সন্ধ্যা ৭:১০, বুধবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ লাইফস্টাইল

গরম কফির কাপে আজও ধোঁয়া ওঠে। কিংবা কোল্ড কফির কাপে আজও চুমুক দিতে মন চায়। কলেজ-ইউনিভার্সিটি কেটে বন্ধুনির হাত ধরে আজও কফি হাউসে ভিড় করে শহর কলকাতা। নিখাদ প্রেম-আড্ডা আজও জমে ওঠে সন্ধের বারান্দায়। কফি-প্রেমে মন মজে নেই, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। চলো, এককাপ কফি হয়ে যাক। প্রেমিকার হাত ধরে এমন প্রস্তাব না দেওয়া পুরুষের সংখ্যাটা খুব কম। ভীষণই কম। খসুক না পকেট, তাতে কী! কতই বা খসবে?দাম শুনে বিষম খেতে পারেন। চোখ কপালে উঠতে পারে। বলে উঠতে পারেন, কফিতেও এত!এক কাপ কফি ১২০০ টাকা!কলেজ পাড়ার কফি হাউসে যদি কফি খেয়ে বিলে এই দাম দেখেন, তাহলে প্রাইমারি রিঅ্যাকশনটা কী হবে? হার্টবিট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সিওর। নাহ্, জোর কা ধাক্কা ধীরে সে লাগে।কলকাতায় এক কাপ কফি খেয়ে ১২০০ টাকা দিতে হচ্ছে না। কিন্তু নিউ ইয়র্কে দিতে হবে।নিউ ইয়র্ক সিটির আলফা ডমিঞ্চের এক্সট্র্যাকশন ল্যাবে এক কাপ ইথিওপিয়ান গিশার দাম ১২০০ টাকা। আলফা ডমিঞ্চে সবচেয়ে ভাল কফি ও কফি মেশিন বিক্রি হয়। ব্রুকলিনের অয়্যারহাউসে এর নতুন এক্সট্র্যাকশন ল্যাবটি খোলে। সেখানেই কফি খেতে গেলে দিতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। তবে কম রেঞ্জের কফিও রয়েছে। ২০০, ২৭০, ৬৭০, ৯০০ টাকারও কফি রয়েছে। যাঁর যেমন রুচি চেখে দেখতেই পারেন।


কিন্তু ইথিওপিয়ান গিশার এত দাম কেন? এটি বিরল। খুব বেশি পাওয়া যায় না। কারণ, উত্পাদন হয় খুব কম। ইথিওপিয়া এবং পানামার কিছু অংশে এই কপির চাষ হয়। শুধু তাই নয়, গুণমানে এই কফি বিশ্বসেরা।১২০০ টাকার কফির টেস্ট কেমন? পেরেস বললেন, ‘এটা খুব ভাল। এটা খুব ইন্টারেস্টিং। এটা খুব কমপ্লেক্স কফি। আমি কফি খুব ভালবাসি। আমি সবরকম কফি খাই এবং এই কফিটাতে রহস্য আছে। চমত্কার ফ্লেভার। এটা এমন, যখন গরম খাবেন, একরকম লাগবে। যখনই ঠান্ডা হয়ে যাবে, তখন আলাদা টেস্ট। মানে, এক চুমুকে অনেক রকম অনুভূতি।’এক কাপ কফির জন্য কেন ১২০০ টাকা দেবেন? তার ব্যাখ্যাও মজুত আলফা ডমিঞ্চের সিইও-র কাছে।যখন এক কাপ কফির জন্য ১২০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তখন নিশ্চয়ই তার মধ্যে কিছু একটা আছে। খুব স্পেশ্যাল। আমরাও খুব অল্প কিনি। তবে, আমাদের এখানে যাঁরা এই কফি খেতে চান, তাঁরা টেস্ট করতে পারেন।পেরেস এটা বলতেও ভোলেননি যে, শুধু কমদামি কফিতেই দুধ, চিনি মেশানো যায় না, ইথিওপিয়ান গিশাতেও প্রয়োজন মতো দুধ, চিনি মিশিয়ে নেওয়া যায়।

শিখে নিন কীভাবে সহজেই বাড়িতে বানাবেন ‘ফিস ফিঙ্গার’

রবিবার হোক কিংবা সপ্তাহের যে কোনও দিন। সন্ধে হলেই মনটা যেন অন্যরকমের কিছু খেতে চায়। কিন্তু রোজ রোজ বাড়ির বাইরের খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যেও উপকারী হয়। আবার বাড়িতেও সব কিছু তৈরি করা যায় না, কিংবা অনেকেই বাড়িতে কীভাবে দোকানের পছন্দমতো খাবার বানাবেন, তা জানেন না। ‘ফিস ফিঙ্গার’ এমন একটা খাবার, যেটা খেতে বাচ্চা থেকে বুড়ো সবাই খুবই পছন্দ করে। সস কিংবা কাসুন্দি আর স্যালাডের সঙ্গে ‘ফিস ফিঙ্গার’ সন্ধের আড্ডাটাকে জমিয়ে দেয়। তবে এই জিনিসটা আবার একটা খেলে মন ভরে না।


আজ রবিবার। সাধারণত রবিবারে বাড়ির প্রত্যেক সদস্যই বাড়িতে থাকেন। তাই আজ সন্ধেবেলাটা জমিয়ে দিন ‘ফিস ফিঙ্গার’ বানিয়ে। দোকানের পছন্দের জিনিস বাড়িতেই খাওয়া হবে। আবার স্বাস্থ্যের ক্ষতির চিন্তাও থাকবে না। প্রিয়জনেরাও খুশি হবেন। নিচের ভিডিও থেকে রেসিপিটা শিখে নিন।

অন্যের চোখে কীভাবে হবেন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও নির্মল সৌন্দর্যের অধিকারী

করতোয়া ডেস্ক  বলতে পারেন, কোন জিনিসগুলো একজন মানুষকে করে তোলে আকর্ষণীয়? অপরূপ সুন্দর চেহারা নাকি অসাধারণ ব্যক্তিত্ব? ওপরের চাকচিক্য নাকি ভেতরকার নির্মল সৌন্দর্য? অনেকেই বলবেন অবশ্যই অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং ভেতরের নির্মল সৌন্দর্য। কিন্তু এই বলা মুখে বলা পর্যন্তই শেষ। বাইরের চাকচিক্যটাকে সকলেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।


কিন্তু তারপরও এখনও এমন অনেকেই আছেন যারা পছন্দ করেন ভেতরের অসাধারণ মানুষটাকে। কিন্তু চাকচিক্যের পূজারি মানুষের মন যোগাতে অনেকে বেছে নিয়েছেন বাহ্যিক পথটাকে। নির্মল সৌন্দর্যের মানুষের দেখা মেলা ভার আজকাল। কিন্তু এভাবে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে তো চলা সহজ নয়। তবে চলুন না ফিরিয়ে আনুন নিজের আসল সৌন্দর্যটাকে। সাজিয়ে নিন নিজেকে সরল সৌন্দর্যে।

  ঃ একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব যতোটা আকর্ষণীয় হতে পারে একটি সুন্দর চেহারা ততোটা হতে পারে না। আপনি অপরূপ সুন্দর, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব এমন যে সহজে মন কাড়ে না, তাহলে আপনি যতোই সুন্দর হন না কেন যেদিন এই সৌন্দর্য ফিকে হয়ে আসবে সেদিন আপনার পাশে কাউকে পাবেন না। যদি আপনার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ হয়ে থাকে তবেই আপনি সকলকে ধরে রাখতে পারবেন। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করুন নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়।


আপনি যেমন নিজেকে সেভাবেই উপস্থাপন করুন  অন্যের কাছে আকর্ষণীয় হতে যেয়ে আপনি যদি নিজের সত্ত্বাকে বিসর্জন দিয়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম একজন হিসেবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান তবে আপনি নিজের অনেক বড় ক্ষতি করলেন। আপনি দুটি সত্ত্বার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন যা পরবর্তীতে আপনার জন্য দুঃখই বয়ে আনবে। তাই আপনি নিজে যেমন সেভাবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান।


সফলতার পেছনে ছুটতে যাবেন না, নিজেকে উপযুক্ত করুন  মানুষ সব সময় যে ভুলটি করেন তা হলো নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে উপযুক্ত না করেই সফলতার পেছনে ছুটতে থাকেন। কথাটি এমন যে অনেকেই কষ্ট না করেই সফলতা পেতে চান। এতে করে অনেকে অনেক সময় ভুল পথ অবলম্বন করে থাকেন। কিন্তু ভুল পথে সফল হলে সেই সফলতা বেশিদিন টেকে না। তাই সফলতার পেছনে না ছুটে নিজেকে এমনভাবে উপযুক্ত এবং সমর্থ করে তুলুন যেন সফলতা আপনার পেছনে ছোটে। তখনই আপনি সকলের কাছে হয়ে উঠবেন নির্মল সৌন্দর্যের মানুষ।


নিজের ভুল স্বীকার করার ক্ষমতা রাখুন ঃ যারা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ তাদের কাছে ছোট বড় কোনো প্রকারভেদ নয়। তারা সকলের সাথে সমান ব্যবহার করতে পারেন। সকলের কাছে অকপটে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে পারেন। বয়সে ছোট এবং সমাজের তথাকথিত নিম্নবিত্ত মানুষগুলোর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে অস্বস্তি এবং লজ্জাবোধ করেন না তারাই তো আসল সৌন্দর্যের মানুষ। তাদের মনের ভেতরটা থাকে পবিত্র এবং সরল সৌন্দর্যে ভরপুর।

কোন্ হাসি কী বলে?

