বাংলাদেশকে করোনাভাইরাস শনাক্তে ৫০০ কিটস দিল চীন

বাংলাদেশকে করোনাভাইরাস শনাক্তে ৫০০ কিটস দিল চীন

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশকে ৫০০ কিট দিয়েছে চীন। আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝি জিমং করোনাভাইরাস শনাক্ত করার কিটগুলো স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের হাতে তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে বাংলাদেশেও ২ হাজার কিটস রয়েছে। সব মিলিয়ে এখন আমাদের আড়াই হাজার কিটস হলো। আমরা এ ভাইরাস ঠেকানোর প্রস্তুতি নিয়েছি। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ঢাকা-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদি দেশে এ ধরনের রোগী পাওয়া যায় তাহলে সেখানে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া যাবে। 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ২৩টি দেশে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। প্রায় ৮০ হাজার রোগী রয়েছে। আর চায়নাসহ অন্যান্য দেশে মৃত্যু বরণ করেছে ২ হাজার ৬১৮ জন। আমাদের দেশে এ পর্যন্ত ৩ লাখের মতো লোককে পরীক্ষা করেছি। যারা আমাদের বিভিন্ন নৌবন্দর, স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে তাদের সবাইকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি।
জাহিদ মালেক বলেন, কিটসের পাশাপাশি আজ চায়না একটি ট্রিটমেন্ট প্রটোকলও দিয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তারা এটা তৈরি করেছে। আমরা এটা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেবো।
করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশের গবেষণা ও প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে। আমাদের প্রতিটি বিমান, নৌবন্দর ও স্থলবন্দরে ডাক্তারদের টিমসহ স্ক্যানিং মেশিন, জ্বর মাপার যন্ত্র আছে। একই সঙ্গে প্রাথমিক কোয়ারেনটাইন করারও ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া আমাদের সব জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ডিসি এসপিসহ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের এমন ব্যবস্থা আছে যাতে দেশে কোথাও এধরনের রোগী দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে যাই আমরা।করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশকে ৫০০ কিট দিয়েছে চীন। আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝি জিমং করোনাভাইরাস শনাক্ত করার কিটগুলো স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের হাতে তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে বাংলাদেশেও ২ হাজার কিটস রয়েছে। সব মিলিয়ে এখন আমাদের আড়াই হাজার কিটস হলো। আমরা এ ভাইরাস ঠেকানোর প্রস্তুতি নিয়েছি। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ঢাকা-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যদি দেশে এ ধরনের রোগী পাওয়া যায় তাহলে সেখানে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া যাবে। 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত ২৩টি দেশে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। প্রায় ৮০ হাজার রোগী রয়েছে। আর চায়নাসহ অন্যান্য দেশে মৃত্যু বরণ করেছে ২ হাজার ৬১৮ জন। আমাদের দেশে এ পর্যন্ত ৩ লাখের মতো লোককে পরীক্ষা করেছি। যারা আমাদের বিভিন্ন নৌবন্দর, স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে তাদের সবাইকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি।
জাহিদ মালেক বলেন, কিটসের পাশাপাশি আজ চায়না একটি ট্রিটমেন্ট প্রটোকলও দিয়েছে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তারা এটা তৈরি করেছে। আমরা এটা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেবো।
করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশের গবেষণা ও প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে। আমাদের প্রতিটি বিমান, নৌবন্দর ও স্থলবন্দরে ডাক্তারদের টিমসহ স্ক্যানিং মেশিন, জ্বর মাপার যন্ত্র আছে। একই সঙ্গে প্রাথমিক কোয়ারেনটাইন করারও ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া আমাদের সব জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। ডিসি এসপিসহ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের এমন ব্যবস্থা আছে যাতে দেশে কোথাও এধরনের রোগী দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে যাই আমরা।