ডিসি অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস , মৌখিকে এসে আটক ৯

ডিসি অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস , মৌখিকে এসে আটক ৯

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা পড়েছেন ৯ পরীক্ষার্থী।

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাদের আটক করা হয়। ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পরায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান, রিয়াদ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৯ জনকে কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার হোসেনপুর উপজেলার মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. নিজাম উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলার রজব আলীর ছেলে পিয়াস, হোসেনপুর উপজেলার সেলিমের ছেলে সাব্বির, পাকুন্দিয়া উপজেলার মোস্তফার ছেলে মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার আবুল কালামের ছেলে শফিকুল, ইটনা উপজেলার রবি হোসেনের ছেলে নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জিলু মিয়ার ছেলে জসিম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাহিমা আক্তার, তাড়াইল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে ফয়সাল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইভা বোর্ডে আসার পর সব পরীক্ষার্থীর মতো তাদের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, তারা নিজেরা পরীক্ষা দেননি। অন্যদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্যসচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, ‘তাদের হাতের লেখা যাচাই করার সময় তারা স্বীকার করে প্রক্সির মাধ্যমে তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এরপর তাদের আটকের পর ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই কাজের সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে সব তথ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দেওয়া হয়েছে। এটার শেকড় কোথায়, কে বা কারা জড়িত সবকিছু বের করা হবে।’

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/158892