সকাল ১০:২৩, সোমবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ বিনোদন

অভি মঈনুদ্দীন : ‘তারসঙ্গে কোন চলচ্চিত্রে বা নাটকে কখনো অভিনয় করিনি। তবে সেরা নাচিয়ে আমরা বিচারক হিসেবে পাশাপাশি চেয়ারে বসেছি। তখনই মূলত তারসঙ্গে আমার ভালো একটি সম্পর্ক তৈরী হয়। কখনো কোন অনুষ্ঠানে দেখা হলে বেশ হাসিমুখেই তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। এমন একজন উঁচু মাপের অভিনেত্রী হয়েও কী সহজ সরল একজন মানুষ তিনি। তার ব্যবহারে মুগ্ধ হই বারবার। আর তার অভিনয়-সেতো সেই ছোটবেলা থেকেই আমার ভালোলাগা জুড়ে আছে।’ ‘গহীন বালুচর’ চলচ্চিত্রের অডিও প্রকাশনা উৎসবে উপস্থিত থেকে সুবর্ণা মুস্তাফা প্রসঙ্গে এমনই বলছিলেন চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্করতাপ্রাপ্ত নায়ক ফেরদৌস। বদরুল আনাম সৌদ’র প্রথম চলচ্চিত্র, সরকারী অনুদানের নির্মিত চলচ্চিত্র ‘গহীন বালুচর’র অডিও প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েগেলো গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেইলি রোডের একটি রেস্টুরেন্টে। আগামী ২০ অক্টোবর ‘গহীন বালুচর’ চলচ্চিত্রটি মুক্তিপাবে।

 এ চলচ্চিত্রটি দেখতে সিনেপ্রেমীরা অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। চিত্রনায়ক ফেরদৌস’র মতোই ড. ইনামুল হক, অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি, চিত্রলেখা গুহ, নিমা রহমান, তৌকীর আহমেদ, ভাবনা’সহ আরো অনেকেই এসেছিলেন শুভকামনা জানাতে। গেলো ২৩ সেপ্টেম্বর জি সিরিজের ব্যানারে আনুষ্ঠানিকভাবে রিলিজ হলো ‘গহীন বালুচর’-ছবির গানের অ্যালবাম। যাকে চলচ্চিত্রের ভাষায় বলা হয় অরিজিনাল সাউন্ডট্র্যাক।
অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রটির নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ, অভিনয়শিল্পী আজাদ আবুল কালাম, জিতু আহসান, বন্যা মির্জা, শাহাদাত, কণ্ঠশিল্পী দিনাত জাহান মুন্নি, লিজা, চন্দন সিনহা, ঐশী, জয়িতা প্রমুখ।  

চলচ্চিত্রটিতে নতুন তিন মুখ হচ্ছেন তানভীর, মুন ও নীলাঞ্জনা নীলা। অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুবর্ণা মুস্তাফা। তিনি বলেন, ‘ ভীষণ সুন্দর একটি গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘গহীন বালুচর’ চলচ্চিত্রটি। এর প্রতিটি গান গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর গানগুলোতে ইমন সাহা এমন কিছু অ্যাকোস্টিক ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করেছে, যেগুলো শুনতে সবারই ভালো লাগবে। সব মিলিয়ে ‘গহীন বালুচর’-এর অরিজিনাল সাউন্ডট্র্যাক কমপ্লিট একটি ফিউশন অব ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট।’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ বলেন, ‘একটি চর জাগার গল্পকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রটির গল্প এগিয়েছে।

পরবর্তীতে এখানেই আমরা একটি প্রেমের গল্প খুঁজে পাই। খুব রোমান্টিক একটা গল্পের ছবি ‘গহীন বালুচর। চলচ্চিত্রটির গানগুলো খুবই সুন্দর। আমি নিশ্চিত দর্শক-শ্রোতাদের মনে ঢেউ জাগাবে, ভিন্ন এক ভালো লাগায় মুগ্ধ করবে। গানের চিত্রায়ণেও ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছি। আশা করছি সবার ভালো লাগবে।’ চলচ্চিত্রের পাঁচটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার, দিনাত জাহান মুন্নি, লিজা, চন্দন সিনহা, ফাহিমা নাসরিন, ঐশী, ফজলুর রহমান বাবু, জয়িতা, সাব্বির ও মনির। সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন ইমন সাহা। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত।

এই বিভাগের আরো খবর

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন খুরশীদ আলম

বিনোদন প্রতিবেদক এদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম খুরশীদ আলম। চার শতাধিক চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি। এখনো নিয়মিত গান গাইছেন বরেণ্য এই সঙ্গীতশিল্পী। সঙ্গীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য গুনী এই সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটায় ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’তে অনুষ্ঠিতব্য ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস পাওয়ারড আই সেভেন আপ’-এর ১২’তম আসরে খুরশীদ আলমের হাতে আজীবন সম্মাননা তুলে দেয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইজাজ খান স্বপন। তিনিই অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা ও পরিচালনা করছেন। আজীবন সম্মাননা পাওয়া প্রসঙ্গে খুরশীদ আলম বলেন,‘ এমন একটি অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা পাওয়া নিঃসন্দেহে খুউব আনন্দের বিষয়। আমি চ্যানেল আই পরিবারের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

 সেইসাথে আমাকে আজীবন সম্মাননা দেবার জন্য যারা নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতিও আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, সবাই ভালো থাকবেন।’ ইজাজ খান স্বপন জানান আগামী ৬ অক্টোবর অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানটি দুপুর ২টার সংবাদের পর চ্যানেল আইতে প্রচার হবে। খুরশীদ আলম এমনই একজন কন্ঠশিল্পী যার গানে এখনো শ্রোতা দর্শক নিজেদের ভালোলাগা খুঁজে পান। নায়ক রাজ রাজ্জাকের কন্ঠে সবচেয়ে জনপ্রিয় পাওয়া গানগুলোর অধিকাংশই খুরশীদ আলমের গাওয়া। এ পর্যন্ত চার শতাধিক চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন বরেণ্য এই সঙ্গীতশিল্পী।

দেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় কোন সম্মাননা এখনো না মিললেও তাতে কোনই দুঃখবোধ নেই খুরশীদ আলমের। কারণ এদেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা তিনি সঙ্গীত জীবনের শুরু থেকে পেয়েছেন এবং এখনো পাচ্ছেন। আজও যখন চলতি পথে কোথাও কোন বিপদ হয় তখন সাধারণ মানুষই তার পাশে ছায়ার মতো এসে দাঁড়ায়। হয়তো সঙ্গীতশিল্পী না হলে তিনি সাধারণ মানুষের এই অকৃত্রিম ভালোবাসা পেতেন না। তাই জীবনে কোন দুঃখবোধ নেই যে পরিবারের ইচ্ছেমতো ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার না হতে পারায়।

 সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে ভীষণ গর্ববোধ করেন খুরশীদ আলম। ১৯৬২-৬৩ সালে ইস্ট পাকিস্তান এডুকেশন উইকে খুরশীদ আলম পরপর দু’বছর রবীন্দ্র সঙ্গীত ও আধুনিক সঙ্গীতে চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৬৭ সালে আজাদ রহমানের সুরে জেবুন্নেসা জামানের লেখা ‘চঞ্চল দু’নয়ন’ ও কবি সিরাজুল ইসলামের ‘তোমার দু’হাত ছুঁয়ে শপথ নিলাম’ দুটি গান বেতারের জন্য রেকর্ড করা হয়। গান দুটি প্রচারের পর পুরো পাকিস্তানে হৈ চৈ পড়ে যায়।

এরপর পরই সুযোগ মিললো  বাবুল চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘আগন্তÍুক’ চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করার। আজাদ রহমানের সুরে তারই খুরশীদ আলমের চাচার লেখা ‘বন্দী পাখির মতো মনটা কেঁদে মরে’ গানটি গান। এই গান নায়ক রাজ রাজ্জাকের লিপে আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা পায়। এরপর এহতেশামের ‘পীচঢালা পথ’ ই আর খানের ‘সাধারণ মেয়ে’ চলচ্চিত্রে প্লে ব্যাক করেন খুরশীদ আলম। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি খুরশীদ আলমকে। সিনেমাতে খুরশীদ আলম সবচেয়ে বেশি গান গেয়েছেন আজাদ রহমানের সুরে। দ্বৈত শিল্পী হিসেবে বেশি পেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন ও রুনা লায়লাকে। ছবি : দীপু খান।

এই বিভাগের আরো খবর

জেরিনের গান নিয়ে সেন্সরের আপত্তি

বিনোদন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী জেরিন খান। হেট স্টোরি-থ্রি সিনেমায় খোলামেলা চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। এ অভিনেত্রীর পরবর্তী সিনেমা আকসার-টু। এর ‘আজ জিদ’ গান নিয়ে এবার আপত্তি তুলেছে ভারতীয় সেন্সর বোর্ড। গানটি গেয়েছেন অরিজিৎ সিং। এতে জেরিন খান ও গৌতম রোড়েকে রোমান্স করতে ও অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা গেছে। গানটি টিভি দর্শকদের জন্য উপযুক্ত নয় বলে আপত্তি জানিয়েছে সেন্সর বোর্ড। কিন্তু কেন এটি আপত্তিকর তার কোনো ব্যাখ্যা পাননি সিনেমার পরিচালক অনন্ত নারায়ণ মহাদেব। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে এমনটাই জানিয়েছেন এ নির্মাতা।

 এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন সেন্সর বোর্ড মনে করছে একটি দর্শকের জন্য উপযুক্ত না। গানটি ইউটিউবে রয়েছে এবং যারা দেখেছেন কেউ এর কনটেন্ট নিয়ে আপত্তি করেননি। এতে নায়ক-নায়িকাদের রোমান্স আপত্তিকরভাবে দেখানো হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয় সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা বুঝতে পারছেন না কোন পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। আমি আশা করছি, তারা তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন এবং আমাদের প্রচারণার পরিকল্পনা অনুযায়ী গানটি টেলিভিশনে মুক্তি দেওয়ার অনুমতি দিবেন।’

এই বিভাগের আরো খবর

প্রথম লটের কাজ শেষ করে ফিরে যাচ্ছেন ঋতুপর্ণা

অভি মঈনুদ্দীন : বাংলাদেশের দর্শকের কাছে এক অন্যরকম জনিপ্রয়তা রয়েছে ওপার বাংলার নন্দিত নায়িকা ঋতুপর্ণার। যে কারণে বেশ কয়েকবছর বিরতির পর আবারো তিনি বাংলাদের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। চলচ্চিত্রটির নাম ‘একটি সিনেমার গল্প’। চিত্রনায়ক আলমগীরের নির্দেশনায় এই চলচ্চিত্রে কবিতা চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। গেলো ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিএফডিসিতে এই চলচ্চিত্রের শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন। প্রথম লটের টানা ১৪ দিনের কাজ শেষে আজ বিকেলের ফ্লাইটে ঋতুপর্ণা কলকাতা ফিরে যাচ্ছেন।

‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের দ্বিতীয় লটের কাজ শুরু হবে আগামী অক্টোবরে। তখন আবার তিনি ঢাকায় আসবেন। ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে ঋতুপর্ণার বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় নায়ক আরিফিন শুভ। এছাড়া চলচ্চিত্রটিতে আরো অভিনয় করছেন আলমগীর, চম্পা, সৈয়দ হাসান ইমাম, সাদেক বাচ্চু, সাবেরী আলম, ববি, জ্যাকী আলমগীর’সহ আরো অনেকে।

