দুপুর ২:১৪, বুধবার, ২৩শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল

শীতকালীন সবজি হলেও গাজর সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত উপকারিতাও অনেক বেশি। গাজর সর্বোৎকৃষ্ট মানের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ডি, ই, কে, বি১ এবং ভিটামিন বি৬। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, অর্গানিক সোডিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ।

গাজরের ক্ষারীয় উপাদান রক্তের অম্লতা ও সুগারের সামঞ্জস্য ঠিক রাখে।

রক্তে বিষক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট হয় ব্রণ। গাজরের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

গাজরের এন্টি-অক্সিজেন্ট বিভিন্ন রোগ সংক্রামক থেকে শ্বাস-প্রশ্বাস পদ্ধতিকে নিরাপদে রাখে।

প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে একটি করে গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি দূর করে।

গাজর মানব দেহের রক্ত কণিকা উৎপাদনে খুবই কার্যকর।

গাজরের জুস নিয়মিত পান করলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।

গাজরের সার বস্তু রক্তের জলীয় ভাগ এবং কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখে।

গাজরের জুস কফ, সাইনোসাইটিস, কণ্ঠনালীতে শ্লেষ্মাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।

গাজরের জুস নিয়মিত পানে শারীরিক অবসন্নতা দূর হয়।

গাজর শরীরে বিভিন্ন প্রজ্বলন ভাব, বাত রোগ ও গেঁটেবাত থেকে রক্ষা করে।

প্রতিদিন গাজরের জুস পান করলে সিগারেটের ধোঁয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে জীবন রক্ষা করে।

গাজরের পুষ্টিকর উপাদান চক্ষু সম্বন্ধীয় ক্রিয়া-পদ্ধতিকে উৎকৃষ্ট অবস্থায় রাখে।

গাজরের জুসের পুষ্টিকর উপাদান কিডনিকে পরিষ্কার ও পরিশ্রাবণ করতে সাহায্য করে।

গাজরে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বককে কোমল রাখে, ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে।

গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে শেষের কয়েক মাস নিয়মিত গাজরের জুস পান করলে বাচ্চার জন্ডিসের সম্ভাবনা দূর হয়ে যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পান করুন এই চা

ক্যামোমাইল টি: এতে কুয়েরসেটিন নামক উপাদান রয়েছে। যা চোখের ক্লান্তি দূর করে, ফোলা ভাব কাটাতে সাহায্য করে। অনিদ্রা প্রতিরোধ করে। ক্যামোমাইল টি ব্যাগ চোখের উপরে কিছু ক্ষণ রেখে দিলেই এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

শোবার ঘরে মেনে চলুন বাস্তুশাস্ত্র

বেডরুমে ড্রেসিং টেবিল কিংবা আয়না নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আয়না আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু। প্রতিদিনই ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আয়নায় নিজেকে একনজর দেখে বের হন কমবেশি সবাই। বাস্তুশাস্ত্র মতে, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় এ জিনিসটির ভালো মন্দ উভয় দিকই রয়েছে।

দাম্পত্য জীবনে সচেতনতার অভাবে অনেক সময় অজান্তেই ঘটে যায় অনেক অঘটন৷ কিন্তু কিছু বাস্তু টিপস মানলে সে সমস্যার সমাধান খুব সহজেই হয়ে যায়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তুশাস্ত্রকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বেডরুমের বাস্তুশাস্ত্র সংক্রান্ত কিছু টিপস।

* শোবার ঘরে কখনও রুমের মাঝামাঝি বিছানা রাখবেন না৷ কোনো দেওয়ালের সঙ্গে বিছানার মাথা রাখার দিকটি যুক্ত রাখুন৷ এতে সম্পর্ক ভালো থাকে৷

 

 

* শোবার ঘরে এমন স্থানে আয়না রাখবেন না যেখান থেকে স্বামী-স্ত্রীর শুয়ে থাকার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে৷ বিছানা দেখা যাবে না এমন স্থানে আয়না রাখুন৷ ব্যবহার শেষে আয়না পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখুন।

* বিছানা পারলে কাঠের তৈরি করুন৷ লোহা, স্টিল, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বিছানা অহং বাড়িয়ে তোলে৷ যা দাম্পত্য প্রেমে ব্যঘাত ঘটাতে পারে৷

* শোবার ঘরে পূর্বপুরুষ কিংবা কোনো প্রাণীর ছবি না রাখলেই ভালো৷ এতে রোমান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে৷ প্রাকৃতিক কোনো দৃশ্য, ঝরনা, নৈসর্গিক দৃশ্যের পোস্টার বা পেইন্টিংস রাখতে পারেন৷

* বেডরুমের দেয়ালে উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। লাল, গোলাপি এইসব রঙ রোমান্স বাড়িয়ে তোলে৷ যাদের উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা রয়েছে, তারা লাল রঙ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

* যৌনজীবন আরো সুন্দর করে তুলতে দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে শোয়ার চেষ্টা করুন৷ পশ্চিম দিকেও মাথা রেখে শুতে পারেন৷ তবে পূর্ব এবং উত্তরের দিকে মাথা করে শুলে কিন্তু রোমান্স তো বাড়বেই না উপরন্তু জীবনে ভোগান্তি আসতে পারে৷

* যদি বিছানার বিপরীতে আয়না থাকে এবং তা যদি সরাতে অসুবিধা থাকে তাহলে শোবার সময় আয়না ঢেকে রাখুন।

* শোবার ঘর সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। দেয়ালে মাকড়সার জাল কিংবা ঝুড়িতে ময়লা জমিয়ে রাখার অভ্যাস বাস্তুশাস্ত্রের দিক থেকে ভালো নয়। এতে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

* বাইরের অতিথিদের পদচারণা ড্রয়িং রুম কিংবা ডাইনিং টেবিল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রাখুন। কথা বলার জন্যে নিজেদের শোবার ঘরে ডেকে আনবেন না।

* পুরাতন ক্যালেন্ডার, নষ্ট ঘড়ি কিংবা ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য শোবার ঘরে দৃশ্যমান না থাকাই ভালো।

চোখের পানি না ঝরিয়ে পেঁয়াজ কাটার উপায়

পেঁয়াজ কাটার অভিজ্ঞতা যাদের আছে তাদের সবারই কান্নার অভিজ্ঞতা আছে! এ কান্না আসলে পেঁয়াজের ঝাঁঝের কারণে চোখে পানি আসা। পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালা করে, চোখে পানি চলে আসে। তবে এ লেখাটির মাধ্যমে বলা হচ্ছে, কিছু উপায় অবলম্বন করলে চোখের পানি আর ঝরবে না। এজন্য ধন্যবাদ জানাতে পারেন যুক্তরাজ্যের গুড হাউসকিপিং নামক প্রতিষ্ঠানটিকে। তারা এর ৫টি কৌশল জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুসারে, পেঁয়াজ কাটার আগে ৩০ মিনিট রেফ্রিজারেটরে কিংবা ১০-১৫ মিনিট ফ্রিজারে রেখে দিন। ফলে ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় পেঁয়াজে থাকা গ্যাস অর্থাৎ চোখের জন্য যন্ত্রণাদায়ক ঝাঁঝালো গ্যাস তৈরি প্রতিরোধ হবে। তবে পেঁয়াজ সবসময়ের জন্য রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করবেন না, এতে পেঁয়াজের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাবে।

পেঁয়াজ কাটার সময় আমরা আসলে অসংখ্য কোষ কাটি। ফলে কোষের ভেতরে থাকা পদার্থগুলো মুক্ত হয়ে যায়। কোষে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড সালফোক্সাইড মিলে তৈরি করে সালফেনিক অ্যাসিড। কোষের ভেতরে থাকা বিভিন্ন এনজাইম সালফেনিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তৈরি করে প্রোপেনিয়াল এস-অক্সাইড নামক সালফারের একটি উদ্বায়ী যৌগ। এই যৌগ বাতাসে ভেসে চলে আসে আমাদের চোখে। পরে তা চোখের জলীয় অংশের সঙ্গে বিক্রিয়ায় তৈরি করে সালফিউরিক অ্যাসিড। আর এই অ্যাসিডের কারণেই আমাদের চোখে জ্বালাপোড়া হয়। তখন চোখের ভেতরে ঢুকে পড়া অ্যাসিড দূর করে দিতেই মূলত চোখ থেকে পানি বের হয়।

পেঁয়াজের এই ঝাঁঝ প্রতিরোধের আরেকটি উপায় হচ্ছে, কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখা। তবে এতে পেঁয়াজের স্বাদের সঙ্গে কিছুটা আপোষ করতে হবে। গুড হাউজকিপিং-এর পরামর্শ হচ্ছে, ‘পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে পানির পাত্রে ভিজিয়ে রাখুন। এতে পেঁয়াজের অ্যাসিড কমে যাওয়ায় কাটার সময় আর চোখের পানি ফেলতে হবে না।’

পেঁয়াজের মূল অর্থাৎ মাথার অংশটিতে সবচেয়ে বেশি ঝাঁঝালো গ্যাস থাকে। এই অংশটি বাদ দিয়ে পেঁয়াজ কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমে পেঁয়াজ মাঝ বরাবর কেটে নিন। এরপর উভয় অংশ স্লাইস করে কাটুন, কেবল মূল অর্থাৎ মাথার অংশটি না কেটে ফেলে দিন।

আপনার চোখের ওপর পেঁয়াজের গ্যাসের প্রভাব কমাতে আরেকটি উপায় হচ্ছে, বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে যেমন জানালার পাশে অথবা পাখার নিচে পেঁয়াজ কাটুন। এতে বাতাসে পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গ্যাস উড়ে যাওয়ায় চোখের সংস্পর্শে আসবে না।

অন্যতম আরেকটি উপায় হচ্ছে, পেঁয়াজ কাটায় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন। ধারালো ছুরি পেঁয়াজের কোষ কম ভাঙবে। ফলে কম গ্যাস উৎপন্ন হবে।  

এই বিভাগের আরো খবর

কীভাবে দূর করবেন সিগারেটের নেশা?