 

করতোয়া ডেস্ক, আমাদের হাসির সাথে সাথে বদলায় মুখের রং। আমরা হয়ত কখনো সেভাবে খেয়াল করে দেখি না, কিন্তু হাসলে শুধু মুখ না সাথে সাথে চেহারার ত্বকের প্রসারণ ঘটে, তাকানোর ধরণ বদলে যায়। কিন্তু সবক্ষেত্রেই ঘটনা একই রকম ঘটে না। আমাদের মনের ভাব অনুযায়ী বদলে যায় হাসির প্রকাশ ও। গবেষক এবং  প্রভাষক রোনাল্ড এ রিজ্ঞিও হাসির ৫টি ধরণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো হল-


আনন্দ সূচক হাসি, মনোবিজ্ঞানী এবং নন ভার্বাল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ পল একমান এই টার্মটি ব্যবহার করেন সত্যিকারের আনন্দসূচক হাসি বোঝাতে। তিনি তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, মানুষ যখন সত্যিই কোন ঘটনা বা বিষয়ে খুশী হয়ে হেসে ফেলে তখন ঠোটের অংশের পরিবর্তনের সাথে সাথে হেসে ওঠে তাঁর চোখ। গালে টোল বা ভাঁজ পড়ে। পুরো মুখের মধ্য দিয়েই হয় আবেগের প্রকাশ।


মিথ্যা হাসি, এক্ষেত্রে চোখের সংযোগটা থাকে না। মানে আপনি হাসবেন, সাথে আপনার চেহারার অর্ধেকটাই হাসবে কিন্তু চোখের কোন পরিবর্তন হবে না। ভাবছেন, এ আবার কেমন কথা! ক্যামেরার সামনে আমাদের যখন পোজ দিয়ে হাসতে বলা হয় তখন তাৎক্ষণিক যে হাসি দিই আমরা তা কিন্তু এই ধরনের হাসি, মানে মিথ্যা হাসি।
অস্বস্তিসূচক হাসি, মানুষ যখন কোন কারণে অস্বস্তিতে ভোগে কিন্তু তা প্রকাশ করার পরিবর্তে একটা হাসি দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে তখন সেই হাসিকে আমরা এই দলে ফেলতে পারি। একটি চাকরির ইন্টারভিউতে একটি গবেষণা চালিয়েছিলেন মনোবিজ্ঞানীরা। সেখানে তারা দেখেন, নারী প্রার্থীদের বিভিন্ন সেক্সুয়াল ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা হলে তারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা হাসি দিয়ে নিজের বিরিক্তি এবং অস্বস্তি ঢাকার চেষ্টা করছেন। এটিই অস্বস্তিসূচক হাসি।


প্রলোভন সঙ্কুল হাসি, হাসির মধ্য দিয়ে মানুষ যখন আকর্ষণ প্রকাশ করে তখন সেই অনুযায়ী চেহারার ভঙ্গিও বদলে ফেলে সে। তাঁর চোখেমুখে ফুটে ওঠে সমর্পন। সে যেমন খুবই নমনীয় হতে পারে আবার একই সাথে তাঁর প্রকাশ ভঙ্গী হতে পারে উদ্ধত, দৃঢ়। হাসির সাথে মিশে থাকতে পারে লজ্জা, আহবান। বিপরীত ইতিবাচক মন দেখা মাত্রই চিনতে পারে এই চাহনী।কৌতুকের হাসি, হাসিটা হয়ত ইতিবাচকই হয়, কিন্তু চোখে ফুটে ওঠে বিদ্রুপ। কখনো কখনো কৌতুকের হাসি হতে পারে দ্বিমুখী। মানে একই সাথে সেটি প্রকাশ করতে পারে বিনোদন প্রাপ্তির আনন্দ এবং অপছন্দ।প্রতিদিন কতবার হাসি আমরা? শতশত বার। মনে হতে পারে হাসি মানেই আনন্দ। কিন্তু মানুষের মস্তিষ্কের মত জটিল তাঁর প্রকাশভঙ্গিও। এক হাসিরই থাকতে নানান মিশ্র অর্থ, জটিল ভাব।

রূপচর্চায় বিভিন্ন ফুলের ব্যবহার

করতোয়া ডেস্ক- ফুলের রং আর মিষ্টি সুবাসে মন যেমন ভরে ওঠে, ঠিক তেমনি ফুল দিয়ে সাজতে পছন্দও করেন অনেকে। কেউ খোঁপায় ফুল গোঁজেন, তো কেউ হাতে জড়ান বেলি বা বকুল ফুলের মালা। আবার সৌন্দর্য বাড়াতে ত্বক ও চুলের যতেœ অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের পাশাপাশি ব্যবহার করা হয় ফুল।
গোলাপ, গোলাপ ফুলের সঙ্গে মধু ও লাল আতা মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ, উজ্জ্বল ও সতেজ।


ক্যামেলিয়া, ক্যামেলিয়া ফুল, দুধ ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক গভীরভাবে পরিষ্কার হবে আর ত্বক ফিরে পাবে লাবণ্য।
শাপলা ঃ শাপলা ফুল, নিমের তেল ও তিল বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ব্রণ কমে যাবে।


বেলি, বেলি ফুলের সঙ্গে ঘৃতকুমারী ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বক টানটান ও মসৃণ হয়ে উঠবে।
জবা, জবা ফুল ও চালের গুঁড়ার মিশ্রণ ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর সঙ্গে তিলের তেল মিশিয়ে চুলে লাগালে তা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

কিছু সতর্কতা, বিভিন্ন মৌসুমে যেসব ফুল পাওয়া যায়, সেগুলো রূপচর্চায় কাজে লাগানো যেতেই পারে, তবে এর কোনোটিই সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়, অবশ্যই কোনো কিছুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত। কারণ, কোনোটির অম্লত্ব বেশি হতে পারে, আর সে ক্ষেত্রে হিতে বিপরীতও হতে পারে। তাই সরাসরি কোনো ফুল ত্বকে বা চুলে ব্যবহার করবেন না।

অনেক সময় একাকিত্বই আপনাকে মানসিক শক্তি যোগাবে

করতোয়া ডেস্ক- মানুষ এমন একটি প্রাণি যে একা পৃথিবীতে আসে কিন্তু একা থাকতে পারে না। মানুষ সবসময় সঙ্গী খুঁজে ফেরে। যার সাথে সে তার মনের কথাগুলো খুব সহজে খুলে বলতে পারবে। যাকে সে তার মতো করে না হলেও সেই মানুষের মতো করে তার মনে জায়গা করে দিতে পারে। কিন্তু খুব কম মানুষের ক্ষেত্রেই এমনটা হয়। কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন মানুষ একা থাকতে চায় না কিন্তু তাকে একা থাকতে হয়। আর এই একাকিত্ব মানুষকে একদিকে যেমন দুর্বল করে দেয় আবার অন্যদিকে করে তোলে শক্তিশালী।


সামলে নেয়া- আপনি যখন কোনো কারণে আপনার পরিবার থেকে দূরে থাকবেন কিংবা পরিবারের সাথে কোনো কারণে যোগাযোগ রাখতে পারবেন না তখন আপনার মাঝে চরম আকারের একাকিত্ববোধ কাজ করবে। আর এই একাকিত্ববোধ আপনাকে শুধু নিঃস্ব করবে না, আপনাকে কিছু জিনিস শিখিয়ে যাবে। আপনি জীবন কিভাবে একা একা কাটাবেন, কেউ যখন আপনার পাশে না থাকবে তখন নিজেকে কিভাবে সামলে নেবেন একাকিত্ব আপনাকে তাই শেখাবে।


যোগ্যতা, হাজারো মানুষের ভিড়ে আপনি যখন একা থাকবেন তখন আপনি নিজের যোগ্যতা অনুভব করতে পারবেন। আপনি নিজেকে কতটা সময়ের সঙ্গে উপযুক্ত করে তুলতে পেরেছেন তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার এই যোগ্যতার ওপর। অনেকে অনেক কথাই বলবে। সবার কথার আড়ালে আপনি নিজেকে খুঁজে পাবেন কেবল এই একা থাকার সময়টুকুতেই।
বন্ধু, আপনার
জীবনে আসল
বন্ধু কে তা এই একা থাকার সময়
টুকুতে বুঝতে পারবেন।
আপনার বন্ধুদের আপনার জীবনে কতটুকু দরকার আর কে কে আপনাকে সত্যিকার অর্থে আপন ভাবে তা কেবল বোঝা যায় এই একা থাকার সময় টাতেই।

যে অভ্যাসগুলো জীবনের মান বাড়ায়

করতোয়া ডেস্ক- এমন ১৫টি কাজ আছে যেগুলোর প্রতিটি করতে মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগে। অথচ এই সহজ কাজগুলোই আপনার জীবন মান কয়েকগুন বাড়াতে সক্ষম।
* দাঁত ব্রাশ করুন এবং ফ্লস দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে আপনার দাঁত শুধু ক্ষয় হওয়া থেকেই রক্ষা পাবে না বরং এতে আপনার জীবনও রক্ষা হবে।
আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন পরামর্শ দিয়েছে প্রতিদিন অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন বা ফ্লস দিয়ে পরিষ্কার করুন। আপনি যদি তা করতে না পারেন তাহলে আপনি স্মৃতিভ্রংশ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ এবং ক্যান্সারসহ আরো নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন।
* আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসুন। দাঁত ব্রাশ বা পরিষ্কার করার পর ১০ সেকেন্ডের জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে হাসুন। এতে আপনার মুড ভালো হবে।


* দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো লিখে ফেলুন। তালিকার শীর্ষে রাখবেন সফল হওয়ার জন্য আপনাকে যে কাজটি অবশ্যই করতে হবে সেটি।
* বিছানা গোছান। দিনের শুরুতেই কোনো কাজ সম্পন্ন করুন। আর কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আপনার আত্মসম্মানবোধ বাড়বে। আর কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে আসার পর আপনার এবং রাতের ঘুমের মাঝখানে আর কিছুই থাকতে পারবে না।


* মেডিটেশন করুন। প্রতিদিন মেডিটেশন করতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। কিন্তু এতে অনেক উপকার হয়। যেমন, মানসিক রোগ এবং মস্তিষ্কের অধঃপতনের ঝুঁকি কমে, সেরোটোনিন উৎপাদন বাড়ে, রক্তচাপ কমে এবং উদ্বেগ কমে।
* কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। যখন যে অবস্থাতে আছেন তার জন্যই বিধাতার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। নিজেকে বলুন আপনি হয়ত সুদানের কোনো উদ্বাস্তু শিবিরেও জন্ম গ্রহণ করতে পারতেন।


* ব্রডকাস্ট শুনুন। নানা বিষয়ে ইন্টারনেটে পাঁচ মিনিটের অসংখ্য ব্রডকাস্ট আছে। বই পড়ার সময় না থাকলে অন্তত একটি ব্রডকাস্ট শুনে কোনো বিষয় শিখুন।
* উপলক্ষর চাহিদার চেয়েও একটু ভালোভাবে পোশাক পরুন। কর্মস্থলে সকলেই যদি ক্যাজুয়াল পোশাক পরে আসেন তাহলে আপনিও একটি স্পোর্টস জ্যাকেটের সঙ্গে ক্যাজুয়াল পোশাকই পরে আসুন। কাজটি সহজ। কিন্তু আপনি সহজেই নজরে পড়বেন।
* প্রতিদিন অন্তত একবার অস্বস্তিতে পড়ুন। এমন কোনো কাজ করার সাহস দেখান যা আপনাকে উদ্বিগ্ন করবে। যেমন, সম্মেলন সংক্রান্ত কলের সময় উচ্চস্বরে কথা বলুন বা নতুন কারো প্রতি ‘হাই’ বলুন।


* গোলমাল মোকাবিলা করুন। কোনো কিছু দিয়ে কাজ করার পর সেটি জায়গামতো রেখে দিন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার জীবনে বিশৃঙ্খলা ও গোলমাল এড়াতে পারবেন। যা আপনার সময় অপচয়ও বাঁচাবে।
* নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। ভিন্ন রুটে কর্মস্থলে যাওয়া, নতুন কোনো লোকের সাথে কথা বলা বা নতুন কিছু নিয়ে পরীক্ষা চালানোর মাধ্যমে আপনি এই কাজ করতে পারেন। প্রতিদিনের ব্যস্ততার চাপে নিজের কৌতুহল মরে যেতে দেবেন না।


* লিখুন। প্রতিদিন লেখালেখির অভ্যাস আপনাকে নিজের অগ্রগতির খতিয়ান রাখতে সহায়তা করবে। এতে আপনি আরো বেশি অগ্রগতি অর্জন করতে পারবেন।
* বেশি বেশি হাঁটুন। সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে যান। ওপরে ওঠার সময় সিঁড়ি ব্যবহার করুন। সমস্যায় আটকে পড়লে অফিসের চারদিকে ঘুরে আসুন। দুপুরের খাবারের সময় বাইরে বের হয়ে হাঁটুন। অফিস শেষে পুনরায় পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরুন। এতে আপনার শক্তি, সৃজনশীলতা এবং মেজাজ-মর্জিও ভালো হবে।
* এমন পাসওয়ার্ড সৃষ্টি করুন যা অনুপ্রেরণা যোগায়। প্রতিমাসে আপনি আপনার পাসওয়ার্ড বদলাতে পারেন। এতে আপনি অনুপ্রেরণামূলক কোনো কাজের কথা লিখতে পারেন। ফলে আপনি যতবারই লগইন করবেন ততবারই ওই কাজটির কথা মনে হবে।


* ‘না’ বলুন। ‘না’ বলার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রচুর সময় বাঁচাতে পারবেন। আপনি যদি কোনো কাজ করতে না চান, কাজটি করার যথেষ্ট সময় না থাকে, কাজটি করে কোনো উপকার না দেখেন তাহলে শুধু ‘না’ বলে দিন। কারো অযৌক্তিক কোনো অনুরোধ ফিরিয়ে দিলে আপনাকে অলস মনে হতে পারে। কিন্তু নিজের সময় বাঁচাতে এবং নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলো অর্জনে সময় ব্যয় করার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কোনো উপায় নেই।

চোখের পাপড়ি সুন্দর করার জন্য

করতোয়া ডেস্ক- চোখের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে ঘন ও লম্বা পাপড়ির কোনো বিকল্প নেই। তবে সুন্দর ঘন পাপড়ির আশীর্বাদ সবার উপর থাকে না। তাই বাড়তি যতœ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।


চোখের পাপড়ি দ্রুত সুন্দর করে তোলার কিছু ঘরোয়া উপায় আছে। যা করলে সহজে পাপড়ি ঘন ও কালো হবে।
রাতে পাপড়িতে তেল লাগান ঃ চোখের পাপড়ি ঘন করে তোলার জন্য কয়েকটি তেলের মিশ্রণ তৈরি করে নিন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ওই মিশ্রণ একটি পরিষ্কার মাস্কারা ব্রাশের সাহায্যে চোখে বুলিয়ে নিন। প্রতি রাতে এই নিয়মে তেল লাগালে পাপড়ি ঘন হবে।


ভ্যাসলিন- শুনতে অদ্ভুত শোনালেও চোখের পাপড়ি ঘন করে তুলতে ভ্যাসলিন বেশ উপকারী। প্রতি রাতে পাপড়িতে অল্প পরিমাণ ভ্যাসলিন বুলিয়ে নিন। এতে পাপড়ি দ্রুত বেড়ে উঠবে।
ভিটামিন ই-তেলের সঙ্গে দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফাটিয়ে মিশিয়ে নিন। প্রতি রাতে চোখের পাপড়িতে লাগান। এছাড়া খাদ্য তালিকায় রাখুন প্রচুর ভিটামিন ই যুক্ত খাবার যা চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী।

উপরের এই উপায়গুলো চোখের পাপড়ি লম্বা ও ঘন করতে সাহায্য করবে। তবে মাস্কারা চোখের পাপড়ি সাজাতে ব্যবহার করা যেতেই পারে।
আর এক কোট মাস্কারা লাগিয়ে তার উপর অল্প করে পাউডার ছড়িয়ে দ্বিতীয় কোট মাস্কারা বুলিয়ে নিন। এই পদ্ধতিতে পাপড়ি অনেকটাই ঘন দেখাবে।

সৌন্দর্য ও ঘর-সংসার গোছানো নয় বুদ্ধিমত্তাই এখন নারীর যোগ্যতা

করতোয়া ডেস্ক , যদি বুদ্ধিমতি হন আপনার সঙ্গী, তবে বেশিদিন বেঁচে থাকার আশির্বাদ লাভ করলেন আপনি! কেমন হয় তাহলে? গবেষকরা কিন্তু এমন সম্ভাবনার কথাই বলছেন! সাম্প্রতিক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য যে সঙ্গীর বুদ্ধিমত্তা বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার আয়ু।


আপনি যখন আপনার হবু স্ত্রীর কথা কল্পনা করেন তখন কি থাকে আপনার প্রথম চাওয়া? নিশ্চয়ই একজন সুন্দরী রমনীকে দেখেন আপনি। দেখেন তিনি কেমন রান্না করছেন, কেমন যতœ নিচ্ছেন আপনার এবং আপনার পরিবারের। তিনি প্রখর বুদ্ধমতি, দূর্দান্ত স্মার্ট, যে কোন সমস্যা সমাধান করে ফেলেন মূহুর্তে এটা ভাবতে হয়ত গলা শুকিয়ে আসে আপনার। আমাদের উপমাহাদেশের পুরুষেরা নারীকে তার চেয়ে এগিয়ে থাকা অবস্থায় কল্পনাই করতে পারেন না। কিন্তু এই কল্পনা এবং এর বাস্তয়ায়ন বেঁচে থাকার সময়কে দীর্ঘ করে দেবে। কীভাবে?


গবেষকরা বলছেন, যে সকল পুরুষেরা বুদ্ধিমান নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন তারা কম অসুস্থতায় ভোগেন। তাদের জীবনে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কমে যায়, স্ট্রেস কমে যায়। ফলে তারা কম মানসিক চাপে ভোগেন। এছাড়াও তারা আলজেইমার বা বিষন্ন রোগে কম ভোগেন। এটা সবাই জানেন যে, বুদ্ধিদীপ্ত খেলা মানুষকে এ ধরণের ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, একজন বুদ্ধিমান সহধর্মিনী আপনার বুদ্ধির চর্চাকে ধরে রাখে, থেমে যেতে দেয় না। তাই তিনি আপনাকে রাখতে পারেন এ ধরণের ব্যাধিমুক্ত।


অবিশ্বাস্য হল, স্টাডিতে দেখা গেছে কিছু পুরুষ যারা উচ্চ বুদ্ধিসম্পন্ন নারীদের বিয়ে করেছেন তারা শারীরিকভাবে দূর্বল মস্তিষ্কের অধিকারী হওয়া স্বত্ত্বেও তাদের মাঝে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কোন সমস্যা দেখা যায় নি। তারা বরং নিজেদের মানসিক যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।


নারীদের উচিৎ তাদের বুদ্ধি নিয়ে গর্বিত হওয়া এবং ছোটবেলা থেকেই তাদের গড়ে তোলা উচিৎ দায়িত্বশীল এবং স্বাধীনচেতা মানুষ হিসেবে। পুরুষের উচিৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীকে সমমর্যাদা দেওয়া, পরিবারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা। এভাবেই জীবন স্বাস্থ্যকর হয়, জীবনের বাড়তি অনেক প্রেশার কমে যায়। কিন্তু দূঃখজনক হল, আমরা নারীদের যোগ্যতা বলতে এখনও শুধু সৌন্দর্য্যকে বুঝি, ঘর-সংসার গুছিয়ে রাখার দক্ষতাকে বুঝি। নিজেদের প্রয়োজনেই আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর সময় এসেছে।

ঘুমে দুঃস্বপ্ন এলে সিংহ কী করে দেখেছেন?