চলচ্চিত্রটির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের নিজের। আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইম্যান্ট’র ব্যানারে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হচ্ছে। প্রথম লটের কাজ শেষে ফিরে যাবার আগে ঋতুপর্ণা বলেন,‘ এই ক’দিন একটি সিনেমার গল্প চলচ্চিত্রে কাজ করে সত্যিই ভীষণ ভালোলেগেছে। আমার কিন্তু একবারও মনে হয়নি যে কলকাতার বাইরে কোথাও শুটিং করছি। কারণ আমার কাছে দুই বাংলার চলচ্চিত্রের মানুষকে একই পরিবারেরই মনে হয় সবসময়। যে কারণে এখানে কাজ করতে সবসময়ই আমি ভীষণ আগ্রহবোধ করি। তাছাড়া আলমগীর ভাই আমাকে নিজের মেয়ের মতো ¯েœহ করেন।

তার নির্দেশনায় কাজ করাটা আমি দারুণভাবে উপভোগ করছি। চলচ্চিত্রটির গল্প তিনি এতো চমৎকারভাবে লিখেছেন যে দর্শকের কাছে তা ভীষণ উপভোগ্য হবে বলেই আমি আশা করছি। চম্পা আপু, আরিফিন শুভ’সহ শাহআলম কিরণ ভাই, সাদেক বাচ্চু ভাই, সাবেরী আপা, চিত্রগ্রাহক আসাদুজ্জামান মজনু ভাই সর্বোপরি পুরো ইউনিটই আসলে আমাকে দারুণভাবে সহযোগিতা করেছেন। আমি বাংলাদেশের এমন কিছু ভালো ভালো চলচ্চিত্রে আরো কাজ করতে চাই যেন এখানকার দর্শক আমাকে যুগের পর যুগ আমার ভালো কাজগুলোর জন্য যেন তারা শ্রদ্ধা ভরে আমাকে মনে করেন।

’ ঋতুপর্ণা ঢাকায় সর্বশেষ ফেরদৌস প্রযোজিত ‘এক কাপ চা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। । ঋতুপর্ণা অভিনীত সর্বশেষ দর্শকপ্রিয় আলোচিত চলচ্চিত্র নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘প্রাক্তন’। ঋতুপর্ণা অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র হচ্ছে তরুণ মজুমদারের ‘ভালোবাসার বাড়ি’, হরণাথ চক্রবর্ত্তীর ‘ধারা¯œান’, অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের ‘ধারা¯œান’, সুমন ঘোষের ‘বসু পরিবার’, অতনু বোসের ‘বিপ্লব আজকাল’, ইংরেজি মুভি প্রকাশ ভরদ্বাজের ‘কলরসর অব লাইফ’, সঞ্জয় নাগের ‘গুডমর্নিং সানসাইন’, সুজিত ম-লের ‘অন্বেষণ’, মতিনন্দীর গল্প অবলম্বনে রেশমী মিত্রের ‘বারান্দা’। ছবি : আলিফ হোসেন রিফাত

এই বিভাগের আরো খবর

পূজার বিশেষ নাটকে আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী

অভি মঈনুদ্দীন : আর মাত্র ক’দিন পরেই দূর্গা পূজা শুরু হতে যাচ্ছে। আর এ উপলক্ষ্যে স্যাটেলাইট চ্যানেল বাংলাভিশনের নিজস্ব প্রযোজনায় গুণী নাট্যনির্মাতা অঞ্জন আইচ নির্মাণ করছেন বিশেষ নাটক ‘তোমার কথা বলবো কাকে’। অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় এবারই প্রথম একসঙ্গে কাজ করছেন আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরী। এর আগে বিভিন্ন পরিচালকের নির্দেশনায় নিশো মেহজাবিন একসঙ্গে কাজ করলেও অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় প্রথম কাজ করছেন। রাজধানীর উত্তরায় একটি শুটিং হাউজে নাটকটির শুটিং শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। বৃষ্টিকে উপক্ষো করেই পরিচালক অঞ্জন আইচ নাটকটি নির্মাণ করছেন। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে আফরান নিশো বলেন,‘ দাদার নির্দেশনায় কাজ করতে এ কারণেই ভালোলাগে যে তার গল্পভাবনা সবসময়ই খুউব ভালো হয়।

 সেই গল্প ভাবনার সাথে যখন মিলিয়ে শিল্পীদের অভিনয়, চিত্রনাট্য, মেকিং’র চমৎকার সমন্বয় ঘটে তখনই একটি সুন্দর নাটক হয়ে দাঁড়ায়। আশাকরি এই নাটকটিও ঠিক তেমনি একটি নাটক হবে। আর দাদার নির্দেশনায় প্রায় তিন বছর পর আমার কাজ করা হচ্ছে। মেহজাবিন এই সময়ে এসে অভিনয় নিয়ে দারুণভাবে ভাবছে। এটা একজন অভিনেত্রী হিসেবে খুবই ভালো দিক। রূপ সচেতনতার পাশাপাশি অভিনয়টা নিয়ে যে ভাবতে হবে সেটা একজন অভিনয় শিল্পীর কাজ। মেহজাবিন সবসময়ই আমার একজন পছন্দের কোআর্টিস্ট এবং দর্শকও আমাদের এই জুটিকে খুব পছন্দ করেন।’ মেহজাবিন বলেন,‘ অনেকদিন পর অঞ্জন দাদার নাটকে কাজ করছি। তার নির্দেশনায় এবারই প্রথম খন্ড নাটকে কাজ করা। গল্পটা বেশ ভালো।

 নিশো ভাইয়া নিঃসন্দেহে একজন ভালো অভিনেতা। তারসঙ্গে অভিনয় করাটা সবসময়ই বেশ উপভোগ করি। একজন সহশিল্পী যখন ভালো হয় তখন কাজ করাটাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।’ পরিচালক অঞ্জন আইচ জানান ‘তোমার কথা বলবো কাকে’ নাটকটি একটি রোমান্টিক ও যথেষ্ট আবেগঘন নাটক। আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরীকে গল্পের কারণে তাদের সর্বোচ্চ অভিনয় দিয়েই অসীম ও রিয়া চরিত্র দুটিকে ফুটিয়ে তুলতে হচ্ছে বলে জানান পরিচালক অঞ্জন আইচ। আসছে দূর্গা পূজায় দশমীতে বাংলাভিশনে নাটকটি প্রচার হবে। আফরান নিশো প্রথম অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় ধারাবাহিক নাটক ‘শূণ্য সমীকরণ’ নাটকে অভিনয় করেন। অন্যদিকে মেহজাবিন চৌধুরী অঞ্জন আইচের নির্দেশনায় প্রথম ‘চক্র’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

গোপনে বিয়ে করেছিলেন রেখা-সঞ্জয়!

