শচীনের পরেই রোহিত

শচীনের পরেই রোহিত

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বিশাখাপত্তমে স্বাগতিক ভারত ৫ উইকেট হারিয়ে তোলে ৩৮৭ রান। ওপেনার রোহিত শর্মা আর লোকেশ রাহুল দুজনই সেঞ্চুরির দেখা পান। ফিফটি হাঁকান শ্রেয়াস আইয়ার।


সফরকারী উন্ডিজের বিপক্ষে ১৩৮ বলে ১৭টি চার আর ৫টি ছক্কায় রোহিত করেন ১৫৯ রান। লোকেশ রাহুল ১০৪ বলে ৮টি চার আর তিনটি ছক্কায় করেন ১০২ রান। ওয়ানডেতে এটি রোহিতের ২৮তম সেঞ্চুরি আর লোকেশ রাহুলের তৃতীয়।

এই ইনিংসের মধ্যদিয়ে বেশ কিছু পরিসংখ্যানে ওলটপালট এনেছে টিম ইন্ডিয়া। সংখ্যায় সংখ্যায় সেই পরিসংখ্যান গুলো তুলে ধরা হলো।

৭# ২০১৯ সালে রোহিত শর্মা সাতটি সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ১০টি সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। ১৯৯৮ সালে করা শচীনের সেই রেকর্ড এখনও কেউ ভাঙতে পারেননি। শচীনের পরের জায়গাটি রোহিতের।

১০# চলতি বছর রোহিত শর্মা দশটি সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। যা এ বছর যেকোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ। ওয়ানডেতে সাতটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রোহিত শর্মা টেস্টে তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সেখানে ছিল ডাবল সেঞ্চুরিও।

১৫৯# এটা কোনো ভারতীয় ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। চলতি বছর ওয়ানডেতে আর কোনো ভারতীয় রোহিতের মতো ইনিংসে ব্যক্তিগত এতো রান করতে পারেননি। ২০১৩ সালের পর থেকে টানা সাত বছর রোহিত এই রেকর্ড গড়লেন।

২২৭# ৩৭ ওভারে আজ ভারতের দুই ওপেনার তুলেছেন ২২৭ রান। যা ওপেনিংয়ে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ রানের জুটি। ২০০১ সালে সৌরভ গাঙ্গুলী আর শচীন টেন্ডুলকার কেনিয়ার বিপক্ষে ওপেনিংয়ে করেছিলেন সর্বোচ্চ ২৫৮ রানের জুটি। এছাড়া, তারা দুজন আরও একবার জুটি গড়ে করেছিলেন ২৫২ রান। তৃতীয় সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি গড়তে শিখর ধাওয়ার আর আজিঙ্কা রাহানে করেন ২৩১ রান।

২২২# এটা বলের সংখ্যা। ২৫২ রানের জুটি গড়তে শচীন-গাঙ্গুলী খেলেছিলেন ২৬৪ বল। ২৫৮ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়তে তারা খেলেছিলেন ২৫০ বল। আজ রোহিত-রাহুল খেললেন তৃতীয় সর্বোচ্চ ২২২ বল।

৩৮৭/৫# ভারতের দলীয় সর্বোচ্চ রানের তালিকায় এটি নবম স্থান পেয়েছে। তবে, উইন্ডিজের বিপক্ষে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রানের ইনিংস। ক্যারিবীয়ানদের বিপক্ষে ২০১১ সালে রাজকোটে ৫ উইকেটে ৪১৮ রান তুলেছিল টিম ইন্ডিয়া।

৩১# রোস্টন চেজের বলে আজ শ্রেয়াস আইয়ার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছিলেন। ৪৭তম ওভারে চেজ খরচ করেন ৩১ রান। যার ২৮ রান নেন আইয়ার। এক ওভারে সর্বোচ্চ ৩৬ রান নিয়েছিলেন হার্শেল গিবস। ৩৫ রান নিয়েছিলেন থিসারা পেরেরা, ৩৪ রান নিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স এবং জিমি নিশাম, ৩২ রান নিয়েছিলেন শহীদ আফ্রিদি।