রাত ১:১৯, বৃহস্পতিবার, ২৮শে জুন, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল

রোদে গরমে বাইরে থেকে ঘুরে ঠাণ্ডা কোনও পাণীয় খেতে আমাদের সকলেরই ইচ্ছে করে। শুধু গরমকাল কেন, যেকোনও সময়েই বাইরে থেকে ঘুরে এসে আমরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনও পাণীয় খেয়ে থাকি। তবে সেটা যদি গরমকাল হয়, তাহলে কেন অন্য কোনও পাণীয় খাবেন? যখন আপনার হাতের কাছে রয়েছে কাঁচা আম ।

বাজারে পুরো দমে এখন আম পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা পাকা দুপ্রকারের আমই পাওয়া যাচ্ছে। এবার সেই কাঁচা আম দিয়ে বানিয়ে ফেলুন আম পান্না। গরমে শরীরকে সুস্থ রাখতে, সঙ্গে রসনারও তৃপ্তি মেটাতে এর জুড়ি মেলা ভার। নিচের ভিডিও দেখে শিখে নিন।
ফ্লিপকার্টের বিগ টেন সেলে সবথেকে কম দামে আইফোন!

কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনার সঙ্গী প্রতারণা করছে?

ভালোলাগা , ভালোবাসা , প্রেম , সম্পর্ক , বিচ্ছেদ , হাসি , কান্না । এসব কিছুই আমাদের জীবনের অঙ্গ । কোনও কোনও মানুষ এসব কিছু সঠিক ভাবে পালন করেন। আবার এমন কিছু মানুষ আছে, যারা এর অপব্যবহার করে। তেমনই এক ধরণের মানুষ আছেন, যাঁরা অন্যের আবেগ নিয়ে খেলতে ভালোবাসে। বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারেন না যে, তাঁর পিছনে তাঁর সঙ্গী তাঁকে প্রতারণা করছেন। তাঁর আবেগ নিয়ে খেলছেন। জেনে নিন এমন কিছু লক্ষণ , যা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে প্রতারণা করছেন।

১) প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ- আপনার মনে হতে পারে, তাঁরা দুজন শুধুমাত্র বন্ধু । হয়তো আপনার মনে হতে পারে, দুজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষ যোগাযোগ রাখতেই পারেন। তবে প্রাক্তনকে নিয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি মোটেই সুবিধের লক্ষণ নয়। তেমন যদি হয়, তাহলে সচেতন হোন। আবার অনেকক্ষেত্রে দুজন ভালো বন্ধু হতেই পারেন। চিন্তার কোনও কারণ নাও থাকতে পারে। তাই পরিস্থিতি বুঝে বিচার করুন।

২) অন্য মহিলা বা পুরুষের সঙ্গে সারাক্ষণ ফ্লার্টিং করা- অল্পবিস্তর ফ্লার্টিং করা ক্ষতিকর নয়। তবে আপনার সঙ্গী যদি সারাক্ষণ অন্য মহিলা কিংবা পুরুষের সঙ্গে ফ্লার্টিং করেন, তাহলে তা সত্যিই চিন্তার। এর থেকে এও বোঝা যেতে পারে যে, তিনি অন্য নারী কিংবা পুরুষে আসক্ত।
আপনার হাতের মুঠোতেই রয়েছে পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধের ওষুধ

৩) সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুমাত্র মহিলা কিংবা পুরুষকে ফলো করা- ফ্লার্টিং করার মতোই আপনার সঙ্গী যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুমাত্র মহিলা কিংবা পুরুষকে ফলো করতে থাকেন, তাহলে সচেতন হোন।

৪) আপনার সঙ্গী কি তাঁর বন্ধু মহলে আপনাদের সম্পর্কের কথা পরিস্কারভাবে জানিয়েছেন? যদি তেমনটা হয়ে থাকে, তাহলে চিন্তার কোনও কারণই নেই। আর যদি তেমনটা না হয়, তাহলে তেমন সম্পর্কে না থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আপনাদের সম্পর্কের কথা যদি আপনার সঙ্গী তাঁর বন্ধুদের কাছে নাই বলতে পারেন, তাহলে সম্ভাবত তাঁর অন্য কোনও ভাবনা রয়েছে। তেমন সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই ভালো।

সবশেষে মাথায় রাখবেন, যেকোনও পদক্ষেপ ভালো করে ঠান্ডা মাথায় ভেবে চিন্তে তবেই নেবেন।

বাড়িতে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন ‘ম্যাঙ্গো আইসক্রিম’

আমের মরশুম এখন। কাঁচা হোক পাকা হোক, আমের কোনও তুলনাই নেই। আম খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল। গরমকালটা পড়তেই সবাই অপেক্ষা করে বসে থাকেন, কবে গাছে হলুদ হলুদ পাকা পাকা আম হবে, আর কবে সেগুলো খাওয়া হবে। কাঁচা আম দিয়ে আচার , জেলি , চাটনি , আর পাকা আম হয় শুধু শুধু কিংবা তা দিয়েও অনেক কিছু তো তৈরি করেন। আজ শিখে নিন বাড়িতে সহজেই পাকা আম দিয়ে আইসক্রিম তৈরির পদ্ধতিটা।

আমের সময়ে আর কেন বাইরের দোকান থেকে আইসক্রিম কিনে খাবেন। কয়েক ঘণ্টায় নিজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন। ইচ্ছে হলেই যখন তখন খেতে পারবেন।

 

এবার ডাক বিভাগে যুক্ত হলো নারী ড্রাইভার

করতোয়া ডেস্ক: এবার ডাকবাহী মেইল গাড়িতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নারী ড্রাইভার। সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম রাজধানীর ডাক ভবন চত্বরে ১০টি গাড়ির চাবি তুলে দেন ১০ জন নারী চালকের হাতে। এখন থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন রাস্তায় ডাকবাহী গাড়ি চালাতে দেখা যাবে এই নারীদের। দেশে ৯ হাজার ৮৮৬টি ডাকঘর রয়েছে বাংলাদেশের ডাক বিভাগের; কর্মী রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এক সময় লাভজনক হলেও রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠানটি গত ২ অর্থবছরে গড়ে ২০০ কোটির বেশি টাকা লোকসান দিয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, ডাক বিভাগের ডাক পরিবহন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অধীনে নতুন যোগ হতে যাওয়া ১১৮টি যানবাহনের মধ্যে ২০ শতাংশের চালক থাকবেন নারী। এটি খুব সুন্দর দৃষ্টান্ত হবে। আমাদের মেয়েরা হেভি ভেহিকেল চালনার জন্য প্রশিক্ষিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তারা যখন গ্রামাঞ্চলে বা ঢাকা শহরে এই গাড়িগুলো চালাবেন, তখন সেটি হবে দর্শনীয় ও প্রশংসা করার মত একটি কাজ।


নারী চালকদের নিয়োগপত্র এবং বেতন-ভাতা সঠিকভাবে দেওয়ার বিষয়ে ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলেন প্রতিমন্ত্রী। নতুন প্রকল্পের অধীনে পাওয়া ৯টি ওপেন বডি পিকআপ ভ্যান এবং ১০টি কভার্ড ভ্যানের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, অবশিষ্ট গাড়িগুলো আগামী জুন মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। গাড়ি কেনার পাশাপাশি এ প্রকল্পের অধীনে ৩৩টি গ্যারেজও নির্মাণ করা হবে। ডাক বিভাগের নিজস্ব পরিবহন না থাকায় ভাড়া বা চুক্তির মাধ্যমে সড়কপথে ডাক পরিবহন করতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পার্সেল ও লজিস্টিকস পরিবহন চালু হবে।


দেশের সব ডাকঘরে সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করাই বাস্তবায়নাধীন নতুন প্রকল্পের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, প্রতিটি ডাকঘরে সেবার ধরন বাড়ানোর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পোস্ট অফিসগুলোকে বিশেষ ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। পোস্ট অফিস বিশেষ ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করলে পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। এজন্য সমস্ত কাজ শেষ হয়ে গেছে।  প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ একটি কাজ করতে চাই।


 এখানে প্রত্যেক বাবা-মা তাদের কন্যার লেখাপড়ার জন্য মাত্র পাঁচ টাকা দিয়ে একটি ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব খুলতে পারবেন। সরকারের কাছে আমরা প্রস্তাব করব, সেখানে একটু যদি ইনসেনটিভ দেয়, তাহলে কন্যার বয়স যখন ১৮ বছর হবে তখন সেটি আমরা কন্যার হাতে তুলে দিতে চাই। এই অংশটি দিয়ে সে ভবিষ্যতে লেখাপড়ার জীবনটি কনটিনিউ করতে পারবে।

পাঁচবিবিতে সাফল্য অর্জনকারী ৫ নারী

করতোয়া ডেস্ক: জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ-এর আওতায় মনোনিত হয়েছেন ৫ জন সংগ্রামী সফল নারী। তারা এখন আত্মনির্ভরশীল ও সুখী। জীবনের নানান প্রতিকুলতায় লড়াই করে জয়ী করেছেন নিজেদের। এখন তারা কাজ করে চলেছেন সমাজে নিপীড়িত, নির্যাতিত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে।


এমন সফল একজন মা বালিঘাটা ইউনিয়নের বরগোছা গ্রামের মাহমুদা বেগম। মাহমুদা  জানান, তার পিতা একজন প্রতিবন্ধী। সংসারে উপর্জনের কেউ ছিল না। অসহায় পিতা একই গ্রামের দরিদ্র তোতা মিয়ার সাথে তার বিয়ে দেন। অভাব অনটনের সংসারে একটি মেয়ে ও একটি পুত্র সন্তান জন্মের পর তার স্বামী তাদের ফেলে রেখে অন্যত্রে চলে যান। মাহমুদা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসারের হাল ধরেছেন।

 

সন্তানদের লেখাপড়া শেখানোর জন্য তিনি মাঠে ধান কাঁটা, মাড়াই, সিদ্ধ ও শুকানোর কাজ করেছেন বছরের পর বছর। বর্তমানে তার কন্যা বি.এ পাস করে স্থানীয় একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। ছেলে ৩২তম বি.সি.এস ব্যাচে পাস করে বন গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। এখন তার সংসারে অভাব নেই। জীবন যুদ্ধে তিনি একজন সফল ও গর্বিত জননী।


নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যামে জীবন শুরু করেছেন উপজেলার কাশিয়াবাড়ি গ্রামের শ্রাবন্তী সরকার। মাধ্যমিক পড়াকালীন এক আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এই সম্পর্কের এক পর্যায়ে স্বামী সুশান্ত নানান অযুহাতে টাকা নিতেন। বিষয়টি পরিবারের কেউ জানত না। বিত্তবান পরিবারের মেয়ে হওয়ায় নানান স্বপ্ন দেখিয়ে সে তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। পরে অর্থের জন্য তাকে চাপ দিতে থাকে।


 বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় সে জানতে পারে তার আরও একটি স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তারাও সমাজে নানান অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িত। শ্রাবন্তী বাধা দিলে তারা তাকে নির্যাতন চালায়। শ্রাবন্তী নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরে এসে এইচ.এস.সি পাসের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সহকর্মীদের সাথে বুটিকের কাজ ও টিউশনি দিয়ে নিজের ভরণপোষন ও পড়াশুনার খরচ চালায়। পরে স্বামী আবারো নিজের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চায়। শ্রাবন্তী সরল বিশ্বাসে আবারো তার সাথে ভারতে চলে যায়। যাওয়ার পর থেকেই অর্থের জন্য সে তাকে চাপ দিতে থাকে। আবারো দেশে ফিরে বি.বি.এ শেষ করে একটি এনজিওতে কাজ করছে শ্রাবন্তী।


 পাশাপাশি সমাজের নিপীড়িত, প্রান্তিক নারী ও শিশু এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অধিকার আদায়ের দাবি জানাচ্ছে।অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ধরঞ্জী ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের সুষমা রাণী বলেন, পিতার সংসারে অভাব থাকার কারণে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করি। আমার অন্ধ প্রতিবন্ধী বাবা ১৪ বছর বয়সেই আমার বিয়ে দেন। শুধুমাত্র ভিটা ছাড়া স্বামীর কিছুই নেই।

 

মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছি। পরে এনজিওতে প্রশিক্ষণের পর ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। একসময় অর্থের অভাবে দুই সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়েছিল। এখন দুই ছেলে এইচ.এস.সি এবং এস.এস.সি পাস করেছে। বড় ছেলে ব্যবসার হাল ধরেছে।


 আজ তিনি জীবন সংগ্রামে জয়ী অর্থনৈতিকভাবে সফল নারী। তিনি আশা করেন গ্রামের সাধারণ নারী বা তারই মত ব্যবসা ক্ষেত্রে নিজেকে নিয়োজিত করে সফলতা লাভ করুক। ক্ষুদ্র আয়ের মাধ্যমে ও নিরলস পরিশ্রম করলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।


শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী পৌরসভার দানেজপুর গ্রামের মোছাঃ সেলিনা আক্তার বলেন, রক্ষণশীল পরিবারে জন্ম হওয়ার কারণে একটি মেয়ের যে চাওয়া পাওয়া থাকে তা মূল্যায়ন হয়নি। সংস্কৃতিপনায় উৎসাহ পায়নি পরিবারে। উল্টা মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে সবসময়। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে পরিবারের কাছে সাহায্য সহযোগিতা চেয়ে আশাহত হয়েছি।

 

প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তির কারণে আজ আমি উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছি। বর্তমানে নাকুরগাছি বি.এম.আই কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছি। যৌতুকের মত এমন প্রথাকে অস্বীকার করে স্বামীর সংসারে এসেছি শুধুমাত্র শিক্ষাকে অবলম্বন করে। শিক্ষা অর্জন না করলে একটি মেয়ে পরিবার সমাজ এবং রাষ্ট্রের কাছে বোঝা স্বরূপ।


সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন ধাপ গ্রামের মেরিনা। তিনি বলেন, বাবার মৃত্যুর পর পঞ্চম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় পাঁচবিবির রফিকুল ইসলামের সাথে তার বিয়ে হয়। ২ বছর পর তার সংসারে আছে একটি কণ্যা সন্তান। অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ায় তিনি সংসারে নিয়ম-কানুন বুঝতেন না।

এ কারণে স্বামীসহ পরিবারের সকলের দ্বারা শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হন। পরে সংসারের কাজের পাশাপাশি দর্জি বিদ্যা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন মেরিনা। ২০১৩ সালে পল্লীশ্রীর উদ্যোগে তাদের গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তিনি টিয়া নারী নামে একটি দল গঠন করেন।


 এ দলের মাধ্যমে আলোচিত মুরশিদাসহ ১২টি বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে, হিন্দু, মুসলিম, আদিবাসী সম্প্রদায়ের মাঝে ৬৩টি স্বামী-স্ত্রী ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব নিরসন, ২২ জনকে মাতৃকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করেছেন। বর্তমানে মেরিনা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে পুঁথির কজের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে এলাকায় ফিরে কিশোরী ও নারীদের বড় আকারে প্রশিক্ষণ দিয়ে আয়মূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত করবেন।

রাস্তার ধারে গাছ থাকা কেন অত্যন্ত জরুরি, জেনে নিন

মাঝে মধ্যেই শোনা যায়, রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু যে কোনও বড় রাস্তার ধারে গাছ থাকা অত্যন্ত জরুরি। কেন, তা জেনে নেওয়া যাক-

গাড়ি চালানোর সময় বেরোতে থাকে কার্বন ডাই অক্সাইড বা CO2। সেই কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নেয় গাছ। এর ফলে অনেকটাই আটকানো সম্ভব জলবায়ু পরিবর্তন। গাড়ি চলার সময় তা থেকে বেরোয় প্রচুর দূষিত পদার্থ, যেমন নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। গাছ সে সমস্ত শোষণ করে বায়ু দূষণ আটকায়।

জল দূষণ ও শব্দ দূষণও আটকায় গাছ।

বড় রাস্তার মাটি ক্ষয় রোধ করে গাছ।

প্রচণ্ড রোদে গাছের ছায়া দিয়ে অত্যন্ত আরামদায়ক হয় যাত্রা।

বৃষ্টির জল থেকে রাস্তাকে রক্ষা করে গাছ। ফলে রাস্তার ক্ষতিও কম হয়।

নারীদরে রোজকার রুটনিে ফটি থাকতে যে নয়িমগুলো মানা উচৎি

করতোয়া ডেস্ক: কখনও মেয়ে, কখনও প্রেয়সী, কখনও মা, কখনও বোন। অনেক ভূমিকায় ব্যস্ত থাকেন সারাটা দিন। কিন্ত্ত সেই ব্যস্ততার ফাঁকে নিজের যতœ নেওয়া হয় কি? রোজকার রুটিনে কীভাবে ফিট থাকবেন তার সহজ কিছু উপায় বলে দেওয়া হচ্ছে।

ব্রেকফাস্ট ইজ মাস্ট অফিসের তাড়াহুড়ো, সন্তানের স্কুলের প্রিপারেশন, দুধওয়ালা, কাগজওয়ালা সব সামলে অফিস ছুটতে গিয়ে নিজের প্রাতরাশটাই হয়ত স্কিপ করে গেলেন। এটা খুব বাজে অভ্যাস। ডিনার এবং ব্রেকফাস্টের মাঝে অনেকটা সময় কেটে গেছে। তাই ভারী ব্রেকফাস্ট শরীরের পক্ষে খুব জরুরি। ঠিক সময় খেলে মেটাবলিসম ঠিকমত হয়।


সঠিক ঘুম। দিনে ৭-৮ ঘণ্টা সাউন্ড স্লিপ খুব দরকার। সারাদিন বাড়ি, অফিস সব সামলাতে হবে আপনাকেই। তাই লেট নাইট না করে একটা লম্বা ঘুম দিন। ঘুমাতে যাওয়ার একটা টাইম ফিক্সড করুন। সেই সময়ের মধ্যে বাকী সব কাজ সেরে ফেলুন। রাতে টিভি প্রোগ্রামগুলোকে রেকর্ড করে রাখুন, পড়ে দেখার অনেক সময় পাবেন।
কাজ করুন আনন্দে কত কাজ করতে হয়, কেউ আপনার কথা ভাবে না এসব ভেবে ডিপ্রেশনে না গিয়ে নিজের কাজটা আনন্দ সহকারে করুন। কেউ ভাবল কি ভাবল না সেসব ছাড়ুন। বরং এটা ভাবুন দিনের শেষে ডিনারের জন্য আপনার দ্বারস্থই হবে পুরো পরিবার।


পিঠের যতœ নিন পিঠে মাঝে মধ্যেই ব্যথা হয়। অথচ ব্যাপারটাকে তেমন পাত্তা দিচ্ছেন না এমন করলে কিন্তু খুব ভুল করছেন। বেশিরভাগ মহিলারই ব্যাকবোনের সমস্যা হয়। যেটা পড়ে খুব ভোগায়। আজই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ খাবার খান।টেস্ট দ্য কালারস শুধু সন্তানকেই শাকসবজি খাওয়ালেন নিজের বেলা লবডঙ্কা, এমন করবেন না। আপনার শরীরের জন্যও ভেজিস জরুরি। বেশি করে শাকসবজি খান। কালারফুল শাকসবজি শুধু দেখতে ভালো হয় তা না, খেতেও ভালো হয় এবং গুনও প্রচুর।


যোগা করুন নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন। নিজের অঞ্চলে কোনও যোগা ক্লাসের সদস্য হতে পারেন। কিংবা কাজের ফাঁকে বাড়িতেই গ্রেফ কপালভাতি করুন। উপকার পাবেন।গল্প করুন দিনের কোনও একটা সময় প্রিয় বন্ধু কিংবা মাকে ফোন করে জমিয়ে আড্ডা দিন। নিজের সমস্যা চেপে রাখবেন না। শেয়ার করুন। তাহলে দেখবেন অনেক হালকা লাগছে। এতে মানসিক শান্তি পাওয়া যায়।গো গ্রিন দিনে অন্তত দু’বার সব চিন্তা ভাবনা ছেড়ে আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে গ্রিন টি খান। এর থেকে ভালো কিছু হয় না। তবে মনে অশান্তি নিয়ে ১০ কাপ গ্রিন টি খেলেও তা বিস্বাদ লাগতে বাধ্য।


যতক্ষন না সম্পূর্ণ ঘামছেন ততক্ষন এক্সারসাইজ করে যাবেন এমনটা নয়। তবে দিনে একঘণ্টা ঘাম ঝরালেই হার্টের সমস্যা, লো ব্লাড প্রেসারের মত সমস্যার সমাধান তো হবেই, এছাড়া সারাদিন কাজ করার জন্য এন্থু পাবেন।হ্যাভ সাম বাদামদিনে অল্প পরিমানে আমন্ড বা ওয়ালনাট খেটে ভুলবেন না।  নারীদের জন্য হেলদি অভ্যাস এটা। বাদামে অত্যাবশ্যক ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে যা বিশেষত মহিলাদের দেহের জন্য জরুরি। নিজের মেয়েকেও বাদাম খাওয়ান।

পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনুন ব্যাগ

করতোয়া ডেস্ক: পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কিনুন ব্যাগ। আবার দামটাও থাকছে হাতের নাগালে। ঘরে, বাইরে, অফিসে, কলেজে এবং শপিংমলে এই ব্যাগ পাওয়া যায়। বাজারে সাদা, কালো, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, নীল, ধূসর আরও নানা রঙের ডিজাইন করা ব্যাগ পাওয়া যায়।

এই সব ব্যাগের সামনে রয়েছে আবার নানা রঙের ফ্যাশনেবল ফুল। এগুলোই কিন্তু তরুণীদের বিশেষ পছন্দ। এগুলো সব ধরনের ড্রেসের সঙ্গে বিশেষ করে শাড়ি, কামিজ, শার্ট, টপ্স, জিন্স এমনকি স্কার্টের সঙ্গে সহজেই ভালো মানিয়ে যায়। আবার যারা চাকরি করেন তারা অফিসেও নিয়ে যেতে পারেন মাঝারি সাইজের এই ব্যাগগুলো। ভিতরে যথেষ্ট জায়গা থাকায় এসব ব্যাগে অনেক কিছুই রাখা যায়। আবার এগুলো বেশ মজবুতও হয়।

শুধু চাকুরিজীবী নন, আজকাল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়ারাও হাল-ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই ব্যাগ ব্যবহার করছে। আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে নিতে পারেন ব্যাগগুলো। তবে রাতের পার্টিতে লাল, নীল পাথরের একটু জমকালো ব্যাগ নিলেই বেশি ভাল লাগে।ব্যাগের রং নির্বাচন
ইদানিং ব্যাগের রং এর কদরটা একটু বেড়ে গেছে।

 কিছুদিন ধরে খুব বেশি উজ্জ্বল রংগুলোর জয়জয়কার চলছে চারিদিকে। একটু গর্জিয়াস দেখায় বলেই এই ব্যাগগুলোর চাহিদা অনেক বেশি। পোশাকের সঙ্গে মানানসই রং এর পাশাপাশি হলুদ, হট পিঙ্ক, নিয়ন রেড ও নিয়ন ব্লু  রংগুলোর কদর রয়েছে। এছাড়া সাদা, কালো ও বাদামির কদর বরাবরের মতই রয়েছে।দরদামপছন্দসই ব্যাগ কিনতে হবে আপনাকে গুনতে হবে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যাগের ডিজাইন, মান ও ব্র্যান্ডের কারণে দামের তারতম্য
হতে পারে।

রূপচর্চায় রান্না ঘরের জিনিস

ডিম-ডিমের পুষ্টিগুণের কথা কে না জানে! খাবার হিসেবে তো বটেই, ত্বকের যতেœও ডিমের তুলনা নেই। ডিম দিয়ে কিছু করছেন? ডিম ভাজি বা পোচ? তাহলে ডিম ভাঙ্গার পর খোসার ভেতরে লেগে থাকা সাদা অংশ আঙুল দিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে ফেলুন। আপনার ডিম ভাজতে যতটুকু সময় লাগবে অপেক্ষা করুন ঠিক ততটুকু সময়। ডিম ভাজা শেষ? এবার মুখ ধুয়ে ফেলুন। দেখুন, রান্নাঘরেই কেমন পেয়ে গেলেন কোমল, মসৃণ ত্বক!


শসা-শসার সালাদ তৈরি করছেন? তাহলে নিশ্চয়ই শসার মাথা কেটে ঘষে ঘষে তেতো সাদা কষগুলো ফেলে দিচ্ছেন? ওগুলো ফেলে না দিয়ে মুখে মাখুন। ত্বকের বাড়তি তেল দূর করতে শসার কষ খুবই উপকারী। ৭-৮ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটা শসার রসের মতো টোনার হিসেবেও চমৎকার।টমেটো-সালাদের আরেকটি উপকরণ টমেটো। টমেটোর একটা স্লাইস সারা মুখ ও গলায় ঘষুন পাঁচ মিনিট। এবার সালাদ তৈরির কাজটি সেরে ফেলুন। আরো চার পাঁচ মিনিট পেরিয়ে গেছে? তাহলে মুখ ও গলা ধুয়ে ফেলুন। নিজের উজ্জ্বল, পরিষ্কার ত্বক দেখে নিজেই চমকে যাবেন।


বেসন-মজার মজার ভাজাভুজি তৈরিতে বেসনের ব্যবহার অপরিহার্য। সামান্য একটু বেসন নিয়ে স্রেফ পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ফেলুন। এবার পুরু করে মুখে লাগান। ভাজাভুজি তৈরি শেষে পরিবেশনের ঠিক আগে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের মসৃণতা দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না।বেকিং পাউডার-কাজে লাগান বেকিং পাউডার। এক চা চামচ বেকিং পাউডার, এক চা চামচ মধু ও সামান্য পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগান।

পাঁচ মিনিট রাখুন। এরপর আরো পাঁচ মিনিট আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন তারপর ধুয়ে ফেলুন।
ময়দা-প্রতিদিনের পরোটা, লুচি তৈরিতে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ময়দা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু জানেন কি ময়দা খুব ভালো ত্বক পরিষ্কারক? এক চা চামচ ময়দার সাথে পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এরপর পরোটা বেলতে থাকুন। চার পাঁচটা পরোটা বানানোর পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই তো হয়ে গেল রান্নাঘরের কাজের ফাঁকে রূপচর্চা।

এসির আরামে ভয়ানক অসুখ

ঘরে-বাইরে জীবন এখন এসি-ময়। বাড়িতে এসি। বাইরে পা রাখলে, বাস-ট্যাক্সি-মেট্রোয় এসি ভরপুর। অফিসেও এসি। শপিং মল-দোকানবাজার, কোন জায়গা বাদ! সবটা মিলে, আরাম তো বটেই। কিন্তু জানেন কি, এই আরাম অলক্ষ্যেই ডেকে আনছে শরীরের জন্য বিপদ!

এসির অসুখ
অনেকক্ষণ এসিতে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যায়। দেহের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা টেনে নেয় এসির হাওয়া। দিন দিন রুক্ষ-শুষ্ক হতে থাকে ত্বক। দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার কুপ্রভাব পড়ে চোখেও। চোখ লাল হয়ে যাওয়া কিংবা চোখে ড্রাইনেসের মতো সমস্যায় পড়েন অনেকেই।
অনেকসময় এসি মেশিন থেকে হাওয়া বেরনোর ছিদ্রগুলি নিয়মিত ঠিকঠাক পরিষ্কার হয় না। এসি মেশিনে হাওয়া বেরনোর মুখগুলিতে নোংরা জমে জন্ম নেয় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া। এসির ঠাণ্ডা হাওয়ার সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া মিলেমিশে শরীরে নানা বিপদ ডেকে আনে।
টানা এসিতে থাকলে অনেকেরই শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে নানা ইনফেকশনেরও কারণ হতে পারে এসির জীবাণু মিশ্রিত হিমেল হাওয়া। এসির আরেক এফেক্ট, এর মধ্যে টানা কাজ করতে করতে অনেকেই মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করেন।

নবাবগঞ্জে সফল নারী পারুল বেগম

করতোয়া ডেস্ক: ত্যাগ ও শ্রমের বিনিময়ে সাফল্যে পৌঁছানো যে সম্ভব এর উজ্জল দৃষ্টান্তউত্তরের শহর দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারুল বেগম। জীবনযুদ্ধে জয়ী সফল এই নারী। উপজেলার ৪নং শালখুরিয়া ইউনিয়নের পঁচাকরঞ্জী গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্ম পারুল বেগমের। বাবার সংসারে স্বচ্ছলতা তেমন ছিলনা। লেখাপড়া শেখাবে এমন উদ্দ্যেগও ছিলনা তার। লেখাপড়া আর শিক্ষা কঠোর নিষ্ঠাবান কর্মস্পৃহা যে কাউকে উন্নত শিখরে উঠাতে পারে এ বিশ্বাস ছিল পারুলের। লেখাপড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কারিতাস বে-সরকারী সংস্থায় চাকরিতেও যোগদান করেন সে।


অদম্য জীবনে হেঁটে হেঁটেই অফিসের কাজ করতে হতো তাকে। দুর থেকে দুরান্তে চলাচলের জন্য একটি বাই সাইকেলও ছিল না তার। সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম শেষে গভীর রাত পর্যন্ত পড়ালেখা করতে হতো তাকে। এদিকে নারী নেতৃত্বের অঙ্গনে পিছিয়ে নেই এই নারী। ছোট থেকেই বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতো এবং তার পরিবারকেও। গ্রাম-পাড়া-মহল্লায় রাজনীতি করে অর্জন করেন পরিচিতি। এরপর নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়। এখানেই থেমে যাননি তিনি। তার আচার-ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে উপজেলা পর্যায়ে জনভোট পেয়ে নির্বাচিত হন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

এরপর মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের অধীনে জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ এর উদ্দ্যেগে কর্ম ও চাকুরী জীবনে সফল নারী হিসেবে উপজেলা পর্যায় থেকে জয়িতা অর্জনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হয় তাকে। পারুল জানান- শিক্ষা অর্জন করে নারীরা কর্মজীবনে অনেক সাফল্যের দারগোড়ায় পৌঁছেছে। দিনাজপুরের পাশ্ববর্তী রংপুরেও মহিষি নারী বেগম রোকেয়া নারী হয়ে সারাবিশ্বে সাফল্যের বিস্তর ভূমিকা রেখেছে। তিনি মনে করেন এ সমাজের নারীরাও যেন শিক্ষা অর্জন করে নিজেদের পরিচয় দিতে পারে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে। এছাড়াও উপজেলা নারী উন্নয়ন সমিতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বজলুর রশীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান- উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এভাবে চলতে পারলে আরও এগিয়ে যাবে এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকশিত হবে।

সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে যা করতে হবে

করতোয়া ডেস্ক: বর্তমানে নারীরা বিভিন্ন ধরনের বিজনেস করে সফলতা পাচ্ছেন। কোনো  অংশে পিছেয়ে নেই তারা। কিভাবে একজন নারী ব্যবসায়িক সফলতা পাবেন তার কিছু টিপস রইলোনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করুন-চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে হবে। ব্যবসায় সফলতার জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ব্যবসায় সফল হতে চাইলে হঠাৎ করে কোনো সফলতা পাওয়ার আশা করবেন না। এ জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে হবে। এরপর যখন আপনি উদাহরণ সৃষ্টি করবেন তখন সবাই তা অনুকরণ করবে।