বিনোদন ডেস্ক ঃ গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছেন বলিউডের ক্ষমাতধর অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। ‘তিন নারীর সঙ্গে একই সঙ্গে প্রেম করেছিলেন সঞ্জয়’ – এমন সংবাদ এই সময়ে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিষয়টি খোদ মিডিয়াকে জানিয়েছেন সঞ্জয়। এবার আরেকটি গুঞ্জন পাখা মেললো। আর সেটা হলো ৮০’র দশকে সঞ্জয় দত্ত নাকি গোপনে অভিনেত্রী রেখাকে বিয়ে করেছিলেন! এই জল্পনা খবরের শিরোনাম দখল করে নিয়েছে সম্প্রতি। সঞ্জয় তার আসন্ন সিনেমা ‘ভূমির প্রচারে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বলেন, একটা সময় একসঙ্গে তিনজন প্রেমিকা ছিল তার। এরপর শুরু হয়েছে জল্পনা।

 আর এ তিনজনের মধ্যে নাকি একজন রেখা। এ অভিনেত্রীকে নাকি বিয়েও করেছিলেন সঞ্জয়। কিন্তু সেটা গোপনে। আবার অনেকে জানান, দুজনে বিয়ে না করলেও সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। ‘জমিন আসমান’ ছবিতে কাজ করার সময় খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন সঞ্জয়। সেই অবস্থা  থেকে তাকে বের করে আনার চেষ্টা করেন রেখা। আর তাই বিয়ের গুজব তৈরি করে। তবে রেখার আত্মজীবনী রচয়িতা ইয়াস উসমান তার বইতে এই তথ্য অস্বীকার করেছিলেন। একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আশরি দশকে সঞ্জয়ের সঙ্গে রেখার সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসে। গুজব রটে তারা দুজনে বিয়ে করে নিয়েছেন। কিন্তু সঞ্জয় এই খবরকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অভিনেত্রী কাঞ্চনাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা

বিনোদন ডেস্ক : রাতের কলকাতায় ফের শ্লীলতাহানির চেষ্টা। এবার মদ্যপ একদল যুবকের হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন খ্যাতনামা জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। ঘটনাটি ঘটেছে বেহালা থানা এলাকার সিড়িটি শশ্মানে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। বেহালার সিড়িটি শশ্মান এলাকায় কাছে তার গাড়ির গতি থামিয়ে সামনে দাঁড়ায় কয়েকজন যুবক। চালককে গাড়ি থেকে নেমে আসতে বলা হয়। চালকের সাথে নেমে আসেন অভিনেত্রীও।

অভিযোগ, ওই যুবকরা প্রত্যেকেই মদ্যপ ছিলেন গাড়ি থামানোর কারণ জানতে চাওয়া হলে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এরপর কোনোমতে মদ্যপদের নাগাল থেকে নিজেদের মুক্ত করে চালককে নিয়ে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী। ঘটনাস্থলের অদূরে কলকাতা পুলিশের কিওস্কে গিয়ে সাহায্য চান তিনি।

সূত্রের খবর, অত্যন্ত তৎপরতার সাতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম শঙ্কর দাউলি, সুরজিৎ পাণ্ডা গত মঙ্গলবার তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। পুলিশের দাবি, এটি নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এদিকে পুজোর মুখে খাস কলকাতার মতো শহরে অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠছে।

এই বিভাগের আরো খবর

গুরুতর অসুস্থ ডিপজল

বিনোদন প্রতিবেদক : চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল মঙ্গলবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তার ফুসফফুস পানি জমেছে বলে জানালেন ডিপজলের ঘনিষ্ঠজন ও পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর। তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে দ্রুত রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটিতে (সিসিইউ) পর্যবেক্ষনে রেখেছেন। তিনি ডা. বরেণ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

 ভর্তির পর নানা টেস্ট করার পর গতকাল বিকেলে তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান মনতাজুর রহমান আকবর। সেখানকার মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। ডিপজলের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার স্ত্রী জবা ও তার একমাত্র মেয়ে অলিজা মনোয়ার। প্রসঙ্গত, ডিপজল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন। তিনি সম্প্রতি পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ ছবির কাজ শেষ করেছেন। আগামী মাসে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এ ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মৌসুমী। এছাড়া ছটকু আহমদে পরিচালিত ‘এক কোটি টাকা’ ছবিরও বেশকিছু অংশের শুটিং করেছেন ডিপজল। এ ছবিতে তার বিপরীতে আঁচল অভিনয় করছেন।

এই বিভাগের আরো খবর

ধারাবাহিকে প্রথম পুত্রের নির্দেশনায় পিতা

বিনোদন রিপোর্টার : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তী পরিচালক এবং অভিনেতা আমজাদ হোসেন। এবারই প্রথমধারাবাহিক নাটকে পুত্র সোহেল আরমানের নির্দেশনায় অভিনয় করলেন পিতা আমজাদ হোসেন। এনটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক ‘জল রং’-এ ড. মোমেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এরইমধ্যে ধারাবাহিকটির শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন আমজাদ হোসেন। পিতাকে নিয়ে প্রথম ধারাবাহিক নাটক নির্মাণ প্রসঙ্গে সোহেল আরমান বলেন,‘ আব্বা এবারই প্রথম আমার নির্দেশনায় কোন ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছেন।

