সকাল ১০:১৮, সোমবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল

আমরা সবাই জানি, ধূমপান আমাদের জন্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু যখন আপনি এতে আসক্ত তখন এটি ত্যাগ করা অসম্ভব বলে মনে হতেই পারে।

কখনো কখনো ভয়ানক কোনো বার্তা ধূমপান ত্যাগের জন্য সহায়ক হতে পারে। আর এক্ষেত্রে নতুন একটি ভিডিও আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

ইউটিউবার ক্রিস নোপ কিছু তুলা ব্যবহার করে দেখিয়েছেন, মাত্র এক প্যাকেট সিগারেট ফুসফুসের ওপর কি ধরনের প্রভাব ফেলে। ভিডিওটিতে ফুসফুসের ভূমিকায় তুলা এবং সিগারেট টানার ভূমিকায় সাকশন পাইপ ব্যবহার করা হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা গেছে, তুলা থাকা কাচের জারটি প্রত্যেকটা সিগারেটের টানে ধোয়ার ভয়ে গিয়েছে এবং ধীরে ধীরে তুলাগুলো বাদামি রঙে পরিণত হয়েছে। ধোয়া ভিতরে নেওয়ার জন্য যে স্বচ্ছ সাকশন পাইপ ব্যবহার করা হয়, সেটিও বাদামিতে পরিণত হয়।

ভিডিওটির বর্ণনায় নোপ উল্লেখ করেন, ‘তুলার সাহায্যে আমি আমার নিজস্ব খুব ছোট একটি পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছি যে, আপনার মুখ, গলা এবং ফুসফুসে প্রতিদিন ১ প্যাকেট সিগারেটে বাস্তবে কি ধরনের মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ধূমপান শরীরের প্রতিটি সিস্টেমে ক্ষতি করে থাকে। আমি শুধু বলতে চাই, ধীরে ধীরে নিজেকে হত্যা করবেন না।’

নোপ আরো উল্লেখ করেন, ‘শরীরের ওপর ধূমপানের কুফল সকলেরই জানা এবং আপনি যদি এখনো এ ব্যাপারে সতর্ক না হোন, তাহলে এ ভিডিওটি আরেকটি উদাহরণ যে, কেন ধূমপান ত্যাগ করা আপনার প্রয়োজন। মাত্র এক প্যাকেট সিগারেট ফুসফুসে কেমন মারাত্মক প্রভাব ফেলে, তা ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে। ইচ্ছাশক্তিকে জাগিয়ে ধূমপান ছেড়ে দিন। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কখনো খুব বেশি দেরী হয়ে যায় না। তবে মনে রাখবেন, আরেকটি দিনের জন্য অপেক্ষা করাটা কিন্তু খুব বেশি দেরী হয়ে যাওয়ার কারণ হয়ে ওঠতে পারে।’

রসমালাই তৈরির সহজ রেসিপি

রসমালাইয়ের নাম শুনলে জিভে জল চলে আসে অনেকেরই। চমৎকার স্বাদের এই মিষ্টি আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই বানাতে পারেন। তবে আর দেরি কেন! চলুন ঝটপট জেনে নেই রসমালাই তৈরির রেসিপি।

 

উপকরণ:
রসগোল্লার জন্য:
দুধ ১ লিটার, সিরকা-৪ টেবিল চামচ, পানি-২ কাপ, খাবার সোডা-১/৪ চা চামচ, ময়দা বা সুজি-১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়া-১/৪ চা চামচ, চিনি-১ কাপ।

মালাই তৈরির জন্য:
দুধ-৬ কাপ, চিনি-১/২ কাপ, গোলাপজল/কেওড়া পানি-১ চা চামচ।

 

প্রণালি: চুলায় দুধ ফুটে উঠা মাত্র সিরকার পানি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিবেন। ছানা আলাদা হয়ে গেলে কাপড় বা ছাকনিতে ঢেলে পানি ঝড়িয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য বাতাসে রাখুন। চুলায় চিনির সাথে পানি মিশিয়ে সিরা তৈরি করে মৃদু আঁচে রাখুন। ছানার সাথে ময়দা, এলাচ গুঁড়া, খাবার সোডা, ১ চা চামচ চিনি মিলিয়ে হাত দিয়ে মথে নিয়ে গোল করে গুলি তৈরি করুন। সব ছানার গুলি সিরার মধ্যে দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে রান্না করুন। রসগোল্লা সিরার উপর ভেসে উঠলে বড় চামচ দিয়ে রসগোল্লা ডুবিয়ে ২০-২৫ মিনিট ঢেকে রান্না করুন। একটি বড় বাটিতে সিরা সহ রসগোল্লা ৭-৮ ঘণ্টা সিরায় ভিজিয়ে রাখুন। দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক হলে চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যেন সর না পড়ে। একটি বড় বাটিতে ঘন দুধ ও গোলাপজল দিয়ে মিশাবেন। সিরা থেকে রসগোল্লা তুলে ৪-৫ ঘণ্টা দুধে ভিজিয়ে রাখুন।

ফুডপান্ডায় বার্গার কিং-এর সব খাবার

আমেরিকার বিশ্বখ্যাত ফাস্ট ফুড চেইন রেস্তোরাঁ বার্গার কিং এর সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি করেছে ফুডপান্ডা। এ চুক্তির ফলে এখন থেকে বার্গার কিং-এর বিখ্যাত সব খাবার পাওয়া যাবে ফুডপান্ডায়।

বার্গার কিং-এর সঙ্গে ফুডপান্ডার এই যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফুডপান্ডা দিচ্ছে বিশেষ অফার। ৯৪৯ টাকা এবং ১,১৯৯ টাকার দুটি নির্দিষ্ট প্যাকেজে গ্রাহকরা এই অফার পাবে। ৯৪৯ টাকার প্যাকেজে থাকছে দুটি টেন্ডারগ্রিলস, ১টি বড় ফ্রাইজ, ৫টি নাগেটস এবং কোমল পানীয়। ১,১৯৯ টাকার প্যাকেজে থাকছে দুটি বড় চিকেন, দুটি ডাবল চেজবার্গার এবং দেড় লিটার কোমল পানীয়।

ফুডপান্ডার হেড অব পার্টনারশিপ অ্যান্ড পিআর সাকেরিনা খালেদ বলেন, সারা বিশ্বে সুপরিচিতি বার্গার কিং। এরকম একটি বিখ্যাত রেস্তোরাঁ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় আমাদের সেবার পরিধি অনেকগুণ বেড়ে গেল। গ্রাহকরা আমাদের সেবায় আরো সন্তুষ্ট হবেন বলে আশা করছি।

বার্গার কিং-এর মূল আকর্ষণ ফ্লেইম গ্রিলড বিফ পেটি দিয়ে দুই স্তরের ওয়াপার বার্গার পাওয়া যাবে ফুডপন্ডায়। এছাড়া চিজ বার্গার, চিকেন বার্গার, ফিশ বার্গারও পাওয়া যাবে এখানে।

১৯৫৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যে বার্গার কিংয়ের প্রথম রেস্তোরাঁ চালু হয়। বর্তমানের ১০০টিরও বেশি দেশে বার্গার কিং-এর প্রায় ১৫ হাজার ৭৩৮টি শাখা রয়েছে। বার্গার কিং তাদের বিখ্যাত ওয়াপার বার্গার ছাড়াও পৃথিবীজুড়ে ইউনিক সিরিজ বার্গার বাজারে ছাড়ে।

বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশে ফুডপান্ডা তাদের সেবা দিচ্ছে। ওয়েবসাইট (www.foodpanda.com.bd) ছাড়াও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও ফুডপান্ডায় খাবার অর্ডার দেয়া যায়।

রেসিপি: মচমচে চিজ পটেটো বল

বিকেলের নাস্তা অথবা অতিথি অ্যাপায়নে গরম গরম চিজ পটেটো বল পরিবেশন করতে পারেন। মচমচে ও সুস্বাদু চিজ পটেটো বল কীভাবে তৈরি করবেন জেনে নিন।


উপকরণ
আলু- ৫০০ গ্রাম
সুজি- ৫০ গ্রাম
চিজ কিউব- ৪ টুকরা
মরিচ গুঁড়া- আধা চা চামচ
ধনেপাতা কুচি- ২০ গ্রাম
সেদ্ধ মটরশুঁটি- ৫০ গ্রাম
কর্নফ্লাওয়ার- ৫০ গ্রাম
পাউরুটি- ৪ স্লাইস
লবণ- স্বাদ মতো
চাট মসলা- ১০ গ্রাম
গাজর কুচি- ৫০ গ্রাম
প্রস্তুত প্রণালি
পাউরুটি গুঁড়া করে নিন। আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিন। মরিচ গুঁড়া, লবণ, চাট মসলা, ধনেপাতা কুচি, পনির, গাজর কুচি ও আলু একসঙ্গে মেশান। হাত দিয়ে বল আকৃতির করে নিন। বল কর্নফ্লাওয়ারের পেস্টে ডুবিয়ে সুজি ও পাউরুটির গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন। ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন বল।
কড়াইয়ে তেল গরম করে বাদামি করে ভেজে তুলুন চিজ পটেটো বল। টমেটো সস অথবা পুদিনার চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

পেঁপে ভালো, আবার খারাপও!

পেটের জন্য ভালো। খেতেও বেশ। কাঁচাপেঁপের তরকারি কিংবা শুধুই পাকাপেঁপে খেতে মজা। তবে এই ফল কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিও করতে পারে।

পেঁপেতে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকরোধী গুণাবলী। আবার ডেঙ্গুজ্বর রোধে কার্যকর পেঁপেগাছের পাতা।  এসব তথ্য পুষ্টিবিজ্ঞানে স্বীকৃত।

এত গুণের মাঝেও এই ফলের কিছু খারাপ দিকও আছে। যেমন- গর্ভবতী নারীদের পেঁপে এবং আনারস খেতে মানা করা হয়।

এরকমই কিছু ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট।

গর্ভপাত: পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর হলেও এর বীজ ও শেকড় গর্ভপাত ঘটাতে পারে। কাঁচাপেঁপে জরায়ু সংকুচিত করে ফেলে। পাকাপেঁপেতে এই ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে গর্ভবতী হলে পেঁপে এড়িয়ে চলাই ভালো।

খাদ্যনালীতে বাধা: পুষ্টিকর বলে কোনকিছুই অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। পেঁপে অতিরিক্ত খেলে খাদ্যনালীর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। দিনে এক কাপের বেশি পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।

জন্মদোষ: পেঁপে পাতায় থাকা ‘পাপাইন’ নামক উপাদান গর্ভের সন্তানের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। সন্তান বুকের দুধ খাওয়ানোর বয়সে মায়ের পেঁপে খাওয়া ক্ষতিকর কি না তা নিশ্চিত নয়। তবে সাবধানের মার নেই, তাই গর্ভাবস্থায় এবং সন্তান জন্মের কয়েক মাস পর্যন্ত পেঁপে এড়িতে চলা উচিত।

অ্যালার্জি: কাঁচাপেঁপের বোটা থেকে বের হওয়া সাদা তরল চামড়ায় অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে।

রক্তে শর্করার পরিমাণ: পেঁপে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়। তাই যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান তাদের জন্য পেঁপে বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রজনন ক্ষমতা কমাতে পারে: পেঁপের বীজের নির্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা কমাতে সক্ষম। বীর্জে শুক্রাণুর সংখ্যা কমাতে এবং শুক্রাণুর নড়াচড়ার ক্ষমতা কমার পেছনেও দায়ী হতে পারে পেঁপে।

