১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা দিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে প্রণীত জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা সংবলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশিত বইয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা, দেশীয় সম্পদ অনুসন্ধান, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল রূপান্তরকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।
পরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ১৫০টি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া এবং সেই লক্ষ্যে একটি ‘সমন্বিত রোডম্যাপ’ প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।
অনশোর ও অফশোর এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ এবং ‘বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করার কথাও রয়েছে সেখানে।
২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের পরিকল্পনায় ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান (ইপিএসএমপি) ২০২৬’ প্রণয়ন, গ্যাস বিপণন নিয়মাবলী ও এলপিজি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া নাফথা (খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস বা কয়লা থেকে প্রাপ্ত একটি অত্যন্ত দাহ্য, উদ্বায়ী তরল হাইড্রোকার্বন মিশ্রণ, যা মূলত পেট্রোলিয়াম শোধনাগারের একটি উপজাত) উৎপাদন ও বিপণন নীতিমালা, বিটুমিন উৎপাদন ও পরিবহন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
সেখানে পেট্রোবাংলা ও বিপিসির আওতাধীন কোম্পানিগুলোর জন্য পৃথক বিজনেস প্ল্যান প্রণয়ন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের কথা রয়েছে ।
জ্বালানি বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম আধুনিকায়নে ইএমআরডি পোর্টাল ও ইএমআরডি ইন্টারঅ্যাকটিভ ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ বলছে, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্সিং কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের লক্ষ্যে ‘এক্সপ্লোসিভ ডিপার্টমেন্ট লাইসেন্সিং অটোমেশন সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ।
এ খাতে ‘স্বচ্ছতা ও উপস্থিতি’ নিশ্চিত করতে ‘ট্রুপ্রেজেন্স’ অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথাও বইয়ে রয়েছে।
সেখানে পেট্রোবাংলা ও বিপিসির আওতাধীন কোম্পানিগুলোর জন্য পৃথক বিজনেস প্ল্যান প্রণয়ন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের কথা রয়েছে ।
জ্বালানি বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম আধুনিকায়নে ইএমআরডি পোর্টাল ও ইএমআরডি ইন্টারঅ্যাকটিভ ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ বলছে, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্সিং কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের লক্ষ্যে ‘এক্সপ্লোসিভ ডিপার্টমেন্ট লাইসেন্সিং অটোমেশন সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ।
এ খাতে ‘স্বচ্ছতা ও উপস্থিতি’ নিশ্চিত করতে ‘ট্রুপ্রেজেন্স’ অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথাও বইয়ে রয়েছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/158239