ধোঁয়াশায় আর থাকবেন না। ধোঁয়াতেও নয়। বাই বাই বলুন আপনার ধূমপানের নেশাকে। কিন্তু ধূমপায়ীদের কাছে এটাই হয়তো জীবনের কঠিনতম কাজ।
 
ধূমপানের নেশা ছাড়ার জন্য অনেকে চেষ্টা করলেও, সফল হতে পারেন না। ফলে অবস্থা একই রকম থেকে যায়। হাজারও পরামর্শ, নানা ওষুধের বেড়া টপকে সেই হাতে রইল সিগারেট। আর মুখে রইল ধোঁয়া। তাহলে উপায়?
 
ঘরোয়া কিছু টোটকা কিন্তু সহজ সমাধানের পথ বাতলে দিতে পারে। তাই নতুন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। বলা যায় না, এবার হয়তো সফল হবেন।
 
১. হরিতকি
আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরতকি। এর নানা গুণ আছে। স্বাদে তেতো হলেও, এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরতকি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে, একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। হরিতকি মুখে রেখে দিলে ধূমপান করার ইচ্ছে চলে যায়, এমনটাই বলছে আয়ুর্বেদ। তাই ধূমপান করার ইচ্ছে হলেই মুখে দিন হরিতকির টুকরো। অন্তত ৫-১০ মিনিট।
 
২. যষ্ঠিমধু
সিগারেট ছাড়তে সাহায্য করবে যষ্টিমধু।ধূমপান করার ইচ্ছে হলেই যষ্ঠিমধু সেই ইচ্ছে তাড়াবে। এটা প্রমাণিত।
 
৩. দারচিনি ও মধু
এক চামচ মধুতে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে জল দিয়ে খেলে ধূমপানের নেশা কাটে। দিনে ২-৩ বার এই মিশ্রণ খেলে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে কেটে যায়।
 
৪. শুকনো আদা ও লেবু
আদার টুকরো ধূমপান ছাড়ায়। এটাও প্রমাণিত সত্য। লেবুর রসে আদার টুকরো ভিজিয়ে রেখে দিন। সঙ্গে যোগ করুন গোলমরিচ। এই মিশ্রণ ম্যাজিকের মতো সিগারেটের নেশাকে দূর করে।
 
৫. গ্রিন টি
গ্রিন টি সিগারেটের নেশা ছাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়। তবে কফি খাবেন না। কফির ক্যাফেইন মানসিক দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেই তুলনায় গ্রিন টি অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। এখন থেকেই তাই অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 
৬. ফল
ধূমপান ছাড়তে বেশি করে টাটকা ফল, শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। একইসঙ্গে চর্বিযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে।
 
৭. প্রচুর জল খান
সিগারেট ছাড়ার পর প্রথম তিনদিন জল খান প্রচুর পরিমাণে। জল আপনার শরীরের ভেতর নিকোটিনকে খুব দ্রুত বের করে দেবে।
 
টোটকা আছে, ওষুধ আছে, পথ্য আছে। আর সব শেষে আছে আপনার মনের জোর। একমাত্র সেটাই পারে সিগারেটের বদভ্যাসকে আপনার জীবন থেকে তাড়াতে। তাই মনের জোরে এগিয়ে চলুন সুস্থ জীবনের রাস্তায়। সঙ্গে থাকুক এই টোটকাগুলো।

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রণ দূর করে পুদিনা পাতা

টিনএইজ বয়সে ব্রণের সমস্যায় ভোগেন কমবেশি অনেকেই। এছাড়া খাদ্যাভাসে অনিয়ম, দুশ্চিন্তা ও ঘুম না হওয়ার কারণেও ব্রণ হতে পারে ত্বকে। আবার অনেক সময় ব্রণ চলে গেলেও রয়ে যায় বিব্রতকর দাগ। ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার জন্য পুদিনা পাতার রস ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন পুদিনা চা পান করলেও উপকার পাবেন।

জেনে নিন ব্রণ দূর করতে অউদিনা কীভাবে ব্যবহার করবেন-

 

পুদিনা পাতা দূর করবে ব্রণ

  • একটি পাত্রে ২ কাপ পানি দিন।
  • মুঠো ভর্তি পুদিনা পাতা দিয়ে দিন পানিতে।
  • ৫ মিনিট মৃদু আঁচে রেখে দিন চুলায়।
  • চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন পুদিনা চা।
  • সামান্য ঠাণ্ডা হলে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে পান করুন পুদিনা চা।

পুদিনা টোনার

  • একটি পাত্রে আপেল সিডার ভিনেগার নিন।
  • ভিনেগারের ২ অংশ পরিমাণ পুদিনা চা মেশান।
  • দ্রবণটি স্প্রে বোতলে নিয়ে নিন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে স্প্রে করুন টোনার।

ব্রণের দাগ দূর করার জন্য

  • পুদিনা পাতার রস সংগ্রহ করুন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে তুলা ভিজিয়ে ব্রণের দাগের উপর ঘষে নিন বারকয়েক।
  • সারারাত রেখে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন ত্বক।

ত্বকে পুদিনা পাতা ব্যবহার করবেন কেন?

  • পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
  • ত্বক টানটান করতে সাহায্য করে পুদিনা পাতা।
  • ত্বকের মরা চামড়া দূর করতে পারে এটি।
  • লোমকূপের মধ্যে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে পুদিনার রস।
  • ব্রণের পাশাপাশি ব্রণের দাগ ও ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে অনন্য পুদিনা পাতা।

 

পুডিং তৈরির সহজ রেসিপি

ডিম খেতে ভালো লাগে না কিংবা দুধ খেতে ভালো লাগে না এরকম অনেকেই আছেন। কিন্তু পুডিং খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিশেষ করে শিশুদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে এই পুডিং। চলুন জেনে নেই পুডিং তৈরির সহজ রেসিপি।

উপকরণ : দুধ ১ কেজি, ডিম ৪ টি, চিনি স্বাদমতো, ভ্যানিলা এসেন্স ১/২ চা চামচ, কনডেন্স মিল্ক ১/২ কাপ, গুড়ো দুধ ৩ টেবিল চামচ, পানি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি : ১ কেজি দুধ চুলাতে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে। অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে নিন। দুধ ঠান্ডা হলে এর মধ্যে ৪ টি ডিম, চিনি, ভ্যানিলা এসেন্স, কনডেন্স মিল্ক, গুড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে বিট করে নিন। এবার ঢাকনাসহ ১ টি স্টিলের বাটি নিন। বাটিতে ৩ টেবিল চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ পানি দিন। বাটিটি কম আঁচে চুলার ওপর রাখুন। একটু পর পর বাটি ঘুরিয়ে দিন। চিনি লালচে হলে নামিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এবার দুধের মিশ্রণ এই বাটিতে ঢেলে ঢাকনা লাগিয়ে দিন। আর একটি বড় পাত্রের মধ্যে বাটিটি বসিয়ে পাত্রে অল্প পানি দিন। পানি যেন দুধের বাটির মাঝ বরাবর থাকে। এবার দুধের বাটির উপর ভারি কিছু দিয়ে ভার দিয়ে পানিসহ বড় পাত্রটি চুলাতে বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। এভাবে ৪০- ৫০ মিনিট মাঝারি আঁচে ভাপ দিতে হবে। এরপর নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন

এই বিভাগের আরো খবর

অযোগ্যতায় দায়ী ১১ অভ্যাস

যখন আমরা কোনো চাকরির জন্য ইন্টারভিউর সম্মুখীন হই কিংবা কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ কারো সঙ্গে কথা বলি, তখন স্নায়ুবিক দুর্বলতার কারণে নিজের অজান্তেই আমাদের আচরণে লক্ষণীয় কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়।

এসব আচরণ বা কার্যকলাপের জন্য অন্যদের মনে হতে পারে আপনি হয়তো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে অপারগ।

মেনে নেয়া কঠিন হলেও এসব আচরণ আপনার ভেতর থেকেই যেন চিৎকার করে উঠে- ‘আমি প্রস্তুত নই!’

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সতর্কতাই এসব বেফাঁস বা দৃষ্টিকটুআচরণ দূর করার সবচেয়ে বড় উপায়।

নখ কামড়ানো
নখ কামড়ানো হল সবচেয়ে প্রচলিত একটি দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। ক্যারিয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ অ্যামান্ডা অগাস্টিন বিজনেস ইনসাইডার-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এটি শুধু আপনার নখ আর বহিঃত্বকেরই ক্ষতিসাধন করে না, পাশাপাশি আপনার ব্যক্তিত্বেরও হ্রাস ঘটায়।’

অবিরাম মোবাইল ফোন চালানো
‘আমার মতে যে মানুষটা তার মোবাইল ফোন বা ঘড়ির দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারে না, সে আসলে তার অনাগ্রহী মনোভাবকে প্রকাশ করে।’- ভিকি অলিভার, লেখক, ৩১০ স্মার্ট আনসার্স টু টাফ ইন্টারভিউ কোশ্চেনস এবং ৩১০ স্মার্ট আনসার্স টু টাফ বিজনেস এথিক কোশ্চেনস।

কথা বলার সময় চোখের দিকে না তাকানো
ইন্টারভিউয়ের সময়ে সরাসরি প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে না তাকিয়ে অর্থাৎ ‘আই কন্ট্যাক্ট’ না করে উত্তর দেয়াটা তাদের মনে আপনার সম্পর্কে এক ধরনের বিরূপ এবং নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অগাস্টিনের মতে, ‘সরাসরি চোখের দিকে না তাকানোর ব্যাপারটা নিজেকে অপ্রস্তুত, অনাগ্রহী, অন্তঃসারশূণ্য এমনকি অহংকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।’

কথা বলার সময়ের অন্তত অর্ধেকটা যদি আপনি ‘আই কন্ট্যাক্ট’ করতে পারেন তাহলে সেটা আপনাকে বিশ্বাসযোগ্য, নিঃসংশয় এবং কর্মদক্ষ হিসেবে তুলে ধরবে।

হাত মোচড়ানো কিংবা হাতের তালু উরুতে ঘষা
শিষ্টাচার বিশেষজ্ঞ এবং লেখিকা রোজালিনা ওরোপেজা র‌্যান্ডাল এ সম্পর্কে বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, ‘এই ধরনের আচরণের ভয়ংকর রকম বাজে প্রভাব রয়েছে, এতে করে প্রশ্নকর্তাদের মনযোগ আপনার বক্তব্য থেকে সরে যেতে পারে এবং এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করতে পারে।’