সফল নারীদের সম্পর্কে পড়–ন-ব্যবসা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে অনেক সফল কর্মজীবী নারী আছে। তাদের নিয়ে গবেষণা করুন এবং তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড এবং কর্মজীবন সম্পর্কে জানুন। এতে আপনার শেখার প্রেরণা এবং আপনাকে অনুপ্রাণিত করতে সাহায্য করবে। তাদের গল্প পড়া আপনাকে সাফল্যের পথ মত দেখাবে। আপনি কি ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে পারেন তার সম্পর্কে একটি ধারনা নিতে পারেন বিভিন্ন ওয়েব সাইটে সফল নারীদের জীবন কাহিনী পরে। সফল নারীদের ভালো মন্দ স্মৃতিকথা পড়ে তাদের পথচলা সম্পর্কে সকল ধারনা পেতে পারেন। এতে আপনার সামনে চলার পথ সুগম হবে। আপনি আপনার নতুন চলার পথে অনেক ধরনের বাঁধার সম্মুখীন হতে পারেন। আর এই সব বাঁধাকে পেছনে ফেলে আপনার ব্যবসা শুরু করতে হবে। এটা আপনার জীবনের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। যা আপনাকেই মোকাবেলা করতে হবে।


আপনার ক্ষেত্র গবেষণা করুন-এটা কোন বড় বিষয় নয় আপনি কোন ক্ষেত্রটি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন। বরং এটাই সবচেয়ে বড় বিষয় আপনি আপনার কাজে যদি সফলতা অর্জন করতে পারেন। আপনি যা নিয়ে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন তা যদি সঠিক ভাবে করতে চান তাহলে একি ব্যবসায়ে যারা সফলতা পেয়েছে তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। তারা কিভাবে কাজ শুরু করেছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।


কাজ ও পরিবারের মাঝে সামঞ্জ্যসতা রাখুন-মহিলাদের কাজ ও ঘর দুটোর উপরই সমান দায়িত্ব থাকে। ঘরের কাজও ঠিক সময় মতো করতে হবে আবার ব্যবসার কাজ সময়মত করতে হবে। আপনি ঘর যদি সামলাতে না পারেন তখন আপনাকে অনেকেই অনেক কথা শুনাবে। তখন আপনি ব্যক্তি জীবনে অসফল রয়ে যাবেন। তাই আপনার ঘরকেও সময় ব্যালেন্স করে দিতে হবে। আবার এখন আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চাচ্ছেন তাই ব্যবসার উপর ও আপনার সমান দায়িত্ব থাকবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার কাছের মানুষদের সহযোগিতা পান তাহলে আপনি সহজেই একজন সফল নারী ব্যবসায়ী হতে পারবেন।


আত্মবিশ্বাসী হন-যে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস একটি বড় জিনিস। যা আপনাকে কাজের শক্তি যোগায়। তাই সবকিছু পরিচালনার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী থাকুন। যাতে এটা ছাড়া অন্য কেউ আপনার সম্পর্কে দ্বিতীয় মন্তব্য না করতে পারেন। এমনকি যদি রাগান্বিত থাকেন তারপরেই নিজেকে স্বাভাবিক রাখুন। কখনও উত্তেজিত হবেন না। নিজের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যবসা শুরু করুন। এবং আপনার ক্ষুদ্র ব্যবসার উপর আস্থা রাখুন। বড় স্বপ্ন দেখুন। স্বপ্ন নির্ধারন করে দৌড়াতে থাকুন একদিন সফল হবেনই। সফল ব্যবসায়ীরা বহুমুখীকরণের দ্বারা খুঁজে পেতে পারেন সফল ব্যবসা চাবিকাঠি। আপনার অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার ব্যবহার করে অন্যান্য ছোট ব্যবসা মালিকদের শিক্ষা দিন এবং তাদের স্বপ্ন অর্জনে সাহায্য করুন।


অন্যের কথায় ভয় পাওয়া যাবে না-অনেকেই খুব সহজে বলে থাকে তুমি যা করছো তা ঠিকমতো হচ্ছে না, তোমার এখন অন্য কিছু শুরু করা উচিত। আর এটা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। এরকম কথা বলা খুবই সহজ। যদি আপনি এসব কথায় প্রভাবিত হোন তাহলে ভাববেন বিষাক্ত কোন ঔষধ গেলা আরম্ভ করছেন। আপনি যদি এরকম কথায় প্রভাবিত হয়ে থাকেন তবে এখনই এ প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসুন। নিজের মত করে আপনার প্রতিষ্ঠানকে চালিয়ে নিয়ে যান। আপনার নিজের কাছে যখন মনে হবে আর চালিয়ে নেয়া সম্ভব না ঠিক তখনই থামেন। অন্যের কথায় কখনো আপনার প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করা যাবে না।


জীবনে আপনার আবেগ খুঁজুন এবং তা অনুসরণ করুন-উপরে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে কি অনুসরন করতে হবে এবং ভাবুন কোন বিষয়টির প্রতি আপনার দুর্বলতা আছে। সাফল্যের রাস্তা দীর্ঘ। আর এটাকে আপনারই পারি দিতে হবে। একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে আবেগকে প্রশ্রয় দিবেন না। আহলেই আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে পারবেন। সংগঠিত করুন-দীর্ঘমেয়াদী সফলতা অর্জন করার জন্য আপনার দৈনিক কাজের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা দরকার। একটি প্রতিষ্ঠানকে তার সময় নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি উপযুক্ত কর্ম পরিকল্পনা থাকা দরকার।

আপনি প্রতিদিন কি কাজ করবেন তা একত্রিত সংগঠিত করুন। এতে আপনি সফলতা পাবেন।
ব্যবসার ধরণ/ক্যাটাগরি নির্ধারণ করুন-ক্যাটাগরি হচ্ছে ব্যবসার ধরণ বা বিবরণ যা আপনি কি করেন। কয়েকটি শব্দ বা বাক্য যা আপনার পুরো ব্যবসার বর্ণনা করবে। অনেক ব্যবসায়িক তার কোম্পানির বর্ণনাটা সহজতর করতে পারে না।

 যার কারণে আপনি কি করেন মানুষ বুঝতে পারে না। এটা মার্কেটিং প্রবৃদ্ধির অন্তরায়। এটা সাধারণ নিয়ম যদি কেউ পরিষ্কার ভাবে বুজতে না পারে আপনার ক্যাটাগরি, তাহলে ১ মাস না কক্ষনই পরিষ্কার হতে পারবে না। ক্যাটাগরির সঠিক বর্ণনা মার্কেটিং এ সাহায্য করবে এবং সেল বৃদ্ধিতে প্রভাব পরবে। চিন্তা করুন কি হতে পারে আপনার ক্যাটাগরি । একটি প্রধান ক্যাটাগরি বাহির করুন। প্রধান ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে পারেন নাই, তাহলে ছোট করে ফেলুন ক্যাটাগরি লিস্ট। একটি লেজার নির্দেশ দিয়ে ইস্পাত ভেদ করা যায়। কিন্তু লক্ষ্য স্থির না থাকলে কোন প্রভাবই পরবে না। লেজারটা মনে করেন আপনার ফোকাস।


সবসময় নিজের উন্নতির জন্য নিজের সাথে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন- প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে প্রতিনিয়ত বদলে দিচ্ছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে যে কোন শিল্পেই নতুনত্ব প্রয়োজন। এটা হতে পারে-নতুন অনুষ্ঠান, নতুন চিন্তা অথবা নতুন প্রক্রিয়া। হয় আপনি এগিয়ে যাবেন অথবা অচল হয়ে যাবেন। তাই আমরা অনবরত কাজ করার নতুন উপায় খুঁজি যা হতে পারে উন্নত পণ্য, আমাদের ক্রেতার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং কাজে আরও পারদর্শী হাওয়া যা শেষপর্যন্ত বিশাল মুনাফার সৃষ্টি করে।
ধৈর্যচ্যুত হওয়া-হোঁচট খেলেই থামতে হবে তা নয়। উদ্যোক্তা মাত্রই সে উদ্যমী এবং প্রথম অবস্থায় তাকে নানান অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু দেখা যায় অনেকেই প্রাথমিক ভাবে কোন হোঁচট খাওয়ার পর মনোবল হারিয়ে ব্যবসায়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অথচ এই হোঁচটই তার জন্য ছিল শিক্ষণীয়। ধৈর্য সহকারে প্রতিটি ব্যর্থতাকে কাটিয়ে সাফল্যের পথে হাঁটাই একজন প্রকৃত উদ্যোক্তার পরিচয়।


অফিসের পরিবেশের সৌন্দর্যতা বজায় রাখবেন-কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য অফিসের ছোট থেকে বড় সব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ হোক তা ফুলদানীর ফুল গুলোই। ঘরের কাজ করে, সংসার নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যখন আপনি অফিসে আসবেন তখন যেনো, নিজে থেকেই কাজ করার ইচ্ছে জাগে, সব কিছু কে এক পাশে রেখে নিজের বিজনেস কে ভাবতে ইচ্ছে করে। সে ক্ষেত্রে আপনার অফিসের পরিবেশটাই পারবে অনেকটা ভূমিকা রাখতে।  প্রতিদিন বাসা-অফিসের কাজের ফাঁকে কিছু সময় বিরতি নিন। চেষ্টা করুন লাঞ্চটা অফিসের বাইরে পরিবারের সাথে করতে কিংবা বিকেলের চা টা বাগানে বা ছাদে বসে খেতে। এতে করে মানুসিক প্রশান্তি পাবেন, কাজে স্পিড আসবে।


উৎসাহ ধরে রাখুন-উৎসাহ ধরে রাখা হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ। শুরুর দিকে উৎসাহ ধরে রাখা আরও বেশি কঠিন কাজ। শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের হতাশা চলে আসে। ব্যর্থতা মেনে নিতে খুব কষ্ট হয়। সামান্য ব্যর্থ হলেই কাজ বন্ধ করে দেয় অনেকেই। এরকম কখনোই করা যাবে না। সাফল্য আসার আগ পর্যন্ত নিজের উৎসাহ উদ্দীপনা ধরে রাখতে হবে।একজন নারী হিসেবে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার সময় আপনি অনেকরকম বাঁধার সম্মুখীন হবেন। আর তা আপনাকে ধর্যের সাথে মোকাবেলা করতে হবে।

