রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন চাঁদা নিতে না পারে: নুর
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, কোনো ব্যবসায়ীর কাছ থেকে রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন চাঁদা বা অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে। জোর-জবরদস্তি করে চরাঞ্চলের কৃষকদের জমি কেউ যেন দখল নিতে না পারে। প্রকৃত কৃষকরাই যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সে ব্যবস্থাই সরকার করবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা পরিষদ মাঠে গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপি আয়োজিত গণ-ইফতারে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় পটুয়াখালী জেলা, গলাচিপা-দশমিনা উপজেলার নিজ দলীয় ও বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে নিজ এলাকায় আসেন।
এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের জানমাল নিরাপদ রাখার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার দায়বদ্ধ। এখন থেকে লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাটগুলোতে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে কেউ অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে পারবে না। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তরমুজচাষি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও কেউ চাঁদা তুলতে পারবে না। এ কারণে আমখোলা ও হরিদেবপুর খেয়াঘাটে দুটি মোকাম উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে চাই। আমার এলাকায় কোনো যুবক-তরুণ যেন বেকার না থাকে। তাদের কীভাবে কর্মে যুক্ত করা যায়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা এগোব।
তিনি আরও বলেন, আজ দশমিনা-গলাচিপায় যদি আমি এমপি হতে না পারতাম, অনেকে এলাকায় থাকতে পারত না। অনেকের বাড়িঘরে আগুন জ্বলত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাটে ভাঙচুর হতো। অনেককে হাসপাতালে থাকতে হতো। আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর, এলাকার পরিবেশ আগে যা ছিল তারচেয়েও ভালো হতে শুরু করেছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/159080