অগাস্টিনের মতে, ‘এই অভ্যাস পরিহার করতে চাইলে আপনি আপনার হাত দুটো হাঁটুর ওপরে রাখার পরিবর্তে আপনার সামনের টেবিলের ওপরে বা চেয়ারের হাতলে ভাঁজ করে রাখতে পারেন।’

‘হ্যাঁ, ভালো প্রশ্ন’ মন্তব্য করা
ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরেই এই প্রত্ত্যুতরটি করা প্রমাণ করে যে, আপনি কতটা বাছবিচারহীন! পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ পদের কারো সঙ্গে প্রত্যেকটি কথায় ‘ভালো বলেছেন’ মন্তব্য করা প্রমাণ করে আপনি নিজস্ব মতামত দিতে অপারগ একজন মানুষ।

সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন আচরণ করা
একজন বিশেষজ্ঞের মতে, ‘গুরুগম্ভীর মুহূর্তগুলোতে হঠাৎ হো হো করে হেসে ওঠা বা হায়েনার মত গগনবিদারী শব্দে হাসা কলিগদের মধ্যে আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়।’

ভ্রু কোঁচকানো
ভ্রুকুটি করা বা ভ্রু কোঁচকানোর ফলে শুধুমাত্র আপনার অসন্তোষই প্রকাশ পায় না, পাশাপাশি এটা আপনাকে কম বুদ্ধিসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করে।

চুল মোচড়ানো
অন্যের সামনে নিজের চুল মোচড়ানো একটি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। চুল মোচড়ানোর অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে আপনি কিছু হেয়ার স্টাইল যেমন- ফ্রেঞ্চ ট্যুইস্ট, বান অথবা স্মার্ট পনি টেলের আশ্রয় নিতে পারেন।

‘হুমম’, ‘আচ্ছা’ শব্দগুলোর রিপিট করা
মনোবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেন জানিয়েছেন, ‘বারবার হুমম, আচ্ছা কিংবা লাইক শব্দগুলোর রিপিট করা আপনাকে অপরিপক্ক এবং অগোছালো হিসেবে উপস্থাপন করে।’

দাঁতে দাঁত ঘষা
অগাস্টিন বলেন, ‘আপনি যদি রাতের বেলা দাঁতে দাঁত ঘষেন তবে প্রচন্ড চাপের মুহূর্তগুলোকে এই অভ্যাসটির পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’ এই বদভ্যাসটি রাগান্বিত হওয়া, উদ্ধত এমনকি উদ্বিগ্নতার বহিঃপ্রকাশ। আপনার যখন দাঁতে দাঁত ঘষার প্রবল ইচ্ছা জাগবে তখন গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে মুখের পেশীগুলোকে হালকা বিশ্রাম দিন, ধীরে ধীরে এর থেকে মুক্তি পাবেন।

দ্রুত কথা বলা
ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রশ্নকর্তার সামনে নিজেকে দুর্বোধ্য প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি হড়বড় করে দ্রুত কথা বলার মাধ্যমে আপনি নিজেকে ধৈর্য্যহীন এবং নিয়ন্ত্রণ অক্ষম হিসেবে উপস্থাপন করবেন না। তার চেয়ে বরং প্রশ্নকর্তার কথা মাত্রা এবং দ্রুততার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কথা বলে আপনি নিজেকে একজন যথার্থ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।

এই বিভাগের আরো খবর

শিশুর স্কুল থেকে শেখা বদভ্যাস থামাবেন যেভাবে

স্কুল থেকে শিশুরা জীবনের দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকে। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নিয়মকানুন তারা এখান থেকে রপ্ত করে। তাদের যে শুধু ভালো অভ্যাস গড়ে ওঠে তা না, কিছু বদভ্যাসও তাদেরকে প্রভাবিত করে।

এসব বদভ্যাস তারা সাধারণত সহপাঠীদের কাছ থেকে শেখে। তবে অন্যান্য মাধ্যম বা বিষয়কেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। স্কুলে শিশুরা যেসব বদভ্যাসে অভ্যস্ত হতে পারে সেসব সম্পর্কে এ প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হলো।

১. অন্যের সম্পর্কে নিন্দা

 

 

আমাদের সংস্কৃতিতে গল্পগুজব করাটা দুর্নিবার অবসর বিনোদনে রূপ নিয়েছে। কিন্তু কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে হীনজাত উদ্দেশ্যে কথা বলাটা শুধু অভদ্রতাই নয়, ক্ষতিকরও বটে। তাই আপনি যদি শুনেন আপনার বাচ্চা ক্লাসমেট সম্পর্কে নিন্দা করছে তাহলে তা থামানোর চেষ্টা করুন। অন্যের সম্পর্কে বা সঙ্গে কিভাবে সম্মানের সঙ্গে কথা বলতে হয় তা শিশুকে শেখানো গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শিশুকে বোঝান পরচর্চা কেন অসম্মানের ও কেন তা ক্ষতিকর। তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন কেউ তাদের সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করলে কষ্ট পাবে কিনা? যদি পেয়ে থাকে তাহলে যাদের সম্পর্কে বাজে কথা বলছে তারা কি কষ্ট পাবে না?

২. নখ কামড়ানো ও অন্যান্য স্নায়ুচাপজনিত অভ্যাস

 

স্কুলে যাওয়াটা অনেক শিশুর ক্ষেত্রে অবিশ্বাস্যভাবে উদ্বেগ উদ্দীপকের বিষয় হতে পারে। বিশেষ করে তারা স্নায়বিক দুর্বলতায় ভোগে। তাই আপনার বাচ্চার মধ্যে অতি উদ্বেগের কোনো উপসর্গ আছে কিনা দেখা দরকার। নখ কামড়ানো, চুল টানা, ঠোঁট কামড়ানো, বৃদ্ধাঙ্গুল চুষা- এসব উপসর্গ উদ্ধিগ্নতার কারণে দেখা দিতে পারে। ড. অ্যালিনর মিটজনার বলেন, আপনার বাচ্চা যদি উদ্বিগ্নতায় ভোগে তাহলে শুধু বলবেন না, ‘চিন্তা করো না, তুমি ঠিক আছো’। তিনি বলেন, তাদের অনুভূতিসমূহ বাস্তব। তাদের জানানো উচিত এরকম অনুভূতি থাকা স্বাভাবিক। তাদেরকে কথা বলতে দিন এবং ইতিবাচক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করুন।

৩. প্রযুক্তি আসক্তি

মিশিগানের শিশু মনস্তাত্ত্বিক নিকোলে বুরকেনস বলেন, অনেক স্কুল অসাবধানবশত স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের প্রতি কচি বয়সে আসক্ত করে তোলে। তিনি বলেন, অনেক স্কুল ক্লাসে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের পাশাপাশি লাঞ্চ এবং অবকাশে ব্যক্তিগত ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি দেয়। অনেক শিশু ক্লাসের বাইরে প্রায় সময় ডিভাইস নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তারা ভিডিও গেমস খেলে বা টিভি দেখে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটায়। তবে এসব সমাধান করা কঠিন নয়। প্রযুক্তির প্রতি বাচ্চার আসক্তি কমিয়ে ফেলুন বা তাদেরকে কিছু সীমাবদ্ধতায় রাখুন। তাদেরকে স্কুলে ব্যক্তিগত ডিভাইস নিতে দিবেন না। ঘরে টিভি দেখা বা স্ক্রিন উপভোগের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন ঠিক করে দিন।

৪. অনবরত ঘ্যানঘেনানি

স্কুলের অনেক বিষয় নিয়ে বাচ্চারা ঘরে ঘ্যানঘ্যান করে। হোমওয়ার্ক, বাস, শিক্ষক কিংবা ক্যাফেটেরিয়া নিয়ে তারা অভিযোগ করে। কিছু অসুবিধার কারণে তারা এমনটা করে থাকে। তাদের এসব ঘ্যানঘেনানি বিরক্তির উদ্রেক করে এবং অনেক মা-বাবা তর্কে লিপ্ত হয়ে তা থামাতে চায়। ড. বুরকেনসের মতে, এসব থামানোর ভালো কৌশল হল অভিযোগে কান না দেওয়া। তিনি বলেন, ‘শিশুরা অভিযোগের প্রত্যুত্তর যত কম পাবে তারা তত কম অভিযোগ করবে।’ কিন্তু ঘ্যানঘেনানি অব্যাহত থাকলে কতটা নেতিবাচক মন্তব্য করছে তা ট্র্যাকিং করুন এবং তা কমানোর জন্য লক্ষ্য ঠিক করুন।

৫. অত্যধিক জাঙ্ক ফুড খাওয়া

ঘরে আপনি বাচ্চার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার ও স্ন্যাকস তৈরি করেন। কিন্তু স্কুলে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাওয়া যায় না বললেই চলে। সেখানে বাচ্চারা চিপস, বিভিন্ন রকম ক্যান্ডি, সিঙাড়া, সমুচা, পিৎজা ও অন্যান্য জাঙ্ক ফুড খেয়ে থাকে। তারা এসব খাবারে অভ্যস্ত হয়ে গেলে তাদের খাবার নির্বাচন নিম্নমানের হয়ে যাবে এবং তারা ঘরেও এসব খাবারের আবদার করবে। তাদের আবদারকে ঠান্ডা মাথায় ও কৌশলে এড়িয়ে যান। নানাপ্রকার জাঙ্ক ফুড মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতে পারে। তাই বাসায় যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করুন।

৬. অশ্লীল শব্দ

স্কুলে পাঠ্যপুস্তকের শব্দ তালিকার বাইরে কয়েকটি অশ্লীল শব্দ শিখে না এমন শিশু পাওয়া দুর্লভ। শিশু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি অশ্লীল শব্দ শিখে থাকে। এসব সহ্য করার কোনো মানে হয় না। এসব বলা থেকে তাদের বিরত রাখুন। যখন তারা অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করবে তখন কৌশল খাটিয়ে থামানোর চেষ্টা করুন। এ প্রসঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত শিকো সেন্টার ফর কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট জোয়েল মিন্ডেন বলেন, ‘শান্ত থাকুন, তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন তারা শব্দটি কোথায় শিখেছে এবং কেন তারা শব্দটি ব্যবহার করছে।’ তিনি বলেন, তাদের ব্যাখ্যা শুনে একই অনুভূতি ভিন্ন শব্দে প্রকাশে সাহায্য করুন। অযৌক্তিক শাস্তি দিবেন না, যেমন- অশ্লীল শব্দ বললে সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে দেওয়া। এরকম শাস্তি তাদের মধ্যে রাগের বিস্তার ঘটাতে পারে এবং যে শব্দের জন্য শাস্তি দিলেন তা বেশি বেশি বলতে পারে।

