গাজীপুর ও খুলনার পুলিশ প্রধানের প্রত্যাহার দাবি বিএনপির

গাজীপুর ও খুলনার পুলিশ প্রধানের প্রত্যাহার দাবি বিএনপির

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস : গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনে ভোট সামনে রেখে দলীয় মেয়রপ্রার্থীর সমর্থকদের গণগ্রেফতার করা হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে অঞ্চল দুটির পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার প্রত্যাহার চেয়েছে বিএনপি। অন্যথায় দুই সিটিতেই ভোটহরণের নির্বাচন হবে বলে আশঙ্কা দলটির।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দলের নেতা-কর্মীদের হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে; চলছে গণগ্রেফতার। অবাধ, সুষ্ঠু ও ভীতিমুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ দূরে থাক সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে দুই সিটি করপোরেশন এলাকা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যুক্ত হয়েছে সরকারের ইচ্ছাপূরণে ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকদের এলাকা ছাড়া করতে। এমতাবস্থায় আমরা বলতে চাই, অবিলম্বে গাজীপুরের পুলিশ সুপার ও খুলনা মেট্রোপলিটন সিটির পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় দুই সিটি করপোরেশনেই ভোটহরণের নির্বাচন হবে। সেই সঙ্গে দুই সিটিতে ভোটারদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে ফের সেনা মোতায়েনের দাবিও জানান রিজভী। দুই সিটি করপোরেশনে মন্ত্রী-এমপিরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভা করছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব। আগামী সংসদ নির্বাচন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে গত বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করেন এই বিএনপি নেতা।

তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকারগ্রস্ত মনেরই বহিঃপ্রকাশ, এটা স্বৈরতন্ত্রের কণ্ঠস্বর। তার গত বুধবারের বক্তব্য হিংসা-প্রতিহিংসায় আকুণ্ঠ আপ্লুত। কোটা পদ্ধতি ও আন্দোলনকারীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তরুণদের প্রতি ঈর্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসিরউদ্দিন, শওকত মাহমুদ, কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন, সেলিমুজ্জামান সেলিম, মুনির হোসেন, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।