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা মানুষের অভ্যাস। সহজাত পক্রিয়ায় মানুষ স্বপ্ন দেখেন। কখনও তার স্বপ্ন তাকে শিহরিত করে আবার কখনও সেই স্বপ্নে ঘুম ভেঙে শরীর থেকে ঝরে ঘাম। দুঃস্বপ্ন। মানুষের জীবনে স্বপ্ন এবং দুঃস্বপ্ন হাত ধরাধরি করেই বাস করে। আচ্ছা, ভেবে দেখেছেন, মানুষ ছাড়া অন্য কোনও প্রাণী স্বপ্ন দেখে কিনা? যদি তাদের ঘুমে দুঃস্বপ্ন আসে তাহলে তাদের অভিব্যাক্তি কেমন হয়। কীভাবে তাদের শরীর প্রতিক্রিয়া করে? দেখুন এমনই এক ভিডিও যেখানে সিংহ দুঃস্বপ্ন দেখে যা অভিব্যাক্তি দিল- 

বুধের বড় বিপদ, বৃদ্ধ হচ্ছেন বুধ, গিলে খেতে পারে সূর্য!

ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে রক্ত। কুঁচকে, ঝুলে পড়ছে চামড়া। গায়ে-গতরে পুঁচকে হয়ে পড়ছে সে। পিঠে ভাঁজ পড়েছে। তৈরি হয়েছে একটি বিশাল উপত্যকা। কার রক্ত এইভাবে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে? নামটি তার বুধ। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।

 

নাহ্, পৃথিবী ছোট হচ্ছে না। তারারা কত আলোকবর্ষ দূরে, তা মাপারও কোনও প্রয়োজন এই মুহূর্তে পড়ছে না। আমরাও, মানে আমাদের সাধের এই গ্রহও একই জায়গায় আছে। সরে যাচ্ছে না। তবে আমাদেরই প্রতিবেশী গ্রহের খুব বড় বিপদ।

 

আমাদের বয়স যত বাড়ে, ততই রক্তের জোর কমে। একটি শিশুর শরীরে রক্ত যত গরম থাকে, কোনও বৃদ্ধের শরীরে ততটা থাকে না। রক্ত গরম থাকে বলেই শিশুদের শরীর তরতর করে বাড়ে। শিশুদের গায়ে-গতরে বাড়-বৃদ্ধির হার জোয়ানের তুলনায় অনেক বেশি। বুধেরও রক্তের জোর তেমনই কমে যাচ্ছে, খুব দ্রুত।

তার অন্তরের যে গনগনে আঁচ, তা খুব দ্রুত কমে যাচ্ছে। বুধের ভিতরটা উত্তরোত্তর ঠান্ডা মেরে যাচ্ছে। ফলে, পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ সবদিকেই ছোট হয়ে যাচ্ছে বুধ। তার পিঠে তৈরি হয়েছে এক বিরাট উপত্যকা। যাকে বলা হচ্ছে গ্রেট ভ্যালি। যেটি আমেরিকার অ্যারিজোনায় গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের চেয়েও বড়। গভীরতায় বুধের সেই উপত্যকাটি পূর্ব আফ্রিকার গ্রেট রিফ্ট ভ্যালির চেয়েও বেশি। এটি লম্বায় ৬২০ মাইল (১০০০ কিলোমিটার), চওড়ায় ২৫০ মাইল (৪০০ কিলোমিটার) এবং গভীরতায় ২ মাইল (৩.২ কিলোমিটার)

 

অনেক আগেই নাসার মেরিনার-টেন মহাকাশযান বুধের পাশ দিয়ে ছুটতে ছুটতে জানিয়েছিল, চেহারায় খাটো হয়ে যাচ্ছে বুধ। কতটা?

৪৬০ কোটি বছর আগে বুধের জন্মের পর গ্রহটি চেহারায় খাটো হয়েছে ১.২ থেকে ২.৫ মাইল বা দুই থেকে চার কিলোমিটার।

হালে বুধের পাশ দিয়ে ঘুরে এসেছে আরেকটি মহাকাশযান মেসেঞ্জার। তার দেওয়া তথ্য জানাচ্ছে, বুধ চেহারায় খাটো হয়েছে প্রায় ৮.৭ মাইল বা ১৪ কিলোমিটার।

একদিন হতেই পারে, বুধ খাটো হতে হতে চেহারায় এত ছোট হয়ে যাবে যে, সূর্যটা তাকে গিলেই খেয়ে নিতে পারে। তখন পৃথিবীর ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না তো? হিসাব কষতে ব্যস্ত বিজ্ঞানীরা।

 

শীতে পায়ের যত্ন

শীতকালে আমাদের ত্বক ও চুলের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। যত্নের অভাবে পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়। রুক্ষ হয়ে যায় পায়ের ত্বক। তাই শীতকালে চাই রুক্ষ-শুষ্ক পায়ের জন্য বিশেষ যত্ন। কীভাবে শীতকালে পায়ের যত্ন নেবেন?

১) দিনে দুবার নিয়ম করে পায়ে ময়েশ্চারাইজার মাখুন।
২) গরম জলে মধু মিশিয়ে, তাতে পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর আলতো হাতে স্ক্রাব করুন। মধুতে থাকে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টি-সেপ্টিক উপাদান। পাশাপাশি মধু ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
৩) অলিভ অয়েলের ম্যাসেজ। পায়ের ফাটা জায়গায় অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। রক্ত সঞ্চালন ভালো করে, ত্বক ভালো রাখে।
৪) গোড়ালি ফাটা এড়াতে মোজা পরুন। ফলে ত্বর শুষ্ক হবে কম।

শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে সহজেই তৈরি করবেন ‘তন্দুরি চিকেন’

চিকেন। নামটা শুনেই জিভে জল এসে গেল নিশ্চয়ই? আর হবে নাই বা কেন। চিকেন খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ কমই আছেন। চিকেনের যেকোনও রেসিপিই হোক না কেন, চেটেপুটে খায় প্রত্যেকে। রেস্তোরাঁতে গিয়েও চিকেন খাওয়ার সংখ্যাটা বেশ চোখে পড়ার মতো। মানুষ কেন বেশি চিকেন খেতে পছন্দ করেন, জানেন? কারণ, চিকেন সুস্বাদু, সহজপাচ্য, সহজলভ্য। তাই অন্যান্য সমস্ত খাবারের মধ্যেও চিকেনের চাহিদা একইরকম আছে।

চিকেনের যে রেসিপিটি বহু মানুষ রেস্তোরাঁয় গিয়ে খান, তা হল তন্দুরি চিকেন। অনেকেরই ধারণা আছে যে, তন্দুরি চিকেন বোধহয় বাড়িতে তৈরি করা খুব কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আসলে মোটেই তা নয়। বাড়িতে তন্দুরি চিকেন বানানো খুবই সোজা। আপনারও যদি এমন কোনও ধারণা থাকে, তাহলে এই ভিডিওটি দেখে শিখে নিন- কীভাবে বাড়িতে তৈরি করবেন ‘তন্দুরি চিকেন’।

জানেন বিশ্বের বেশি মানুষ কোন পশুকে পছন্দ এবং কোন পশুকে অপছন্দ করেন?

আপনি কি খুবই পশু-পাখি পছন্দ করেন? আপনার বাড়িতেও রয়েছে কোনও বিশেষ পোষ্য? তা কোন পশু বা পাখি সবথেকে বেশি প্রিয় আপনার? একেবারেই অপছন্দ করেনই বা কোন পশু-পাখি? আচ্ছা, আপনারটা আপনি ভাবতে থাকুন। তার আগে বরং আপনাকেই জিজ্ঞেস করে নিই, জানেন কি বিশ্বের বেশি সংখ্যক মানুষ কোন পশু বা পাখিকে পছন্দ করেন?

এই বিষয়ের উপর সমীক্ষা চালিয়েছিল অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট টেলিভিশন চ্যানেলটি। বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের থেকে তাঁরা জানতে চান পছন্দের পশু এবং অপছন্দের পশুর কথা। সেই অনুযায়ী সমীক্ষার ফল হল, বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের সবথেকে পছন্দের দুই পশু বা প্রাণী হল, বাঘ এবং কুকুর। আর বিশ্বের বেশি সংখ্যক মানুষ পছন্দ করেন না ওরাং ওটাং এবং তিমি মাছকে। কি আপনার পছন্দ এবং অপছন্দের সঙ্গে মিলে গেল নাকি?

