সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি

সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি

করতোয়া ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৯টি আসনের বেশিরভাগ আসনে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ২৭৫টি আসনের মধ্যে বিএনপি এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত আড়াইটা) ১৯৫টি আসনে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছে। ফলে সরকার গঠনের জন্য এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি। নির্বাচনে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এনসিপির ৫টিসহ ৬৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদের মধ্যে  স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৩টিতে জয় পেয়েছে। এদিকে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ২টি আসনেই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঢাকা-১৭ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানকে (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) ৫ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। এছাড়া তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবিদুর রহমান ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। তবে এ ফলাফলে পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল যুক্ত করা হয়নি। 
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। এই আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকে আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ ২ হাজার ৫০৮, বাসদের দিলরুবা নুরী মই প্রতীকে ২৭৬ ভোট এবং জেএসডির আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি তারা প্রতীকে ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। 
এদিকে নিজ কেন্দ্রে হারলেও জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানও জয় পেয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়। জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান জানিয়েছেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা. শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল ইসলাম মিল্টন পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯২০ ভোট। ফলে ২০ হাজার ৭২৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন জামায়াতের এই প্রার্থী।
তবে খুলনা-৫ আসনে (ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা) জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট। বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার লবি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ৭০২ ভোট।
অপরদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে দেশব্যাপী ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই জনসমর্থন বেশি দেখা যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলাফলে দেখা গেছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫১৩টি। বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৬১২টি। গণভোটে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে বাংলাদেশের সংবিধানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত হবে।
এদিকে সর্বোচ্চ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে এবং ১৭ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 
৯৭ হাজার ভোটে জিতলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। মির্জা ফখরুল মোট ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮১ ভোট।
নওশাদের কাছে হারলেন সারজিস : পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। ১৫৫ কেন্দ্রের এ আসনে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৮৩০৪।
কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহর বড় ব্যবধানে জয় : দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত আলোচিত কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগণনা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। সন্ধ্যায় ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনের ১১৬টি কেন্দ্রের সবকটিতেই আধিপত্য বিস্তার করেছেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ মোট ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীমউদ্দীন পেয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ভোট।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভোট গণনার শুরু থেকেই হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন লক্ষ্য করা যায়। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল আসতে শুরু করলে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রেই শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে ভোটের জোয়ার তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১ লাখ ৪৬ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জসীমউদ্দীনকে পরাজিত করে বিজয়ের মুকুট পরেন হাসনাত। 
ঝিনাইদহ-১ আসনে আসাদুজ্জামানের হাত ধরে ধানের শীষের বিজয় : ঝিনাইদহ-১ আসনের বেসরকারি ফল সামনে চলে এসেছে। এই ফল অনুযায়ী, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের হাত ধরে বিজয় এসেছে ধানের শীষের ঘরে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১৭টি। সবগুলো কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট। বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থী আসাদুজ্জামান ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোটে জয়লাভ করেছেন।
চার প্রার্থীর জয়ের কথা জানাল এনসিপি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের চারজন প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার পর দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চারটি পৃথক পোস্টে চারজন প্রার্থীকে অভিনন্দন জানানো হয়?
এই প্রার্থীরা হলেন দলের আহবায়ক ও ঢাকা ১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম, দলের সদস্য সচিব ও রংপুর ৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা ৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী ৬ আসনের প্রার্থী হান্নান মাসউদ। আরও বেশ কিছু আসনে এনসিপির নেতারা এগিয়ে রয়েছেন বলে দাবি করেছে তারা।
চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত এনসিপির নেতা-কর্মীদের ভোটকেন্দ্রে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের আহবায়ক নাহিদ ইসলাম। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপির চেষ্টার অভিযোগ করেছেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বহুল আলোচিত ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির মির্জা আব্বাস : বহুল আলোচিত ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস। গতকাল বৃহস্পতিবার  বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। ঢাকা-৮ আসনে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯২ ভোট। এ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৯৬ ভোট। উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ভোটার ছিলো ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন আর হিজরা ১ জন। 
সাতক্ষীরার ৪ আসনেই জামায়াতের জয় : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলার সব কেন্দ্রের ফলাফলে তারা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) সংসদীয় আসন নম্বর ১০৫-এর ১৬৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ইজ্জত উল্যাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট। সাতক্ষীরা-২ (দেবহাটা-সাতক্ষীরা সদর)সংসদীয় আসন নম্বর ১০৬-এর ১৮০ কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) : মোট ১৬৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রবিউল বাশার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের ডা. শহিদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৩৪ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) : সংসদীয় আসন নম্বর ১০৮, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে মোট ৯৬ কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট। উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ বিজয়ী : ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোট বেশী পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বী খেলাফতে মজলিশ রিকশা প্রতীকের মো. আকরাম আলী ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। 