 তিনি যে কতো বড় মাপের একজন পরিচালক এবং অভিনেতা এটা আসলে আমার বলার কিছু নেই। তারমতো এতো গুণী একজন শিল্পীকে নিয়ে কাজ করাটা ভীষণ ভালোলাগার এবং সহজ কাজ। সহজ এ কারণেই যে, একটি দৃশ্যে আমি কী চাচ্ছি তা খুব সহজেই বুঝে নিয়ে অভিনয় করেন অনায়াসে। এমন বড় শিল্পীর কাছ থেকে এই সাপোর্ট পাওয়াটা আমি মনেকরি বিশাল ব্যাপার। তারমতো এমন শিল্পীকে নিয়ে কাজ করাটা আমার জন্য গর্বেরও বিষয়। তাছাড়া আমি সবসময়ই আমার নাটকগুলোতে চেষ্টা করেছি সিনিয়র জুনিয়র শিল্পীদের সমন্বয় করে নির্মাণ করতে। তাতে আমি মনেকরি একটি গল্পের পরিপূর্ণতা পায়। এর আগেও আমি গোলাম মুস্তাফা, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নাটক নির্মাণ করেছি।

 সেসব নাটক অন্যরকম পরিপূর্ণতা পেয়েছিলো। অনুরূপভাবে আব্বাকে নিয়ে জলরং ধারাবাহিকটিও ঠিক একই রকম পরিপূর্ণতা পাচ্ছে।’ এনটিভিতে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার রাত ৯.৪০ মিনিটে প্রচারিত এই নাটকের জন্য এরইমধ্যে সোহেল আরমান বেশ সাড়া পাচ্ছেন। এদিকে গেলো বছর সোহেল আরমান তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘ভ্রমর’র কাজ শুরু করলেও মাঝে বেশকিছুদিন এর কাজ বন্ধ ছিলো। আবারো আগামী শীতে তিনি এই চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন সৈয়ধ হাসান ইমাম, এটিএম শামসুজ্জামান, ইলোরা গহর, এবিএম সুমন, মুগ্ধতা’সহ আরো ানেকেই। সোহলে আরমান নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ছিলো শাকিব খান ও বিন্দু অভিনীত ‘এইতো প্রেম’। এই চলচ্চিত্রের হাবিবের গাওয়া ‘আমি তোমার মনের ভেতর একবার ঘুরে আসতে চাই’ গানটি বেশ শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। শুধু তাই নয় চলচ্চিত্রেটিতে শাকিব খান ও বিন্দুর অনবদ্য অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

টেলিমুভি ‘আই অ্যাম লিডার’র মহরত অনুষ্ঠান

টেলিমুভি ‘আই এ্যাম লিডার’র মহরত অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। বিকেলে শহরের দত্তবাড়িস্থ তন্ময় কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ওই মহরত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুঞ্জুরুল আলম মোহন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা পরিবেশক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও শোভা এ্যাডভান্সড টেকনোলজিস লিমিটেড -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আহম্মদ কিরণ, পরিবেশক সমিতির সহ-সভাপতি হামিদুল হক রতন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদ ইকবাল। জাফর ওসমান হিরো’র গল্প অবলম্বনে ও প্রযোজনায় জামান রায়হান এবং জিকো চৌধুরী পরিচালিত টেলিফিল্মটির আর্থিক সহায়তা করেছে সুমো ডিজিটাল স্কেল। খবর বিজ্ঞপ্তির।

এই বিভাগের আরো খবর

বগুড়ার নৃত্যশিল্পী মেঘার জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন : অভিনন্দন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা’র যৌথ আয়োজনে গত ১৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপি বয়স ও বিষয় ভিত্তিক জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নৃত্যশালায় অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ’র ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী এবং আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র নৃত্য শিল্পী মার্জিয়া সুলতানা মেঘা জাতীয় পর্যায়ে ‘খ’ বিভাগে ভরত নাট্যম নৃত্যে সেরা পাঁচ-এ এবং সাধারণ নৃত্যে সেরা দশ-এ অবস্থান করে বিজয়ী হয়েছে।

 এই প্রতিযোগিতাসহ মেঘা পরপর ৪বার নৃত্যে জাতীয় পদক অর্জন করল। মেঘার এই সাফল্যে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন করতোয়া মাল্টিমিডিয়া স্কুল এন্ড কলেজ-এর চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, অধ্যক্ষ ছামছুল আলম, আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র সভাপতি আব্দুস সামাদ পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন আব্দুল মোবিন জিন্নাহ্। এই প্রতিযোগিতায় আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র আরও দু’জন নৃত্য শিল্পী নওশীন সাইয়ারা নুহা ‘ক’ বিভাগে সাধারণ, ভরত নাট্যম, কথক এবং আয়েশা ফায়রুজ চৌধুরী শায়েরী ‘গ’ বিভাগে সাধারণ, ভরত নাট্যম, কথক এই তিনটি বিষয়ে জাতীয় পদক অর্জন করেছে। এরা সবাই মাহাবুব হাসান সোহাগ’র ছাত্রী। খবর বিজ্ঞপ্তির।

এই বিভাগের আরো খবর

সঞ্জয়কে নিয়ে ছেলে মেয়েদের কাছে মিথ্যা বলতেন মান্যতা!

বিনোদন ডেস্ক : সঞ্জয় দত্তের জেল জীবনের দিনগুলো যতটা কঠিন ছিল অভিনেতার কাছে ঠিক ততটাই কঠিন ছিল তার পরিবারের জন্যও। বিশেষ করে তার স্ত্রী মান্যতার জন্য। কারণ এই কয়েকবছর তিনি একাই সামলেছেন তার সন্তানদের। শুধু দায়িত্ব পালন নয়, বাচ্চাদের নানা প্রশ্নের উত্তরও দিতে হয়েছে তাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেইসব কঠিন সময়ে কীভাবে মান্যতা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, সে কথাই বলেছেন সঞ্জয় দত্ত।

কলকাতার দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত একটি খবরে জানা গেছে এ তথ্য। সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেছেন, যে সময়টা তিনি জেলে কাটিয়েছেন তখন তার ছেলে ও মেয়ে খুবই  ছোট ছিল, এতটাই ছোট যে তাদের বোঝানোই মুশকিল ছিল তাদের বাবা এতদিন ধরে কোথায় আছে। জেল কী, এই ধারণাটাই তো ছিল না তাদের।