৭. পরীক্ষায় প্রতারণা

পরীক্ষায় প্রতারণার আশ্রয় নেওয়াকে ক্ল্যাসিক ব্যাড বিহেভিয়ার বলা হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে শিশুরা তা করে থাকে, যেমন- পরীক্ষা সম্পর্কে উদ্বেগ, বিষয়বস্তু না বুঝা এবং সাহায্য চাইতে অত্যধিক ভয় পাওয়া। তাদেরকে প্রতারণামূলক ফলাফলের অভিজ্ঞতা নিতে দিন, যেমন- কোনো টেস্টে অনুত্তীর্ণ হওয়া বা কোনো প্রজেক্ট পুনরায় করা। কিন্তু এখানেই থেমে থাকবেন না। তাদের শিক্ষকের সঙ্গে তাদের ব্যাপারে কথা বলুন এবং পরামর্শ করুন। আপনার বাচ্চাকে ভালো অভ্যাসে উৎসাহিত করার জন্য তাদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিন ও সমস্যার সমাধান করুন। তারা কনফিউজড ও আপসেট হলে তা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে দিন।

৮. বর্ণবাদী রসিকতা

শিশুরা স্কুলে সামজিক নিয়মকানুন শিখে এবং মাঝে মাঝে তারা বিব্রতকর বা অসামাজিক কিছু বিষয় শিখে ফেলে যা গোঁড়ামিপূর্ণ, বর্ণবাদী, যৌন বিষয়ক বা অন্যান্য অনুপযুক্ত ভাষা হতে পারে। তাদের মুখে এসব শুনে আপনি হয়তো মর্মাহত হতে পারেন, এমনকি রাগও করতে পারেন। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রাখুন। তাদেরকে উত্তপ্ত কথা না বলে এটাকে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ বা আচরণ শিখানোর সুযোগ হিসেবে কাজে লাগান। কাউকে নিয়ে ব্যঙ্গ করলে সে কেমন কষ্ট পায় তা পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যাখ্যা করুন। তারপর তাদের যা শিখাতে চান তার ওপর গুরুত্ব দিন। পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা বিষয়ে তাদেরকে জ্ঞান দিন। তা স্বত্ত্বেও তারা বদভ্যাস ত্যাগ করতে না পারলে শাস্তি দিতে পারেন এবং খারাপ সঙ্গীর সঙ্গে মেলামেশা বা মিডিয়ার অপব্যবহার রোধে খেয়াল রাখুন।

৯. অন্য শিশুদের কটুক্তি করা

বাচ্চা নীচ মনমানসিকতার হোক এটা কেউ চায় না। কিন্তু বাস্তবতা এই যে, শিশুরা বিভিন্ন উপলক্ষ্যে অন্য শিশুদের কটুক্তি করে। ‘আমার বাচ্চা এমন নয়’ বা ‘আমার বাচ্চা করেনি’ এমন কথা না বলে বাচ্চার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং এ বিষয়ে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলুন। ড. মিন্ডেন বলেন, ‘মাঝে মাঝে অন্য শিশুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েও তারা কটুক্তি করতে পারে। বাচ্চাকে কটুক্তির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বোঝান, এমনকি তা সহপাঠীদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে করলেও।’ তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অভ্যাস বন্ধ করার ব্যবস্থা নিন। বাচ্চাকে বলুন- যদি টিজ অব্যাহত রাখো তাহলে এটা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং তোমার শিক্ষককে এ বিষয়ে বলা প্রয়োজন হবে। কখনো কখনো টিজিং সীমারেখা অতিক্রম করে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে। তাই আপনার বাচ্চাকে এ অভ্যাসের আওতামুক্ত রাখুন।

১০. পর্নো দেখা

নোভাস প্রজেক্টের একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, ৮ থেকে ১১ বছরের শিশুরা স্মার্টফোন ও ট্যাবের সংস্পর্শে প্রথম পর্নের সঙ্গে পরিচিত হয়। স্কুলে অন্যের দেখাদেখি বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আপনার বাচ্চা পর্নো দেখতে পারে। শিশুর সেক্সুয়্যাল ডেভেলপমেন্টের জন্য ও যৌন নিরাপত্তার খাতিরে পর্নো দেখা বন্ধ করা উচিত। ড. মিন্ডেন বলেন, যদি জানেন আপনার বাচ্চাকে কে পর্নো দেখিয়েছে তাহলে জরুরি ভিত্তিতে স্কুল বা অন্যান্য পিতামাতার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনি পরামর্শ দেন, শান্ত হোন, বাচ্চাকে বলুন যে পর্নোগ্রাফি শিশুদের জন্য নয় এবং এসব দেখলে ক্ষতি হতে পারে। তারা যা দেখেছে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন। ড. মিন্ডেন যোগ করেন, যৌনতা সম্পর্কে তারা আপনার কাছ থেকে যা জানবে তা-ই গুরুত্বপূর্ণ, বন্ধুদের কাছ থেকে যা জানে তা নয়। আপনি বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে তাদেরকে পর্নো দেখা থেকে রক্ষা করতে পারেন।

১১. নিজেকে বিভিন্ন নামে ডাকা

আপনার আদরের বাচ্চা যখন নিজেকে ডাম বা হাবা বা বোবা, আগলি বা বিশ্রী বা কুৎসিত, স্টুপিড বা মূর্খ বা বেকুব, ফ্যাট বা মোটা বা মোটকি এবং অন্য কোনো হাস্যকর বা সমালোচনামূলক নামে ডাকবে তখন হয়তো আপনার বুকটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। শিশুরা স্কুলজীবনের শুরু থেকেই পারফেকশনিস্ট বা সেনসিটিভ আচরণ করলে তাদের বিভিন্ন নাম ছড়িয়ে যায়। তাদের দুর্বলতা এবং শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করেও নানারকম নাম ছড়িয়ে পড়ে। বাচ্চা যদি এসব নামে নিজেকে সম্বোধন করে তাহলে তাকে ইতিবাচক নামে ডাকুন বা ভালো মন্তব্য শুনান, যেমন- তুমি সত্যিই সুন্দর/স্মার্ট/গ্রেট ইত্যাদি। এর ফলে তাদের মনের উদ্বেগ দূর হবে। ড. মিন্ডেন পরামর্শ দেন, নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করতে তাদেরকে উৎসাহ দিন, তাদের নেতিবাচক চিন্তাকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উপায় খুঁজুন এবং ফলাফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন, তারা যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তাতেও গুরুত্বারোপ করুন। সফল হতে পারে এমন কাজে তাদেরকে যুক্ত করুন।

চালের চা

চা পাতা দিয়েই সাধারণত চা হয়ে থাকে। পানিতে চা পাতা ছেড়ে দিলেই হয়ে যায় চা। কিন্তু চালের চা খেয়েছেন কী? বদহজম হলে ভীষণ উপকারী এই চালের চা। নিয়মিত এই চা পানের আপনার হজম প্রক্রিয়া সহজতর হওয়ার পাশাপাশি দুর্বলতাও কেটে যাবে।

 

 

খুব সহজে তৈরি করা যায় এই চা। ভাত রান্নার সময় ফুটে ওঠা ফেন ফেলে না দিয়ে কাপে সংরক্ষণ করুন। সেটিতে আরও পানি মিশিয়ে পাতলা করে ফুটিয়ে নিন। ফুটানো পানিতে চা পাতা ছেড়ে দিন। চা পাতা ফুটে উঠলে তাতে লেবুর রস ও মধু দিয়ে পান করুন চালের চা।

প্রতিদিন ভাত রান্নার সময়ই এককাপ চা হয়ে যাবে। আর সুস্থ থাকুন আপনি।

অনেকে ভাজা চাল দিয়েও এই চা তৈরি করেন। চাল ভাজা ভালো করে পানিতে ফুটিয়ে তাতে মধু, চা পাতা ও ইচ্ছামতো লেবু, কমলা মেশানো যাবে। পুদিনাও দিতে পারেন। গরম খেতে হবে এমন মানে নেই ঠাণ্ডা বরফ ও পুদিনা দিয়েও খেতে পারেন এই চা। মোটকথা চালের পানি আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। সেটিকেই খেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।  

লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়

দুর্ভাগ্যবশত এই পৃথিবীতে কেউই দুর্ঘটনার হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। যে কারণে আমাদের নিজেদেরই আগে খুঁজে বের করতে হবে,  দুর্ঘটনায় পতিত হলে প্রাণে বাঁচতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারলে জীবন বেঁচেও যেতে পারে কিংবা কম আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

লিফট দুর্ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর দুর্ঘটনার ঘটতে পারে যে কোনো সময়। যদিও লিফট ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা খুব বেশি ঘটে না, কিন্তু একেবারেই যে ঘটে না বা ঘটবে না তা কিন্তু নয়। তাই জেনে রাখা ভালো, লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যেতে থাকলে কীভাবে বাঁচাবেন নিজেকে।

লাফ দেবেন না
প্রথমত আপনি যখন ফ্রি স্টাইলে নিচে পড়ে যেতে থাকবেন, তখন লাফ দেওয়ার চেষ্টা করাটা খুবই কঠিন। দ্বিতীয়ত লাফালাফি করলে লিফট আরো বেশি গতিতে আছড়ে পড়বে। তৃতীয়ত আপনার শরীরের কোন অংশ পতিত হবে তা এর মাধ্যমে আগেভাগে নির্ধারণ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বরং লাফের কারণে আপনি মাথায় আঘাত পেতে পারেন এবং খুব খারাপভাবে আপনার শরীর আছড়ে পড়তে পারে।