মেহেরপুরের দুই আসনে জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। কেন্দ্র থেকে পাওয়া বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। মেহেরপুর-১ আসনে মোট ১২৩টি ভোটকেন্দ্রের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তাজ উদ্দীন আহমেদ খান পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। ১৮ হাজার ৬০৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তাজ উদ্দীন।
মেহেরপুর-২ গাংনী আসনে মোট ৯০টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল হুদা পেয়েছেন ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। এ আসনে ৮ হাজার ৪৭৯ ভোট বেশি পেয়েছেন নাজমুল হুদা।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে হারিয়ে বিএনপির শরীফুল বিজয়ী : কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫৫ ভোট। এখানে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪২টি। এরই মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
খেলাফত মজলিসের রিকশাকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী দীপেন : রাঙামাটি-২৯৯ সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৯২ ভোট। এছাড়া ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের আবু বকর সিদ্দিক রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৫১৩ ভোট। এখানে মোট ভোটকেন্দ্র ২১৩টি। 
এমরান সালেহ প্রিন্সকে হারিয়ে ‘বিদ্রোহী’ সালমান বিজয়ী : ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে বড় জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে ৬ হাজার ৩৩৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
মৌলভীবাজারের ৪ আসনেই বিএনপির জয় : প্রথমবারের মতো মৌলভীবাজারের চারটি আসনে একযোগে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৭ হাজার ৬১০ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া সংসদীয় আসনে মো. শওকতুল ইসলাম শকু ধানের শীষ প্রতীকে ৭৪ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সায়েদ আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৩ হাজার ৯৭ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৩ রাজনগর ও সদর উপজেলা সংসদীয় আসনে নাসের রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল মন্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) সংসদীয় আসনে  মুজিবুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে ৪৯ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়েছেন। 
সুনামগঞ্জের ৫টি আসনেই জয় পেল বিএনপি : সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল জয়ী হয়েছেন। 
সুনামগঞ্জ-২ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৯৬ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়েছেন। 
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির নূরুল ইসলাম নূরুল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৫৫৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সামছ উদ্দিন পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৪ ভোট। সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহির মুহাম্মদ আবদুস সালাম।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে ফজলুর রহমান জয়ী : কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।
এ আসনের মোট ১৫০টি কেন্দ্রের হিসাব মতে বিজয়ী ফজলুর রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোট বেশি পেয়েছেন।
জয়পুরহাট-২: ৬৬ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী বিএনপির আব্দুল বারী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল বারী বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস. এম. রাশেদুল আলম সবুজ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ হাজার ১১২ ভোট।
ফলাফল অনুযায়ী, আব্দুল বারী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৬৬ হাজার ১৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
আরিফুল হক চৌধুরীর ‘ভূমিধ্বস’ জয় : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের নির্বাচনী মাঠে বিএনপির প্রার্থীরা এখন পর্যন্ত বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইঘাট-জৈন্তাপুর) আসনে দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ‘ভূমিধ্বস’ বিজয় পেয়েছেন। ১২৫ কেন্দ্রের সবগুলোর প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৭৭৬ ভোট। আরিফুল হক চৌধুরী ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৪৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
ভোলা-২: বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম জয়ী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। আসনের মোট ১৩৮টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৯৬৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ফজলুল করীম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮২৫ ভোট।
লালমনিরহাট-২ আসনে বিএনপির বাবুল বিজয়ী : লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ২৩ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ২৩৬ ভোট।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জামায়াত প্রার্থী জয়ী : চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে জামায়াত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ০৬১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ০২৫ ভোট। ৪৫ হাজার ৩৬ ভোটে জয় লাভ করেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। 
নাছির চৌধুরীর কাছে হার মানলেন মোহাম্মদ শিশির মনির : সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিপুল ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার পথে বিএনপি প্রার্থী সাবেক এমপি নাছির চৌধুরী। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১১১ টির মধ্যে ৮২ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী নাছির চৌধুরী বিপুল ভোটে এগিয়ে আছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭২,২৮৯ ভোট পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির (দাঁড়িপাল্লা) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২, ৪৬৭ ভোট। এদিকে সম্ভাব্য  বিএনপি বিজয়ীপ্রার্থী নাছির চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির। নিজের ফেসবুক পেজে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেছেন তিনি।
ঢাকা-৯ আসনে এগিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারিভাবে দুটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবের প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা ও এনসিপির জাবেদ রাসিনের চেয়ে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। দুই কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব পেয়েছেন ১ হাজার ১২২, স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫১৮ ও এনসিপির প্রার্থী জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫১৮ ভোট।
কক্সবাজার-৩ আসনে ধানের শীষের জয় : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। ১৮২টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ধানের শীষ প্রতীকে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৪০৭ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শহিদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট। চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, লুৎফুর রহমান কাজল তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শহিদুল আলম বাহাদুরের চেয়ে ২৮ হাজার ৪১৩ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। এই আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস থাকলেও শেষ হাসি হাসলেন ধানের শীষের কাজল।