 সঞ্জয় প্রথমেই মান্যতাকে বলেছিলেন যেন কখনোই বাচ্চাদের নিয়ে জেলে না আসেন। তাই মান্যতা কখনো ছেলে মেয়েকে জানতেই দেননি যে, তাদের বাবা জেলে রয়েছেন। তাদের বরাবরই তিনি বলতেন, বাবা বিদেশে নতুন ছবির শুটিংয়ে গিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়িই ফিরে আসবেন। কিন্তু এতে মোটেই সন্তুষ্ট ছিল না তারা। বারবারই মায়ের কাছে আবদার করতো বাবাকে ফোন করার জন্য। সেসময় সন্তানদের মিথ্যে বলতেন মান্যতা, তিনি বাচ্চাদের শান্ত করার জন্য বলতেন, সঞ্জয় একটি পর্বতে শুটিং করছেন যেখানে মোবাইলের নেটওয়ার্ক থাকে না। তবে পনেরো দিন অন্তর জেল থেকে ফোন করার সুযোগ পেতেন সঞ্জয়। তখনই কথা বলতেন ছেলে মেয়ের সঙ্গে। এখন অবশ্য তার  ছেলে মেয়েরা জানে যে, সঞ্জয় এতদিন কোথায় ছিলেন, তবে পুরো ঘটনাটা জানে না। সঞ্জয়ের এখন অপেক্ষা তাদের বড় হওয়ার। কারণ তারা বড় হলে পুরো ঘটনাটা তাদের বিস্তারিত জানাতে চান তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধে তারকাদের মানববন্ধন

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত চলচ্চিত্র পরিবার। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলচ্চিত্র পরিবারের ডাকা মানববন্ধনে যোগ দেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। মানব বন্ধন থেকে রোহিঙ্গদের উপর নির্যাতন বন্ধ ও তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

চলচ্চিত্র পরিবারের আহবায়ক চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘মিয়ানমারের নেত্রী সু চি হচ্ছেন একজন পুতুল। আর পুতুলের হাতে কখনো নোবেল পুরস্কার দিতে নেই। ধিক্কার জানাই এমন নিষ্ঠুর সরকারকে। রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্সাদন জানিয়ে এ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাদা ছোঁড়াছুড়ি না করার আহবান জানান তিনি। পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই দ্রুত। মিয়ানমারের পাষণ্ড সরকারের প্রতি ঘৃণা রইলো।’ মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, ফেরদৌস, রোজিনা, সাইমন, শান আরাফ, বদিউল আলম খোকন, বজলুর রশিদ চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন জেমি প্রমুখ।

 

 

চলচ্চিত্রে ফিরছেন মৌটুসী বিশ্বাস, তবে

অভি মঈনুদ্দীন : নন্দিত নাট্যাভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ছিলো মেহের আফরোজ শাওন পরিচালিত ‘কৃষ্ণপক্ষ’। এরপর আর তাকে নতুন কোন চলচ্চিত্রে অভিনয়ে দেখা যায়নি। তবে হয়তো খুউব শিগগিরই মৌটুসী নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ঘোষণা দিবেন। এ প্রসঙ্গে মৌটুসী বলেন, ‘যারা আমাকে নিয়ে নতুন চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চাচ্ছেন তাদের খুউব আগ্রহ আমি যেন কাজটা করি। কিন্তু এখনো যেহেতু তাদের সঙ্গে চলচ্চিত্রের গল্প’সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা হয়নি, তাই চুড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমি কিছু জানাতে পারছি না। তবে হয়তো শিগগিরই নতুন চলচ্চিত্রের ঘোষণা দিতে পারবো। সবার কাছে দোয়া চাই যেন এবার ভালো একটি চলচ্চিত্রে কাজ করা নিয়ে ফিরতে পারি।

 আর যদি না হয় তাহলে মেনে নিতে হবে যে এটি আমার ভাগ্যে ছিলো না।’ এদিকে গেলো ঈদে দুটি কাজ নিয়ে মৌটুসী বিশ্বাস ছিলেন দর্শকের মাঝে বেশ আলোচনায়। দুটি নাটক হচ্ছে হাসান মোরশেদ’র ‘মায়া’ এবং ফাহমিদা প্রেমা’র ‘আঁড়ি’। দুটি নাটকে মৌটুসীর অনবদ্য অভিনয় দারুণভাবে প্রশংসিত হয়। যারা মৌটুসীর অভিনয় সম্পর্কে অবগত আছেন আগে থেকেই তারা নতুন এক মৌটুসীকে দেখেছেন এই দুটি নাটকে দুটি ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে। এছাড়া চ্যানেল আইতে প্রচারিত আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় মৌটুসী অভিনয় করেছেন ‘ছোট কাকু সিরিজ’-এ।

 মৌটুসী বলেন,‘ যারা নাটক বুঝেন তারা আমার মায়া এবং আঁড়ি দেখে প্রশংসা করেছেন। আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। আমি তাতেই সন্তুষ্ট। পাশাপাশি আফজাল ভাইয়ের নির্দেশনায় আমি ছোট কাকু সিরিজে কাজ করতে পেরেছি-এটা আমার অনেক ভালোলাগার। আফজাল ভাই বলেছেন যে আমাকে কাস্ট করে তিনি বেশ আরাম নিয়ে কাজ করেছেন। এমন কমপ্লিমেন্ট আসলে আমার জন্য অনেক বড়। আফজাল ভাইয়ের দৃষ্টি সবসময়ই চমৎকার। তার নির্দেশিত কাজ আমাকে সবসময়ই মুগ্ধ করে।’ এদিকে মৌটুসী বিশ্বাস এটিএন বাংলায় প্রচার চলতি রান্না বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘সেরা রন্ধনশিল্পী ২০১৭’র উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন। পাশপাশি নতুন কিছু ধারাবাহিক নাটকেও কাজ করছেন তিনি। সবমিলিয়ে মৌটুসী তার অভিনয় জীবনের বেশ উপভোগ্য এক সময় অতিবাহিত করছেন। মৌটুসী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’। তার অভিনীত প্রথম নাটক ফারুকী নির্দেশিত ‘একান্নবর্তী’। আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় মৌটুসী প্রথম বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন।
ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