স্টেইনলেস স্টিলের বেসিন ব্যবহারে মৃত্যু ঝুঁকি

রান্নাঘরের সিঙ্ক বা বেসিন মানেই ময়লা এবং জীবাণুদের বাসা, প্রতিটি বর্গক্ষেত্র ইঞ্চিতে ১৮ হাজার ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই তথ্য নতুন নয় বা বিস্ময়কর নয়, কারণ সেখানে ময়লা ধোয়া হয়।

কিন্তু নিউ সায়েন্টিস্টে প্রকাশিত তথ্যানুসারে, বেসিনে আপনি কি ফেলেন, সেটাই কেবল স্বাস্থ্য উদ্বেগের একমাত্র কারণ নয়।

চীনামাটির অথবা তামার বেসিনের তুলনায় স্টেইনলেস স্টিলের বেসিন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাড়াতে পারে- লেজিওনাইরেস রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই সমস্যাটি তখন শুরু হয় যখন স্টেইনলেস স্টিলের সিঙ্কের ওপরের নিরাপদ আস্তরণ ক্ষয়ে যাওয়া শুরু হয়, ফলে সম্ভাব্য এই মারাত্মক রোগের জন্য একটি আদর্শ কারণ তৈরি করে।

মায়ো ক্লিনিকের মতে, লেজিওনাইরেস রোগের উপসর্গগুলো মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, শরীর ঠান্ডা এবং উচ্চ জ্বর হিসেবে শুরু হয় এবং দিন দিন বাড়তে থাকে যার সঙ্গে যুক্ত হয় কাশির সঙ্গে রক্ত, শ্বাস প্রশ্বাসে দুর্বলতা, বুকের ব্যথা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা এবং স্নায়বিক পরিবর্তন।

লেজিওনাইরেস রোগ প্রতিরোধে উইলকো ভ্যান ডের লুগ্টের তত্ত্বাবধানে একটি গবেষণায় গবেষকরা, বিভিন্ন ধরনের বেসিনের কলে লেজিওনেলা অ্যানিসা ব্যাকটেরিয়া ছাড়া এবং এই ব্যাকটেরিয়া সহ পানি পরীক্ষা করে। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, স্টেইনলেস স্টিলের বেসিনের কল এই ব্যাকটেরিয়ার বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে উর্বর পরিবেশের সৃষ্টি করে। পরীক্ষায় লেজিওনাইরেস রোগের ৫০ শতাংশ ঝুঁকি পাওয়া গেছে। স্টেইনলেস স্টিলের নিরাপদ আবরণ ক্ষয় হয়ে যাওয়ার পর মরচে পড়ে এবং এই মরচে লেজিওনেলা অ্যানিসা ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
 

ইলিশ মাছের ভর্তা

ইলিশ মাছ এমন একটি মাছ, এটি যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন খেতে ভীষণ মজা লাগে। ভর্তাপ্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ভর্তাও। গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে খেতে বেশ লাগবে। রইলো রেসিপি।

উপকরণ: ইলিশ মাছের টুকরো ৩-৪টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ, শুকনো মরিচ ১টি, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, সরিষা তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: মাছের টুকরো ভালো করে ধুয়ে এতে মসলা ও লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো ভালো করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ কুচি মচমচে করে ভেজে নিন। মাছ ঠান্ডা হলে কাঁটা বেছে নিন। এখন মাছের সঙ্গে ভাজা উপকরণগুলো ভালো করে হাত দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন মজাদার ভর্তা।

ত্বকের যত্নে নতুন কিছু উপাদান

কমবেশি সবাই ত্বকের প্রতি যত্নশীল। শত ব্যস্ততার মাঝেও ত্বকের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করি। ত্বকের যত্নে বেশকিছু নতুন উপাদান এ বছর থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যা আপনার ত্বককে লাবণ্যময় করে তুলবে।

 

প্লাসেন্টা বা গর্ভপত্র : ভেড়ার গর্ভপত্রের তৈরি উপাদান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এটি ত্বকের কোষকে নমনীয় করে এবং ত্বকের বলিরেখা দূর করে।

হোয়াইট টি : গ্রীনটির উপকারিতার কথা আমরা সবাই জানি। হোয়াইট টিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

স্কোয়ালিন :  এতে জলপাই, গমের শর্করা ও রাইস ব্রানের মতো উদ্ভিদ উৎস রয়েছে যা শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকে চমৎকার কাজ করে। প্রাকৃতিক দূষণ থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে।

পেপটাইড : এটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে। বয়সের ছাপ দূর করে এবং আইক্রিমের কাজ করে।

আর্গান অয়েল : ত্বক ও চুলের যত্নে এটি ব্যবহার করা হয়। জলয়োজন করে ত্বকের শুষ্কতা দূর করে।

গোজি বীজ : এতে মিনারেল,অ্যামিও এসিড, ভিটামিন সি ও ক্যারোটিনোয়েড রয়েছে যা ত্বকে জলয়োজনে সাহায্য করে। ত্বক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।

কোরিয়ান এগ রোল

বিকেলের নাস্তায় কোরিয়ান স্টাইলের এগ রোল বানিয়ে ফেলতে পারেন। ঝটপট বানিয়ে ফেলা যায় এটি। জেনে নিন রেসিপি।

উপকরণ
ডিম- ৩টি
দুধ- দেড় টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি
গাজর কুচি
ধনেপাতা কুচি
গোলমরিচ গুঁড়া
মরিচ গুঁড়া
কাঁচামরিচ কুচি
লবণ
ভেজিটেবল অয়েল
প্রস্তুত প্রণালি
একটি পাত্রে ডিমের সঙ্গে দুধ ও লবণ মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। গাজর কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, মরিচ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মেশান ডিমের মিশ্রণে।
প্যানে তেল গরম করুন। ডিমের অর্ধেক মিশ্রণ প্যানে ছড়িয়ে দিন। শক্ত হয়ে আসলে এক পাশ থেকে রোল করে নিন। এভাবে সব মিশ্রণ দিয়ে বানিয়ে ফেলুন রোল। সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার এগ রোল। 

এই বিভাগের আরো খবর

গৃহস্থালির কাজ হবে সহজ

বাড়িতে মেহমান, অথচ দ্রুত রান্নার সময় দেখলেন ডিমের খোসা ছাড়াতে গিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেদ্ধ ডিম! আবার আপেল স্লাইস করার পর পরিবেশনের আগে দেখা গেল কালচে হয়ে গেছে! ঘর গৃহস্থালির কাজ সামলানোর সময় এ ধরনের ছোট বড় ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় সবসময়ই। এসব ঝামেলা এড়াতে সাধারণ কয়েকটি ট্রিকস জেনে নিন। 

 

সেদ্ধ ডিমের খোসা দ্রুত ছাড়াবেন যেভাবে

সেদ্ধ ডিমের খোসা সহজে ছাড়ানোর জন্য ফুটন্ত পানি থেকে উঠিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। দেখুন কেমন সহজেই খুলে এসেছে খোসা!

বরফ ছাড়াই যেভাবে ঠাণ্ডা করবেন পানীয় 


কোল্ড ড্রিংক ঠাণ্ডা করতে হবে অথচ ফ্রিজে বরফ নেই? চিন্তার কিছু নেই। ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা আঙুর বের করে ধুয়ে রেখে দিন কোল্ড ড্রিংকের গ্লাসে। ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

আইসক্রিম নরম রাখবেন যেভাবে 


আইসক্রিমের বক্স ফ্রিজে রাখার আগে পাতলা পলিথিনে মুড়ে রাখুন। নরম থাকবে আইসক্রিম।

সহজে রসুনের খোসা ছাড়াবেন যেভাবে 
 


সহজে রসুনের খোসা ছাড়াতে চাইলে একটি মুখবন্ধ পাত্রে ঢুকিয়ে ঝাঁকিয়ে নিন।

স্লাইস করা আপেল তাজা রাখবেন যেভাবে 

 


স্লাইস করা আপেল কালচে হয়ে যায় দ্রুত। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে লেবুর রস ছড়িয়ে দিন আপেলের উপরে।

ধনেপাতা দীর্ঘদিন তাজা রাখবেন যেভাবে 


ধনেপাতা দীর্ঘদিন তাজা রাখতে চাইলে গোড়া পানিতে ভিজিয়ে উপরের অংশ পাতলা প্লাস্টিকে মুড়ে রাখুন।  

এই বিভাগের আরো খবর

সফল মানুষদের মুখে যেসব কথা শুনবেন না

আপনি যদি প্রকৃত সফল মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান তাহলে লক্ষ্য করে থাকবেন যে, এমন কিছু কথা আছে যা সাধারণত তারা প্রত্যাখান করেন।

তারা নেতিবাচক চিন্তা বা অজুহাত দেখিয়ে সময় নষ্ট করেন না। তারা মনে করেন আত্ম-সীমাবদ্ধ বিশ্বাস সফলতাকে দূরে ঠেলে দেয়। আর অজুহাত প্রকৃতপক্ষে কোনো সমাধান দেয় না।

মিথ্যা বিশ্বাস থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্তটি মহান উদ্যোক্তাদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। এটা তাদের এগিয়ে নিয়ে যায় এবং তাদের সফল হতে সাহায্য করে।

আপনিও একই ধরনের প্রতিশ্রুতি দ্বারা একই ধরনের সাফল্য উপভোগ করতে পারেন। এ প্রতিবেদনে সাতটি জিনিসের একটি তালিকা আছে, যা আপনি কখনোই একজন মহান উদ্যোক্তার মুখ থেকে শুনতে পাবেন না।

১. আমি এটা পারব না
কখনো কখনো আমরা মনে করি আমাদের কাছে প্রয়োজনীয়  জ্ঞান, দক্ষতা বা সম্পদের অভাব আছে। যদিও এই অনুভূতিতে আমরা প্রলুব্ধ হই কিন্তু সেরা প্রতিষ্ঠাতারা এটি প্রত্যাখ্যান করেন। তারা নিজের সন্দেহ দূরে সরিয়ে দেন এবং তারা যা তৈরি করতে চান তাতে মনোযোগ দেন।

বিশ্বাস করতে শিখুন এবং বলুন- আমি পারি, যদিও আপনার মনে হয় যে আপনি পারবেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনি বিশ্বাস করতে শিখবেন যে, আপনার মন যা চায় আপনি তাই করতে পারবেন। যদি প্রমাণ করতে ইচ্ছে হয়, আপনি শৈশবকাল থেকে যা যা অর্জন করেছেন তার একটা তালিকা তৈরি করুন। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, আপনি জীবনের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবেন।

২. ‘কিভাবে করব আমি জানি না’
আপনি আজ পর্যন্ত যা কিছু করেছেন সবকিছু আপনাকে শিখতে হয়েছিল। আপনি হাঁটতে শিখেছেন, ড্রাইভিং করতে শিখেছেন এবং ব্যবসা কিভাবে শুরু করতে হয় সেটা শিখেছেন। শিক্ষা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। কোনো উদ্যোক্তারই শুরুতে সব উত্তর জানা থাকে না।

যখন আমরা স্কাইবেল ব্যবহার শুরু করি, তখন আমরা জানতাম না যে কীভাবে ভিডিও ডোরবেল তৈরি করা যায়, এমনকি  কেউও জানত না। জ্ঞানের অভাব সত্ত্বেও আমরা যদি এগিয়ে না যেতাম তাহলে কোম্পানির অস্তিত্ব থাকত না।

‘আমি কিভাবে করব’ সেটা বলার পরিবর্তে এই মন্ত্রটি মনে রাখবেন যেটা আপনাকে সাহায্য করবে: ‘সমাধান খুঁজে বের কর’। জীবন হচ্ছে রহস্য উন্মোচনের একটি চলমান প্রক্রিয়া।