ঢাকা-১৯ আসনের ৯ কেন্দ্রে এগিয়ে ধানের শীষ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। এই আসনে মোট ২৭৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ও প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। ৯ কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাউদ্দিন বাবু ৩৭৬৯ ভোট পেয়ে বর্তমানে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী দিল শানা পারুল পেয়েছেন ৩৩৪৬ ভোট।
জয়পুরহাট-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী : ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির মনোনীত আব্দুল বারী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে বিএনপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এসএম রাশেদুল আলম সবুজ পেয়েছেন ৯১ হাজার ১১২ ভোট। এ আসনে ৬৮ হাজার ১৫ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারিভাবে ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল বারী নির্বাচিত হয়েছেন।
যশোর-৩: ধানের শীষের অনিন্দ্য ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত : যশোরের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত যশোর-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯০টি কেন্দ্রের সব কটির প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯০টি কেন্দ্রে মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ধানের শীষ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ১,৭৩,০২৩ ভোট পেয়েছেন। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল কাদের (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১,৬৫,১২৯ ভোট। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ৭,৮৯৪ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন।
ভোলা-১: বিএনপি জোটের আন্দালিভ রহমান পার্থ বিজয়ী : ৩১৯৯১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বিএনপি জোটের বিজেপি প্রার্থী হয়ে গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়েছেন। বিএনপি জোটের বিজেপি প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ (গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে) ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে) ৭২ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে জয়ী বিএনপির মো. শরীফুল আলম : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম প্রায় দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।  ১৪২টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫২৫ ভোট।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ভৈরব ও কুলিয়ারচরের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
হবিগঞ্জ-৩ : প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী বিএনপির জি কে গউছ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এ ফল ঘোষণা করেন।
এ আসনে ৩৭টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে আলহাজ্ব জি কে গউছ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৫৮১ ভোট। তবে পোস্টাল ভোটের হিসাব দেওয়া হয়নি।
হবিগঞ্জ-১ আসনে ড. রেজা কিবরিয়া জয়ী : হবিগঞ্জ-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি ১ লাখ ১১ হাজার ৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মিরপুরে রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২৪৫ ভোট। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন এ ফল ঘোষণা করেন।
এদিকে হবিগঞ্জ-২ আসনে ১৫১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ধানের শীষের প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান ১ লাখ ২৫ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস প্রার্থী মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৩১১ ভোট।
জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী গণসংহতির জোনায়েদ সাকি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। নির্বাচনে ৯৮ কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী মাথাল প্রতীকে জোনায়েদ সাকি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোহসীন পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট।
কুমিল্লা-১ আসনে জয়ী বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন : কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ২৫০ভোট।
বেসরকারিভাবে বিজয়ী অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়াকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ হাবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার সময় তিনি বলেন, ‘হোমনা-তিতাস আসনে ১১০টি ভোটকেন্দ্রে অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া পেয়েছেন ৭৬ হাজার ২৬৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহীপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন খান তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩৮৫ ভোট।
যশোর-১ আসনে জামায়াতের মুহাম্মদ আজীজুর রহমান বিজয়ী : যশোর-১ (শার্শা) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আজীজুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ২৫৫। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ভোট পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯০৯টি। 
ঢাকা-৬ : জামায়াতের আব্দুল মান্নানকে হারিয়ে শেষ হাসি ইশরাকের : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৫ ভোট। ফলাফলে দেখা যায়, ইশরাক হোসেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নানের চেয়ে ২৩ হাজার ৬৭৬ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
শেরপুর-১ : জামায়াত প্রার্থীর কাছে হারলেন বিএনপির ডা. সানসিলা : শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলামের কাছে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে হারলেন বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৪৫টি। বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতের প্রার্থী শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৫২১ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ (মোটরসাইকেল) ৬০ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন।
নাটোর ২ : বিএনপি প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর জয়লাভ : নাটোর-২ (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বেসরকারি ফলাফলে বিজয় লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ নয় হাজার ৪৮৫ ভোট। নিকটতম প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী অধ্যাপক ই্নুস আলী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৬৫ ভোট।
৩৭ হাজার ভোটে জয়ী বিএনপির আখতারুজ্জামান : দিনাজপুর-৪ (খানসামা-চিরিরবন্দর) আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামন মিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ৩৭ হাজার ৬৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তিনি দুই উপজেলার ১২৬টি কেন্দ্র মিলে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফতাব উদ্দিন মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট।
৪০ হাজার ব্যবধানে সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির টুকু : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৫ ভোট। দুই প্রার্থীর মাঝে ব্যবধান ৪০ হাজার ৪৩ ভোট।
দিনাজপুর-৬ আসনে জয়ী খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন : সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে (বিরামপুর , নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১৫ হাজার ১৬৮ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনের ১৯৯টি কেন্দ্রের সবকটি মিলে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৯ ভোট।
বিএনপির মঞ্জুকে হারিয়ে জামায়াতের হেলাল বিজয়ী : খুলনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মহানগর সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট।
নেত্রকোনার বাবরসহ ৫টি আসনে ৪টিতে বিএনপি জয়ী : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/157558