ডিবি পরিদর্শক জালাল হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন নিহত

ডিবি পরিদর্শক জালাল হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার: গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জালাল উদ্দিন হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন হাসান রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি পিস্তল উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে গত জানুয়ারি মাসে পীরেরবাগের একটি বাসা থেকে চুরি হওয়া ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মামুনুর রশীদ ও সোহেল রানার সরকারি পিস্তল দুটি রয়েছে বলে দাবি পুলিশের। গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে পীরেরবাগ ৬০ ফুট রাস্তার ভাঙা ব্রিজ শাপলা হাউজিং এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে মিরপুর থানার ওসি জানান। তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযানে গেলে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা গুলি করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়।

 গোলাগুলি থামার পর সেখানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবককে পাওয়া যায়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিহত ওই যুবক পরিদর্শক জালাল হত্যাকান্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হাসান বলে আমরা জানতে পেরেছি। পুলিশের কাছে হাসানের যে ছবি আছে, তার সঙ্গে নিহতের চেহারার মিল পাওয়া গেছে।’ প্রসঙ্গত, গত ১৯ মার্চ মিরপুরের পীরেবাগ এলাকার এক বাড়িতে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জালাল উদ্দিন। সেই রাতে গোলাগুলির মধ্যে সন্ত্রাসীরা ওই বাড়ির পেছন দিক দিয়ে পালিয়ে যায় বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন।

 পীরেরবাগের একটি বাসার চতুর্থ তলার ফ্ল্যাট থেকে গত ১০ জানুয়ারি ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মামুনুর রশীদ ও সোহেল রানার পিস্তল খোয়া যায়। ওই ঘটনার তদন্তে ছিলেন গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা জালাল। কিছুদিন আগে এক অপরাধীকে গ্রেফতারের পর তার কাছে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জালালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ১৯ মার্চ রাতে পীরেরবাগে হাসানের বাসায় অভিযানে গিয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, নিহত হাসান ওই পিস্তল চুরির ঘটনায় জড়িত এবং জালাল হত্যার হোতা। বৃহস্পতিবার রাতে গোলাগুলির পর নিহত যুবকের সুরতহাল করেন মিরপুর থানার এসআই মঞ্জুর রাহী। তিনি জানান, ওই যুবকের শরীরে তিনটি গুলির চিহ্ন রয়েছে।