কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফ‘র পতাকা বৈঠক

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফ‘র পতাকা বৈঠক

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফ‘র মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের খালিষাকোটাল সীমান্তে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বৈঠকে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে ভারতের বিএসএফের পক্ষে ছিলেন ৩ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার কেকে রাও এবং বাংলাদেশের পক্ষে ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। বিজিবি জানায়, গত বুধবার গভীর রাতে খলিশাকোঠাল সীমান্তের ওপারে কুর্শাহাট-টু-দিনহাটা যাওয়ার মেইন সড়কে কৃষিমত করলা এলাকায় প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তাটি পুনরায় ৪ লেনের রাস্তার কাজ করার লক্ষ্যে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম সীমান্তে জড়ো করে বিএসএফ। এ খবরে গত বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ জানায় বিজিবি।

এতে কিছুক্ষণ রাস্তার কাজ বন্ধ করার পর গভীর রাতে আবার কাজ শুরু করেন তারা। অথচ রাস্তাটি সীমান্ত ষেঁষা হওয়ায় আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪ নং এর সাব পিলার ১ হতে ১১ এস পর্যন্ত রয়েছে। সেখানে দূরত্বে ৭০ গজ, কোথাও ২০-৬০ গজ আবার কোথাও ১০০গজ রয়েছে বালাদেশের এলাকা। ফলে আর্ন্তজাতিক আইনে নির্মাণ কাজ করতে পারে না ভারতীয় বিএসএফ।

তাই গোপনে সার্চ লাইট জ্বালিয়ে অন্ধকারে বিজিবি ও সাধারণ বাংলাদেশিদের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুত কাজটি বাস্তবায়নে উঠেপড়ে লেগেছে বিএসএফ। এই নিয়ে খালিষাকোটাল সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফর মধ্যে কয়েক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য ভারতীয় বিএসএফের ৩ ব্যাটালিয়নের অধীনে মেঘনা নারায়ন কুটি কোম্পানি কমান্ডার প্রতিশ্রুতি দেন।

তারপরও গোপনে কাজ করায় আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) উভয় দেশের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করেন। এ প্রসঙ্গে ১৫-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, সীমান্তের আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে নতুন রাস্তা করার কোন নিয়ম নেই।

তবে পুরনো রাস্তা সংস্কার করতে পারেন। এ জন্য তারা পুরনো রাস্তাটির ছবি প্রদর্শন করছে এবং মাটির কাজ করছেন। বৈঠকে সিদ্ধান্তÍ হয়েছে তারা একটি চিঠি দিবেন। সে মোতাবেক যৌথ টিম সার্ভের জন্য ঘটনাস্থলে পরির্দশন করবেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/153645