রোগ সারাতে মিউজিক থেরাপি

মনে অবসাদ? কিছুই ভালো লাগে না? সম্পর্কে তিক্ততা? চেপে ধরছে রোগ? ওষুধ একটাই। মিউজিকেই ম্যাজিক। গান শুনলে রোগ উধাও।

স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, মিউজিকেই ম্যাজিক। শরীরের এই জন্মগত রোগ সারাতে মিউজিক থেরাপির কোনও বিকল্প নেই। মস্তিষ্কের অকেজো কোষগুলি ক্ষণিকের জন্য হলেও স্বাভাবিক করে তোলে। শরীরকে চনমনে ও মনকে সুন্দর রাখতে গান অপরিহার্য। নিয়মিত ২৫ মিনিট গান শুনলে ব্যাক পেইন অন্যত্র পাড়ি জমায়। পাওয়া যায় প্রশান্তির ঘুম।

ডেনমার্কের আরহাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, মেজাজ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে মিউজিক। মস্তিষ্কের ডোপামিনের প্রভাবেই এই ঘটনা ঘটে। এই ডোপামিনকে নিয়ন্ত্রণ করে মিউজিক। উচ্চ রক্তচাপ, ডিপ্রেশন, ঘুমে জড়তা বা  স্মৃতি লোপের মতো অসুখ সারাতে মিউজিকের বিকল্প নেই। মস্তিষ্কের পেশি স্বাভাবিক রাখে। ফলে, স্ট্রোকের কারণে লোপ পাওয়া বাকশক্তি ফিরে পেতে এবং পারকিনসন্স রোগ থেকে ধীরে ধীরে আরোগ্য লাভ করা যায়।

এ ছাড়া সিজোফ্রেনিয়া, অ্যামনেসিয়া, ডিমেনসিয়া, অ্যালঝাইমার্স রোগের দুর্দান্ত ওষুধ মিউজিক। গর্ভবতী মায়েরা নিয়মিত গান শুনলে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ সুন্দর হয়। গবেষকদের দাবি, গান শোনার পর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পড়ার আগ্রহ বাড়ে। মনোযোগ এবং দক্ষতাও বাড়ে। অটিজম আক্রান্ত শিশুর চিকিত্সায় মিউজিক থেরাপির জুড়ি নেই।

কত বছর বাঁচবেন আপনি? বলে দেবে একটা রক্তপরীক্ষা

এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে পাল্টে দেওয়া যাবে অনেক কিছু! মানুষ নিজের ভবিষ্যত্ জানে না। নিজের ভবিষ্যত সম্পর্কে সে অন্ধকারে থাকে। কোনও মানুষ কতদিন বাঁচবে, তা কেউই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যায় না। কিন্তু এবার এই উত্তরটাই আপনি পেয়ে যাবেন। একটা রক্তপরীক্ষা বলে দেবে, আপনি কত বছর বাঁচবেন। এমনটাই বলছেন বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

এজিং সেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাটি। যেখানে বলা হয়েছে, ৫০০০ নমুনা রক্তের বায়োমেকার ডেটা অ্যানালিসিস করা হয়েছে। যার পরই তাঁরা এক ‘ম্যাজিক’ রক্তপরীক্ষার সন্ধান পেয়েছেন, যা বলে দেবে একজন মানুষ কতদিন বাঁচবেন। এমনকী জানা যাবে, তাঁর ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কি না। যা কমিয়ে আনে মানুষের জীবনের আয়ু।

যে অভ্যাসগুলোর কারণে ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়

করতোয়া ডেস্ক ঃ চাকরি পাওয়ার পর মনে হয়, হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। সব চিন্তা শেষ। সত্যিই কি তাই? ক্যারিয়ারের উন্নতি চাইলে ভুলেও এমনটা ভাববেন না। আপনাকে সব সময়, সব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। আর কিছু অভ্যাস তো অবশ্যই বদলে ফেলতে হবে, যা আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।


* অফিসের সবকিছুতেই হ্যাঁ বলাটা কি ভালো, না খারাপ? উত্তর হলো, খারাপ। সবকিছুতেই রাজি হয়ে যাওয়াটা আপনার ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবে। এটা ঠিক যে, হ্যাঁ বলার জন্য আপনার বস ও সহকর্মীরা আপনার ওপর অনেক খুশি হবেন, তবুও যদি ক্যারিয়ার বাঁচাতে চান, তাহলে ‘না’ বলেতে শিখুন।
* অফিসের ই-মেইলগুলো অযথা বড় করে লিখতে যাবেন না। এই ই-মেইলগুলো ছোট করে লিখতে শিখুন। আর সহকর্মীদের পাঠানো ই-মেইলে কখনোই স্মাইলি বা অপ্রয়োজনীয় কথা লিখবেন না।


* আপনি হয়তো অনেক দক্ষ একজন কর্মী, কিন্তু কখনোই নিজের টিমকে অবহেলা বা উপহাস করবেন না। এটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ক্ষতিকর। যদি নিজের ক্যারিয়ারে ভালো করতে চান, তাহলে সহকর্মীকে গুরুত্ব দিতে শিখুন।
* সাদামাটাভাবে চাকরি করতে থাকলে একসময় আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হয়তো আপনার চাকরি যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, কিন্তু তাই বলে যেমন ইচ্ছা, তেমন করা যাবে না।


* অফিসে নিজের ইগো ধরে রাখলে ভবিষ্যতে আপনারই ক্ষতি হবে। সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই ভালো।
* সব সময় শেষ মুহূর্তে কাজ শেষ করা ভালো অভ্যাস নয়। একবার বা দুবার হতে পারে, কিন্তু সব সময় যদি আপনি এমনটা করতে থাকেন, তাহলে বস আপনার ওপর খুবই বিরক্ত হবেন।


* আপনি কাজের বিষয়ে সিরিয়াস না বলে অন্যরাও আপনার মতো হবে, এমনটা ভাববেন না। কোনোভাবেই সহকর্মীদের কাজে সমস্যা করা যাবে না। এর ফলে সহকর্মীরা আপনার কাছে থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।


* অফিসে বসে হেডফোনে জোরে গান শোনা খুবই খারাপ অভ্যাস। এতে পাশের সহকর্মীরা বিরক্ত হবে। আর আপনার এই আচরণ অন্য কর্মীর ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

* অফিসে বসে ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে বেশি সময় নষ্ট করলে আপনারই ক্ষতি। এতে সব সময় আপনার মনোযোগ কাজের থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই বেশি থাকবে। আর সারাক্ষণ চ্যাট করলে আপনার সহকর্মীরা সেই কথা বসের কানে তুলতে পারে। তাই সাবধান।
* কোনো এক সহকর্মীর বিরুদ্ধে অন্য সহকর্মীদের কাছে কথা বলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এমনকি সহকর্মীদের কথা বসের সঙ্গে বলাও ঠিক নয়। এতে সাময়িক বাহবা পেলেও ভবিষ্যতে আপনি বিপদে পড়বেন।

* সহকর্মী কিংবা বসের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। ক্যারিয়ারের উন্নতি চাইলে অফিসে সবার কথা মন দিয়ে শুনুন। কখনোই এ বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করবেন না।
* অফিসে পরিপাটি পোশাক পরে আসতে হবে। পোশাকে ফিট না থাকলে কাজেও মন বসবে না। আর নিজেকে সুন্দর লাগলে কর্মক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই সাধারণভাবে না এসে গুছিয়ে পরিপাটি পোশাক পরে অফিসে আসুন।

* সহকর্মী বা বসের সঙ্গে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দেবেন না, যা আপনি রক্ষা করতে পারবেন না। আর যদি প্রতিশ্র“তি আপনাকে দিতেই হয়, তাহলে সেটা রক্ষা করার চেষ্টা করুন।

* আপনার যদি চাকরিটি ভালো নাই লাগে, তাহলে ছেড়ে দিন। চাকরিও ছাড়বেন না, আবার সহকর্মীদের সঙ্গে অফিসের বদনাম করবেন, এটা আপনার ক্যারিয়ারের ওপর অনেক বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

* ফোনের রিংটোন সব সময় অন করে রাখার অভ্যাসটা বদলে ফেলুন। এতে অন্য সহকর্মীদের কাজের মনোযোগ নষ্ট হয়। আট ঘণ্টা তো আর ফোন বন্ধ করে রাখা যায় না। তাই মোবাইল ফোনটিকে নীরব বা শব্দ কমিয়ে রাখুন।

কোন অনুষ্ঠানে কি পোশাক পরবেন, কোন সাজ সাজবেন এবার তা জানাবে সফটওয়্যার

করতোয়া ডেস্ক আপনি কোনো বিয়ে বাড়িতে যাবেন কিংবা কোনো চাকরির পরীক্ষায় যোগ দিতে যাচ্ছেন। কোন পোশাক আপনাকে মানাচ্ছে, তা ঠিক করতে পারছেন না। এমন সমস্যারও সমাধান মিলবে সফটওয়্যারে।

চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্স ও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের একদল গবেষক পোশাক নির্বাচন-সংক্রান্ত এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে জুতসই পোশাক নির্বাচন করা সহজ হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। প্রথমত, একজন ব্যক্তিকে তাঁর পোশাকের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। কাঙ্খিত জামার হাতার দৈর্ঘ্য, রং ও কলারের ধরনের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পোশাকটি বাছাই করা হয়। ওই পোশাকটি আপনাকে কেমন মানাবে, সেটিরও প্রায় ২৫ হাজার ছবি দেখাবে সফটওয়্যারটি।

