১৮ বছর বগুড়া যে বঞ্চিত হয়েছে তা এখন পূরণ করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

১৮ বছর বগুড়া যে বঞ্চিত হয়েছে তা এখন পূরণ করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্টাফ রিপোর্টার : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ১৮ বছর বগুড়া যে বঞ্চিত হয়েছে তা এখন পূরণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বগুড়া গোপালগঞ্জ বানানো হবে না। পিছিয়ে পড়া এলাকা হিসেবে যা প্রয়োজন তাই করা হবে। বগুড়ার উন্নয়নের জন্যই প্রধানমন্ত্রী তাকে এই মন্ত্রণালয়ে দিয়েছেন। 

তিনি আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে বগুড়া জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্তকর্তাগণের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। 

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন-বগুড়া জেলা বিএনপি’র সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন ও মোরশেদ মিলটন, বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মহসীন প্রমুখ। 

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় এসেই ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা করে কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। ফ্যামেলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় এসে এই কার্ড প্রদান কাজের উদ্বোধন করবেন। শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে ৮২২ জনের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। 

মীর শাহে আলম বিগত ১৭-১৮ বছর বগুড়ায় কী হয়নি তা তুলে ধরতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বগুড়া উন্নয়ন বিচ্ছিন্ন ছিল। ওই সময় কোন দপ্তরের গাড়ি নাই, ভবন নাই, বা সরকারের কোন প্রকল্প বগুড়ায় গ্রহণ করা হয়নি তা খুঁজে বের করে গ্রহণ করতে পদক্ষেপ নেওয়া  এবং মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানানোর আহবান জানান। তিনি সরকারের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, এলাকায় কোন কাজ করলে অবশ্যই এমপিদের পরামর্শ নিতে হবে, না হলে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে পদক্ষেপ নিবেন তার এমপিদের মাধ্যমে নিতে হবে। তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস আছে আকাঙ্খা আছে। মানুষের আকাঙ্খা পূরণ হবে। তিনি বগুড়ার লিচুতলা ওভারপাসসহ যেখানে ওভারপাস প্রয়োজন তা করার প্রতিশ্রুতিও দেন। তিনি বলেন, বগুড়ার উন্নয়নের জন্য তাকে প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। বগুড়ার কর্মকর্তাদেরকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চাহিদাপত্র দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

এছাড়াও বগুড়ার বিমানবন্দর চালু, বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়  প্রকল্প নিয়েও সরকারের ইচ্ছার কথা জানান। পরে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন কথার প্রসঙ্গে করতোয়া নদী খনন বিষয়েও কথা বলেন।  

 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/159159