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন না
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুব ভালো ধারণা নয়। কারণ পতনের সময় শরীরের ওজনের ১০ গুণ ওজন এসে ভর করে পায়ে। যা খুবই গুরুতর জখম হওয়ার কারণ হতে পারে।

সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল
মাস্যাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারের গবেষক ইলিয়ট এইচ ফ্রাঙ্কের মতে, লিফট যখন পড়ে যেতে থাকবে তখন যত দ্রুত সম্ভব চিৎ হয়ে দুই হাত ও পা ছড়িয়ে লিফটের মেঝেতে শুয়ে পড়া একমাত্র নিরাপদ কৌশল।

 

 

এতে আপনার শরীরের সেরা অংশগুলোতে শক্তি ছড়িয়ে পড়বে। এবং এর ফলে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে অন্য কোনো অংশের তুলনায় বেশি ওজন বিরাজ করবে না। নিচে পড়ার আঘাত শরীরের সব অংশে সমানভাবে ছড়ে যাবে বলে ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে কম আঘাত লাগবে। তবে সত্যিকার অর্থে এটা বাঁচার একটা চেষ্টা করা মাত্র, জখম তো হতেই পারে, তবে গুরুতর জখম থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কৌশল অবলম্বন করা।

লিফটে বেশি মানুষ থাকলে করণীয়
এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো যেটা করতে পারেন তা হচ্ছে, লিফটের মেঝেতে বসে পড়া। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে অস্থিতে যে পরিমাণ চাপ পড়তো তার তুলনায় অস্থিতে কম চাপ পড়বে এ পজিশনে। যদি বসে পড়ার মতো জায়গা না থাকে, তাহলে অন্তত চেষ্টা করুন হাঁটু বাঁকা করে রাখতে, এটিও পায়ের বল কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে। 

এই বিভাগের আরো খবর

ছোট্ট লবঙ্গে এতো গুণ!

আমরা রান্না করা খাবারের স্বাদ বাড়াতে গরম মশলার ব্যবহার করি। সুন্দর গন্ধযুক্ত এই উপাদেয় মশলার মধ্যে খুবই ঝাঝালো হচ্ছে লবঙ্গ। এটি রান্নায় যেমন স্বাদ বাড়িয়ে দেয়, তেমনি বিভিন্ন গুণেভরা এই ছোট্ট সুন্দর মশলাটি। 

 

আসুন আজ জেনে নেই লবঙ্গের গুণাগুণ:

রুচি ও ক্ষুধা বাড়ায়
কফ ও কাশি দূর করে
কৃমি জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে
এটা পচনরোধক
শরীরে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে
গলার সংক্রমণরোধক 
যৌন রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য খুবই উপকারি
দাঁতের ব্যথা সারাতে দারুণ কার্যকর
বমিভাব কমায়
রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লবঙ্গ উপকারী
ক্রিয়েটিভিটি এবং সেন্টাল ফোকাস বাড়ায়
লবঙ্গ তেলের রয়েছে ব্যকটেরিয়া নামক জিবানু ধ্বংসের ক্ষমতা 
এসিডিটি কমাতে খেতে পারেন নিয়মিত 
লবঙ্গ পিষে মিশ্রি বা মধুর সঙ্গে খাওয়া ভীষণ ভালো। এতে রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়
এটা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কাজ করে। হাঁপানির মাত্রা কম করে
চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে লবঙ্গ পিষে লাগালে ত্বকের যেকোনো সমস্যা দূর হয়ে যায়। 

এই বিভাগের আরো খবর

লেবুর স্বাদে রুই ভুনা

স্বাদ পরিবর্তন করতে চাইলে এই আইটেমটি রান্না করে ফেলতে পারেন। টক, ঝাল, মিষ্টি রুই ভুনা পরিবেশন করা যাবে গরম ভাতের সঙ্গে। লেবুর রস ও লেবু পাতা দিয়ে কীভাবে রুই মাছ রান্না করবেন জেনে নিন। 

উপকরণ


কাগজি লেবু- ২টি
লেবুর পাতা- ৩টি
রুই মাছ- ৪ টুকরা
জিরা বাটা- ২ চা চামচ
মরিচ বাটা- স্বাদ অনুযায়ী
হলুদ বাটা- আধা চা চামচ
পোস্ত বাটা- ১ চা চামচ
লাল মরিচ- ৩টি
কাঁচামরিচ- ৩টি
সরিষার তেল- প্রয়োজন মতো
লবণ ও চিনি- স্বাদ মতো
যেভাবে রান্না করবেন
মাছের টুকরা পরিষ্কার করে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে সব বাটা মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। সামানয পানি দিয়ে মাছের টুকরা দিয়ে দিন। মাছের টুকরা ভেজেও দিতে পারেন চাইলে। লেবু পাতা দিয়ে দিন। লবণ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটতে দিন। পানি শুকিয়ে গেলে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।

মাত্র ২ মিনিটে শিখে নিন কীভাবে বানাবেন ‘সিঙ্গারা’

মুখরোচক জলখাবার বললেই একবাক্যে সকলে একটাই নাম নেবে। আর সেটা হল সিঙ্গারা । আপনিও নিশ্চয়ই সেই তালিকাতেই পড়েন? সিঙ্গারা খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। তবে বেশিরভার ক্ষেত্রেই আমরা সিঙ্গারা দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসি। বাড়িতে সিঙ্গারা তৈরি করেন, এমন মানুষের সংখ্যা তুলনায় কম। এর কারণটা হয়তো কীভাবে তৈরি করবেন তা জানা না থাকা। তাহলে এখনই নিচের ভিডিওটি দেখে মাত্র ২ মিনিটে শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলবেন গরম গরম মুখরোচক সিঙ্গারা । তারপর সস দিয়ে সন্ধেটা জমে যাবে।

ঘাম হওয়া মানে চর্বি ঝরা নয়

প্রচালিত ধারণা হচ্ছে যত ঘাম ঝরানো যাবে তত বেশি শরীরের চর্বি ক্ষয় হবে। তবে অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে ওজন কমতে পারে, চর্বি নয়।

আর এই বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে শরীরচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট। যত ঘাম তত চর্বি ক্ষয়- এই ধারণা ভুল। কারণ হচ্ছে, যত বেশি ক্যালরি পুড়বে শরীর শক্তি তৈরির জন্য সেখান থেকে চর্বি জমা করবে। তাই যতবার ঘাম ঝরাতে ব্যায়াম করবেন ততবারই প্রক্রিয়াটি ঘটতে থাকবে। ফলাফল চর্বি না কমেও ওজন কমা।

ঘাম হওয়া কারণ: শরীর ঠাণ্ডা রাখার প্রক্রিয়া হচ্ছে ঘাম হওয়া। ব্যায়াম করার সময় অতিরিক্ত ঘামতে থাকার অর্থ হল নিজেকে ঠাণ্ডা করে শরীর সাধারণ তাপমাত্রায় (৯৮.৬ ফা) ফেরাতে চাচ্ছে। যারা প্রতিদিন ব্যায়াম করেন এবং ঠিক মতো খাবার খান তারা বেশি ঘাম ঝরায় এমন মানুষের থেকে বেশি সুস্থ থাকে ।

কম খেয়েও চর্বি জমার কারণ: শরীরে তিন ধরনের ফ্যাট বা চর্বি থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ‘সাবকেউটেনিয়াস’ বা ত্বকের নিচের চর্বি, ‘ভিসারাল’ যা শরীরের ভেতর ফাঁকা জায়গা দখল করে থাকে এবং আমাদের পেশীর মধ্যে অল্প পরিমাণে কিছু চর্বি থাকে, যাকে বলে ‘ইন্ট্রামাসকিউলার’ ।

মনে রাখতে হবে, ঠিক মতো পরিচর্যা না করলে এই তিন ধরনের চর্বি ‘বাজে’ চর্বিতে রূপান্তরিত হতে পারে।

‘ক্র্যাশ ডায়েট’ বা পর্যাপ্ত খাবার না খেলে, সচল থাকতে শক্তির জন্য শরীর অল্প খাবার থেকেও এই তিন ধরনের চর্বি অতিরিক্ত জমা করে রাখে।

যে কারণে ঘাম হওয়া মানেই চর্বি কমা নয়

অতিরিক্ত পরিশ্রম বা ব্যায়াম করার মাধ্যমে অতিরিক্ত ঘাম ঝরছে দেখে যদি মনে করেন শরীর থেকে চর্বি খরচ হচ্ছে তবে তা ভুল। সঞ্চিত চর্বি খরচ করে শরীর শক্তি উৎপাদন করে। তবে ব্যায়ামের পরে যে কোনো খাবার খাওয়ার পর সেখান থেকে ঘাটতি মেটায় শরীর।

চর্বি কমানো নির্ভর করে প্রোটিন ও চর্বি গ্রহণের পরিমাণের উপর। পাশাপাশি শক্তি বাড়ানোর জন্য ভারোত্তলন এবং ‘কার্ডিও প্রশিক্ষণ’ যেমন- দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি করা হয় তাহলে খাদ্য থেকে শরীর ভালো সাড়া দেবে।

যদি মনে করেন যে, সুশৃংখল জীবন বা যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে চর্বি কমানো সম্ভব না কারণ এতে ঘাম কম হয় হবে তা ভুল। কারণ এগুলো আসলে সুস্থ শরীর গঠনে সাহায্য করে। আর ব্যায়ামাগারে গিয়ে অথবা ঘণ্টা খানেক দৌড়ানো মানেই চর্বি কমানো নয়, বরং শরীর নিজেকে সঠিক তাপমাত্রায় রাখতে বা ঠাণ্ডা রাখতে ঘাম ঝরিয়ে যাচ্ছে।

অর্থাৎ, ব্যায়ামাগারে গিয়ে শরীরচর্চা করে বা ঘন্টার পর ঘন্টা দৌড়ে ঘাম ঝরানো মানে চর্বি কমানো নয়, ঘাম হচ্ছে শরীরের নিজেকে ঠাণ্ডা রাখার একটি প্রক্রিয়া মাত্র।

এই বিভাগের আরো খবর

রেসিপি: ক্যাপসিকাম মাসালা

যারা ক্যাপসিকাম খেতে ভালোবাসেন, এই আইটেমটি তাদের জন্য। ঝাল ও মসলাদার ক্যাপসিকাম মাসালা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে খুবই সুস্বাদু। জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন।