বুদ্ধিমান মানুষের বন্ধু সংখ্যা কম, বলছে গবেষণা

আপনার বন্ধু সংখ্যা ঠিক কত? খুব কম, একেবারে হাতে গোনা নাকি অগুনতি? প্রশ্নগুলো করার একটাই কারণ, তাহল আপনার বন্ধুদের মোট সংখ্যাই বলে দেবে আপনি কতটা বুদ্ধিমান। নিশ্চই খুব অবাক হচ্ছেন, ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! কিন্তু এমনটাই দাবি করছেন লণ্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স-এর এক অধ্যাপক।

ওই অধ্যাপক মানুষের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত্ গবেষণা করছেন। রীতিমতো এক্সপিরিমেন্ট করে তিনি দেখেছেন, যে সব মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত অর্থাত্ যাঁরা ‘হাই ইন্টেলিজেন্স লেভেল’-এ রয়েছেন তাঁদের বন্ধুর সংখ্যা নিতান্তই কম, এমন কি অনেক সময় বন্ধু থাকেও না। এই সব মানুষেরা একা একা সময় কাটিয়েই বেশি সুখ অনুভব করে থাকেন।
আরও পড়ুন- পালং-এর কেরামতি

অনেকেই মনে করেন, অতি মাত্রায় বুদ্ধিমান মানুষদের অন্যান্যদের প্রতি এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা কাজ করে। কিন্তু এটাকে তাঁদের অসামাজিক আচরন হিসাবে ব্যাখ্যা করলে ঠিক হবে না। বরং বলা যায়, যেহেতু তাঁরা সমাজে এক রকমের সংখ্যা লঘু তাই তাঁরা একটু গুটিয়েই রাখেন নিজেদের। এবার তাহলে নিচের ভিডিওটিতে ক্লিক করে দেখে নিন এই বিষয়ে অধ্যাপক মহাশয়ের করা সম্পূর্ণ পরীক্ষাটি-

শীতে এই ‘হট ড্রিঙ্কস’গুলিই ভালো রাখবে আপনার হার্ট!

শীতকালে ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি প্রায় সবারই নিত্য সমস্যা। মাফলার, টুপি, সোয়েটার গায়ে চড়িয়েও যেন ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচা যায় না। ঠান্ডা লাগবেই। তবে ঘরে তৈরি বেশ কিছু ‘হট ড্রিঙ্কস’ রয়েছে, যা শীতকালে আপনার শরীর সুস্থ রাখবেই। শুধু ঠান্ডার হাত থেকে আপনাকে বাঁচানো নয়। ভালো রাখবে আপনার হার্টও। আর শরীর সুস্থ থাকলেই আপনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে পারবেন ঠান্ডার আমেজ।

শীতের ‘হট ড্রিঙ্কস’

১) আদা চা- এক কাপ গরম গরম আদা চা শীতের ‘বেস্ট হট ড্রিংক’। সর্দি-কাশিতে আরাম দেয়। হজমে সাহায্য করে। কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্ভাবনা কমায়। এরসঙ্গে লেবুর রসও যোগ করে খাওয়া যেতে পারে।

২) দারচিনির রস-  শীতকালে দারচানির রস খুবই উপকারী। পেশি সংকোচন আটকায়। বমি, ডায়রিয়া, সংক্রমণ, সর্দি-কাশি প্রভৃতির নিরাময়ে কাজ দেয়। সেইসঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৩) হট কফি- টাইপ ২ ডায়াবেটিস, পারকিনসন্স, লিভার ক্যান্সারের চিকিত্সায় কাজ দেয়। হার্ট ভালো রাখে।

৪) গ্রিন টি- প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ও খুব সামান্য পরিমাণে ক্যাফাইন থাকে। ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগ, হাই কোলেস্টেরল, রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস সারাতে সাহায্য করে। গ্রিন-টি অ্যান্টি কার্সিনোজেনিকও।

৫) ব্ল্যাক টি- ব্ল্যাক টি-এ প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। পাশাপাশি খুব সমান্য পরিমাণে থাকে সোডিয়াম, প্রোটিল ও কার্বোহাইড্রেট। ডায়াবেটিস, হাই কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাসথমা প্রভৃতি নিরাময়ে ব্যাক টি দারুণ কাজ দেয়। এছাড়া ক্যানসার প্রতিষেধক হিসেবেও ব্ল্যাক টি-র জুড়ি মেলা ভার।

মাত্র ২ মিনিটে শিখে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন ‘ক্ষীর’

যত ভালো ভালো খাবারই মেনুতে থাকুক না কেন, শেষ পাতে একটু মিষ্টিজাতীয় কোনও খাবার না হলে যেন ঠিক খাওয়াটাই জমে না। কি তাই তো? সে এক টুকরো সন্দেশ হোক কিংবা রসোগোল্লা কিংবা যে কোনও মিষ্টি। শেষ পাতে মিষ্টি পুরো খাবারটাকে তৃপ্তির পর্যায়ে নিয়ে যায়। রোজ রোজ দোকানের একঘেয়ে রসোগোল্লা সন্দেশ খেয়ে খেয়ে অন্য কিছু খেতে ইচ্ছে তো আমাদের সকলেরই করে। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। অনেকেই বাড়িতে মিষ্টি তৈরি করতে পারেন না। তাঁদের ধারণা, বাড়িতে মিষ্টি বানানো বুঝি খুব কঠিন একটা কাজ। আসলে বিষয়টা কিন্তু তেমন নয়। কঠিনও নয় আবার সময় সাপেক্ষও নয়। মাত্র কয়েক মিনিটেই আপনি বাড়িতে অন্যরকম কোনও মিষ্টি বানিয়ে ফেলতে পারবেন। তার উপর এখন আবার শীতকাল। শীতকাল মানেই নতুন গুড়। যে মিষ্টিই বানান না কেন, চিনির পরিবর্তে নতুন গুড় ব্যবহার করলে তার স্বাদই পালটে যায়। তাই শিখে নিন বাড়িতে কীভাবে খুবই সহজে বানাবেন ‘ক্ষীর’। এর থেকে সহজ রেসিপি আর কিছু হয় না। শিখে নিন। আর বানিয়ে ফেলুন। ডিনারটা জমে যাবে।

এবার নারী বাসের টিকিট বিক্রেতা

করতোয়া ডেস্ক  যে কাজগুলো যুগের পর যুগ করে এসেছেন পুরুষরা, এখন পুরুষদের সেই একচ্ছত্র আধিপত্য আর নেই। কারণ এই সময়ের নারীরা এমন কোনো চ্যালেঞ্জিং কাজ নেই, যা তারা করছে না। কাউন্টারে বসে বাসের টিকিট বিক্রি করা এতদিন শুধু পুরুষদের কাজ ছিল। এখন সেই কাজও করছেন নারীরা।
হাতিরঝিল এলাকায় টুরিস্ট বাসের টিকেট বিক্রি করছেন ববিতা সরকার।

বাসের কাউন্টারে বসে টিকেট বিক্রি করছেন একজন নারী – এই দৃশ্য কি ক’ বছর আগেও কল্পনা করতে পারতেন বাংলাদেশের মানুষ? বাংলাদেশের পুরুষ শাসিত সমাজে এমনটা হয়তো কল্পনাতীত। কিন্তু শুধু পুরুষরাই এই পেশায় থাকবে এমন প্রচলিত ধারনাকে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন আমাদের দেশেরই কয়েকজন নারী।


হেলেনা চিসিম, প্রিয়াঙ্কা রাণী, বৃষ্টি মানকিন, মৌসুমী থিগিডি, লিহিনা মাঝি, নূপুর, নুসরাত এবং ববিতা সরকার নামে কয়েকজন ছাত্রী হাতিরঝিল বাস কাউন্টারে টিকেট বিক্রির পেশা বেছে নিয়েছেন। আমাদের সমাজের নারীরা তাঁদের চিরাচরিত ভূমিকা থেকে বের হয়ে আসছেন। এই ঘটনা অন্তত তাই প্রমাণ করে।
গত জানুয়ারীতে এই কাজে যোগ দেন হেলেনা আর বৃষ্টি। প্রিয়াঙ্কা আর ববিতা শুরু করেন জুলাইতে আর মৌসুমী, লিহিনা, নূপুর আর নুসরাত বাসের টিকেট বিক্রির কাজে যোগ দেন আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে।


সপ্তাহে ছয় দিন সকাল সাতটা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কাজ করেন তাঁরা।
হাতিরঝিলের এইচ আর ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রিত স্পেশাল বাস সার্ভিসের সাতটি টিকেট কাউন্টার আছে। এই আটজন নারী সহ মোট পনেরো জন কাজ করেন কাউন্টারগুলোয়।


রক্ষণশীল সামাজিক মূল্যবোধ যেহেতু এখনও আমাদের সমাজে রয়ে গেছে শুরুতে তাই একটু চিন্তিতই ছিল এই নারীরা। কিন্তু কাজ শুরু করার পর সেই সন্দেহ দূর হয়ে গেছে তাঁদের।

সরকারী তিতুমীর কলেজের ছাত্রী হেলেনা চিসিম বলেন “শুরুর দিকে কাজটা নিয়ে একটু দ্বিধাগ্রস্থ ছিলাম, যেহেতু এখানে যারা আসেন তারা শিক্ষিত নন, আমরা নিশ্চিত ছিলাম না আমাদেরকে তারা কিভাবে নেবে। কিন্তু ভাবলাম – কাজটা করেই দেখি,”।

