ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। এ বিষয়ে তড়িঘড়ি করে সিদ্ধন্ত নেয়া হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখবো।
আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের বিষয়টি আমরা পর্যালোচনায় আনছি। এ জন্য একটি কমিটিও করব। সাত কলেজ (ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি) নিয়ে তড়িঘড়ি করেছে কি করেনি, সেটা আমরা পর্যালোচনা করব। এগুলো নিয়ে আমাদেরকে একটু সময় দেন।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেনও বৃত্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হবে। আমরা একই প্রশ্নে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের বৃত্তি পরীক্ষা নেবো। গত বছরের বৃত্তি পরীক্ষাটি এ বছর নিয়ে নেয়া হবে। এক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য থাকবে ৮০ শতাংশ এবং কিন্ডারগার্ডেনের জন্য ২০ শতাংশ।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন আমরা সন্ধ্যার পরে পড়ার টেবিলে বসতাম- সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে আমি বলেছি, সন্ধ্যার পর ঘোরাঘুরি করলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
সুনামগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা না দিয়েও ভাইভায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আপনার সন্দেহ থাকলে আমাকে তালিকা দেবেন, আমরা আবারো তদন্ত করে দেখবো।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বা জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা না নেয়ার পরামর্শের সঙ্গে আমরা এই মুর্হূতে একমত না, তবে আমরা এটি নিয়ে আলোচনা করে দেখবো।
পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা মাত্র দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। বিগত দিনে আপনাদের সাহযোগিতা নিয়েই নকল প্রতিরোধ করেছিলাম। এবারো আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন।
সামনে এসএসসি পরীক্ষা রয়েছে, আমরা আইনি ব্যবস্থা কী কী নেয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করছি। আমরা বিগত দিনে সফলতার সঙ্গে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা করেছি।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/158868