৩. আমার যথেষ্ট সময় নেই
সফল প্রতিষ্ঠাতাদের হাতে সময় থাকে না। তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর জন্য সময় তৈরি করে নেয়। বাক্যটি এক্সচেঞ্জ করুন, বলুন- আমার সময় নেই, তাই আমাকে সময় করে নিতে হবে।

আপনি যদি সময় বের করতে চান, তবে মনে করুন আপনি একজন লোক নিয়োগ করেছেন যে আপনাকে কাজ পরিচালনা করতে সহায়তা করে। আপনার একজন ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট আছে যে আপনার সময়সূচি পরিচালনা করে এবং অন্যান্য কাজগুলো সম্পাদন করা সহজ করে তোলে।

৪. আমার কাছে শেখার সময় নেই
পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ব্যক্তিদের মধ্যে একটি উন্নত মনোভাব রয়েছে। তারা জ্ঞান কামনা করে এবং তারা জানেন যে, এটি সরাসরি সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

না শেখার জন্য সময়ের অভাব কোনো অজুহাত নয়। পডকাস্ট সাবস্ক্রাইব করুন, আপনি যখন ভ্রমণ করছেন বা দুপুরের খাবার খাচ্ছেন তখন অডিওবক্সগুলো শুনুন।

৫. ‘যদি আমার যথেষ্ট টাকা থাকত তাহলে আমিও সফল হতাম’
সফল উদ্যোক্তারা অর্থায়নকে তাদের সাফল্যের নির্দেশক মনে করে না। এর পরিবর্তে তারা পরিকল্পনা করেন, যে অর্থ আছে তার সৎ ব্যবহার নিশ্চিত করেন। যদি অর্থায়ন কম হয় তারা সৃজনশীলতার পরিচয় দেন। কত কম টাকায় একই ফলাফল আনা যায় সেটা চিন্তা করেন অথবা তারা অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করবেন।

৬. ‘আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা মূর্খ’
অদক্ষ উদ্যোক্তারা প্রায়ই তাদের প্রতিযোগিদের দক্ষতার অবমূল্যায়ন করেন। অপরদিকে সফল প্রতিষ্ঠাতারা তাদের প্রতিযোগীদের সম্মান করেন।

যদি তারা একই সুযোগ শণাক্ত করতে পারে এবং বাজারে একটা প্রতিযোগিতামূলক সমাধান দিতে পারে তবে তারাও আপনার মতো স্মার্ট।

৭. ‘সংস্কৃতিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব’
কোম্পানির সংস্কৃতি (নিয়মকানুন, শৃঙ্খলা) হচ্ছে, ব্যবসার প্রাণশক্তি। এটি আপনার সফলতার নির্ধারক। কোম্পানির সংস্কৃতি কোম্পানিকে তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করে। কর্মচারীদের উৎকর্ষতা সাধনের একটি পরিবেশ তৈরি করে। সাধারণত সফল  কোম্পানিগুলোর নিজস্ব নিয়মকানুন থাকে। প্রমাণ চান?

নবীনরা এয়ারবিএনবি, ইন্ডিগোগো এবং আরইআই কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্য করুন।

নেতিবাচক চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে ‘ফিজিক্যাল রিমাইন্ডার’ ব্যবহার করুন। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সফল উদ্যোক্তা অ্যান্ড্রু থমাস বলেন, ‘আমি একসময় কবজিতে একটি রাবার ব্যান্ড পরতাম এবং যখনই আমি নেতিবাচক কিছু বলতাম বা নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসত তখন সঙ্গে সঙ্গে রাবার ব্যান্ডে কামড় দিতাম। এটি একটি ছোট মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা। যদিও এটি আমাকে ইতিবাচক চিন্তা সম্পর্কে নতুন অভ্যাস তৈরিতে সাহায্য করেছে।’ ইতিবাচক চিন্তা করুন। এটি আপনাকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এই বিভাগের আরো খবর

রান্নায় আনুষাঙ্গিক পণ্যের বাজারদর

তিন দিন পর ঈদুল আজহা। হাতে সময় বেশি নেই। ঈদে মজাদার সব খাবার রান্না করার মসলাপাতি কেনাকাটার কাজটা তাই সেরে নিতে পারেন। জেনে নিন, বর্তমান বাজারদর।

১০০ গ্রাম মরিচগুড়ার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, শুকনো মরিচ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, হলুদ গুড়া ১০০ গ্রাম ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। ধনেগুড়া ১০০ গ্রাম ৩০ টাকা।

কেজিপ্রতি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা (দেশি) এবং ৪০ থেকে ৪৫ টাকা (বিদেশি)। রসুনের কেজি ১২০ টাকা (ছোট কোয়া) এবং ১৫০ টাকা (বড় কোয়া)। আদার কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং জিরা ৪৫০ টাকা।

একটু ডালের বাজারের দিকে চোখ নেয়া যাক। মসুর ডাল প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা (দেশি) এবং ৭৫ থেকে ৮০ টাকা (বিদেশি), মুগ ডাল ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, বুটের ডাল ১০০ টাকা। মাষকলাই ১১৫ থেকে ১২০ টাকা (বড়টা) এবং  ৯০ টাকা (বিদেশি)।

দারুচিনির কেজি ৪০০ টাকা, এলাচি ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে আর লবঙ্গ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা। গোলমরিচের দাম কেজি ১৭০০ টাকা (কালো) এবং ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকা (সাদা)। এছাড়া কিশমিশ পড়ছে কেজিতে ৪৫০ টাকা এবং আলুবোখারা ৭০০ টাকা কেজি। পাঁচফোড়ন ৫০ গ্রাম ১৮ টাকা। সরিষাদানা কেজিতে ১০০ টাকা। জয়ফল দুটো ১০ টাকা।

চীনাবাদাম কেজিতে ১০০ টাকা। কাঠবাদাম ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং পেস্তাবাদাম ১৬০০ টাকা।

লবণের ক্ষেত্রে সাধারণ খাবার লবণ ৪০ টাকা কেজি। বিট লবণ কেজিতে ১০০ টাকা এবং টেস্টিং সল্ট ১০০ গ্রাম ৪০ টাকা।

তেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা। ৫ লিটারের বোতল ৫২০ থেকে ৫৪০ টাকা। সরিষার তেল ২২০ টাকা লিটার। ধানের কুড়ার তেল ১ লিটার ১২০ টাকা।

এছাড়াও চিনি কেজিপ্রতি ৬০ টাকা। আখের হলদেটে চিনি ৭০ টাকা। খেজুরের গুড় ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এছাড়া টকদই প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

(বাজার ভেদে দামের সামান্য তারতম্য হতে পারে)
 

কোরবানির হাটে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনার উপায়

ঈদুল আজহা দোরগোড়ায়। ইতিমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির হাট। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার আগে সুস্থ কিনা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কেননা অসুস্থ পশু দিয়ে কোরবানি ধর্মে গ্রহণযোগ্য নয়।

একজন ‍সুস্থ ও অসুস্থ মানুষ যেমন বাহ্যিক লক্ষণ দেখে চেনা যায়, তেমনি কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনা যায়। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন জেনে নিন।

আপনি প্রথমেই প্রাণীর খুব কাছে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব থেকে তার গতিবিধি লক্ষ্য করুন। চলাফেরাসহ সবকিছু দেখুন। প্রথম দেখাতেই অনেক কিছু আপনার চোখে ধরা পড়বে। সে যদি নড়াচড়া বা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় সাড়া দেয় তাহলে সুস্থতার প্রথম ধাপ পূর্ণ হবে। এরপর কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন।

* শরীরের পশম : সুস্থ ও নিরোগ প্রাণীর পশম খুব চকচকে দেখায়। শরীরের চামড়ায় কোথাও কোনো ক্ষত থাকবে না। পশু যে রঙের হোক না কেন তা উজ্জ্বল দেখাবে। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ভালো থাকলে ত্বকে কোনো ধরনের উকুন বা আঠুলি থাকবে না। আর যদি উশকোখুশকো দেখায় তাহলে ধরে নিতে পারেন  প্রাণীটি কৃমিতে আক্রান্ত। 

* চলাফেরা :  প্রাণীর চলাফেরা বা অঙ্গভঙ্গি দেখে সুস্থতা বোঝা যায়। সুস্থ প্রাণী থাকবে সচেতন। আপনি যেমন পরিবেশ সম্পর্কে সজাগ থাকেন, ঠিক তেমনি তারাও পরিবেশের যে কোনো পরিস্থিতিতে সজাগ থাকবে। আপনি যদি তার দিকে এগিয়ে যান তাহলে সে পিছু হঠতে চেষ্টা করবে। তবে কিছু কিছু গরু বা ছাগল একটু রাগী মেজাজের থাকে। এটি অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

* প্রতিক্রিয়া : ধরুন আপনি তাকে মারতে বা ভয় দেখাতে চাচ্ছেন, কিন্তু সে আপনার থেকে সরে যাচ্ছে বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এটা সুস্থ প্রাণীর লক্ষণ।

* শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিকতা : সুস্থ প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। খুব বেশি শ্বাস প্রশ্বাস ও অস্থিরতা অসুস্থতার লক্ষণ। 

* শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক : ছোট প্রাণীতে স্বাভাবিকভাবে তাপ বেশি থাকে। যেমন ছাগল বা ভেড়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০১.৫-১০২.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। অন্য দিকে মহিষ ও গরুর তাপমাত্রা ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে। যদিও গরুর হাটে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার সুযোগ সব জায়গায় থাকে না। তারপরও আপনি চাইলে বিষয়টি  নিশ্চিত হতে পারেন।

* খাবার গ্রহণের আগ্রহ : সুস্থ প্রাণীর খাবার গ্রহণে আগ্রহ থাকবে। যদি তার সামনে খাবার থাকে তাহলে সে খাবে বা আগ্রহ প্রকাশ করবে। রুমিনেন্ট বা ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট প্রাণী যেমন- গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া এরা খাওয়ার পর পুনরায় খাবারগুলো মুখে নিয়ে আসে। অর্থাৎ জাবর কাটে। সুতরাং জাবর কাটছে এমন অবস্থা সুস্থ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আপনি জাবর কাটা দেখে নিশ্চিত হতে পারেন তার পরিপাকশক্তি ঠিক আছে।

* মাজেল বা নাকের নিচের অংশ ভেজা থাকবে : সুস্থ প্রাণীর আরেকটি  বৈশিষ্ট্য তার মাজেল আদ্র বা ভেজা থাকবে। আর অসুস্থ হলে তা খুব শুষ্ক থাকবে।

* পায়খানা ও প্রস্রাব : সুস্থ প্রাণীর পায়খানা হবে নির্দিষ্ট ধরনের। গরুর ক্ষেত্রে খুব পাতলা বা খুব শক্ত নয় এমন। আর মলে খুব দুর্গন্ধ থাকবে না। ছাগলের ক্ষেত্রে দানাদার ও গোল বিষ্ঠা বের হয়। প্রস্রাবের রং থাকবে হালকা, খুব বেশি গাঢ় রঙের প্রস্রাব সুস্থ প্রাণীর হবে না। পায়খানার রাস্তাসহ পেছনের পা পরিষ্কার থাকবে। কারণ ডায়রিয়া হলে পিছনের পায়ের অধিকাংশ জায়গায় লেগে থাকে।

* শরীরে পানি জমে থাকবে না : সুস্থ প্রাণীর শরীরে যদি আপনি আঙুল দিয়ে চাপ দেন, তাহলে মোটাতাজা স্বাস্থ্যের প্রাণীর ক্ষেত্রে গর্তের সৃষ্টি হবে কিন্তু ছেড়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অবৈধ হরমোনের ব্যবহার হয়ে থাকলে গর্ত থেকে যাবে অনেকক্ষণ।
 

 

 

* হাঁটাচলা: কেনার আগে অল্প জায়গায় হলেও হাঁটিয়ে নেবেন। এতে পায়ে সমস্যা থাকলে ধরা পড়বে।

* গর্ভপরীক্ষা নিশ্চিত করা :  কোরবানির সময় গাভী বা ছাগী কেনার আগে অবশ্যই গর্ভপরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। গর্ভ থাকলে কেনা যাবে না।
এসব বিষয় খেয়াল করলে আশা করা যায় আপনি সুস্থ ও সবল উপযুক্ত কোরবানির প্রাণী পাবেন।

এই বিভাগের আরো খবর

নিমের এই আটটি গুণের কথা জানতেন?