ত্বক সুন্দর রাখতে ব্যবহার করুন ডাবের পানি

করতোয়া ডেস্ক, ডাব খেতে কে না ভালোবাসে! যদিও এটি ফল, তবে ভেতরে তেষ্টা দূর করার জন্য মিষ্টি পানি থাকার কারণে অন্যান্য ফলের থেকে একেবারেই আলাদা। কচি ডাবের স্বচ্ছ, টলটলে পানির পুষ্টিমূল্যও অনেক। শুধু তেষ্টা মেটানো কিংবা পুষ্টি যোগানোর কাজেই নয়, সৌন্দর্যচর্চায়ও এটি সমান উপকারী। তাজা ডাবের পানি নিয়মিত মাখুন হাতে এবং মুখে। ট্যান রিমুভ করতে এটি খুবই উপকারী। একই সঙ্গে ত্বক নরম ও মসৃণ করে তুলবে ডাবের পানি।


এক চিমটে কর্পূর, মসুর ডাল, শসার রস ও ডাবের পানি মিশ্রণ তৈরি করে স্ক্রাবিং করুন। রোদে পোড়া কালো দাগও কমবে নিয়মিত ব্যবহারে। স্বাভাবিক ত্বকের জন্য তাজা ডাবের পানিতে চন্দন কাঠ ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। তারপর চন্দন কাঠ ঘসে যে পেস্ট তৈরি হবে, তা পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন পানি দিয়ে। এই পেস্ট ন্যাচারাল স্কিন ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে এবং ত্বক থেকে মৃত কোষ সরিয়ে ফেলে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ডাবের পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখের ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য ১০টি কাঠবাদাম ডাবের পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। আধঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।

এক কাপ কফির দাম ১২০০ টাকা, কোথায়? কেন?

গরম কফির কাপে আজও ধোঁয়া ওঠে। কিংবা কোল্ড কফির কাপে আজও চুমুক দিতে মন চায়। কলেজ-ইউনিভার্সিটি কেটে বন্ধুনির হাত ধরে আজও কফি হাউসে ভিড় করে শহর কলকাতা। নিখাদ প্রেম-আড্ডা আজও জমে ওঠে সন্ধের বারান্দায়। কফি-প্রেমে মন মজে নেই, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। চলো, এককাপ কফি হয়ে যাক। প্রেমিকার হাত ধরে এমন প্রস্তাব না দেওয়া পুরুষের সংখ্যাটা খুব কম। ভীষণই কম। খসুক না পকেট, তাতে কী! কতই বা খসবে?দাম শুনে বিষম খেতে পারেন। চোখ কপালে উঠতে পারে। বলে উঠতে পারেন, কফিতেও এত!এক কাপ কফি ১২০০ টাকা!কলেজ পাড়ার কফি হাউসে যদি কফি খেয়ে বিলে এই দাম দেখেন, তাহলে প্রাইমারি রিঅ্যাকশনটা কী হবে? হার্টবিট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সিওর। নাহ্, জোর কা ধাক্কা ধীরে সে লাগে।কলকাতায় এক কাপ কফি খেয়ে ১২০০ টাকা দিতে হচ্ছে না। কিন্তু নিউ ইয়র্কে দিতে হবে।নিউ ইয়র্ক সিটির আলফা ডমিঞ্চের এক্সট্র্যাকশন ল্যাবে এক কাপ ইথিওপিয়ান গিশার দাম ১২০০ টাকা। আলফা ডমিঞ্চে সবচেয়ে ভাল কফি ও কফি মেশিন বিক্রি হয়। ব্রুকলিনের অয়্যারহাউসে এর নতুন এক্সট্র্যাকশন ল্যাবটি খোলে। সেখানেই কফি খেতে গেলে দিতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। তবে কম রেঞ্জের কফিও রয়েছে। ২০০, ২৭০, ৬৭০, ৯০০ টাকারও কফি রয়েছে। যাঁর যেমন রুচি চেখে দেখতেই পারেন।


কিন্তু ইথিওপিয়ান গিশার এত দাম কেন? এটি বিরল। খুব বেশি পাওয়া যায় না। কারণ, উত্পাদন হয় খুব কম। ইথিওপিয়া এবং পানামার কিছু অংশে এই কপির চাষ হয়। শুধু তাই নয়, গুণমানে এই কফি বিশ্বসেরা।১২০০ টাকার কফির টেস্ট কেমন? পেরেস বললেন, ‘এটা খুব ভাল। এটা খুব ইন্টারেস্টিং। এটা খুব কমপ্লেক্স কফি। আমি কফি খুব ভালবাসি। আমি সবরকম কফি খাই এবং এই কফিটাতে রহস্য আছে। চমত্কার ফ্লেভার। এটা এমন, যখন গরম খাবেন, একরকম লাগবে। যখনই ঠান্ডা হয়ে যাবে, তখন আলাদা টেস্ট। মানে, এক চুমুকে অনেক রকম অনুভূতি।’এক কাপ কফির জন্য কেন ১২০০ টাকা দেবেন? তার ব্যাখ্যাও মজুত আলফা ডমিঞ্চের সিইও-র কাছে।যখন এক কাপ কফির জন্য ১২০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই তার মধ্যে কিছু একটা আছে। খুব স্পেশ্যাল। আমরাও খুব অল্প কিনি। তবে, আমাদের এখানে যাঁরা এই কফি খেতে চান, তাঁরা টেস্ট করতে পারেন।পেরেস এটা বলতেও ভোলেননি যে, শুধু কমদামি কফিতেই দুধ, চিনি মেশানো যায় না, ইথিওপিয়ান গিশাতেও প্রয়োজন মতো দুধ, চিনি মিশিয়ে নেওয়া যায়।

শিখে নিন কীভাবে সহজেই বাড়িতে বানাবেন ‘ফিস ফিঙ্গার’

রবিবার হোক কিংবা সপ্তাহের যে কোনও দিন। সন্ধে হলেই মনটা যেন অন্যরকমের কিছু খেতে চায়। কিন্তু রোজ রোজ বাড়ির বাইরের খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যেও উপকারী হয়। আবার বাড়িতেও সব কিছু তৈরি করা যায় না, কিংবা অনেকেই বাড়িতে কীভাবে দোকানের পছন্দমতো খাবার বানাবেন, তা জানেন না। ‘ফিস ফিঙ্গার’ এমন একটা খাবার, যেটা খেতে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই খুবই পছন্দ করে। সস কিংবা কাসুন্দি আর স্যালাডের সঙ্গে ‘ফিস ফিঙ্গার’ সন্ধের আড্ডাটাকে জমিয়ে দেয়। তবে এই জিনিসটা আবার একটা খেলে মন ভরে না।


আজ রবিবার। সাধারণত রবিবারে বাড়ির প্রত্যেক সদস্যই বাড়িতে থাকেন। তাই আজ সন্ধেবেলাটা জমিয়ে দিন ‘ফিস ফিঙ্গার’ বানিয়ে। দোকানের পছন্দের জিনিস বাড়িতেই খাওয়া হবে। আবার স্বাস্থ্যের ক্ষতির চিন্তাও থাকবে না। প্রিয়জনেরাও খুশি হবেন। নিচের ভিডিও থেকে রেসিপিটা শিখে নিন।

অন্যের চোখে কীভাবে হবেন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও নির্মল সৌন্দর্যের অধিকারী

করতোয়া ডেস্ক  বলতে পারেন, কোন জিনিসগুলো একজন মানুষকে করে তোলে আকর্ষণীয়? অপরূপ সুন্দর চেহারা নাকি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব? ওপরের চাকচিক্য নাকি ভেতরকার নির্মল সৌন্দর্য? অনেকেই বলবেন অবশ্যই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং ভেতরের নির্মল সৌন্দর্য। কিন্তু এই বলা মুখে বলা পর্যন্তই শেষ। বাইরের চাকচিক্যটাকে সকলেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।


কিন্তু তারপরও এখনও এমন অনেকেই আছেন যারা পছন্দ করেন ভেতরের অসাধারণ মানুষটাকে। কিন্তু চাকচিক্যের পূজারি মানুষের মন যোগাতে অনেকে বেছে নিয়েছেন বাহ্যিক পথটাকে। নির্মল সৌন্দর্যের মানুষের দেখা মেলা ভার আজকাল। কিন্তু এভাবে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে তো চলা সহজ নয়। তবে চলুন না ফিরিয়ে আনুন নিজের আসল সৌন্দর্যটাকে। সাজিয়ে নিন নিজেকে সরল সৌন্দর্যে।

  ঃ একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব যতোটা আকর্ষণীয় হতে পারে একটি সুন্দর চেহারা ততোটা হতে পারে না। আপনি অপরূপ সুন্দর, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব এমন যে সহজে মন কাড়ে না, তাহলে আপনি যতোই সুন্দর হন না কেন যেদিন এই সৌন্দর্য ফিকে হয়ে আসবে সেদিন আপনার পাশে কাউকে পাবেন না। যদি আপনার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ হয়ে থাকে তবেই আপনি সকলকে ধরে রাখতে পারবেন। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করুন নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়।


আপনি যেমন নিজেকে সেভাবেই উপস্থাপন করুন  অন্যের কাছে আকর্ষণীয় হতে যেয়ে আপনি যদি নিজের সত্ত্বাকে বিসর্জন দিয়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম একজন হিসেবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান তবে আপনি নিজের অনেক বড় ক্ষতি করলেন। আপনি দুটি সত্ত্বার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন যা পরবর্তীতে আপনার জন্য দুঃখই বয়ে আনবে। তাই আপনি নিজে যেমন সেভাবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান।


সফলতার পেছনে ছুটতে যাবেন না, নিজেকে উপযুক্ত করুন  মানুষ সব সময় যে ভুলটি করেন তা হলো নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে উপযুক্ত না করেই সফলতার পেছনে ছুটতে থাকেন। কথাটি এমন যে অনেকেই কষ্ট না করেই সফলতা পেতে চান। এতে করে অনেকে অনেক সময় ভুল পথ অবলম্বন করে থাকেন। কিন্তু ভুল পথে সফল হলে সেই সফলতা বেশিদিন টেকে না। তাই সফলতার পেছনে না ছুটে নিজেকে এমনভাবে উপযুক্ত এবং সমর্থ করে তুলুন যেন সফলতা আপনার পেছনে ছোটে। তখনই আপনি সকলের কাছে হয়ে উঠবেন নির্মল সৌন্দর্যের মানুষ।


নিজের ভুল স্বীকার করার ক্ষমতা রাখুন ঃ যারা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ তাদের কাছে ছোট বড় কোনো প্রকারভেদ নয়। তারা সকলের সাথে সমান ব্যবহার করতে পারেন। সকলের কাছে অকপটে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে পারেন। বয়সে ছোট এবং সমাজের তথাকথিত নিম্নবিত্ত মানুষগুলোর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে অস্বস্তি এবং লজ্জাবোধ করেন না তারাই তো আসল সৌন্দর্যের মানুষ। তাদের মনের ভেতরটা থাকে পবিত্র এবং সরল সৌন্দর্যে ভরপুর।

কোন্ হাসি কী বলে?