২০১০ সালে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় আসেন হেলেনা। শুরুতে কিছু সমস্যা হলেও সেগুলো থামাতে পারেনি তাঁকে।
উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করা প্রিয়াঙ্কা রাণী বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময়টা কাটানোর জন্য এই কাজটা নেই আমি। ভাবলাম ছুটিতে কিছু টাকা যদি আয় করা যায়। এখান থেকে যা আয় হয় সেটা দিয়ে আমার নিজের খরচ চলে যায়।”
টিকেট বিক্রির পাশাপাশি এই নারীদের ঘরের কাজ আর পড়াশুনার জন্য সময় বের করতে হয়।

পরীক্ষার আগে কারো ছুটি প্রয়োজন হলে অফিস থেকে ছুটি পাওয়া যায় বলে জানান বৃষ্টি মানকিন।
পুরুষ সহকর্মীদের মতই চাপ নিতে হয় এই নারী কর্মীদের। সময় মত লাঞ্চ ব্রেক পাননা তাঁরা। আর টিকেটক্রেতাদের বাজে আচরণ তো প্রতিদিনের ঘটনা।
লিহিনা বলেন, “একদিন বাস আসতে দেরি হওয়াতে একজন যাত্রী কোম্পানির বসিয়ে দেয়া পুতুল বলে তাকে ধমক লাগান… এই সময় তার কিছুই করার ছিল না,”
এই নারীদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা হল হাতিরঝিল এলাকায় টয়লেট সুবিধা।

ববিতা জানান, “অফিসে ফোন করলে ওরা গাড়ি পাঠায়, সেখানে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করতে হয়।”
টিনের তৈরী এই বাস কাউন্টারগুলো দুপুরের দিকে প্রচ  গরম হয়ে ওঠে, কিন্তু এই কাউন্টারগুলোর ভেতরে কোন ফ্যান নেই।
“দুপুরে ব্যাপারটা অসহ্য হয়ে ওঠে,” ববিতা বলেন।
এইচআর ট্রান্সপোর্টের আটটি বাস প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাস্তায় চলাচল করে। হাতিরঝিলের টিকেট কাউন্টারগুলো তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বসানো হয়েছে।

টয়লেট এবং গরমের সমস্যার কথা জিজ্ঞেস করায় এইচআর বাস সার্ভিসের ম্যানেজার জাহাঙ্গির আলম জানান, “হাতিরঝিল প্রকল্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এখানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তখন আর এই সমস্যা থাকবেনা।”
তিনি আরো জানান এই প্রকল্পের কর্মকর্তারা এখানে স্থায়ী টিকেট কাউন্টার তৈরী করবেন যেখানে সব ধরনের সুবিধা থাকবে। আর এই মুহুর্তে এইচআর বাস সার্ভিস এখানে সাময়িক ভাবে টিকেট কাউন্টার বসিয়েছেন।
মেয়েদের অতিরিক্ত নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই তাঁদের সকালের সময়টাতেই কাজ দেয়া হয়েছে বলেও জানান জাহাঙ্গির।

সফলতা অর্জনের জন্য নারীদের যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিৎ

করতোয়া ডেস্ক    “বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তাঁর নর” কবি নজরুল এ কথা বলে গেছেন বহু বছর পূর্বেই। কিন্তু সামাজিক, পারিপার্শ্বিক অনেক কারণেই নারীরা আজও বিশ্বের অনেক জায়গাতেই নিগৃহীত। তবে ব্যতিক্রম যে নেই তাও কিন্তু নয়। হেরে যাওয়ার মনোভাব ছুড়ে ফেলে সামনের দিকে অগ্রসর হয়েছেন সব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে এমন নারীর সংখ্যাও কম নয়। আর তাঁরাই বর্তমানের নারীদের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে অনুপ্রেরণা যোগাতে পারেন। “ফোর্বস” এর গবেষণা অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন অঙ্গনে সফল নারীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী দশ ক্যারিয়ার লেসন জেনে নিন নিজেকে ক্যারিয়ারে আরো বেশি আত্মপ্রত্যয়ী, আরো বেশি সফল করে তোলার  পথে।
ভোরে ঘুম থেকে উঠুন স্টারবাকস এর প্রেসিডেন্ট মিশেল গ্লাস প্রতিদিন ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করতে যান। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন “ভোগ” এর বহুদিনের সম্পাদক অ্যানা উইনটোর’কে কাজ শুরু করার আগে প্রতিদিন ভোর ছটায় টেনিস কোর্টে দেখা যেতো। এসব সফল নারীরা দিন শুরু করতেন খুব ভোরেই।

মধ্যস্থতায় অংশ নিন সব সময় এক গবেষণায় দেখা যায় যে, নারীরা পুরুষের তুলনায় মধ্যস্থতা এবং এর মাধ্যমে সফলতা অর্জনে তুলনামুলকভাবে কম পারদর্শী। এই কারণে অনেকসময় নারী ও পুরুষের উপার্জনেও পার্থক্য দেখা যায়। এই পারদর্শিতা সাফল্যের পেছনে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই নিজেকে এইকাজে পারদর্শি করে তোলা ক্যারিয়ারের এক অন্যতম চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

প্রতিনিধিত্ব করুন হোটেল ব্র্যান্ড “ফোর সিজনস” এর সিইও কেটি টেইলর বলেন যে তিনি নিজে নেতৃত্ব কিংবা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে  কিছুটা খেয়ালী। তবুও তিনি তার কাজের জায়গায় চারপাশে প্রতিনিধিত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করেন পুরোদমে।

পরামর্শদাতা বাছাই করুন এবং তাঁদের সর্বোচ্চ বের করে নিন নিজের মতো ঃ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এর চিফ অপারেটিং অফিসার শেরিল স্যান্ডবার্গ বলেন, নিজের মতো করে কাজ শেখার জন্য মেন্টর বাছাই করে নিন। খুব সাধারণভাবে নেটওয়ার্কিং তৈরি করুন তাঁর সাথে। সম্পর্কটা সুন্দর ও হালকাভাবে বজায় রাখুন। এভাবে যখন সুযোগ আসবে, নিঃসন্দেহে তারা আপনাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে, আপনার হয়ে সুপারিশ করবে।

সবসময় অনুসন্ধিৎসু থাকুন কৌতুহলী থাকাটা নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখাতে, নতুন কিছুর সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে। “ডিজনি মিডিয়া নেটওয়ার্ক” এর কো-চেয়ার “ডিজনি-এবিসি টেলিভিশন গ্রুপ” এর প্রেসিডেন্ট এনি সোওয়েনি নিজেকে ‘কৌতুহল দ্বারা পরিচালিত’ বলে ব্যাখা করেন। তিনি আরো বলেন,
“সবচেয়ে করিৎকর্মা হতে হলে আপনি যা করতে পারেন তা হলো সবসময় প্রশ্ন করে যাওয়া”।

শুনতে হবে সবার কথা প্রত্যেকের কথা মন দিয়ে শুনতে চেষ্টা করুন। একেকজনের কাছ থেকে একেক রকমের তথ্য নিঃসন্দেহে জ্ঞান এবং কাজের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করবে। তাই বলার চাইতে শোনার ক্ষমতা ক্যারিয়ারে সফল হতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

ক্যারিয়ার গোল সেট করুন “ক্যাম্পবেল’স সুপ” এর সিইও ডেনসি মরিসন তাঁর যুবা বয়সেই ঠিক করেন যে তিনি একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কাজই করবেন। তিনি বলেন প্রথমেই জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে নেওয়া উচিৎ। তা হোক স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদী। “আমি এখন কোথায় আছি?”, “আমি এখন কোথায় যাচ্ছি?” এবং “কেন যাচ্ছি” এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেওয়াটাকে ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরেন তিনি।

সাহসী হোন “প্রথমে তোমাকে ঠিক করতে হবে যা তুমি কি করতে চাও, আর তারপর সাহস করে তার পেছনে লেগে পড়তে হবে”- “কিইকর্প” এর সিইও বেথ মুনি এমনটাই বলেন ক্যারিয়ার সম্পর্কে। ব্যর্থতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাই বলে পিছিয়ে না পড়ে সাহস সঞ্চয় করতে হবে। এক সময় সফলতা আসবেই।
“না” শন্দটির সাথে মানিয়ে নিন নিজেকে “না” শব্দটির সাথে মানিয়ে নিন। মাঝে মাঝে আপনাকে এটি শুনতে হতে পারে, আবার মাঝে মাঝে কাউকে হয়তো আপনার না বলতে হবে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরথারিন কাজিন বলেন, “না শব্দটি উচ্চারণ নারীর জন্য অনেক কঠিন একটি শব্দ, একে অনুশীলণের মাধ্যমে সহজ করে নিতে হবে।

অধ্যবসায়ী ও স্থির হোন ঃ যেকোন সফলতার জন্যই অধ্যাবসায় অনেক বড় একটি বিষয়। নারীদের ক্যারিয়ারে এটি আরো বেশি প্রয়োজনীয়। তাই অধ্যাবসায় বজায় রেখে স্থির থেকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সাফল্য আসবেই।

উড়ান এবং অবতরণের সময় বিমানের লাইট কেন ক্ষীণ করে দেওয়া হয়?