চুল পড়া এবং ত্বকের র‌্যাশ বা ব্রণ কমাতে সাহায্য করে নিম। নিম পাতা বাটা কন্ডিশনার হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে আগ্রহীদের জন্য স্কলারশিপ

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি (ইউটিএস)-তে পড়তে আগ্রহী বাংলাদেশের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা এখন আকর্ষণীয় একটি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে। নতুন এই ইউটিএস:ইনসার্চ এসপায়ার স্কলারশিপটিতে বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে মোট ৩.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ২১ কোটি টাকা) প্রদান করা হবে, যা ইউটিএস:ইনসার্চ-এ তাদের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ফি হিসেবে ব্যবহার করা হবে৷

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি (ইউটিএস) টাইমস হাইয়ার এডুকেশন-এর নবীন ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংয়ে অস্ট্রেলিয়াতে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষ নবীন ইউনিভার্সিটির স্বীকৃতি পেয়েছে এবং বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে ১৫তম হয়েছে।

ইউটিএস এ অধ্যয়ন এবং সেরা পারফর্ম করার জন্য শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে ইউটিএস:ইনসার্চ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ইউটিএস:ইনসার্চ এ সফলভাবে ডিপ্লোমা শেষ করার পর, শিক্ষার্থীরা সরাসরি ইউটিএস এর স্নাতকে ভর্তি হতে পারে এবং পছন্দকৃত কোর্সের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করতে পারে।

ইউটিএস:ইনসার্চ এর চিফ মার্কেট ডেভেলপমেন্ট অফিসার বেলিন্ডা হওয়েল বলেন, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থীই ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইন সিডনি-এর উন্নত শিক্ষাপদ্ধতির অধীনে পড়াশুনা করতে আগ্রহী। নিয়োগকারী ও শিল্পের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জোরালো সহযোগিতা আকর্ষণীয় ও সফল ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ বৃদ্ধি করে।’ 

হওয়েল আরো বলেন, ‘বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারের স্বপ্ন পূরণ করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় সহ পরবর্তীতে সফলতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে এই এসপায়ার স্কলারশিপ প্রোগ্রাম অফার করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

ইউনেস্কোর গ্লোব্যাল ফ্লো অব টার্শিয়ারি-লেভেল-স্টুডেন্টস এর তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে পড়াশুনার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শীর্ষ পছন্দের গন্তব্য, যার অবস্থান জার্মানি ও কানাডার উপরে৷

ইউটিএস-এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত খুলনার শিক্ষার্থী হামজা বিন মনজুর সবার সঙ্গে তার অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশুনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘প্রকৌশল বিদ্যা নিয়ে পড়াশুনার জন্য বর্তমানে ইউটিএস হলো সর্বোৎকৃষ্ট জায়গা। এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের জায়গা হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও, আমি সিডনির কাছাকাছি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতে চেয়েছিলাম।’

মনজুর ২০১৬ সালে ইউটিএস:ইনসার্চ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা শেষ করেছেন এবং বর্তমানে ইউটিএসে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকে অধ্যয়নরত আছেন।

এসপায়ার স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদনের নিয়মাবলি
* উপমহাদেশের যেসব নতুন শিক্ষার্থী ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউটিএস:ইনসার্চ এ ডিপ্লোমা শুরু করবে তারাই এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবে।  

* insearch.edu.au/aspire ওয়েবসাইট থেকে পূর্ণাঙ্গ শর্ত ও নিয়মাবলি জানা যাবে।

লেবুর রস: দূর হবে ব্রণের দাগ

অনেকের ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই থাকে দাগহীন ও উজ্জ্বল। তবে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, বলিরেখা ও ব্রণের দাগের মতো সমস্যাতেও ভোগেন অনেকেই। যারা ত্বকের এসব সমস্যা নিয়ে বিব্রত, তারা নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন ত্বকে। লেবুর অ্যাসিডিক উ

টোনার হিসেবে

 

 

  • একটি পাত্রে আধা কাপ পানি নিন।
  • ১ টেবিল চামচ পুদিনা পাতার রস মেশান।
  • ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে স্প্রে বোতলে সংরক্ষণ করুন টোনার।
  • প্রতিদিন ত্বকে ব্যবহার করুন এটি।

ব্রণের দাগ দূর করতে

  • একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন।
  • ১ টেবিল চামচ মধু মেশান।
  • রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণের দাগের উপর লাগান মিশ্রণটি।
  • পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসপ্যাক হিসেবে

  • ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া নিন।
  • ৩ টেবিল চামচ পানি মেশান।
  • ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নেড়ে নিন।
  • প্রয়োজন মতো দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।
  • মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা।
  • ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • সপ্তাহে তিনবার এটি ব্যবহার করুন ত্বকে।

ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করবেন কেন?

  • বিবর্ণ ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনতে পারে লেবু।
  • লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে দাগ পড়ে যাওয়া রোধ করে।
  • ব্রণের দাগসহ অন্যান্য দাগ দূর করতে পারে লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড।
  • ত্বকের মরা চামড়া দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করে লেবু।
  • প্রাকৃতিকভাবে ত্বক ব্লিচ করে লেবুর রস। ফলে ত্বক হয় সুন্দর ও কোমল।
  • ত্বকের রোদে পোড়া কালচে ভাব দূর করতে জুড়ি নেই লেবুর।

পাদান প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের দাগ দূর করতে অনন্য।

ছিনতাই থেকে বাঁচার ৮ কৌশল

অপরাধ ধরা ও দমনে পুলিশ উচ্চ প্রযুক্তির পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকেন। তাই বলে আপনি বসে থাকলে হবে না। আপনাকে আপনার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কিছু কৌশল খাটিয়ে মন্দ লোক বা অপরাধীদের বোকা বানানো যায়। নিজ শহর ও বাইরের শহরে ভ্রমণকালে নিজেকে অক্ষত ও নিরাপদ রাখতে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।

* অপরিচিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সতর্ক থাকুন : অপরিচিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সতর্কতা শুধু শিশুদের জন্য নয়, বড়দের জন্যও প্রযোজ্য। আপনি হয়তো বাচ্চাদের বলেন যে অপরিচিত ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তর না দিতে, তাদের কাছ থেকে তৎক্ষণাৎ দূরে সরে যেতে, তীব্র চিৎকার করতে এবং বিশ্বস্ত কাউকে জানাতে। ভ্রমণ বিষয়ক সাইট জার্নি ওমেন ডটকমের সম্পাদক ইভলিন হ্যানন বলেন, অপরিচিত কেউ যদি আপনার কাছ থেকে অর্থ সাহায্য চেয়ে বসে তাহলে কৌশলে ‘না’ বলে চলে যান। তিনি আরো বলেন, আপনি যখন টাকা দেওয়ার জন্য ওয়ালেট বের করবেন তখন সম্ভাব্য চোরকে জানিয়ে দিচ্ছেন কোথায় নগদ টাকা রাখা হয়। আমি প্রায় সময় না বুঝার ভান করি এবং না থেমে চলে যাই।

* মাথা ঠান্ডা রাখুন : অ্যাডভেঞ্চার কন্যা নামে খ্যাত ভ্রমণ বিশেষজ্ঞ স্টিফানি মাইকেলস বলেন, যদি দোকানের সহ ক্রেতা, বিমানযাত্রী, এমনকি পথচারী কটুক্তি করলেও অমায়িক থাকুন। তিনি আরো বলেন, একটি সাধারণ ধন্যবাদ ও ভুল স্বীকার বিস্ময়কর কাজ করে এবং যাত্রীদের বা অন্যদের সঙ্গে দীর্ঘপথ যেতে সাহায্য করে।

* সহজে চোখে পড়ে এমন পোশাক নয় : পাবলিক প্লেসের জন্য যথাসম্ভব সহজে দৃষ্টি আকর্ষণ হয় না এমন পোশাক পরিধান করুন। নারীদের প্রতি মাইকেলসের পরামর্শ হল, একাকী ভ্রমণের আগে তারা যেন সব অলংকার ঘরে রেখে দেন। তিনি বলেন, উজ্জ্বল বর্ণের সাজসজ্জা যা আপনাকে সহজে লক্ষণীয় করে তুলতে পারে তা পরিহার করুন এবং টি-শার্টে কোনো কিছু লিখবেন না। যত বেশি আপনি লক্ষণীয় হবেন তত বেশি শিকারে পরিণত হবার সম্ভাবনা থাকবে।

* অতিরিক্ত শেয়ার করবেন না : ফেলো শপার (দোকানের অন্য ক্রেতা), যাত্রী এবং অন্যদের সঙ্গে আলাপ করা ভালো কিন্তু আলাপ করতে গিয়ে নিজের সম্পর্কে যেন জানিয়ে না দেন। নিজেকে ‘রহস্যাবৃত’ রাখতে হ্যানন পরামর্শ দেন। ক্যাজুয়্যাল কথাবার্তায় আগন্তুকের কাছে কোথায় থাকেন এবং কোথায় ভ্রমণ করছেন তা ফাঁস করে দেবেন না। ভ্রমণে অপরিচিত কেউ যদি জিজ্ঞেস করে আপনি কি করেন এবং তাকে যদি বিশ্বাসযোগ্য মনে না হয় তাহলে নিজেকে পুলিশ বলে পরিচয় দিন। হ্যানন বলেন, নিজেকে নিরাপদ রাখতে আমি প্রায় সময় পুলিশ বলে পরিচয় দিই।

* ট্রেইল রাখুন বা জানিয়ে যান : ভ্রমণে সবাই ক্যাজুয়্যাল আলাপের জন্য নতুন বন্ধু বানায়। নিজ শহর বা শহরের বাইরে আপনাকে পাবলিক প্লেসে চলতে হবে। পরিবার বা বন্ধুদেরকে বলুন কোথায় যাচ্ছেন। একাকী ছুটি কাটাতে গেলে বা বাণিজ্যিক মিটিংয়ে গেলে হোটেল রুমে নোট রেখে যান। কখন রুম ছাড়ছেন, কোথায় যাচ্ছেন এবং কার সঙ্গে মিটিং হবে তার উল্লেখ নোটে থাকতে পারে। ভ্রমণে সমস্যা বা বিপদ হতে পারে। এজন্য ট্রেইল রাখলে বা কাউকে জানিয়ে গেলে তা আপনার কাজে আসতে পারে।

* পর্যটক যে তা বুঝতে দেবেন না : যখন আপনি ব্যাকপ্যাক বহনকারী লোকজনকে মানচিত্রে নজর বুলাতে দেখবেন তখন হয়তো ভাববেন তারা পর্যটক। নিশ্চিতভাবেই পর্যটকরা তাদের সঙ্গে থাকা জিনিসের জন্য কিছু প্রতারক ও অপরাধীর সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। চুরি প্রতিরোধে লক্ষ্যণীয় জিনিসের সুরাহা করুন। হোটেল রুমে ব্যাকপ্যাক রেখে আসুন এবং স্থানীয় শপিংমল থেকে শপিং ব্যাগ নিয়ে তাতে মানচিত্র ও ক্যামেরা রাখুন। হ্যানন বলেন, চোর বা ছিনতাইকারী শপিং ব্যাগের তুলনায় ব্যাকপ্যাক বা পার্স বেশি ছিনিয়ে নেয়।