 

করতোয়া ডেস্ক, আমাদের হাসির সাথে সাথে বদলায় মুখের রং। আমরা হয়ত কখনো সেভাবে খেয়াল করে দেখি না, কিন্তু হাসলে শুধু মুখ না সাথে সাথে চেহারার ত্বকের প্রসারণ ঘটে, তাকানোর ধরণ বদলে যায়। কিন্তু সবক্ষেত্রেই ঘটনা একই রকম ঘটে না। আমাদের মনের ভাব অনুযায়ী বদলে যায় হাসির প্রকাশ ও। গবেষক এবং  প্রভাষক রোনাল্ড এ রিজ্ঞিও হাসির ৫টি ধরণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হল-


আনন্দ সূচক হাসি, মনোবিজ্ঞানী এবং নন ভার্বাল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ পল একমান এই টার্মটি ব্যবহার করেন সত্যিকারের আনন্দসূচক হাসি বোঝাতে। তিনি তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, মানুষ যখন সত্যিই কোন ঘটনা বা বিষয়ে খুশী হয়ে হেসে ফেলে তখন ঠোটের অংশের পরিবর্তনের সাথে সাথে হেসে ওঠে তাঁর চোখ। গালে টোল বা ভাঁজ পড়ে। পুরো মুখের মধ্য দিয়েই হয় আবেগের প্রকাশ।


মিথ্যা হাসি, এক্ষেত্রে চোখের সংযোগটা থাকে না। মানে আপনি হাসবেন, সাথে আপনার চেহারার অর্ধেকটাই হাসবে কিন্তু চোখের কোন পরিবর্তন হবে না। ভাবছেন, এ আবার কেমন কথা! ক্যামেরার সামনে আমাদের যখন পোজ দিয়ে হাসতে বলা হয় তখন তাৎক্ষণিক যে হাসি দিই আমরা তা কিন্তু এই ধরনের হাসি, মানে মিথ্যা হাসি।
অস্বস্তিসূচক হাসি, মানুষ যখন কোন কারণে অস্বস্তিতে ভোগে কিন্তু তা প্রকাশ করার পরিবর্তে একটা হাসি দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে তখন সেই হাসিকে আমরা এই দলে ফেলতে পারি। একটি চাকরির ইন্টারভিউতে একটি গবেষণা চালিয়েছিলেন মনোবিজ্ঞানীরা। সেখানে তারা দেখেন, নারী প্রার্থীদের বিভিন্ন সেক্সুয়াল ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা হলে তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা হাসি দিয়ে নিজের বিরিক্তি এবং অস্বস্তি ঢাকার চেষ্টা করছেন। এটিই অস্বস্তিসূচক হাসি।


প্রলোভন সঙ্কুল হাসি, হাসির মধ্য দিয়ে মানুষ যখন আকর্ষণ প্রকাশ করে তখন সেই অনুযায়ী চেহারার ভঙ্গিও বদলে ফেলে সে। তাঁর চোখেমুখে ফুটে ওঠে সমর্পন। সে যেমন খুবই নমনীয় হতে পারে আবার একই সাথে তাঁর প্রকাশ ভঙ্গী হতে পারে উদ্ধত, দৃঢ়। হাসির সাথে মিশে থাকতে পারে লজ্জা, আহবান। বিপরীত ইতিবাচক মন দেখা মাত্রই চিনতে পারে এই চাহনী।কৌতুকের হাসি, হাসিটা হয়ত ইতিবাচকই হয়, কিন্তু চোখে ফুটে ওঠে বিদ্রুপ। কখনো কখনো কৌতুকের হাসি হতে পারে দ্বিমুখী। মানে একই সাথে সেটি প্রকাশ করতে পারে বিনোদন প্রাপ্তির আনন্দ এবং অপছন্দ।প্রতিদিন কতবার হাসি আমরা? শতশত বার। মনে হতে পারে হাসি মানেই আনন্দ। কিন্তু মানুষের মস্তিষ্কের মত জটিল তাঁর প্রকাশভঙ্গিও। এক হাসিরই থাকতে নানান মিশ্র অর্থ, জটিল ভাব।

রূপচর্চায় বিভিন্ন ফুলের ব্যবহার

করতোয়া ডেস্ক- ফুলের রং আর মিষ্টি সুবাসে মন যেমন ভরে ওঠে, ঠিক তেমনি ফুল দিয়ে সাজতে পছন্দও করেন অনেকে। কেউ খোঁপায় ফুল গোঁজেন, তো কেউ হাতে জড়ান বেলি বা বকুল ফুলের মালা। আবার সৌন্দর্য বাড়াতে ত্বক ও চুলের যতেœ অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয় ফুল।
গোলাপ, গোলাপ ফুলের সঙ্গে মধু ও লাল আতা মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ, উজ্জ্বল ও সতেজ।


ক্যামেলিয়া, ক্যামেলিয়া ফুল, দুধ ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার হবে আর ত্বক ফিরে পাবে লাবণ্য।
শাপলা ঃ শাপলা ফুল, নিমের তেল ও তিল বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ব্রণ কমে যাবে।


বেলি, বেলি ফুলের সঙ্গে ঘৃতকুমারী ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক টানটান ও মসৃণ হয়ে উঠবে।
জবা, জবা ফুল ও চালের গুঁড়ার মিশ্রণ ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর সঙ্গে তিলের তেল মিশিয়ে চুলে লাগালে তা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

কিছু সতর্কতা, বিভিন্ন মৌসুমে যেসব ফুল পাওয়া যায়, সেগুলো রূপচর্চায় কাজে লাগানো যেতেই পারে, তবে এর কোনোটিই সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়, অবশ্যই কোনো কিছুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত। কারণ, কোনোটির অম্লত্ব বেশি হতে পারে, আর সে ক্ষেত্রে হিতে বিপরীতও হতে পারে। তাই সরাসরি কোনো ফুল ত্বকে বা চুলে ব্যবহার করবেন না।

যে অভ্যাসগুলো জীবনের মান বাড়ায়

করতোয়া ডেস্ক- এমন ১৫টি কাজ আছে যেগুলোর প্রতিটি করতে মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগে। অথচ এই সহজ কাজগুলোই আপনার জীবন মান কয়েকগুন বাড়াতে সক্ষম।
* দাঁত ব্রাশ করুন এবং ফ্লস দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে আপনার দাঁত শুধু ক্ষয় হওয়া থেকেই রক্ষা পাবে না বরং এতে আপনার জীবনও রক্ষা হবে।
আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন পরামর্শ দিয়েছে প্রতিদিন অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন বা ফ্লস দিয়ে পরিষ্কার করুন। আপনি যদি তা করতে না পারেন তাহলে আপনি স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ এবং ক্যান্সারসহ আরো নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।
* আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসুন। দাঁত ব্রাশ বা পরিষ্কার করার পর ১০ সেকেন্ডের জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে হাসুন। এতে আপনার মুড ভালো হবে।


* দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো লিখে ফেলুন। তালিকার শীর্ষে রাখবেন সফল হওয়ার জন্য আপনাকে যে কাজটি অবশ্যই করতে হবে সেটি।
* বিছানা গোছান। দিনের শুরুতেই কোনো কাজ সম্পন্ন করুন। আর কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আপনার আত্মসম্মানবোধ বাড়বে। আর কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে আসার পর আপনার এবং রাতের ঘুমের মাঝখানে আর কিছুই থাকতে পারবে না।


* মেডিটেশন করুন। প্রতিদিন মেডিটেশন করতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। কিন্তু এতে অনেক উপকার হয়। যেমন, মানসিক রোগ এবং মস্তিষ্কের অধঃপতনের ঝুঁকি কমে, সেরোটোনিন উৎপাদন বাড়ে, রক্তচাপ কমে এবং উদ্বেগ কমে।
* কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। যখন যে অবস্থাতে আছেন তার জন্যই বিধাতার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। নিজেকে বলুন আপনি হয়ত সুদানের কোনো উদ্বাস্তু শিবিরেও জন্ম গ্রহণ করতে পারতেন।


* ব্রডকাস্ট শুনুন। নানা বিষয়ে ইন্টারনেটে পাঁচ মিনিটের অসংখ্য ব্রডকাস্ট আছে। বই পড়ার সময় না থাকলে অন্তত একটি ব্রডকাস্ট শুনে কোনো বিষয় শিখুন।
* উপলক্ষর চাহিদার চেয়েও একটু ভালোভাবে পোশাক পরুন। কর্মস্থলে সকলেই যদি ক্যাজুয়াল পোশাক পরে আসেন তাহলে আপনিও একটি স্পোর্টস জ্যাকেটের সঙ্গে ক্যাজুয়াল পোশাকই পরে আসুন। কাজটি সহজ। কিন্তু আপনি সহজেই নজরে পড়বেন।
* প্রতিদিন অন্তত একবার অস্বস্তিতে পড়ুন। এমন কোনো কাজ করার সাহস দেখান যা আপনাকে উদ্বিগ্ন করবে। যেমন, সম্মেলন সংক্রান্ত কলের সময় উচ্চস্বরে কথা বলুন বা নতুন কারো প্রতি ‘হাই’ বলুন।


* গোলমাল মোকাবিলা করুন। কোনো কিছু দিয়ে কাজ করার পর সেটি জায়গামতো রেখে দিন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার জীবনে বিশৃঙ্খলা ও গোলমাল এড়াতে পারবেন। যা আপনার সময় অপচয়ও বাঁচাবে।
* নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। ভিন্ন রুটে কর্মস্থলে যাওয়া, নতুন কোনো লোকের সাথে কথা বলা বা নতুন কিছু নিয়ে পরীক্ষা চালানোর মাধ্যমে আপনি এই কাজ করতে পারেন। প্রতিদিনের ব্যস্ততার চাপে নিজের কৌতুহল মরে যেতে দেবেন না।