 

উপকরণ


ক্যাপসিকাম- ১ কাপ (টুকরা)
টমেটো- ১টি (শাঁস)
পেঁয়াজ- ২টি (কুচি ও স্লাইস)
আদা-রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
তেল- ২ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া- ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া- ১ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ১ চা চামচ
তিল- ৩ টেবিল চামচ
পিনাট- ৩ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
রান্না করবেন যেভাবে
তিল ও পিনাট ভেজে একসঙ্গে বেটে নিন। একই প্যানে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন বাদামি করে। ভাজা পেঁয়াজের মধ্যে আদা- রসুন বাটা ও টমেটো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, গরম মসলা গুঁড়া ও লবণ দিয়ে দিন। তিল ও পিনাটের পেস্ট দিয়ে নাড়ুন ভালো করে। সামান্য পানি দিয়ে পাত্র ঢেকে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দেবেন। ৫ মিনিট পর ক্যাপসিকামের টুকরা ও পেঁয়াজের স্লাইস দিয়ে দিন। ক্যাপসিকাম সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখুন। নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুম মজাদার ক্যাপসিকাম মাসালা।

শোবার ঘর সাজাবেন যেভাবে

সবার কাছেই প্রিয় জায়গা তার নিজের ঘর। সারাদিনের ক্লান্টি কাটাতে নিজের বিছানায় একটু আরামে গড়াগড়ি করে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমাদের শোবার ঘরে মূলত থাকে খাট, ওয়াল টেলিভিশন, ওয়ারড্রব, ড্রেসিং টেবিল, জানালার পাশে টি-টেবিল বা কফি টেবিল এবং শোপিস সাজানোর জন্য শোপিস স্ট্যান্ড, ঘরে লাগানো যায় এমন গাছ ইত্যাদি। তবে ইদানীং ছোট রুমগুলোতে জায়গা বাঁচানোর জন্য এটাচ ওয়ারড্রব বা ওয়াল মাউন্টেন কেবিনেট দিয়ে ঘর সাজানো হচ্ছে।

খাট ছাড়া কোনো শোবার ঘরই পরিপূর্ণ নয়। শোবার ঘর মানেই নানা ম্যাটেরিয়ালে তৈরি খাট। কিন্তু ইচ্ছা করলে আপনি শোবার ঘরে খাটের পরিবর্তে শুধু মেঝেতেও শোবার আয়োজন করতে পারেন। শোবার ঘরে খাটের বদলে ম্যাট্রেস বসিয়ে শোবার আয়োজন করা যেতে পারে খুব সহজে।

শোবার ঘরের দেয়াল রাঙাতে পারেন হালকা সাদা, ধূসর, নীল, টিয়া ইত্যাদি রঙ দিয়ে। তবে দেয়ালের রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। আপনি আপনার শোবার ঘরকে আকর্ষণীয় করতে একটা দেয়াল হাইলাইট করেন যে কোনে বিপরীত রঙ দিয়ে। যেমন হালকা সাদা রঙের দেয়াল এবং সিলিং হলে খাটের মাথা রাখার দিকটা টিয়া, হলুদ কিংবা অন্য রঙ দিয়ে হাইলাইট করতে পারেন।

দেয়ালের সঙ্গে মিলিয়ে এসির রঙ নির্বাচন এবং এসি লাগানোর দেয়ালটি নির্বাচন করতে হলে মাথায় রাখতে হবে যে কোন দেয়ালটি বাইরের দিকে আছে। শোবার ঘরে এছাড়া রাখতে পারেন কার্পেট। গাঢ় সবুজ, ধূসর, কালো রঙের কার্পেট উপযোগী আমাদের দেশের প্রকৃতি অনুযায়ী।

পর্দার ক্ষেত্রে হালকা সুতি কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করা ভালো, এতে ঘরে বাতাস দ্রুত প্রবেশ করতে পারে। আর রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেয়ালের রঙের সঙ্গে বিছানার চাদর, কুশনের সঙ্গে মানিয়ে পর্দা লাগাতে হবে। এছাড়া আপনি আপনার ঘরের এক কোনে রাখতে পারেন ওয়ারড্রব, শোকেস এবং একটু বেশি জায়গা পেলে জানালার এক পাশে রাখতে পারেন বুক সেলফ এবং অন্যপাশে টি-টেবিল বা কফি টেবিল। অন্যদিকে এসি লাগানোর ক্ষেত্রেও রঙ এবং এসি লাগানোর দেয়াল নির্বাচন উল্লেখ্য।

ঘরে রাখতে পারেন ছোট ছোট খোপ করা টবে অর্কিড, বনসাই, মানিপ্লান্ট গাছ। এছাড়া ছোট অর্কিড খাটের পাশের টেবিলেও রাখা যেতে পারে। বারান্দায় মাঝারি সাইজের টবে পাতাবাহার, ছোট ফুলের গাছ কিংবা ঝুলানো টবে অর্কিড রাখা যেতে পারে। এতে করে সবুজ কৃত্রিমতাকে ছাপিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে আপনি বারান্দায় বসার জন্য রকিং চেয়ার রাখতে পারেন।

এই বিভাগের আরো খবর

ত্বককে আকর্ষণীয় করতে কাঁচা খাবেন যেসব খাবার!

শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারি না হয়, তাহলে চেহারাতেও তার ছাপ পরে। যতই রূপচর্চা করুন না কেন শরীর যদি ভিতর থেকে সুস্থ না থাকে তাহলে কখনও আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং নিখুঁত লাগতে পারে না। তাই বাইরে থেকে সুন্দর লাগতে চাইলে সবার আগে প্রয়োজন শরীরকে ভিতর থেকে সুস্থ করা। শরীর সুস্থ রাখতে গেলে ঠিকঠাক খাওয়া দাওয়া করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

সবসময় সিদ্ধ খেলেই কাজ হয় না। কিছু সময় ত্বককে আকর্ষণীয় করার জন্য কিছু খাবার ‘কাঁচা’ উপায়ে খাওয়া খুবই উপকার। কাঁচা খেলে সিদ্ধ বা কম তেলওয়ালা খাবার খাওয়ার চেয়েও বেশি উপকার পাওয়া যায়।

চলুন দেখি সেসব কাঁচা খাবার গুলোর তালিকাঃ

১। পালং শাকঃ পালং শাকে সাইট্রোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে, যা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এতে বেটা-ক্যারোটিন এবং লিউটেইন প্রচুর পরিমাণে থাকে। যা ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে।

২। আখরোটঃ আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। এর ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকলে, তার প্রভাব ত্বকে পরে। এতে ভিটামিন ই-ও থাকে। যার ফলে চেহারায় পিগমেন্টেশন বা বয়সের ছাপ পড়ে না। আখরোটে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

৩। আমঃ আম হল অ্যান্টিএজিং ফল। আমে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। আম ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে বলিরেখা পরে না। ত্বকও মোলায়েম থাকে।

৪। স্ট্রবেরিঃ স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি এই ধরণের যে কোনও বেরি জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। শরীর থেকে সমস্ত দুষিত পদার্থ টেনে বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে সারাক্ষন।

৫। সিট্রাস ফলঃ কমলালেবু, পাতিলেবু, আঙুর এই ধরণের ফলে ভিটামিন সি-এর পরিমান বেশি থাকে। ফলে ত্বক তুলতুলে হয়। পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে। -সূত্রঃ বোল্ডস্কাই।

এই বিভাগের আরো খবর

ডিম্বাণু ডোনেট করে মাসে রোজগার ৭০,০০০ টাকা!

আয়ুষ্মান খুরানার ‘ভিকি ডোনর’ মুক্তির পর ভুরু কুঁচকে গিয়েছিল সমাজ সচেতকদের। স্পার্ম ডোনেশন! এসব কী? এটা আবার কোনও ছবির বিষয় হল নাকি? নাক সিঁটকেছিলেন অনেকেই। কিন্তু, পর্দার সেই ‘ভিকি’-র অনুপ্রেরণাতেই এবার বাস্তবে বন্ধ্যাত্ব মোকাবিলায় পথ দেখাচ্ছে ‘ডোনেটর গার্লস’।

 

বন্ধ্যাত্বের কারণে যেসব দম্পতি সন্তানসুখ থেকে বঞ্চিত হন, তাঁদের জন্যই নিজের শুক্রাণু ‘ডোনেট’ করেছিলেন ভিকি। এবার ঠিক ভিকির মতই নিজেদের ‘ডিম্বাণু ডোনেট’ করছেন বহু যুবতী। বিভিন্ন ফার্টিলিটি ক্লিনিকে গিয়ে নিজেদের ডিম্বাণু ডোনেট করে আসছেন তাঁরা। বদলে এক-একবার ডোনেশনের জন্য পাচ্ছেন ২০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা। তবে টাকার অঙ্কই যে শুধু কারণ নয়, তা সাফ জানিয়েছেন ডোনেটর তরুণীরা। নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তানলাভে সাহায্য করাই যে তাঁদের মুখ্য উদ্দেশ্য সেকথা স্পষ্ট জানিয়েছেন তাঁরা।

 

 

ডোনেশন সাইটে নাম নথিভুক্ত করার পর নির্দিষ্ট ক্লিনিক থেকে যোগাযোগ করা হয় ডোনেটরের সঙ্গে। গাইনোকোলজিস্ট খতিয়ে দেখেন একজন ডোনেটরের বয়স, উচ্চতা, ব্লাড গ্রুপ ও পরিবারে কোনও অসুখবিসুখ আছে কিনা। ডিম্বাণু ডোনেশনের জন্য ওই যুবতী শারীরিকভাবে কতটা সক্ষম, নিয়মিত ভিত্তিতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তা দেখে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শও চলতে থাকে। শরীর ও মন পুরোপুরি ডোনেশনের উপযুক্ত মনে হলে, ডাক্তার হরমোনাল ইনজেকশন দেন। যাতে বেশিসংখ্যায় ডিম্বাণু উত্পাদন হয়।