* জিপিএস ও অন্যান্য দিক নির্দেশক : অপরিচিত এলাকা বা বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার আগে অগ্রিম ভ্রমণ পরিকল্পনা করুন। আপনার গন্তব্যের যে কোনো দিক অর্থাৎ উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম সম্পর্কে ভালোমতো জেনে নিন। ইলেকট্রনিক ম্যাপ বা জিপিএস কাজ না দিলে আপনার অর্জিত জ্ঞান আপনাকে পথ হারাতে দেবে না। ব্যাকআপ হিসেবে কাগজের মানচিত্র রাখুন। ব্যস্ত সড়কে বা সড়কের কোণায় মানচিত্র দেখবেন না এবং নার্ভাস দৃষ্টিতে তাকাবেন না। কোনো রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে বা নিরাপদ জায়গায় গিয়ে মানচিত্রে চোখ বুলাতে পারেন।

* এটিএম ব্যবহারে সতর্ক থাকুন : নির্জন স্থানে বা আশেপাশে সন্দেহজনক লোকজন থাকলে এটিএম ব্যবহার করা উচিত নয়। এটিএমে সিকিউরিটি ক্যামেরা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন। ধূর্ত অপরাধীরা রেকর্ডমুক্ত স্পট বেছে নেয়। নগদ অর্থের বেশি বাণ্ডিল তুলবেন না।
 

এই বিভাগের আরো খবর

গাজরের যত গুণ

শীতকালীন সবজি হলেও গাজর সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর স্বাস্থ্যগত ও পুষ্টিগত উপকারিতাও অনেক বেশি। গাজর সর্বোৎকৃষ্ট মানের পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ডি, ই, কে, বি১ এবং ভিটামিন বি৬। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, অর্গানিক সোডিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ।

গাজরের ক্ষারীয় উপাদান রক্তের অম্লতা ও সুগারের সামঞ্জস্য ঠিক রাখে।

রক্তে বিষক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট হয় ব্রণ। গাজরের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

গাজরের এন্টি-অক্সিজেন্ট বিভিন্ন রোগ সংক্রামক থেকে শ্বাস-প্রশ্বাস পদ্ধতিকে নিরাপদে রাখে।

প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে একটি করে গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি দূর করে।

গাজর মানব দেহের রক্ত কণিকা উৎপাদনে খুবই কার্যকর।

গাজরের জুস নিয়মিত পান করলে হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।

গাজরের সার বস্তু রক্তের জলীয় ভাগ এবং কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখে।

গাজরের জুস কফ, সাইনোসাইটিস, কণ্ঠনালীতে শ্লেষ্মাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।

গাজরের জুস নিয়মিত পানে শারীরিক অবসন্নতা দূর হয়।

গাজর শরীরে বিভিন্ন প্রজ্বলন ভাব, বাত রোগ ও গেঁটেবাত থেকে রক্ষা করে।

প্রতিদিন গাজরের জুস পান করলে সিগারেটের ধোঁয়ার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে জীবন রক্ষা করে।

গাজরের পুষ্টিকর উপাদান চক্ষু সম্বন্ধীয় ক্রিয়া-পদ্ধতিকে উৎকৃষ্ট অবস্থায় রাখে।

গাজরের জুসের পুষ্টিকর উপাদান কিডনিকে পরিষ্কার ও পরিশ্রাবণ করতে সাহায্য করে।

গাজরে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ত্বককে কোমল রাখে, ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে।

গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে শেষের কয়েক মাস নিয়মিত গাজরের জুস পান করলে বাচ্চার জন্ডিসের সম্ভাবনা দূর হয়ে যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পান করুন এই চা

ক্যামোমাইল টি: এতে কুয়েরসেটিন নামক উপাদান রয়েছে। যা চোখের ক্লান্তি দূর করে, ফোলা ভাব কাটাতে সাহায্য করে। অনিদ্রা প্রতিরোধ করে। ক্যামোমাইল টি ব্যাগ চোখের উপরে কিছু ক্ষণ রেখে দিলেই এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

শোবার ঘরে মেনে চলুন বাস্তুশাস্ত্র

বেডরুমে ড্রেসিং টেবিল কিংবা আয়না নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আয়না আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু। প্রতিদিনই ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আয়নায় নিজেকে একনজর দেখে বের হন কমবেশি সবাই। বাস্তুশাস্ত্র মতে, দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় এ জিনিসটির ভালো মন্দ উভয় দিকই রয়েছে।

দাম্পত্য জীবনে সচেতনতার অভাবে অনেক সময় অজান্তেই ঘটে যায় অনেক অঘটন৷ কিন্তু কিছু বাস্তু টিপস মানলে সে সমস্যার সমাধান খুব সহজেই হয়ে যায়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তুশাস্ত্রকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বেডরুমের বাস্তুশাস্ত্র সংক্রান্ত কিছু টিপস।

* শোবার ঘরে কখনও রুমের মাঝামাঝি বিছানা রাখবেন না৷ কোনো দেওয়ালের সঙ্গে বিছানার মাথা রাখার দিকটি যুক্ত রাখুন৷ এতে সম্পর্ক ভালো থাকে৷

 

 

* শোবার ঘরে এমন স্থানে আয়না রাখবেন না যেখান থেকে স্বামী-স্ত্রীর শুয়ে থাকার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে৷ বিছানা দেখা যাবে না এমন স্থানে আয়না রাখুন৷ ব্যবহার শেষে আয়না পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখুন।

* বিছানা পারলে কাঠের তৈরি করুন৷ লোহা, স্টিল, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি বিছানা অহং বাড়িয়ে তোলে৷ যা দাম্পত্য প্রেমে ব্যঘাত ঘটাতে পারে৷

* শোবার ঘরে পূর্বপুরুষ কিংবা কোনো প্রাণীর ছবি না রাখলেই ভালো৷ এতে রোমান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে৷ প্রাকৃতিক কোনো দৃশ্য, ঝরনা, নৈসর্গিক দৃশ্যের পোস্টার বা পেইন্টিংস রাখতে পারেন৷

* বেডরুমের দেয়ালে উজ্জ্বল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। লাল, গোলাপি এইসব রঙ রোমান্স বাড়িয়ে তোলে৷ যাদের উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা রয়েছে, তারা লাল রঙ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

* যৌনজীবন আরো সুন্দর করে তুলতে দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে শোয়ার চেষ্টা করুন৷ পশ্চিম দিকেও মাথা রেখে শুতে পারেন৷ তবে পূর্ব এবং উত্তরের দিকে মাথা করে শুলে কিন্তু রোমান্স তো বাড়বেই না উপরন্তু জীবনে ভোগান্তি আসতে পারে৷

* যদি বিছানার বিপরীতে আয়না থাকে এবং তা যদি সরাতে অসুবিধা থাকে তাহলে শোবার সময় আয়না ঢেকে রাখুন।

* শোবার ঘর সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। দেয়ালে মাকড়সার জাল কিংবা ঝুড়িতে ময়লা জমিয়ে রাখার অভ্যাস বাস্তুশাস্ত্রের দিক থেকে ভালো নয়। এতে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

* বাইরের অতিথিদের পদচারণা ড্রয়িং রুম কিংবা ডাইনিং টেবিল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রাখুন। কথা বলার জন্যে নিজেদের শোবার ঘরে ডেকে আনবেন না।

* পুরাতন ক্যালেন্ডার, নষ্ট ঘড়ি কিংবা ইলেক্ট্রনিক বর্জ্য শোবার ঘরে দৃশ্যমান না থাকাই ভালো।

চোখের পানি না ঝরিয়ে পেঁয়াজ কাটার উপায়

পেঁয়াজ কাটার অভিজ্ঞতা যাদের আছে তাদের সবারই কান্নার অভিজ্ঞতা আছে! এ কান্না আসলে পেঁয়াজের ঝাঁঝের কারণে চোখে পানি আসা। পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালা করে, চোখে পানি চলে আসে। তবে এ লেখাটির মাধ্যমে বলা হচ্ছে, কিছু উপায় অবলম্বন করলে চোখের পানি আর ঝরবে না। এজন্য ধন্যবাদ জানাতে পারেন যুক্তরাজ্যের গুড হাউসকিপিং নামক প্রতিষ্ঠানটিকে। তারা এর ৫টি কৌশল জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুসারে, পেঁয়াজ কাটার আগে ৩০ মিনিট রেফ্রিজারেটরে কিংবা ১০-১৫ মিনিট ফ্রিজারে রেখে দিন। ফলে ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় পেঁয়াজে থাকা গ্যাস অর্থাৎ চোখের জন্য যন্ত্রণাদায়ক ঝাঁঝালো গ্যাস তৈরি প্রতিরোধ হবে। তবে পেঁয়াজ সবসময়ের জন্য রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করবেন না, এতে পেঁয়াজের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাবে।

পেঁয়াজ কাটার সময় আমরা আসলে অসংখ্য কোষ কাটি। ফলে কোষের ভেতরে থাকা পদার্থগুলো মুক্ত হয়ে যায়। কোষে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড সালফোক্সাইড মিলে তৈরি করে সালফেনিক অ্যাসিড। কোষের ভেতরে থাকা বিভিন্ন এনজাইম সালফেনিক অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তৈরি করে প্রোপেনিয়াল এস-অক্সাইড নামক সালফারের একটি উদ্বায়ী যৌগ। এই যৌগ বাতাসে ভেসে চলে আসে আমাদের চোখে। পরে তা চোখের জলীয় অংশের সঙ্গে বিক্রিয়ায় তৈরি করে সালফিউরিক অ্যাসিড। আর এই অ্যাসিডের কারণেই আমাদের চোখে জ্বালাপোড়া হয়। তখন চোখের ভেতরে ঢুকে পড়া অ্যাসিড দূর করে দিতেই মূলত চোখ থেকে পানি বের হয়।

পেঁয়াজের এই ঝাঁঝ প্রতিরোধের আরেকটি উপায় হচ্ছে, কাটার আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখা। তবে এতে পেঁয়াজের স্বাদের সঙ্গে কিছুটা আপোষ করতে হবে। গুড হাউজকিপিং-এর পরামর্শ হচ্ছে, ‘পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে পানির পাত্রে ভিজিয়ে রাখুন। এতে পেঁয়াজের অ্যাসিড কমে যাওয়ায় কাটার সময় আর চোখের পানি ফেলতে হবে না।’

পেঁয়াজের মূল অর্থাৎ মাথার অংশটিতে সবচেয়ে বেশি ঝাঁঝালো গ্যাস থাকে। এই অংশটি বাদ দিয়ে পেঁয়াজ কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমে পেঁয়াজ মাঝ বরাবর কেটে নিন। এরপর উভয় অংশ স্লাইস করে কাটুন, কেবল মূল অর্থাৎ মাথার অংশটি না কেটে ফেলে দিন।

আপনার চোখের ওপর পেঁয়াজের গ্যাসের প্রভাব কমাতে আরেকটি উপায় হচ্ছে, বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে যেমন জানালার পাশে অথবা পাখার নিচে পেঁয়াজ কাটুন। এতে বাতাসে পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গ্যাস উড়ে যাওয়ায় চোখের সংস্পর্শে আসবে না।

অন্যতম আরেকটি উপায় হচ্ছে, পেঁয়াজ কাটায় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন। ধারালো ছুরি পেঁয়াজের কোষ কম ভাঙবে। ফলে কম গ্যাস উৎপন্ন হবে।  

এই বিভাগের আরো খবর

কীভাবে দূর করবেন সিগারেটের নেশা?

