অ্যাসিডিটির সমাধান!

অ্যাসিডিটির সমাধান!

স্বাস্থ্য কথা ডেস্ক : অ্যাসিডিটির সমস্যায় কম বেশি আমাদের সবাইকেই ভুগতে হয়। আমাদের পাকস্থলিতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ার ফলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বমিবমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ বা অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বেশি ঝাল খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুশ্চিন্তা, ব্যায়াম না করা বা অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। অ্যাসিডিটি সমস্যা রুখতে ও পেটকে সুস্থ রাখতে তাই নজর দিন বিশেষ কয়েকটি দিকে। চেষ্টা করুন প্রতি দিন একই সময়ে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনার করার। অল্প খান, বারে বারে খান। খাবারের মাঝে মোটামুটি তিন-চার ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান রাখলে খাবার হজম হবে সহজে।
পোলাওয়ের সঙ্গে পাবদা, পাতুরি তো কম হল না! বিশেষ করে মাংস রসনাতৃপ্ত করলেও বুকপকেট ও বুক কোনওটার জন্যই বিশেষ সুবিধার নয়। দামী যেমন, তেমনই হার্টের জন্যও ক্ষতিকর। কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইডের পক্ষে কিন্তু খুব একটা সুবিধার নয়। তাই এ বার খাবার তালিকায় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে আস্থা রাখুন চিকেনে। মুরগির মশলাদার ঝোল বা ভুনা ছেড়ে সবজি দেওয়া স্টু বা স্যুপই থাকুক পাতে। তবে রোজ মুরগি খেতে না চাইলে প্রোটিনের জোগান মেটাতে ভরসা রাখুন সিদ্ধ ডিমে। চিজ মেশানো অমলেট বা তেলে ভাজা পোচ এড়িয়ে চলুন। চর্বিযুক্ত মাছ বা চালানি মাছ বাদ দিয়ে সামুদ্রিক কিছু মাছ, চারা মাছের ঝোল দিয়েও মাঝে মাঝে খাওয়া সারুন। এতে শরীরের কোলেস্টরলের মাত্রাও বজায় থাকবে। চা-কফি ছেড়ে এই ক’দিন গ্রিন টি-তে ভরসা রাখুন। মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে গ্রিন টি। মাঝেমধ্যে ডায়েট তালিকায় থাকুক ডাবের পানিও রাখতে পারেন । প্রতি দিন সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। এতে শরীরের টক্সিন যেমন সরবে, তেমনই শরীরে পানির মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
শরীরকে আগের অবস্থায় ফেরাতে ও হজমশক্তি বাড়াতে প্রতিদিন টক দই থাকুক খাবার শেষে। অফিসে গেলে সঙ্গে রাখুন গোটা ফল।