘ সুলতানপুর’।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক ব্যবসার কাজে কানাডাতে অবস্থান করছেন অধরা খান। সেখানে তিনি একটি সিরিজে অভিনয় করেছেন। বিজ্ঞাপনেও মডেল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। অধরা মুক্তি প্রতিক্ষীত দুটি সিনেমা ছাড়া আরো কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন। যেমন ‘গিভ অ্যাণ্ড টেক’,‘ উন্মাদ’,‘ ঠোকর’,‘ বাটপার’, ‘দ্য রাইটার’ ইত্যাদি। সিনিয়র শিল্পীদের মধ্যে অধরার প্রিয় নায়িকা শাবানা ও ববিতা। এরপর যাদের অভিনয় তাকে অনুপ্রাণিত করে তারা হলেন মৌসুমী ও শাবনূর।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/159530