ধোঁয়াশায় আর থাকবেন না। ধোঁয়াতেও নয়। বাই বাই বলুন আপনার ধূমপানের নেশাকে। কিন্তু ধূমপায়ীদের কাছে এটাই হয়তো জীবনের কঠিনতম কাজ।
 
ধূমপানের নেশা ছাড়ার জন্য অনেকে চেষ্টা করলেও, সফল হতে পারেন না। ফলে অবস্থা একই রকম থেকে যায়। হাজারও পরামর্শ, নানা ওষুধের বেড়া টপকে সেই হাতে রইল সিগারেট। আর মুখে রইল ধোঁয়া। তাহলে উপায়?
 
ঘরোয়া কিছু টোটকা কিন্তু সহজ সমাধানের পথ বাতলে দিতে পারে। তাই নতুন করে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। বলা যায় না, এবার হয়তো সফল হবেন।
 
১. হরিতকি
আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরতকি। এর নানা গুণ আছে। স্বাদে তেতো হলেও, এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরতকি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে, একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। হরিতকি মুখে রেখে দিলে ধূমপান করার ইচ্ছে চলে যায়, এমনটাই বলছে আয়ুর্বেদ। তাই ধূমপান করার ইচ্ছে হলেই মুখে দিন হরিতকির টুকরো। অন্তত ৫-১০ মিনিট।
 
২. যষ্ঠিমধু
সিগারেট ছাড়তে সাহায্য করবে যষ্টিমধু।ধূমপান করার ইচ্ছে হলেই যষ্ঠিমধু সেই ইচ্ছে তাড়াবে। এটা প্রমাণিত।
 
৩. দারচিনি ও মধু
এক চামচ মধুতে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে জল দিয়ে খেলে ধূমপানের নেশা কাটে। দিনে ২-৩ বার এই মিশ্রণ খেলে সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে কেটে যায়।
 
৪. শুকনো আদা ও লেবু
আদার টুকরো ধূমপান ছাড়ায়। এটাও প্রমাণিত সত্য। লেবুর রসে আদার টুকরো ভিজিয়ে রেখে দিন। সঙ্গে যোগ করুন গোলমরিচ। এই মিশ্রণ ম্যাজিকের মতো সিগারেটের নেশাকে দূর করে।
 
৫. গ্রিন টি
গ্রিন টি সিগারেটের নেশা ছাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়। তবে কফি খাবেন না। কফির ক্যাফেইন মানসিক দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেই তুলনায় গ্রিন টি অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি। এখন থেকেই তাই অভ্যাস গড়ে তুলুন।
 
৬. ফল
ধূমপান ছাড়তে বেশি করে টাটকা ফল, শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। একইসঙ্গে চর্বিযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে।
 
৭. প্রচুর জল খান
সিগারেট ছাড়ার পর প্রথম তিনদিন জল খান প্রচুর পরিমাণে। জল আপনার শরীরের ভেতর নিকোটিনকে খুব দ্রুত বের করে দেবে।
 
টোটকা আছে, ওষুধ আছে, পথ্য আছে। আর সব শেষে আছে আপনার মনের জোর। একমাত্র সেটাই পারে সিগারেটের বদভ্যাসকে আপনার জীবন থেকে তাড়াতে। তাই মনের জোরে এগিয়ে চলুন সুস্থ জীবনের রাস্তায়। সঙ্গে থাকুক এই টোটকাগুলো।

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রণ দূর করে পুদিনা পাতা

টিনএইজ বয়সে ব্রণের সমস্যায় ভোগেন কমবেশি অনেকেই। এছাড়া খাদ্যাভাসে অনিয়ম, দুশ্চিন্তা ও ঘুম না হওয়ার কারণেও ব্রণ হতে পারে ত্বকে। আবার অনেক সময় ব্রণ চলে গেলেও রয়ে যায় বিব্রতকর দাগ। ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার জন্য পুদিনা পাতার রস ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন পুদিনা চা পান করলেও উপকার পাবেন।

জেনে নিন ব্রণ দূর করতে অউদিনা কীভাবে ব্যবহার করবেন-

 

পুদিনা পাতা দূর করবে ব্রণ

  • একটি পাত্রে ২ কাপ পানি দিন।
  • মুঠো ভর্তি পুদিনা পাতা দিয়ে দিন পানিতে।
  • ৫ মিনিট মৃদু আঁচে রেখে দিন চুলায়।
  • চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন পুদিনা চা।
  • সামান্য ঠাণ্ডা হলে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে পান করুন পুদিনা চা।

পুদিনা টোনার

  • একটি পাত্রে আপেল সিডার ভিনেগার নিন।
  • ভিনেগারের ২ অংশ পরিমাণ পুদিনা চা মেশান।
  • দ্রবণটি স্প্রে বোতলে নিয়ে নিন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে স্প্রে করুন টোনার।

ব্রণের দাগ দূর করার জন্য

  • পুদিনা পাতার রস সংগ্রহ করুন।
  • রাতে ঘুমানোর আগে তুলা ভিজিয়ে ব্রণের দাগের উপর ঘষে নিন বারকয়েক।
  • সারারাত রেখে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন ত্বক।

ত্বকে পুদিনা পাতা ব্যবহার করবেন কেন?

  • পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
  • ত্বক টানটান করতে সাহায্য করে পুদিনা পাতা।
  • ত্বকের মরা চামড়া দূর করতে পারে এটি।
  • লোমকূপের মধ্যে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে পুদিনার রস।
  • ব্রণের পাশাপাশি ব্রণের দাগ ও ত্বকের কালচে দাগ দূর করতে অনন্য পুদিনা পাতা।

 

পুডিং তৈরির সহজ রেসিপি

ডিম খেতে ভালো লাগে না কিংবা দুধ খেতে ভালো লাগে না এরকম অনেকেই আছেন। কিন্তু পুডিং খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিশেষ করে শিশুদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে এই পুডিং। চলুন জেনে নেই পুডিং তৈরির সহজ রেসিপি।

উপকরণ : দুধ ১ কেজি, ডিম ৪ টি, চিনি স্বাদমতো, ভ্যানিলা এসেন্স ১/২ চা চামচ, কনডেন্স মিল্ক ১/২ কাপ, গুড়ো দুধ ৩ টেবিল চামচ, পানি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি : ১ কেজি দুধ চুলাতে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে। অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে নিন। দুধ ঠান্ডা হলে এর মধ্যে ৪ টি ডিম, চিনি, ভ্যানিলা এসেন্স, কনডেন্স মিল্ক, গুড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে বিট করে নিন। এবার ঢাকনাসহ ১ টি স্টিলের বাটি নিন। বাটিতে ৩ টেবিল চামচ চিনি ও ১ টেবিল চামচ পানি দিন। বাটিটি কম আঁচে চুলার ওপর রাখুন। একটু পর পর বাটি ঘুরিয়ে দিন। চিনি লালচে হলে নামিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এবার দুধের মিশ্রণ এই বাটিতে ঢেলে ঢাকনা লাগিয়ে দিন। আর একটি বড় পাত্রের মধ্যে বাটিটি বসিয়ে পাত্রে অল্প পানি দিন। পানি যেন দুধের বাটির মাঝ বরাবর থাকে। এবার দুধের বাটির উপর ভারি কিছু দিয়ে ভার দিয়ে পানিসহ বড় পাত্রটি চুলাতে বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। এভাবে ৪০- ৫০ মিনিট মাঝারি আঁচে ভাপ দিতে হবে। এরপর নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন

এই বিভাগের আরো খবর

অযোগ্যতায় দায়ী ১১ অভ্যাস

যখন আমরা কোনো চাকরির জন্য ইন্টারভিউর সম্মুখীন হই কিংবা কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ কারো সঙ্গে কথা বলি, তখন স্নায়ুবিক দুর্বলতার কারণে নিজের অজান্তেই আমাদের আচরণে লক্ষণীয় কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়।

এসব আচরণ বা কার্যকলাপের জন্য অন্যদের মনে হতে পারে আপনি হয়তো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে অপারগ।

মেনে নেয়া কঠিন হলেও এসব আচরণ আপনার ভেতর থেকেই যেন চিৎকার করে উঠে- ‘আমি প্রস্তুত নই!’

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সতর্কতাই এসব বেফাঁস বা দৃষ্টিকটুআচরণ দূর করার সবচেয়ে বড় উপায়।

নখ কামড়ানো
নখ কামড়ানো হল সবচেয়ে প্রচলিত একটি দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। ক্যারিয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ অ্যামান্ডা অগাস্টিন বিজনেস ইনসাইডার-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এটি শুধু আপনার নখ আর বহিঃত্বকেরই ক্ষতিসাধন করে না, পাশাপাশি আপনার ব্যক্তিত্বেরও হ্রাস ঘটায়।’

অবিরাম মোবাইল ফোন চালানো
‘আমার মতে যে মানুষটা তার মোবাইল ফোন বা ঘড়ির দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারে না, সে আসলে তার অনাগ্রহী মনোভাবকে প্রকাশ করে।’- ভিকি অলিভার, লেখক, ৩১০ স্মার্ট আনসার্স টু টাফ ইন্টারভিউ কোশ্চেনস এবং ৩১০ স্মার্ট আনসার্স টু টাফ বিজনেস এথিক কোশ্চেনস।

কথা বলার সময় চোখের দিকে না তাকানো
ইন্টারভিউয়ের সময়ে সরাসরি প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে না তাকিয়ে অর্থাৎ ‘আই কন্ট্যাক্ট’ না করে উত্তর দেয়াটা তাদের মনে আপনার সম্পর্কে এক ধরনের বিরূপ এবং নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অগাস্টিনের মতে, ‘সরাসরি চোখের দিকে না তাকানোর ব্যাপারটা নিজেকে অপ্রস্তুত, অনাগ্রহী, অন্তঃসারশূণ্য এমনকি অহংকারী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে।’

কথা বলার সময়ের অন্তত অর্ধেকটা যদি আপনি ‘আই কন্ট্যাক্ট’ করতে পারেন তাহলে সেটা আপনাকে বিশ্বাসযোগ্য, নিঃসংশয় এবং কর্মদক্ষ হিসেবে তুলে ধরবে।

হাত মোচড়ানো কিংবা হাতের তালু উরুতে ঘষা
শিষ্টাচার বিশেষজ্ঞ এবং লেখিকা রোজালিনা ওরোপেজা র‌্যান্ডাল এ সম্পর্কে বিজনেস ইনসাইডারকে বলেন, ‘এই ধরনের আচরণের ভয়ংকর রকম বাজে প্রভাব রয়েছে, এতে করে প্রশ্নকর্তাদের মনযোগ আপনার বক্তব্য থেকে সরে যেতে পারে এবং এক ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করতে পারে।’

অগাস্টিনের মতে, ‘এই অভ্যাস পরিহার করতে চাইলে আপনি আপনার হাত দুটো হাঁটুর ওপরে রাখার পরিবর্তে আপনার সামনের টেবিলের ওপরে বা চেয়ারের হাতলে ভাঁজ করে রাখতে পারেন।’

‘হ্যাঁ, ভালো প্রশ্ন’ মন্তব্য করা
ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরেই এই প্রত্ত্যুতরটি করা প্রমাণ করে যে, আপনি কতটা বাছবিচারহীন! পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে উপরস্থ পদের কারো সঙ্গে প্রত্যেকটি কথায় ‘ভালো বলেছেন’ মন্তব্য করা প্রমাণ করে আপনি নিজস্ব মতামত দিতে অপারগ একজন মানুষ।

সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন আচরণ করা
একজন বিশেষজ্ঞের মতে, ‘গুরুগম্ভীর মুহূর্তগুলোতে হঠাৎ হো হো করে হেসে ওঠা বা হায়েনার মত গগনবিদারী শব্দে হাসা কলিগদের মধ্যে আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়।’

ভ্রু কোঁচকানো
ভ্রুকুটি করা বা ভ্রু কোঁচকানোর ফলে শুধুমাত্র আপনার অসন্তোষই প্রকাশ পায় না, পাশাপাশি এটা আপনাকে কম বুদ্ধিসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করে।

চুল মোচড়ানো
অন্যের সামনে নিজের চুল মোচড়ানো একটি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু বদভ্যাস। চুল মোচড়ানোর অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে আপনি কিছু হেয়ার স্টাইল যেমন- ফ্রেঞ্চ ট্যুইস্ট, বান অথবা স্মার্ট পনি টেলের আশ্রয় নিতে পারেন।

‘হুমম’, ‘আচ্ছা’ শব্দগুলোর রিপিট করা
মনোবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেন জানিয়েছেন, ‘বারবার হুমম, আচ্ছা কিংবা লাইক শব্দগুলোর রিপিট করা আপনাকে অপরিপক্ক এবং অগোছালো হিসেবে উপস্থাপন করে।’

দাঁতে দাঁত ঘষা
অগাস্টিন বলেন, ‘আপনি যদি রাতের বেলা দাঁতে দাঁত ঘষেন তবে প্রচন্ড চাপের মুহূর্তগুলোকে এই অভ্যাসটির পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’ এই বদভ্যাসটি রাগান্বিত হওয়া, উদ্ধত এমনকি উদ্বিগ্নতার বহিঃপ্রকাশ। আপনার যখন দাঁতে দাঁত ঘষার প্রবল ইচ্ছা জাগবে তখন গভীর নিঃশ্বাস নিয়ে মুখের পেশীগুলোকে হালকা বিশ্রাম দিন, ধীরে ধীরে এর থেকে মুক্তি পাবেন।

দ্রুত কথা বলা
ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রশ্নকর্তার সামনে নিজেকে দুর্বোধ্য প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি হড়বড় করে দ্রুত কথা বলার মাধ্যমে আপনি নিজেকে ধৈর্য্যহীন এবং নিয়ন্ত্রণ অক্ষম হিসেবে উপস্থাপন করবেন না। তার চেয়ে বরং প্রশ্নকর্তার কথা মাত্রা এবং দ্রুততার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কথা বলে আপনি নিজেকে একজন যথার্থ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন।

এই বিভাগের আরো খবর

শিশুর স্কুল থেকে শেখা বদভ্যাস থামাবেন যেভাবে

স্কুল থেকে শিশুরা জীবনের দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকে। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নিয়মকানুন তারা এখান থেকে রপ্ত করে। তাদের যে শুধু ভালো অভ্যাস গড়ে ওঠে তা না, কিছু বদভ্যাসও তাদেরকে প্রভাবিত করে।

এসব বদভ্যাস তারা সাধারণত সহপাঠীদের কাছ থেকে শেখে। তবে অন্যান্য মাধ্যম বা বিষয়কেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। স্কুলে শিশুরা যেসব বদভ্যাসে অভ্যস্ত হতে পারে সেসব সম্পর্কে এ প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হলো।

১. অন্যের সম্পর্কে নিন্দা

 

 

আমাদের সংস্কৃতিতে গল্পগুজব করাটা দুর্নিবার অবসর বিনোদনে রূপ নিয়েছে। কিন্তু কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে হীনজাত উদ্দেশ্যে কথা বলাটা শুধু অভদ্রতাই নয়, ক্ষতিকরও বটে। তাই আপনি যদি শুনেন আপনার বাচ্চা ক্লাসমেট সম্পর্কে নিন্দা করছে তাহলে তা থামানোর চেষ্টা করুন। অন্যের সম্পর্কে বা সঙ্গে কিভাবে সম্মানের সঙ্গে কথা বলতে হয় তা শিশুকে শেখানো গুরুত্বপূর্ণ। আপনার শিশুকে বোঝান পরচর্চা কেন অসম্মানের ও কেন তা ক্ষতিকর। তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন কেউ তাদের সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করলে কষ্ট পাবে কিনা? যদি পেয়ে থাকে তাহলে যাদের সম্পর্কে বাজে কথা বলছে তারা কি কষ্ট পাবে না?

২. নখ কামড়ানো ও অন্যান্য স্নায়ুচাপজনিত অভ্যাস

 

স্কুলে যাওয়াটা অনেক শিশুর ক্ষেত্রে অবিশ্বাস্যভাবে উদ্বেগ উদ্দীপকের বিষয় হতে পারে। বিশেষ করে তারা স্নায়বিক দুর্বলতায় ভোগে। তাই আপনার বাচ্চার মধ্যে অতি উদ্বেগের কোনো উপসর্গ আছে কিনা দেখা দরকার। নখ কামড়ানো, চুল টানা, ঠোঁট কামড়ানো, বৃদ্ধাঙ্গুল চুষা- এসব উপসর্গ উদ্ধিগ্নতার কারণে দেখা দিতে পারে। ড. অ্যালিনর মিটজনার বলেন, আপনার বাচ্চা যদি উদ্বিগ্নতায় ভোগে তাহলে শুধু বলবেন না, ‘চিন্তা করো না, তুমি ঠিক আছো’। তিনি বলেন, তাদের অনুভূতিসমূহ বাস্তব। তাদের জানানো উচিত এরকম অনুভূতি থাকা স্বাভাবিক। তাদেরকে কথা বলতে দিন এবং ইতিবাচক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করুন।

৩. প্রযুক্তি আসক্তি

মিশিগানের শিশু মনস্তাত্ত্বিক নিকোলে বুরকেনস বলেন, অনেক স্কুল অসাবধানবশত স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের প্রতি কচি বয়সে আসক্ত করে তোলে। তিনি বলেন, অনেক স্কুল ক্লাসে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের পাশাপাশি লাঞ্চ এবং অবকাশে ব্যক্তিগত ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি দেয়। অনেক শিশু ক্লাসের বাইরে প্রায় সময় ডিভাইস নিয়ে ব্যস্ত থাকে। তারা ভিডিও গেমস খেলে বা টিভি দেখে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটায়। তবে এসব সমাধান করা কঠিন নয়। প্রযুক্তির প্রতি বাচ্চার আসক্তি কমিয়ে ফেলুন বা তাদেরকে কিছু সীমাবদ্ধতায় রাখুন। তাদেরকে স্কুলে ব্যক্তিগত ডিভাইস নিতে দিবেন না। ঘরে টিভি দেখা বা স্ক্রিন উপভোগের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন ঠিক করে দিন।

৪. অনবরত ঘ্যানঘেনানি

স্কুলের অনেক বিষয় নিয়ে বাচ্চারা ঘরে ঘ্যানঘ্যান করে। হোমওয়ার্ক, বাস, শিক্ষক কিংবা ক্যাফেটেরিয়া নিয়ে তারা অভিযোগ করে। কিছু অসুবিধার কারণে তারা এমনটা করে থাকে। তাদের এসব ঘ্যানঘেনানি বিরক্তির উদ্রেক করে এবং অনেক মা-বাবা তর্কে লিপ্ত হয়ে তা থামাতে চায়। ড. বুরকেনসের মতে, এসব থামানোর ভালো কৌশল হল অভিযোগে কান না দেওয়া। তিনি বলেন, ‘শিশুরা অভিযোগের প্রত্যুত্তর যত কম পাবে তারা তত কম অভিযোগ করবে।’ কিন্তু ঘ্যানঘেনানি অব্যাহত থাকলে কতটা নেতিবাচক মন্তব্য করছে তা ট্র্যাকিং করুন এবং তা কমানোর জন্য লক্ষ্য ঠিক করুন।

৫. অত্যধিক জাঙ্ক ফুড খাওয়া

ঘরে আপনি বাচ্চার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার ও স্ন্যাকস তৈরি করেন। কিন্তু স্কুলে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাওয়া যায় না বললেই চলে। সেখানে বাচ্চারা চিপস, বিভিন্ন রকম ক্যান্ডি, সিঙাড়া, সমুচা, পিৎজা ও অন্যান্য জাঙ্ক ফুড খেয়ে থাকে। তারা এসব খাবারে অভ্যস্ত হয়ে গেলে তাদের খাবার নির্বাচন নিম্নমানের হয়ে যাবে এবং তারা ঘরেও এসব খাবারের আবদার করবে। তাদের আবদারকে ঠান্ডা মাথায় ও কৌশলে এড়িয়ে যান। নানাপ্রকার জাঙ্ক ফুড মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতে পারে। তাই বাসায় যতটা সম্ভব স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করুন।

৬. অশ্লীল শব্দ

স্কুলে পাঠ্যপুস্তকের শব্দ তালিকার বাইরে কয়েকটি অশ্লীল শব্দ শিখে না এমন শিশু পাওয়া দুর্লভ। শিশু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি অশ্লীল শব্দ শিখে থাকে। এসব সহ্য করার কোনো মানে হয় না। এসব বলা থেকে তাদের বিরত রাখুন। যখন তারা অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করবে তখন কৌশল খাটিয়ে থামানোর চেষ্টা করুন। এ প্রসঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত শিকো সেন্টার ফর কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট জোয়েল মিন্ডেন বলেন, ‘শান্ত থাকুন, তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন তারা শব্দটি কোথায় শিখেছে এবং কেন তারা শব্দটি ব্যবহার করছে।’ তিনি বলেন, তাদের ব্যাখ্যা শুনে একই অনুভূতি ভিন্ন শব্দে প্রকাশে সাহায্য করুন। অযৌক্তিক শাস্তি দিবেন না, যেমন- অশ্লীল শব্দ বললে সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে দেওয়া। এরকম শাস্তি তাদের মধ্যে রাগের বিস্তার ঘটাতে পারে এবং যে শব্দের জন্য শাস্তি দিলেন তা বেশি বেশি বলতে পারে।

৭. পরীক্ষায় প্রতারণা

পরীক্ষায় প্রতারণার আশ্রয় নেওয়াকে ক্ল্যাসিক ব্যাড বিহেভিয়ার বলা হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে শিশুরা তা করে থাকে, যেমন- পরীক্ষা সম্পর্কে উদ্বেগ, বিষয়বস্তু না বুঝা এবং সাহায্য চাইতে অত্যধিক ভয় পাওয়া। তাদেরকে প্রতারণামূলক ফলাফলের অভিজ্ঞতা নিতে দিন, যেমন- কোনো টেস্টে অনুত্তীর্ণ হওয়া বা কোনো প্রজেক্ট পুনরায় করা। কিন্তু এখানেই থেমে থাকবেন না। তাদের শিক্ষকের সঙ্গে তাদের ব্যাপারে কথা বলুন এবং পরামর্শ করুন। আপনার বাচ্চাকে ভালো অভ্যাসে উৎসাহিত করার জন্য তাদের সমস্যাকে গুরুত্ব দিন ও সমস্যার সমাধান করুন। তারা কনফিউজড ও আপসেট হলে তা থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজে দিন।