* লিখুন। প্রতিদিন লেখালেখির অভ্যাস আপনাকে নিজের অগ্রগতির খতিয়ান রাখতে সহায়তা করবে। এতে আপনি আরো বেশি অগ্রগতি অর্জন করতে পারবেন।
* বেশি বেশি হাঁটুন। সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যান। ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি ব্যবহার করুন। সমস্যায় আটকে পড়লে অফিসের চারদিকে ঘুরে আসুন। দুপুরের খাবারের সময় বাইরে বের হয়ে হাঁটুন। অফিস শেষে পুনরায় পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরুন। এতে আপনার শক্তি, সৃজনশীলতা এবং মেজাজ-মর্জিও ভালো হবে।
* এমন পাসওয়ার্ড সৃষ্টি করুন যা অনুপ্রেরণা যোগায়। প্রতিমাসে আপনি আপনার পাসওয়ার্ড বদলাতে পারেন। এতে আপনি অনুপ্রেরণামূলক কোনো কাজের কথা লিখতে পারেন। ফলে আপনি যতবারই লগইন করবেন ততবারই ওই কাজটির কথা মনে হবে।


* ‘না’ বলুন। ‘না’ বলার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রচুর সময় বাঁচাতে পারবেন। আপনি যদি কোনো কাজ করতে না চান, কাজটি করার যথেষ্ট সময় না থাকে, কাজটি করে কোনো উপকার না দেখেন তাহলে শুধু ‘না’ বলে দিন। কারো অযৌক্তিক কোনো অনুরোধ ফিরিয়ে দিলে আপনাকে অলস মনে হতে পারে। কিন্তু নিজের সময় বাঁচাতে এবং নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলো অর্জনে সময় ব্যয় করার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কোনো উপায় নেই।

অনেক সময় একাকিত্বই আপনাকে মানসিক শক্তি যোগাবে

করতোয়া ডেস্ক- মানুষ এমন একটি প্রাণি যে একা পৃথিবীতে আসে কিন্তু একা থাকতে পারে না। মানুষ সবসময় সঙ্গী খুঁজে ফেরে। যার সাথে সে তার মনের কথাগুলো খুব সহজে খুলে বলতে পারবে। যাকে সে তার মতো করে না হলেও সেই মানুষের মতো করে তার মনে জায়গা করে দিতে পারে। কিন্তু খুব কম মানুষের ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন মানুষ একা থাকতে চায় না কিন্তু তাকে একা থাকতে হয়। আর এই একাকিত্ব মানুষকে একদিকে যেমন দুর্বল করে দেয় আবার অন্যদিকে করে তোলে শক্তিশালী।


সামলে নেয়া- আপনি যখন কোনো কারণে আপনার পরিবার থেকে দূরে থাকবেন কিংবা পরিবারের সাথে কোনো কারণে যোগাযোগ রাখতে পারবেন না তখন আপনার মাঝে চরম আকারের একাকিত্ববোধ কাজ করবে। আর এই একাকিত্ববোধ আপনাকে শুধু নিঃস্ব করবে না, আপনাকে কিছু জিনিস শিখিয়ে যাবে। আপনি জীবন কিভাবে একা একা কাটাবেন, কেউ যখন আপনার পাশে না থাকবে তখন নিজেকে কিভাবে সামলে নেবেন একাকিত্ব আপনাকে তাই শেখাবে।


যোগ্যতা, হাজারো মানুষের ভিড়ে আপনি যখন একা থাকবেন তখন আপনি নিজের যোগ্যতা অনুভব করতে পারবেন। আপনি নিজেকে কতটা সময়ের সঙ্গে উপযুক্ত করে তুলতে পেরেছেন তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার এই যোগ্যতার ওপর। অনেকে অনেক কথাই বলবে। সবার কথার আড়ালে আপনি নিজেকে খুঁজে পাবেন কেবল এই একা থাকার সময়টুকুতেই।
বন্ধু, আপনার
জীবনে আসল
বন্ধু কে তা এই একা থাকার সময়
টুকুতে বুঝতে পারবেন।
আপনার বন্ধুদের আপনার জীবনে কতটুকু দরকার আর কে কে আপনাকে সত্যিকার অর্থে আপন ভাবে তা কেবল বোঝা যায় এই একা থাকার সময় টাতেই।

চোখের পাপড়ি সুন্দর করার জন্য

করতোয়া ডেস্ক- চোখের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে ঘন ও লম্বা পাপড়ির কোনো বিকল্প নেই। তবে সুন্দর ঘন পাপড়ির আশীর্বাদ সবার উপর থাকে না। তাই বাড়তি যতœ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।


চোখের পাপড়ি দ্রুত সুন্দর করে তোলার কিছু ঘরোয়া উপায় আছে। যা করলে সহজে পাপড়ি ঘন ও কালো হবে।
রাতে পাপড়িতে তেল লাগান ঃ চোখের পাপড়ি ঘন করে তোলার জন্য কয়েকটি তেলের মিশ্রণ তৈরি করে নিন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ওই মিশ্রণ একটি পরিষ্কার মাস্কারা ব্রাশের সাহায্যে চোখে বুলিয়ে নিন। প্রতি রাতে এই নিয়মে তেল লাগালে পাপড়ি ঘন হবে।


ভ্যাসলিন- শুনতে অদ্ভুত শোনালেও চোখের পাপড়ি ঘন করে তুলতে ভ্যাসলিন বেশ উপকারী। প্রতি রাতে পাপড়িতে অল্প পরিমাণ ভ্যাসলিন বুলিয়ে নিন। এতে পাপড়ি দ্রুত বেড়ে উঠবে।
ভিটামিন ই-তেলের সঙ্গে দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফাটিয়ে মিশিয়ে নিন। প্রতি রাতে চোখের পাপড়িতে লাগান। এছাড়া খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রচুর ভিটামিন ই যুক্ত খাবার যা চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী।

উপরের এই উপায়গুলো চোখের পাপড়ি লম্বা ও ঘন করতে সাহায্য করবে। তবে মাস্কারা চোখের পাপড়ি সাজাতে ব্যবহার করা যেতেই পারে।
আর এক কোট মাস্কারা লাগিয়ে তার উপর অল্প করে পাউডার ছড়িয়ে দ্বিতীয় কোট মাস্কারা বুলিয়ে নিন। এই পদ্ধতিতে পাপড়ি অনেকটাই ঘন দেখাবে।

সৌন্দর্য ও ঘর-সংসার গোছানো নয় বুদ্ধিমত্তাই এখন নারীর যোগ্যতা

করতোয়া ডেস্ক , যদি বুদ্ধিমতি হন আপনার সঙ্গী, তবে বেশিদিন বেঁচে থাকার আশির্বাদ লাভ করলেন আপনি! কেমন হয় তাহলে? গবেষকরা কিন্তু এমন সম্ভাবনার কথাই বলছেন! সাম্প্রতিক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য যে সঙ্গীর বুদ্ধিমত্তা বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার আয়ু।


আপনি যখন আপনার হবু স্ত্রীর কথা কল্পনা করেন তখন কি থাকে আপনার প্রথম চাওয়া? নিশ্চয়ই একজন সুন্দরী রমনীকে দেখেন আপনি। দেখেন তিনি কেমন রান্না করছেন, কেমন যতœ নিচ্ছেন আপনার এবং আপনার পরিবারের। তিনি প্রখর বুদ্ধমতি, দূর্দান্ত স্মার্ট, যে কোন সমস্যা সমাধান করে ফেলেন মূহুর্তে এটা ভাবতে হয়ত গলা শুকিয়ে আসে আপনার। আমাদের উপমাহাদেশের পুরুষেরা নারীকে তার চেয়ে এগিয়ে থাকা অবস্থায় কল্পনাই করতে পারেন না। কিন্তু এই কল্পনা এবং এর বাস্তয়ায়ন বেঁচে থাকার সময়কে দীর্ঘ করে দেবে। কীভাবে?


গবেষকরা বলছেন, যে সকল পুরুষেরা বুদ্ধিমান নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন তারা কম অসুস্থতায় ভোগেন। তাদের জীবনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কমে যায়, স্ট্রেস কমে যায়। ফলে তারা কম মানসিক চাপে ভোগেন। এছাড়াও তারা আলজেইমার বা বিষন্ন রোগে কম ভোগেন। এটা সবাই জানেন যে, বুদ্ধিদীপ্ত খেলা মানুষকে এ ধরণের ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, একজন বুদ্ধিমান সহধর্মিনী আপনার বুদ্ধির চর্চাকে ধরে রাখে, থেমে যেতে দেয় না। তাই তিনি আপনাকে রাখতে পারেন এ ধরণের ব্যাধিমুক্ত।


অবিশ্বাস্য হল, স্টাডিতে দেখা গেছে কিছু পুরুষ যারা উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্ন নারীদের বিয়ে করেছেন তারা শারীরিকভাবে দূর্বল মস্তিষ্কের অধিকারী হওয়া স্বত্ত্বেও তাদের মাঝে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কোন সমস্যা দেখা যায় নি। তারা বরং নিজেদের মানসিক যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।


নারীদের উচিৎ তাদের বুদ্ধি নিয়ে গর্বিত হওয়া এবং ছোটবেলা থেকেই তাদের গড়ে তোলা উচিৎ দায়িত্বশীল এবং স্বাধীনচেতা মানুষ হিসেবে। পুরুষের উচিৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীকে সমমর্যাদা দেওয়া, পরিবারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা। এভাবেই জীবন স্বাস্থ্যকর হয়, জীবনের বাড়তি অনেক প্রেশার কমে যায়। কিন্তু দূঃখজনক হল, আমরা নারীদের যোগ্যতা বলতে এখনও শুধু সৌন্দর্য্যকে বুঝি, ঘর-সংসার গুছিয়ে রাখার দক্ষতাকে বুঝি। নিজেদের প্রয়োজনেই আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর সময় এসেছে।

ঘুমে দুঃস্বপ্ন এলে সিংহ কী করে দেখেছেন?

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা মানুষের অভ্যাস। সহজাত পক্রিয়ায় মানুষ স্বপ্ন দেখেন। কখনও তার স্বপ্ন তাকে শিহরিত করে আবার কখনও সেই স্বপ্নে ঘুম ভেঙে শরীর থেকে ঝরে ঘাম। দুঃস্বপ্ন। মানুষের জীবনে স্বপ্ন এবং দুঃস্বপ্ন হাত ধরাধরি করেই বাস করে। আচ্ছা, ভেবে দেখেছেন, মানুষ ছাড়া অন্য কোনও প্রাণী স্বপ্ন দেখে কিনা? যদি তাদের ঘুমে দুঃস্বপ্ন আসে তাহলে তাদের অভিব্যাক্তি কেমন হয়। কীভাবে তাদের শরীর প্রতিক্রিয়া করে? দেখুন এমনই এক ভিডিও যেখানে সিংহ দুঃস্বপ্ন দেখে যা অভিব্যাক্তি দিল- 

বুধের বড় বিপদ, বৃদ্ধ হচ্ছেন বুধ, গিলে খেতে পারে সূর্য!

ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে রক্ত। কুঁচকে, ঝুলে পড়ছে চামড়া। গায়ে-গতরে পুঁচকে হয়ে পড়ছে সে। পিঠে ভাঁজ পড়েছে। তৈরি হয়েছে একটি বিশাল উপত্যকা। কার রক্ত এইভাবে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে? নামটি তার বুধ। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।

 

নাহ্, পৃথিবী ছোট হচ্ছে না। তারারা কত আলোকবর্ষ দূরে, তা মাপারও কোনও প্রয়োজন এই মুহূর্তে পড়ছে না। আমরাও, মানে আমাদের সাধের এই গ্রহও একই জায়গায় আছে। সরে যাচ্ছে না। তবে আমাদেরই প্রতিবেশী গ্রহের খুব বড় বিপদ।

 

আমাদের বয়স যত বাড়ে, ততই রক্তের জোর কমে। একটি শিশুর শরীরে রক্ত যত গরম থাকে, কোনও বৃদ্ধের শরীরে ততটা থাকে না। রক্ত গরম থাকে বলেই শিশুদের শরীর তরতর করে বাড়ে। শিশুদের গায়ে-গতরে বাড়-বৃদ্ধির হার জোয়ানের তুলনায় অনেক বেশি। বুধেরও রক্তের জোর তেমনই কমে যাচ্ছে, খুব দ্রুত।

তার অন্তরের যে গনগনে আঁচ, তা খুব দ্রুত কমে যাচ্ছে। বুধের ভিতরটা উত্তরোত্তর ঠান্ডা মেরে যাচ্ছে। ফলে, পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ সবদিকেই ছোট হয়ে যাচ্ছে বুধ। তার পিঠে তৈরি হয়েছে এক বিরাট উপত্যকা। যাকে বলা হচ্ছে গ্রেট ভ্যালি। যেটি আমেরিকার অ্যারিজোনায় গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের চেয়েও বড়। গভীরতায় বুধের সেই উপত্যকাটি পূর্ব আফ্রিকার গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির চেয়েও বেশি। এটি লম্বায় ৬২০ মাইল (১০০০ কিলোমিটার), চওড়ায় ২৫০ মাইল (৪০০ কিলোমিটার) এবং গভীরতায় ২ মাইল (৩.২ কিলোমিটার)

 

অনেক আগেই নাসার মেরিনার-টেন মহাকাশযান বুধের পাশ দিয়ে ছুটতে ছুটতে জানিয়েছিল, চেহারায় খাটো হয়ে যাচ্ছে বুধ। কতটা?

৪৬০ কোটি বছর আগে বুধের জন্মের পর গ্রহটি চেহারায় খাটো হয়েছে ১.২ থেকে ২.৫ মাইল বা দুই থেকে চার কিলোমিটার।

হালে বুধের পাশ দিয়ে ঘুরে এসেছে আরেকটি মহাকাশযান মেসেঞ্জার। তার দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বুধ চেহারায় খাটো হয়েছে প্রায় ৮.৭ মাইল বা ১৪ কিলোমিটার।

একদিন হতেই পারে, বুধ খাটো হতে হতে চেহারায় এত ছোট হয়ে যাবে যে, সূর্যটা তাকে গিলেই খেয়ে নিতে পারে। তখন পৃথিবীর ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না তো? হিসাব কষতে ব্যস্ত বিজ্ঞানীরা।

 

শীতে পায়ের যত্ন

শীতকালে আমাদের ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। যত্নের অভাবে পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। রুক্ষ হয়ে যায় পায়ের ত্বক। তাই শীতকালে চাই রুক্ষ-শুষ্ক পায়ের জন্য বিশেষ যত্ন। কীভাবে শীতকালে পায়ের যত্ন নেবেন?

১) দিনে দুবার নিয়ম করে পায়ে ময়েশ্চারাইজার মাখুন।
২) গরম জলে মধু মিশিয়ে, তাতে পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর আলতো হাতে স্ক্রাব করুন। মধুতে থাকে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টি-সেপ্টিক উপাদান। পাশাপাশি মধু ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
৩) অলিভ অয়েলের ম্যাসেজ। পায়ের ফাটা জায়গায় অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। রক্ত সঞ্চালন ভালো করে, ত্বক ভালো রাখে।
৪) গোড়ালি ফাটা এড়াতে মোজা পরুন। ফলে ত্বর শুষ্ক হবে কম।

শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে সহজেই তৈরি করবেন ‘তন্দুরি চিকেন’

চিকেন। নামটা শুনেই জিভে জল এসে গেল নিশ্চয়ই? আর হবে নাই বা কেন। চিকেন খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ কমই আছেন। চিকেনের যেকোনও রেসিপিই হোক না কেন, চেটেপুটে খায় প্রত্যেকে। রেস্তোরাঁতে গিয়েও চিকেন খাওয়ার সংখ্যাটা বেশ চোখে পড়ার মতো। মানুষ কেন বেশি চিকেন খেতে পছন্দ করেন, জানেন? কারণ, চিকেন সুস্বাদু, সহজপাচ্য, সহজলভ্য। তাই অন্যান্য সমস্ত খাবারের মধ্যেও চিকেনের চাহিদা একইরকম আছে।

চিকেনের যে রেসিপিটি বহু মানুষ রেস্তোরাঁয় গিয়ে খান, তা হল তন্দুরি চিকেন। অনেকেরই ধারণা আছে যে, তন্দুরি চিকেন বোধহয় বাড়িতে তৈরি করা খুব কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আসলে মোটেই তা নয়। বাড়িতে তন্দুরি চিকেন বানানো খুবই সোজা। আপনারও যদি এমন কোনও ধারণা থাকে, তাহলে এই ভিডিওটি দেখে শিখে নিন- কীভাবে বাড়িতে তৈরি করবেন ‘তন্দুরি চিকেন’।

জানেন বিশ্বের বেশি মানুষ কোন পশুকে পছন্দ এবং কোন পশুকে অপছন্দ করেন?

আপনি কি খুবই পশু-পাখি পছন্দ করেন? আপনার বাড়িতেও রয়েছে কোনও বিশেষ পোষ্য? তা কোন পশু বা পাখি সবথেকে বেশি প্রিয় আপনার? একেবারেই অপছন্দ করেনই বা কোন পশু-পাখি? আচ্ছা, আপনারটা আপনি ভাবতে থাকুন। তার আগে বরং আপনাকেই জিজ্ঞেস করে নিই, জানেন কি বিশ্বের বেশি সংখ্যক মানুষ কোন পশু বা পাখিকে পছন্দ করেন?

এই বিষয়ের উপর সমীক্ষা চালিয়েছিল অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট টেলিভিশন চ্যানেলটি। বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের থেকে তাঁরা জানতে চান পছন্দের পশু এবং অপছন্দের পশুর কথা। সেই অনুযায়ী সমীক্ষার ফল হল, বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের সবথেকে পছন্দের দুই পশু বা প্রাণী হল, বাঘ এবং কুকুর। আর বিশ্বের বেশি সংখ্যক মানুষ পছন্দ করেন না ওরাং ওটাং এবং তিমি মাছকে। কি আপনার পছন্দ এবং অপছন্দের সঙ্গে মিলে গেল নাকি?

রোগ সারাতে মিউজিক থেরাপি

মনে অবসাদ? কিছুই ভালো লাগে না? সম্পর্কে তিক্ততা? চেপে ধরছে রোগ? ওষুধ একটাই। মিউজিকেই ম্যাজিক। গান শুনলে রোগ উধাও।

স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, মিউজিকেই ম্যাজিক। শরীরের এই জন্মগত রোগ সারাতে মিউজিক থেরাপির কোনও বিকল্প নেই। মস্তিষ্কের অকেজো কোষগুলি ক্ষণিকের জন্য হলেও স্বাভাবিক করে তোলে। শরীরকে চনমনে ও মনকে সুন্দর রাখতে গান অপরিহার্য। নিয়মিত ২৫ মিনিট গান শুনলে ব্যাক পেইন অন্যত্র পাড়ি জমায়। পাওয়া যায় প্রশান্তির ঘুম।

ডেনমার্কের আরহাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, মেজাজ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে মিউজিক। মস্তিষ্কের ডোপামিনের প্রভাবেই এই ঘটনা ঘটে। এই ডোপামিনকে নিয়ন্ত্রণ করে মিউজিক। উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ঘুমে জড়তা বা  স্মৃতি লোপের মতো অসুখ সারাতে মিউজিকের বিকল্প নেই। মস্তিষ্কের পেশি স্বাভাবিক রাখে। ফলে, স্ট্রোকের কারণে লোপ পাওয়া বাকশক্তি ফিরে পেতে এবং পারকিনসন্স রোগ থেকে ধীরে ধীরে আরোগ্য লাভ করা যায়।

এ ছাড়া সিজোফ্রেনিয়া, অ্যামনেসিয়া, ডিমেনসিয়া, অ্যালঝাইমার্স রোগের দুর্দান্ত ওষুধ মিউজিক। গর্ভবতী মায়েরা নিয়মিত গান শুনলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সুন্দর হয়। গবেষকদের দাবি, গান শোনার পর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পড়ার আগ্রহ বাড়ে। মনোযোগ এবং দক্ষতাও বাড়ে। অটিজম আক্রান্ত শিশুর চিকিত্সায় মিউজিক থেরাপির জুড়ি নেই।

কত বছর বাঁচবেন আপনি? বলে দেবে একটা রক্তপরীক্ষা

এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে পাল্টে দেওয়া যাবে অনেক কিছু! মানুষ নিজের ভবিষ্যত্ জানে না। নিজের ভবিষ্যত সম্পর্কে সে অন্ধকারে থাকে। কোনও মানুষ কতদিন বাঁচবে, তা কেউই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যায় না। কিন্তু এবার এই উত্তরটাই আপনি পেয়ে যাবেন। একটা রক্তপরীক্ষা বলে দেবে, আপনি কত বছর বাঁচবেন। এমনটাই বলছেন বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

এজিং সেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাটি। যেখানে বলা হয়েছে, ৫০০০ নমুনা রক্তের বায়োমেকার ডেটা অ্যানালিসিস করা হয়েছে। যার পরই তাঁরা এক ‘ম্যাজিক’ রক্তপরীক্ষার সন্ধান পেয়েছেন, যা বলে দেবে একজন মানুষ কতদিন বাঁচবেন। এমনকী জানা যাবে, তাঁর ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কি না। যা কমিয়ে আনে মানুষের জীবনের আয়ু।



Go Top