তবে অনেকসময় এই ইনজেকশনের ফলেই বমি, মাথাঘোরা, মাথা যন্ত্রণা, খিটখিটে ভাব বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। পাশাপাশি, ডিম্বাণু ডোনেশনের ক্ষেত্রেও ‘গায়ের রংয়ের কারণে’ টাকার অঙ্কে ‘বৈষম্য’ লক্ষ্য করা যায়। ‘বিয়ের বাজারের’ মত ডিম্বাণু ডোনেশনের ক্ষেত্রেও ‘ডোনেটরের গায়ের রঙে’র উপর ‘বাজারদর’ ওঠানামা করে।

এই বিভাগের আরো খবর

হাতের লেখা ভালো করার ৭ কৌশল

প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে এসে আমরা কম্পিউটার আর ট্যাবলেট জাতীয় স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ। এর অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা হল- এখন ‘সুন্দর হাতের লেখা’ নিয়ে কিছুটা হলেও কম চিন্তা করতে হয় আমাদের।

কিন্তু ‘সুন্দর হাতের লেখা’ বা ‘হাতের সুন্দর লেখা’ যাই বলি না কেন এখনও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ছোটবেলায় আদর্শ লিপিতে আমরা পড়েছিলাম- ‘হস্তাক্ষর সুন্দর হইলে পরীক্ষায় অধিক নম্বর পাওয়া যা’। শুধু তা-ই নয়, সুন্দর হাতের লেখা আপনার ব্যক্তিত্বকে এক ভিন্ন মাত্রা দান করে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নামী-দামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাতের লেখার ক্লাস নেন হাতের লেখা বিশেষজ্ঞ লরা হুপার। বিজনেস ইনসাইডারসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য ৭টি পরামর্শ দিয়েছেন।

১. সঠিক উপাদান নির্ধারণ করা : লেখা শুরু করার আগে সেই জিনিসগুলো নির্বাচন করুন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন সুন্দর হাতের লেখার জন্য ‘ফাউন্টেন পেন’ অত্যাবশকীয়। আসলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমন একটি কলম বা পেন্সিল বেছে নিন যা আপনার আঙুলের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যাবে এবং লেখার সময় কাগজের ওপর যাকে জোরে চাপ দিতে হবে না। আর কাগজ হিসেবে ‘নোটবুক’ জাতীয় লাইন টানা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. হাত এবং কবজি নমনীয় করা : ‘লেখা শুরুর আগে আমি আমার হাত হালকা করে নিই এবং কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিই যাতে এগুলো লেখার জন্য নমনীয় হয়’- হুপার বলেন। ‘বিশেষ করে যদি আপনি একটানা বেশ কয়েকদিন ধরে না লিখেন তাহলে অন্যান্য মাংসপেশীর মতো কবজি বা হাতেও একধরনের জড়তা অনুভব করবেন।’

৩. অঙ্গবিন্যাস ঠিক করা : সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার অনভ্যস্ত হাতটিকে (যেমন ডানহাতিদের ক্ষেত্রে বাঁ হাত) কাগজ বা খাতাটিকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করুন। হুপার বলেন, ‘লেখার সময় আমি আমার অনভ্যস্ত হাতটিকে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ব্যবহার করি। এটা আমাকে স্থির থাকতে এবং ডান হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে।’ তবে এজন্য অবশ্যই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করা উত্তম।

৪. কলম ধরা : কলম বা পেন্সিল নিব এর কাছাকাছি ধরে লিখুন, তবে শক্তভাবে ধরে নয়। যদি নিবের কাছাকাছি ধরে লিখতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ কলম বা পেন্সিল ধরার আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্ণই আপনার হাতের গড়নের ওপর নির্ভর করে।

৫. বাহু এবং কবজির অবস্থান : বেশিরভাগ মানুষই লেখার সময় শুধু আঙুল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু হস্তাক্ষরবিদরা আঙুল দিয়ে কলম-পেন্সিল আঁকড়ে ধরেন মাত্র এবং লেখার সময় নিজেদের বাহু এবং কবজিকে সমান অবস্থানে রেখে লিখে থাকেন। হুপার বলেন, ‘এটি রপ্ত করার জন্য আপনি একটি কলম ধরে কল্পনায় (বাতাসের ওপরে) বড় বড় অক্ষর লিখতে পারেন।’

৬. তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা : বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। হুপার বলেন, ‘লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। কত দ্রুত তা শেষ করবেন এটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রতিটি অক্ষর কিভাবে সুন্দর করবেন সেটাকে গুরুত্ব দিন। একটু ধীরে লিখুন এবং অক্ষরকে তার শ্রেষ্ঠ চেহারায় রূপ দিন।’

অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার স্টাইল ছোট আকারে হ্রাস করুন।

৭. অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে আপনি যত বেশি অনুশীলন করবেন ততই দক্ষতা বাড়বে।

এই বিভাগের আরো খবর

কম ঘুমে মারাত্মক বিপদ!

আপনার কি রাতে ঠিকমত ঘুম হয় না? রাতে কম ঘুমান আপনি? তাহলে এখনই সাবধান হোন।

 

 

 

সমীক্ষা বলছে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম দরকার। নইলেই বিপদ! শরীরে দেখা দেবে নানা উপসর্গ। কম ঘুমোলে আপনি মোটা হয়ে যাবেন। দেখা দিতে পারে ডায়াবেটিসও। একইসঙ্গে কম ঘুমে শরীরে বিপজ্জনকভাবে কমে যায় HDL কোলেস্টেরল বা ‘গুড কোলেস্টেরল’। ফলে বেড়ে যায় হৃদরোগের ঝুঁকি।

 

 

সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ রাতে গড়ে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমোন, তাদের কোমরের মাপ ৩ সেন্টিমিটারের উপর বেশি, যাঁরা রাতে ৯ ঘণ্টা করে ঘুমোন তাঁদের থেকে।

নারকেল ও মধু: চুল হবে ঝলমলে

রুক্ষ ও প্রাণহীন চুলে জৌলুস ফেরাতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ঘরে তৈরি শ্যাম্পু। নারকেলের দুধ ও মধুর তৈরি এই শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল তো পরিষ্কার হবেই, পাশাপাশি বন্ধ হবে চুল পড়া। এছাড়া চুলের বৃদ্ধি বাড়বে ও প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসবে চুলে।

যেভাবে তৈরি ও ব্যবহার করবেন শ্যাম্পু

  • ১ কাপ নারকেলের দুধ নিন।
  • ৪ টেবিল চামচ বেবি শ্যাম্পু মেশান।
  • ১ চা চামচ মধু মেশান।
  • কয়েক ফোঁটা ভিটামিন-ই অয়েল ও ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে নেড়ে নিন।
  • মিশ্রণটি শ্যাম্পু হিসেবে ব্যবহার করুন চুলে।

মধু ও নারকেলের দুধের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন কেন?

  • চুলের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে নারকেলের দুধ।
  • মাথার ত্বকের পিএইচ লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এটি।
  • বিবর্ণ ও রুক্ষ চুলে ফিরিয়ে আনে ঝলমলে ভাব।
  • চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে।
  • চুল পড়া বন্ধ করতেও এই শ্যাম্পু কার্যকর।  
  • চুলের আগা ফাটা রোধ করে এটি।

আপেলের গোলাপজাম

উপকরণ – ২টি আপেল মিহি করে গ্রেট করা, ২৫০ গ্রাম পনির মিহি করে বাটা, ২০০ গ্রাম খোয়া ক্ষীর, ১00 গ্রাম কিসমিস, সামান্য এলাচ গুঁড়ো, সামান্য দারচিনি গুঁড়ো, ৬টি আমন্ড ও কাজু বাদাম গুঁড়ো, তেল৷ সিরা তৈরির জন্য ২৫০ গ্রাম চিনি ও সামান্য কেশর৷

প্রণালী – একটি পাত্রে গ্রেট করে রাখা আপেল, পনির, খোয়া ক্ষীর, এচাল গুঁড়ো ও দারচিনিগুড়ো ভালো করে মেখে একটি পেস্ট তৈরি করুন৷ এবার মিশ্রনটি থেকে হাত দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করুন ও প্রতিটি বলের মাথায় একটি করে কিসমিস আটকে দিন৷ এবারহ কড়াতে তেল গরম করুন ও বল গুলিকে কড়া করে ভাজুন৷ ভাজা হয়ে গেলে বল গুলি থেকে ভালো করে তেল ঝড়িয়ে নিন৷ এবার সিরা তৈরি করার জন্য জল গরম করে তাতে চিনি দিয়ে ভালো করে ফোটান৷ জল ঘন হয়ে গেলে তাতে সামান্য কেশর দিয়ে দিন৷ এবার ভেজে রাখা বল গুলি সিরায় দিয়ে তার উপর গের্ট করে রাখা আমন্ড ও কাজু বাদাম ছড়িয়ে দিন৷ আপনার আপেলের গোলাপজাম তৈরি৷ গরম গরম পরিবেশন করুন, চাইলে ঠান্ডাও করে নিতে পারেন৷

এই বিভাগের আরো খবর

স্মৃতিশক্তি বাড়ান ৭টি কৌশলে

আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখবেন কিছু লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর পুঙ্খানুপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি আপনার মেধা কম! না, আপনার মেধা অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে কয়েকটি সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে পারেন মেমোরি পাওয়ার।

১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।

২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা দূর করুন:
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্ণতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের। যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্ণতা সহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৩। পর্যাপ্ত ঘুমোন:
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।

৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহের পরিমান বাড়ে। তাই লিখে রাখুন ডায়রিতে, ইমেইলে বা ব্যক্তিগত ব্লগে।

৫। গান শুনুন:
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা দেখিয়েছেন কিছু সংগীত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই রকম: কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার সময় সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।

 

৬। পুষ্টিকর খাবার খান:
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।

৭। অন্যকে শেখান:
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান। আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা মাত্রই বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।
চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি, মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।

আপনি কি কিটক্যাট খেতে পছন্দ করেন? তাহলে অবশ্যই জানুন

চকোলেটের ক্যালরি কমাতে এবার কিটক্যাটে কমছে সুগারের পরিমাণ। ২০১৮ সালে কিটক্যাট তাদের যত উৎপাদন করবে তাতে বর্তমানের তুলনায় অন্তত ১০ শতাংশ কম সুগার থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে নেসলে। জনস্বার্থকে মাথায় রেখে নাগরিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও সচেতন হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেসলে। 