৮. বর্ণবাদী রসিকতা

শিশুরা স্কুলে সামজিক নিয়মকানুন শিখে এবং মাঝে মাঝে তারা বিব্রতকর বা অসামাজিক কিছু বিষয় শিখে ফেলে যা গোঁড়ামিপূর্ণ, বর্ণবাদী, যৌন বিষয়ক বা অন্যান্য অনুপযুক্ত ভাষা হতে পারে। তাদের মুখে এসব শুনে আপনি হয়তো মর্মাহত হতে পারেন, এমনকি রাগও করতে পারেন। কিন্তু মাথা ঠান্ডা রাখুন। তাদেরকে উত্তপ্ত কথা না বলে এটাকে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ বা আচরণ শিখানোর সুযোগ হিসেবে কাজে লাগান। কাউকে নিয়ে ব্যঙ্গ করলে সে কেমন কষ্ট পায় তা পূর্ণাঙ্গভাবে ব্যাখ্যা করুন। তারপর তাদের যা শিখাতে চান তার ওপর গুরুত্ব দিন। পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা বিষয়ে তাদেরকে জ্ঞান দিন। তা স্বত্ত্বেও তারা বদভ্যাস ত্যাগ করতে না পারলে শাস্তি দিতে পারেন এবং খারাপ সঙ্গীর সঙ্গে মেলামেশা বা মিডিয়ার অপব্যবহার রোধে খেয়াল রাখুন।

৯. অন্য শিশুদের কটুক্তি করা

বাচ্চা নীচ মনমানসিকতার হোক এটা কেউ চায় না। কিন্তু বাস্তবতা এই যে, শিশুরা বিভিন্ন উপলক্ষ্যে অন্য শিশুদের কটুক্তি করে। ‘আমার বাচ্চা এমন নয়’ বা ‘আমার বাচ্চা করেনি’ এমন কথা না বলে বাচ্চার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং এ বিষয়ে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলুন। ড. মিন্ডেন বলেন, ‘মাঝে মাঝে অন্য শিশুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েও তারা কটুক্তি করতে পারে। বাচ্চাকে কটুক্তির ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বোঝান, এমনকি তা সহপাঠীদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে করলেও।’ তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অভ্যাস বন্ধ করার ব্যবস্থা নিন। বাচ্চাকে বলুন- যদি টিজ অব্যাহত রাখো তাহলে এটা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে এবং তোমার শিক্ষককে এ বিষয়ে বলা প্রয়োজন হবে। কখনো কখনো টিজিং সীমারেখা অতিক্রম করে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করে। তাই আপনার বাচ্চাকে এ অভ্যাসের আওতামুক্ত রাখুন।

১০. পর্নো দেখা

নোভাস প্রজেক্টের একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, ৮ থেকে ১১ বছরের শিশুরা স্মার্টফোন ও ট্যাবের সংস্পর্শে প্রথম পর্নের সঙ্গে পরিচিত হয়। স্কুলে অন্যের দেখাদেখি বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আপনার বাচ্চা পর্নো দেখতে পারে। শিশুর সেক্সুয়্যাল ডেভেলপমেন্টের জন্য ও যৌন নিরাপত্তার খাতিরে পর্নো দেখা বন্ধ করা উচিত। ড. মিন্ডেন বলেন, যদি জানেন আপনার বাচ্চাকে কে পর্নো দেখিয়েছে তাহলে জরুরি ভিত্তিতে স্কুল বা অন্যান্য পিতামাতার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনি পরামর্শ দেন, শান্ত হোন, বাচ্চাকে বলুন যে পর্নোগ্রাফি শিশুদের জন্য নয় এবং এসব দেখলে ক্ষতি হতে পারে। তারা যা দেখেছে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন। ড. মিন্ডেন যোগ করেন, যৌনতা সম্পর্কে তারা আপনার কাছ থেকে যা জানবে তা-ই গুরুত্বপূর্ণ, বন্ধুদের কাছ থেকে যা জানে তা নয়। আপনি বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে তাদেরকে পর্নো দেখা থেকে রক্ষা করতে পারেন।

১১. নিজেকে বিভিন্ন নামে ডাকা

আপনার আদরের বাচ্চা যখন নিজেকে ডাম বা হাবা বা বোবা, আগলি বা বিশ্রী বা কুৎসিত, স্টুপিড বা মূর্খ বা বেকুব, ফ্যাট বা মোটা বা মোটকি এবং অন্য কোনো হাস্যকর বা সমালোচনামূলক নামে ডাকবে তখন হয়তো আপনার বুকটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। শিশুরা স্কুলজীবনের শুরু থেকেই পারফেকশনিস্ট বা সেনসিটিভ আচরণ করলে তাদের বিভিন্ন নাম ছড়িয়ে যায়। তাদের দুর্বলতা এবং শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করেও নানারকম নাম ছড়িয়ে পড়ে। বাচ্চা যদি এসব নামে নিজেকে সম্বোধন করে তাহলে তাকে ইতিবাচক নামে ডাকুন বা ভালো মন্তব্য শুনান, যেমন- তুমি সত্যিই সুন্দর/স্মার্ট/গ্রেট ইত্যাদি। এর ফলে তাদের মনের উদ্বেগ দূর হবে। ড. মিন্ডেন পরামর্শ দেন, নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করতে তাদেরকে উৎসাহ দিন, তাদের নেতিবাচক চিন্তাকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য উপায় খুঁজুন এবং ফলাফলের চেয়ে প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিন, তারা যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তাতেও গুরুত্বারোপ করুন। সফল হতে পারে এমন কাজে তাদেরকে যুক্ত করুন।

চালের চা

চা পাতা দিয়েই সাধারণত চা হয়ে থাকে। পানিতে চা পাতা ছেড়ে দিলেই হয়ে যায় চা। কিন্তু চালের চা খেয়েছেন কী? বদহজম হলে ভীষণ উপকারী এই চালের চা। নিয়মিত এই চা পানের আপনার হজম প্রক্রিয়া সহজতর হওয়ার পাশাপাশি দুর্বলতাও কেটে যাবে।

 

 

খুব সহজে তৈরি করা যায় এই চা। ভাত রান্নার সময় ফুটে ওঠা ফেন ফেলে না দিয়ে কাপে সংরক্ষণ করুন। সেটিতে আরও পানি মিশিয়ে পাতলা করে ফুটিয়ে নিন। ফুটানো পানিতে চা পাতা ছেড়ে দিন। চা পাতা ফুটে উঠলে তাতে লেবুর রস ও মধু দিয়ে পান করুন চালের চা।

প্রতিদিন ভাত রান্নার সময়ই এককাপ চা হয়ে যাবে। আর সুস্থ থাকুন আপনি।

অনেকে ভাজা চাল দিয়েও এই চা তৈরি করেন। চাল ভাজা ভালো করে পানিতে ফুটিয়ে তাতে মধু, চা পাতা ও ইচ্ছামতো লেবু, কমলা মেশানো যাবে। পুদিনাও দিতে পারেন। গরম খেতে হবে এমন মানে নেই ঠাণ্ডা বরফ ও পুদিনা দিয়েও খেতে পারেন এই চা। মোটকথা চালের পানি আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। সেটিকেই খেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।  

লিফট ছিঁড়ে গেলে বাঁচার উপায়

দুর্ভাগ্যবশত এই পৃথিবীতে কেউই দুর্ঘটনার হাত থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। যে কারণে আমাদের নিজেদেরই আগে খুঁজে বের করতে হবে,  দুর্ঘটনায় পতিত হলে প্রাণে বাঁচতে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারলে জীবন বেঁচেও যেতে পারে কিংবা কম আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

লিফট দুর্ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর দুর্ঘটনার ঘটতে পারে যে কোনো সময়। যদিও লিফট ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা খুব বেশি ঘটে না, কিন্তু একেবারেই যে ঘটে না বা ঘটবে না তা কিন্তু নয়। তাই জেনে রাখা ভালো, লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে যেতে থাকলে কীভাবে বাঁচাবেন নিজেকে।

লাফ দেবেন না
প্রথমত আপনি যখন ফ্রি স্টাইলে নিচে পড়ে যেতে থাকবেন, তখন লাফ দেওয়ার চেষ্টা করাটা খুবই কঠিন। দ্বিতীয়ত লাফালাফি করলে লিফট আরো বেশি গতিতে আছড়ে পড়বে। তৃতীয়ত আপনার শরীরের কোন অংশ পতিত হবে তা এর মাধ্যমে আগেভাগে নির্ধারণ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বরং লাফের কারণে আপনি মাথায় আঘাত পেতে পারেন এবং খুব খারাপভাবে আপনার শরীর আছড়ে পড়তে পারে।

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন না
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাটা খুব ভালো ধারণা নয়। কারণ পতনের সময় শরীরের ওজনের ১০ গুণ ওজন এসে ভর করে পায়ে। যা খুবই গুরুতর জখম হওয়ার কারণ হতে পারে।

সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল
মাস্যাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারের গবেষক ইলিয়ট এইচ ফ্রাঙ্কের মতে, লিফট যখন পড়ে যেতে থাকবে তখন যত দ্রুত সম্ভব চিৎ হয়ে দুই হাত ও পা ছড়িয়ে লিফটের মেঝেতে শুয়ে পড়া একমাত্র নিরাপদ কৌশল।

 

 

এতে আপনার শরীরের সেরা অংশগুলোতে শক্তি ছড়িয়ে পড়বে। এবং এর ফলে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অংশে অন্য কোনো অংশের তুলনায় বেশি ওজন বিরাজ করবে না। নিচে পড়ার আঘাত শরীরের সব অংশে সমানভাবে ছড়ে যাবে বলে ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে কম আঘাত লাগবে। তবে সত্যিকার অর্থে এটা বাঁচার একটা চেষ্টা করা মাত্র, জখম তো হতেই পারে, তবে গুরুতর জখম থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা একটা চেষ্টা হচ্ছে এই কৌশল অবলম্বন করা।

লিফটে বেশি মানুষ থাকলে করণীয়
এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো যেটা করতে পারেন তা হচ্ছে, লিফটের মেঝেতে বসে পড়া। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে অস্থিতে যে পরিমাণ চাপ পড়তো তার তুলনায় অস্থিতে কম চাপ পড়বে এ পজিশনে। যদি বসে পড়ার মতো জায়গা না থাকে, তাহলে অন্তত চেষ্টা করুন হাঁটু বাঁকা করে রাখতে, এটিও পায়ের বল কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে। 

এই বিভাগের আরো খবর

ছোট্ট লবঙ্গে এতো গুণ!

আমরা রান্না করা খাবারের স্বাদ বাড়াতে গরম মশলার ব্যবহার করি। সুন্দর গন্ধযুক্ত এই উপাদেয় মশলার মধ্যে খুবই ঝাঝালো হচ্ছে লবঙ্গ। এটি রান্নায় যেমন স্বাদ বাড়িয়ে দেয়, তেমনি বিভিন্ন গুণেভরা এই ছোট্ট সুন্দর মশলাটি। 

 

আসুন আজ জেনে নেই লবঙ্গের গুণাগুণ:

রুচি ও ক্ষুধা বাড়ায়
কফ ও কাশি দূর করে
কৃমি জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে
এটা পচনরোধক
শরীরে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে
গলার সংক্রমণরোধক 
যৌন রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য খুবই উপকারি
দাঁতের ব্যথা সারাতে দারুণ কার্যকর
বমিভাব কমায়
রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লবঙ্গ উপকারী
ক্রিয়েটিভিটি এবং সেন্টাল ফোকাস বাড়ায়
লবঙ্গ তেলের রয়েছে ব্যকটেরিয়া নামক জিবানু ধ্বংসের ক্ষমতা 
এসিডিটি কমাতে খেতে পারেন নিয়মিত 
লবঙ্গ পিষে মিশ্রি বা মধুর সঙ্গে খাওয়া ভীষণ ভালো। এতে রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়
এটা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের কাজ করে। হাঁপানির মাত্রা কম করে
চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে লবঙ্গ পিষে লাগালে ত্বকের যেকোনো সমস্যা দূর হয়ে যায়। 

এই বিভাগের আরো খবর



Go Top