দুপচাঁচিয়ায় ফুলের দামেও আগুন একটি গোলাপের দাম ৫০ টাকা

দুপচাঁচিয়ায় ফুলের দামেও আগুন একটি গোলাপের দাম ৫০ টাকা

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলায় গতকাল শুক্রবার বিশ্ব ভালবাসা দিবসে দেশের বিভিন্ন স্থানের মত ফুল বিক্রি আশংকা জনক বেড়ে যায়। স্থায়ী ফুলের দোকান ছাড়াও ভ্রাম্যমান দোকান বসিয়ে ফুল বিক্রি করা হয়। এ সব দোকানগুলো থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন ফুল ও ফুলের তোড়া বিক্রি হয়েছে। প্রকাশ মোবাইল ও তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের ফলে ভালোবাসা দিবস এখন শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকা নয়, জেলা শহর ছাড়িয়ে এখন দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে উপজেলা শহর ও গ্রামগঞ্জে। দিবসটি ঘিরে একদিকে যেমন প্রেমিক-প্রেমিকা ও বন্ধু-বান্ধবিরা একজন আরেকজনকে ফুল সহ নানা ধরনের উপহার সামগ্রী প্রদান করে তাদের কাঙ্খিত ভালবাসার বহিরপ্রকাশ ঘটায়। দিবসে বেশি ভাগ স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের আবেগে মাতোয়ারা হতেও দেখা যায়। দিবসটি পালনের বড় মাধ্যমই হলো ফুল।

 তাইতো  দিবসটি পালনের আগের দিন বিকাল থেকেই উপজেলা সদরের দু’তিনটি ফুলের দোকান ছাড়াও ভ্রাম্যমান দোকানগুলো বিভিন্ন ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে পড়ে। দিবসের ভোর থেকেই ফুল বিক্রি হতে শুরু করে। এবার একটি বড় মাঝারি মাপের গোলাপ ফুলের দাম ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও ছোট মাপের গোলাপ ফুলের দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়াও রজনীগন্ধা ১০ টাকা, গাঁদা ফুলের এক আটি ৫০ টাকা, অর্কিট আকার ভেদে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।  দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা ফুলের দোকানগুলোতে ভিড় করে।

তারা নিজ এলাকা সহ অনেকে তাদের ভালোবাসার মানুষদের নিয়ে বগুড়া শহর, মহাস্থানগড়, বিভিন্ন পার্ক, নদীর ধার ও নিরিবিলি জায়গায় ঘুরতে ও বসে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। এছাড়াও বিকালে রিক্সা, ভ্যান, মোটর সাইকেলে প্রিয়জন কে নিয়ে অনেকেই ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়ে। যা ছিল সবার চোখে পড়ার মতো। আবার অনেকে প্রিয় জনকে মোবাইলে ম্যাসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে, সেই সাথে অনেকেই প্রিয়জন কে গিফ্ট হিসাবে প্রেরন করেছে ফেক্সিলোড। ফলে এদিন মোবাইলের ফ্লেক্সিলোডের দোকানগুলোতে ভির লক্ষ্য করা গেছে।

 উপজেলা সদরের সাখিদার প্লাজার রতন সাজঘর এন্ড গিফট কর্ণারের সত্বাধিকারী মোঃ রতন, পরিষদ রোডের নান্টু সাজ ঘর এন্ড গিফট কর্ণারের স্বত্বধিকারী নান্টু মিয়া সহ কয়েকজন ভ্রাম্যমান ফুলের দোকান ব্যবসায়ী জানান, অন্যান্যবারের চেয়ে এবার ফুল অনেক বেশি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এই ফুল সংগ্রহ করতে গিয়ে অধিক মুল্য দিতে হয়েছে। যশোহর থেকে বিভিন্ন ফুল পাইকারী ক্রয় করে নিয়ে এসেছে। এতে তুলনামুলক তাদের লাভ কম হয়েছে। ক্রেতাদের মধ্যে স্কুল, কলেজের ছাত্র ছাত্রীরাই বেশি ছিল। গোলাপ ফুল ছাড়াও রজনীগন্ধা, গাঁদা, অর্কিট সহ অনেকে ফুল অনেক বেশি দামে বিক্রি করেছে।