ফিওনা কেনড্রিক (নেসলের চেয়ারম্যান এবং সিইও, ইউনাইটেড কিংডম) জানিয়েছেন, “ব্রিটেনের মানুষ আমাদের ব্র্যান্ডকে এক শতক ধরে বিশ্বাস করে আসছেন এবং উপভোগ করেছেন। আমরা এটা অনুভব করেছি, যদি আমরা আমাদের পন্যের গুণগত মানকে আরও উন্নত করি এবং গ্রাহকদের কাছে আরও একটি ভিন্ন পছন্দ তুলে ধরতে পারি তাহলে সেটা মানুষের মনে একটা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেই কারণেই নেসলে তার গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত পন্য প্রস্তুতে বদ্ধ পরিকর”।

বর্ষা স্পেশাল রেসিপি: মুচমুচে পেঁয়াজের পকোড়া

বাইরে সারাক্ষণই রিমঝিম ধারায় বৃষ্টি পড়ছে। বাড়িতে থাকার জন্য দারুণ আবহাওয়া। বৃষ্টি বরাবরই বড় রোম্যান্টিক। এটা আপনি মানতে বাধ্য। বাইরে রিমঝিম হোক কিংবা ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। আর ঘরের মধ্যে আপনি এবং আপনার সঙ্গী। পরিবেশটা কেমন হবে আন্দাজ করতে পারছেন নিশ্চয়ই? তবে রোম্যান্টিকতা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, যদি সঙ্গে পছন্দের কোনও খাবার না থাকে। আর বর্ষায় মুচমুচে পেঁয়াজের পকোড়া র তো জুড়ি মেলা ভার। তাহলে আজ এমন বর্ষার দিনে শিখে নিন মুচমুচে পেঁয়াজ পকোড়া তৈরির পদ্ধতি। আর এখনই বানিয়ে ফেলুন। দেখবেন দেরি করবেন না। বৃষ্টি থেমে গেলে কিন্তু আর অতোটা ভালো নাও লাগতে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর

খুব সহজে ‘ফুচকা’ তৈরির পদ্ধতিটা জেনে নিন

রাস্তার ধারে একটি লোক গোল গোল ফোলা ফোলা ফুচকা নিয়ে দাঁড়িয়ে। আর তাঁকে ঘিরে অনেক লোক। সে ফুচকা ভাঙছে, তাতে আলু মাখা দিচ্ছে, তারপর টক জলে ডুবিয়ে পাতায় দিচ্ছে। আর লোকে বড় একটা হাঁ করে মুখে পুড়ছে। কখনও কখনও চাটনি দিয়ে দেওয়ার আবদার আসছে। জিভে জল এসে গেল নিশ্চয়ই? আর সঙ্গে সঙ্গে মনটা ফুচকা ফুচকা করে উঠল তো? আপনিও যে এতদিনে ঠিক কতবার এমনভাবে ফুচকা খেয়েছেন, তা আপনিই জানেন।
চটজলদি শিখে নিন ‘পালং পনীর’ তৈরির রেসিপিটা

অনেক সময়েই আমাদের বাইরে গিয়ে ফুচকা খাওয়ার সময় হয় না। কিন্তু মন তো আর সে সব মানে না। মনটা ফুচকা ফুচকা করে ওঠে। তাহলে আর দেরি কীসের? আজই শিখে নিন কীভাবে নিজেই ফুচকাওয়ালা হয়ে উঠতে পারবেন। থুড়ি। নিজেই বাড়িতে খুব সহজেই ফুচকা বানিয়ে ফেলতে পারবেন। রবিবার। সন্ধেবেলা প্রিয়জনদের ফুচকা খাইয়ে চমকে দিন।

এই বিভাগের আরো খবর

মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিক নাকি ব্ল্যাকম্যাজিক!

মাইক্রোওয়েভ ম্যাজিকে এখন কাত সকলেই। যন্ত্রটির কদর ঘরে ঘরে। চোখের নিমেষে খাবার গরম, বাঁয়ে হাত কা খেল। কিন্তু সব খাবারই কি গরম করতে মাইক্রোওয়েভে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন? করবেন না। ডাক্তাররাই বলছেন, কিছু কিছু খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভয়ঙ্কর!
 
হাতের সামনে গরমাগরম খাবার। কার না ভাল লাগে? তবে আধুনিক যুগ, ব্যস্ত জীবন এখন। খেতে বসার ঠিক আগে রান্নার সুযোগ আর কজনের থাকে? হয়ত দু’বেলার রান্নাই একবারে করে রেখে দেওয়া হয় ফ্রিজে। তারপর সময় সুযোগমতো মাইক্রোওয়েভে গরম করে খেয়ে নিলেই হল! সহজ সলিউশন! কিন্তু সবকিছু মোটেই এত সহজ নয়। বলছেন বিশেষজ্ঞরাই।

কোনও কোনও খাবার মাইক্রোওয়েভে চটজলদি গরম করা মানেই বিপদকে নিমন্ত্রণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট তো হয়ই। স্বাস্থ্যেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে আমার-আপনার প্রিয় বহু খাবারই।

পালং বা গাজর বা যে কোনও শাকপাতায় প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। রান্না করা শাকসবজি মাইক্রোওয়েভে ফের গরম করলে নাইট্রেট থেকে নাইট্রোস্যামাইন নামে বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরি হয়। মস্তিষ্কের ক্ষতি সহ পাকস্থলী, অন্ত্রে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে এই নাইট্রোস্যামাইন।

মাইক্রোওয়েভে ভাত গরম করা মানেই তাতে নানা ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থেকে ফুড পয়জনিং পর্যন্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মুরগির মাংসে যে প্রোটিন থাকে তার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। রান্না করা মুরগির মাংস গরম করলে প্রোটিনের অণুগুলি ভেঙে যায়, যা হজমের সমস্যা তৈরি করে।

মাইক্রোওয়েভে চিকেন গরম করলে সালমোনেলা নামে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল।

রান্না করা আলু ঠাণ্ডা হলেই তাতে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়, যা ফের গরম করলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। মাইক্রোওয়েভে গরম করা আলু থেকে পেটে মারাত্মক ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

মাশরুমেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, মিনারেল থাকে যা গরম করলে বিপদ। রান্না করা মাশরুম ফের গরম করলে হজমের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। গরম না করে সেক্ষেত্রে ঠাণ্ডা মাশরুমই খাওয়া উচিত বলে মত ডাক্তারদের।

স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই তাই, মাইক্রোওয়েভে খাবার গরমে আরও সতর্ক হওয়া জরুরি। নইলে নিজেরই বিপদ।

এই বিভাগের আরো খবর

গাঁটে ব্যথার উপশমে খান দুধ

গাঁটে, গাঁটে অসহ্য যন্ত্রণা। মাটিতে পা ফেলা হোক, বা হাত তোলা, কার্যত চ্যালেঞ্জ আপনার কাছে? ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় ব্যথায় জেরবার জীবন। আপনার মুশকিল আসান হতে পারে এক গ্লাস দুধ, ঘরে পাতা দই বা ছানা।  শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের বারবাড়ন্ত। গাঁটে গাঁটে জমা হচ্ছে ইউরিক অ্যাসিডের ক্রিস্টাল… আর এর থেকেই হচ্ছে ভীষণ ব্যথা… গেঁটে বাত।

ইউরিক অ্যাসিডের হামলা, গেঁটে বাতে কাবু জীবন।  এ সমস্যায় যাঁরা ভোগেন,ব্যথাহীন একটা দিন কাটানোই তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জ। শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়া মানেই খাবারের তালিকায় বিরাট কোপ। সারা দিন ভাবনা একটাই কী খাবেন? কীভাবে ব্যথাএকটু কমে?

MILK ম্যাজিক

মাঠা তোলা, লো ফ্যাট দুধ বা দুগ্ধজাত খাবারেই হতে পারে মুশকিল আসান।
কারণ দুধ, দই, ছানা, পনিরই ইউরিক অ্যাসিডের যম।
দুধ, ছানা, দই শরীর থেকে ইউরিক অ্যাসিড জমতে দেয় না।
দুধে থাকে Orotic। যা কিডনি থেকে ইউরিক অ্যাসিড বের করে দিতে সাহায্য করে।
দুধের প্রোটিন গেঁটে বাতের আশঙ্কা কমায়।

আর এই ম্যাজিক পাওয়ার রীতিমতো পরীক্ষায় প্রমাণিত। ব্যথা দূর করছে দুধ। লো ফ্যাট দুধ বা দুগ্ধজাত পদার্থ গেঁটে বাত কমাতে পারে। ২০১১ সালের দুটি গবেষণায় দেখা গেছে লো-ফ্যাট যুক্ত দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার গেঁটে বাত কমার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ইউরিক অ্যাসিড থেকে হওয়া ব্যথার সঙ্গে দুধের সম্পর্ক নিয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণা হয়েছে। ১২০ জন গেঁটে বাতের রোগীর উপর ৩ মাস ধরে পরীক্ষা করেন গবেষকরা। এদের মোট ৩টি গ্রুপে রেখে পরীক্ষা করা হয়। প্রথম গ্রুপকে দেওয়া হয় ল্যাকটোজ পাউডার, দ্বিতীয় গ্রুপকে দেওয়া হয় মাঠা তোলা দুধের পাউডার। তৃতীয়দলকে দেওয়া হয় Glycomacropeptide এবং G600  মিল্ক ফ্যাট যুক্ত মাঠা তোলা দুধের পাউডার। ৩ মাস বাদে দেখায় যায় ৩টি দলের সদস্যরাই আগের থেকে কম ব্যথায় ভুগছেন। তবে তৃতীয়দলের ক্ষেত্রের সুফল মিলেছে সবথেকে বেশি। এদের ক্ষেত্রে ব্যথ্যা আর জয়েন্ট স্টিফনেসও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে। গরুর দুধ ইউরিক অ্যাসিড কমাতে দারুণ সাহায্য করে। Xanthine Oxidase নামে একটি এনজামাইম শরীরে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করতে ভূমিকা নেয়। এই এনজাইমের কার্যকারিতা রুখে দেয় দুধ। তাই এবার ভরসা করুন দুধে। ব্যথা কমাতে, রোজ খান, দুধ, দই , ছানা।

এই বিভাগের আরো খবর



Go Top