যাঁদের আকাশ পথে চলাচলের অভিজ্ঞতা আছে, তারা এই বিষয়টা নিয়ে নিশ্চয় অবগত, উড়ান এবং অবতরণ এই দুই সময়ই বিমানের ভিতরের আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়। সারাক্ষণ লাইটের আলো তীব্র থাকলেও কেন এই দুই সময় আলো একেবারে মৃদু করে দেওয়া হয়, জানেন? এর পিছনে যে মূল কারণটি রয়েছে তা হল যাত্রী সুরক্ষা। এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, যাত্রী সুরক্ষার সঙ্গে লাইটের আলো কমিয়ে আনার সম্পর্ক কী? বিমানের পরিচারকেরা জানিয়েছেন, প্রথমত হঠাৎ কোনও দুর্ঘটনা ঘটে গেলে যদি বিমানের সব লাইট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আরও বিপদের সম্মুখীন হবেন যাত্রীরা। হঠাৎ করে সামনে অন্ধকারের বদলে যাত্রীরা যদি ক্ষীণ আলোতে থাকেন তাহলে তা তাঁদের চোখের পক্ষেও ভালো এবং এই ধরনের সমস্যার সময় অল্প আলোতে যাত্রীরা যাতে আপতকালীন দরজার লাইটে ভালো করে নজর রাখতে পারেন তাই এমনটা করা হয়। কারণ, ক্ষীণ আলোতে আরও স্পষ্ট দেখা যায় আপতকালীন দরজার লাইট।

অ্যারাবিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যালে টিম কিরীটী, স্বাদ বদলান আপনিও

নতুন বছরে একটু স্বাদ বদলাতে চান? তাহলে ইন্ডিয়ান চাইনিজ তো অনেক হল, চেখে দেখুন অ্যারাবিয়ান ফুড। সল্টলেকে চার্নক রেস্তোরাঁয় শুরু হল অ্যারাবিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল। আর সেখানেই হাজির টিম কিরীটী। 

খাদ্যরসিকদের জন্য সুখবর। ইন্ডিয়ান, চাইনিজ বা কন্টিনেন্টাল খেয়ে খেয়ে বড্ড একঘেয়ে লাগছে। তাহলে এবার চেখে দেখুন অ্যারাবিয়ান ফুড। বিভিন্ন স্বাদের নতুন পদ নিয়ে হাজির চার্নক রেস্তোরাঁ। আর তাঁদের এই মেনু লঞ্চে হাজির টিম কিরীটী। কিরীটী ওরফে চিরঞ্জিত্‍ জানালেন তাঁর এবং কিরীটীর প্রিয় খাবারের কথা। ছবির পরিচালক ভোজন রসিক। অ্যারাবিয়ান ফুড তাঁর খুব পছন্দের।তবে খাবারের পাশাপাশি কিরীটী নিয়ে প্রত্যাশার কথাও বলতে ভুললেন না। ছবির সুর করেছেন শিল্পী জয় সরকার। ছবির নাম সেতারের সুর তাই আবহ সঙ্গীত ছবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, জানালেন তিনি। কিরীটী টিমের সঙ্গে হাজির ছিলেন শারদ সুন্দরীরাও।খাওয়া দাওয়া আড্ডায় জমে গেল শীতের সন্ধ্যা।

পাখিদের কেন দাঁত থাকে না, গবেষণায় মিলল নতুন তথ্য

কখনও ভেবে দেখেছেন, পাখিদের কেন দাঁত থাকে না? তাহলে শুনুন, গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন দারুণ এক তথ্য। পাখিদের দাঁত না থাকার পিছনে এটা অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন তাঁরা।

একধরনের ডায়নোসর প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যাদের দুধের দাঁত ছিল। কিন্তু সেই দুধের দাঁত পড়ে যাওয়ার পর নতুন করে আর দাঁত ওঠেনি। বরং বদলে গেছে দৈহিক গঠন। যেকারণেই হয়তো পাখিদের চঞ্চু আছে। দাঁত নেই।

শিশু থেকে পূর্ণবয়স্ক, প্রায় ১৯ ধরনের জুরাসিক সেরাটোসরিয়ান থেরোপড লিমুসরারস ইনএক্সট্রিক্যাবিলিস কঙ্কালের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। বিবর্তনকালে পাখিদের পূর্বপুরুষ হল লিমুসরারস ইনএক্সট্রিক্যাবিলিস। কীভাবে সময়ের সাথে সাথে দাঁত লুপ্ত হয়েছে, পরীক্ষায় উঠে এসেছে সেই তথ্য। শিশু কঙ্কালে শক্ত ও তীক্ষ্ণ দাঁত থাকলেও, ধীরে ধীরে প্রাপ্তবয়স্ক কঙ্কালে দেখা যায় কোনও দাঁত নেই।

সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে “কারেন্ট বায়োলজি” জার্নালে। আরও পড়ুন, ই-সিগারেট আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে একইরকমভাবে ক্ষতিকর

বুদ্ধিমান মানুষের বন্ধু সংখ্যা কম, বলছে গবেষণা

আপনার বন্ধু সংখ্যা ঠিক কত? খুব কম, একেবারে হাতে গোনা নাকি অগুনতি? প্রশ্নগুলো করার একটাই কারণ, তাহল আপনার বন্ধুদের মোট সংখ্যাই বলে দেবে আপনি কতটা বুদ্ধিমান। নিশ্চই খুব অবাক হচ্ছেন, ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! কিন্তু এমনটাই দাবি করছেন লণ্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স-এর এক অধ্যাপক।

ওই অধ্যাপক মানুষের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত্ গবেষণা করছেন। রীতিমতো এক্সপিরিমেন্ট করে তিনি দেখেছেন, যে সব মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত অর্থাত্ যাঁরা ‘হাই ইন্টেলিজেন্স লেভেল’-এ রয়েছেন তাঁদের বন্ধুর সংখ্যা নিতান্তই কম, এমন কি অনেক সময় বন্ধু থাকেও না। এই সব মানুষেরা একা একা সময় কাটিয়েই বেশি সুখ অনুভব করে থাকেন।

অনেকেই মনে করেন, অতি মাত্রায় বুদ্ধিমান মানুষদের অন্যান্যদের প্রতি এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা কাজ করে। কিন্তু এটাকে তাঁদের অসামাজিক আচরন হিসাবে ব্যাখ্যা করলে ঠিক হবে না। বরং বলা যায়, যেহেতু তাঁরা সমাজে এক রকমের সংখ্যা লঘু তাই তাঁরা একটু গুটিয়েই রাখেন নিজেদের। এবার তাহলে নিচের ভিডিওটিতে ক্লিক করে দেখে নিন এই বিষয়ে অধ্যাপক মহাশয়ের করা সম্পূর্ণ পরীক্ষাটি-

ওজন ঝরানোর ৫টি ‘সুপার ফুড’

ওজন সমস্যা আমাদের প্রায় সবারই। খাওয়ার একটু এদিক-ওদিক হলেই ওজন বেড়ে যাবে, এই দুশ্চিন্তা তাড়া করে সবসময়। এদিকে খিদের মাথায় কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন, তারও অত হিসেব থাকে না। ফলে ‘ক্যালোরি গেইন’…রেজাল্টে ওজন বৃদ্ধি। তবে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ ওজন ঝরানোর জন্য রয়েছে বেশকিছু ‘সুপার ফুড’। যা খেলে একদিকে যেমন আপনার খিদেও মিটবে, তেমনই আবার ওজনও বাড়বে না।

১) মূলো- প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। আপনার পেটও ভরিয়ে রাখবে, আবার ওজনও বাড়বে না। দেহে জলের ভারসাম্যও রক্ষা করে।
২) বাদাম- বাদামে থাকে হেলদি ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার।
৩) ওটমিল- ওটে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস, কপার, বায়োটিন, ভিটামিন বি১, ম্যাগনেশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার, ক্রোমিয়াম, জিঙ্ক, প্রোটিন।
৪) পেঁয়ারা- পেঁয়ারায় থাকে অ্যান্টি-ইনফ্লেমাটরি ও অ্যানালজেসিক উপাদান। ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেলে সমৃদ্ধ। ক্যালোরি খুব কম থাকে।
৫) আপেল- আপেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, জলীয় উপাদান ও পেকটিন। যা একদিকে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে ও সেইসঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

‘এগলেস চকোলেট কেক’ তৈরির সবথেকে সহজ পদ্ধতিটা শিখে নিন

উফ! বড়দিনটা আসলেই মনটা সারাক্ষণ কেক কেক করতে থাকে। কি, তাই না? সারাক্ষণই মনে হয় যেন কেক খাই। চকোলেট কেক হোক কিংবা ফ্রুট কেক, কিংবা পেস্ট্রি কেক, যাই হোক না কেন, কেক কে না বলা নেই। তবে শুধু বড়দিনই নয়, কেক এমন একটা খাবার, যা আমরা সারাবছরই খাই। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা যেকোনও সেলিব্রেশন যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায় কেক না কাটলে। কিন্তু যাঁয়া ডিম খান না, তাঁদের ক্ষেত্রে একটা অসুবিধা রয়েছে। বেশিরভাগ কেকই তৈরি করা হয় ডিম দিয়ে। আবার দোকান থেকে কিনে আনা কেকে যে ডিম সত্যিই নেই, তা বোঝারও কোনও উপায় নেই। তাই সব খুশির মাঝেও যাঁরা ডিম খান না, তাঁদের কাছে কেক যেন ততটাও মজাদার হয়ে ওঠে না।

আরও পড়ুন শিখে নিন কীভাবে বাড়িতে বানাবেন ‘গাজরের হালুয়া’
চিন্তা নেই। সে সমস্যারও সমাধান রয়েছে। নিজেই বানিয়ে ফেলুন ডিম ছাড়া কেক। খুবই সোজা এর পদ্ধতি। দোকান থেকেও কিনতে হবে না। ডিমের চিন্তাও থাকবে না। তাই এখনই শিখে নিন কীভাবে বাড়িতেই সহজ পদ্ধতিতে বানাবেন ‘এগলেস চকোলেট কেক’। সেটাও আবার সঞ্জীব কাপুরের থেকে।