‘চাপাবাজ’ ধারাবাহিকে মুকাভিনেতা নিথর মাহবুব

বিনোদন প্রতিবেদক :  বৈশাখী টেলিভিশনে প্রতি শনি, রবি ও সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘চাপাবাজ’।  নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করছেন হাসান জাহাঙ্গীর। দুই পরিবারকে কেন্দ্র করে দৈনন্দিন জীবনের নানামুখী বিষয় উঠে এসেছে ‘চাপাবাজ’ নাটকে। এরই মধ্যে নাটকটি ১২১ পর্ব প্রচার অতিক্রম করেছে। ১২২ পর্ব থেকে এই নাটকে অভিনয়ে যুক্ত হলেন নন্দিত মাইম শিল্পী নিথর মাহবুব। নিথর মাহবুব মূকাভিনয় শিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেও টিভি ও মঞ্চ নাটক এবং বিজ্ঞাপনে তিনি প্রায়ই অভিনয় করেন। হাসান জাহাঙ্গীরের পরিচালিত কোন নাটকে এবারই প্রথম কাজ করছেন তিনি।

 এই নাটকে নিথর মাহবুবকে বোবার চরিত্র অভিনয় করছেন। নাটকে এক পক্ষ ভারতের নায়খ সালমান খানকে বাংলাদেশে আনবে বলে চাপাবাজি শুরু করলে আরেক পক্ষ বিগ-বি অমিতাব বচ্চনকে আনছে বলে চাপাবাজি শুরু করে। এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে চাপাবাজিতে এগিয়ে থাকতে তারা নিথর মাহবুবকে অমিতাব বচ্চনের বোবা পিএস বানিয়ে গ্রামে হাজির করে। অমিতাব বচ্চনের এই বোবা পিএসকে ঘিরে সৃষ্টি হতে থাকে মজার মজার কা-। নিথর মাহবুব বলেন, ‘হাসান জাহাঙ্গীর এর ‘চাপাবাজ’ নাটকে আমার চরিত্রটি বেশ চমৎকার। চরিত্রটিতে অভিনয় করে অনেক আনন্দ পাচ্ছি। অনেকেই প্রশ্ন করেন পর্দায় আমাকে নিয়মিত দেখা যায় না কেন। মূকাভিনয় শিল্পের একটা জাগরণ ঘটাতেই আমি টিভি মিডিয়ায় নিয়মিত হইনি। চরিত্রের প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে কেউ ডাকলে অভিনয় করি। নিজে উদ্যোগী হয়ে কখনোই পর্দায় অভিনয়ের চেষ্টা চালাইনি।

এই বিভাগের আরো খবর

মাহিয়া মাহির ‘মন দেব মন নেব’

বিনোদন প্রতিবেদক : ঢাকাই ছবিতে বর্তমান প্রজšে§র শীর্ষ নায়িকা মাহিয়া মাহি। তার হাতে রয়েছে হাফ ডজন ছবি। কয়েকটি নির্মাণাধীন, বাকিগুলো মুক্তির অপেক্ষায়। নতুন করে আরো একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তিনি। সম্প্রতি তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ?‘মন দেব মন নেব’ নামের একটি ছবিতে। মাহি জানান, ‘মন দেব মন নেব’ ছবিতে একেবারে ভিন্নধর্মী চরিত্রে দর্শকরা আমাকে দেখতে পাবেন। এই চরিত্রে কমেডি, অ্যাকশন ও রোমান্স সবই আছে। সব মিলিয়ে সবাই পছন্দ করবেন, এমন একটা চরিত্র। আর গল্পটিও নারীপ্রধান। পুরো গল্প আমাকে ঘিরে।

 আশা করছি ভালো একটি চলচ্চিত্র উপহার পাবেন দর্শক।’ তবে এই ছবিতে মাহির নায়ক কে থাকবেন সেটি চমক হিসেবে রাখতে চাইলেন ছবির পরিচালক। এই ছবির ঘরোয়া মহরতে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন, চলচ্চিত্র প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক মালেক আফসারি, গীতিকার কবির বকুল।

একটি গানের রেকর্ডিং এর মাধ্যমে ছবির মহরত ঘোষণা করা হয়। কবির বকুলের কথায় টাইটেল গানে কণ্ঠ দেন সিঁথি সাহা। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন। ‘আমি মন দেব মন নেব মনেরই দামে’ শিরোনামের এ গানে কণ্ঠ দেওয়ার মাধ্যমে প্রায় দুই বছর পর প্লে­ব্যাক করলেন সিঁথি সাহা। সেখানে নির্মাতা রবিন খান জানান, চলতি মাসের শেষেই উত্তরবঙ্গে ছবির শুটিং শুরু হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

‘বড় ছেলে’ ইতিহাস গড়লো ইউটিউবে

বিনোদন প্রতিবেদক :  ঈদুল আজহায় চ্যানেল নাইনে প্রচারের পরই আলোচনায় চলে আসে টেলিছবি ‘বড় ছেলে’। এরপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও এর প্রশংসা করেছেন তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকরা। টিভিতে মিস করার পর এবং চারপাশে আলোচনা শোনার ফলে ইউটিউবে ‘বড় ছেলে’কে দেখা হয়েছে দেদার। মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত টেলিছবিটি মাত্র ৯ দিনে ছুঁয়েছে ৫০ লাখের মাইলফলক। বাংলাদেশের আর কোনও নাটক বা টেলিছবির এমন নজির নেই। সিডি চয়েসের ইউটিউব চ্যানেলে এর বর্তমান ভিউ ৫৩ লাখ।

 মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে সাজানো ‘বড় ছেলে’র প্রধান দুই চরিত্র অপূর্ব ও মেহজাবিন। এতে মধ্যবিত্ত অপূর্ব ও উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে মেহজাবিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শকরা। টেলিছবিটির নেপথ্যের প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে পরিচালক আরিয়ান বলেন, ‘আমার দাদা ও বাবার মতো আমিও পরিবারের বড় ছেলে। তবে এটি আমার জীবনের গল্প নয়। কিন্তু এমন একটা ঘটনা সামনে থেকে দেখেছি। কাজ করতে গেলে নির্মাণের ক্ষেত্রে ছোটবেলার অনেক স্মৃতিই উঠে আসে। যেমন প্রাইভেট শিক্ষকদের ঘটনা। সেগুলোই এ টেলিছবিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’

এই বিভাগের আরো খবর

আলমগীর, ঋতুপর্ণা ও শুভ’র সঙ্গে যুক্ত হলেন চম্পা

অভি মঈনুদ্দীন ঃ গেলো ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হলো চিত্রনায়ক আলমগীরের নির্দেশনায় ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের শুটিং। গত ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই চলচ্চিত্রের শুটিং-এ আলমগীর, ঋতুপর্ণা ও আরিফিন শুভ প্রতিদিন অংশ নিলেও গতকাল থেকে এই চলচ্চিত্রের শুটিং-এ যুক্ত হলেন চিত্রনায়িকা চম্পা। পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চম্পা দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর আলমগীরের নির্দেশনায় কাজ করছেন। গতকাল দিনব্যাপী আলমগীরের নির্দেশনায় চম্পা, ঋতুপর্ণা ও আরিফিন শুভ শুটিং-এ অংশ নেন। এছাড়া আরো যারা শুটিং-এ অংশ নিয়েছেন তারা হলেন সাদেক বাচ্চু, ববি শাহ ও জ্যাকি আলমগীর।

দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর আলমগীরের নির্দেশনায় কাজ করা প্রসঙ্গে চম্পা বলেন,‘ আমি বিগত কয়েকদিনও নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং করেছি। কিন্তু আলমগীর ভাইয়ের চলচ্চিত্রে কাজ করতে এসে কেমন যেন একটা ঈদ ঈদ বিষয় কাজ করছে। তার নির্দেশনায় ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় আগে আমি নিষ্পাপ চলচ্চিত্রে প্রথম একক নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছিলাম। দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর আবারো তার নির্দেশনায় কাজ করছি, এটা যে আমার জন্য কতো আনন্দের, ভালোলাগার তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একজন অভিনেত্রী হিসেবে ভালো চরিত্রে কাজ করার আকাঙ্খা সবসময়ই থাকে। এই চলচ্চিত্রে মিতালী চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে আমার সেই আকাঙ্খা বা মনোবাসনা পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

 অন্যদিকে এবারই প্রথম ঋতুপর্ণার সঙ্গে কাজ করছি। এটাও ভালোলাগার বিষয়। আর আরিফিন শুভ এবং আমি এর আগে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও সেটা মুক্তি পায়নি। একটি সিনেমার গল্প’তেই আমাদের প্রথম দেখা যাবে একসঙ্গে। ’ চিত্রনায়ক আলমগীর বলেন, ‘  চম্পা খুবই সিরিয়াস একজন অভিনেত্রী। নিজের অভিনয় কীভাবে সুন্দর করা যায় সেই চেষ্টাটা তার এখনো আছে। অভিনয়ের প্রতি তার দুর্বলতা, একাগ্রতা, নিষ্ঠাই সাধারণত চোখে পড়ে না। আর এ কারণেই আমার চলচ্চিত্রে কাজ করার বিষয়ে চুড়ান্ত হবার পর থেকেই অভিনয়ের বিষয়ে নানান বিষয় নিয়েই আলোচনা করেছে।

এটা একাগ্রতারই দৃষ্টান্ত। পাশাপাশি ঋতুপর্ণা অসাধারণ একজন ম্যাচিউরড আর্টিস্ট। কিছু কিছু দৃশ্যে আমার প্রত্যাশার বাইরে অনেক ভালো অভিনয় করছে। এতোটা ভালো অভিনয় করবে আমি ভাবতেও পারিনি। সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্রটিতে ঋতু তার চরিত্রে টু হান্ড্রেপ পারসেন্ট এক হয়ে গেছে। চলচ্চিত্রটি ঋতু কবিতা চরিত্রে অভিনয় করছে। কিন্তু চরিত্রটিতে সে এতোটাই মিশে গেছে যে ঋতু আর ঋতু নাই, যেন কবিতাই হয়েগেছে। অনুরূপভাবে শুভ’র তার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে তার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। সবার পারফর্ম্যান্সে আমি খুশি।’ ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আলমগীর ভাই নিঃসন্দেহে একজন গুনী অভিনেতা।

 খুব ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষও বটে। তিনি আমাকে খুব ¯েœহ করেন, আদর করেন। প্রতিটি দৃশ্যের আগে আমাকে বেশ ভালোভাবে সবকিছু এতো সুন্দরভাবে বুঝিয়ে যে আমি আপন মনে কাজ করতে পারি। এককথায় আমার চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে আমাকে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। শুধু আলমগীর ভাই-ই নন। পুরো ইউনিটই আসলে আমাকে খুউব সহযোগিতা করছে। যিনি আমার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন, সাবেরী আলম আপা-তিনিও আমাকে খুব ¯েœহ করেন। এই কয়েকদিনে যারা আমার সঙ্গে নতুন কাজ করছেন সবাই খুব আপন হয়েছেন। বেশ কয়েকবছর বিরতির পর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কাজ করছি। তাই ভালোলাগাটা ভীষণ। এখানে মোটামুটি প্রায় সব নায়কের সঙ্গেই আমি কাজ করেছি।

 তবে আমি এখানে এমন আরো ভালো কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই যেন এখানকার দর্শক আমার নামটি শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ করেন। সেই চেষ্টা আর সেই সাধনাটা আমার মধ্যে থাকবে। কারণ বাংলাদেশের দর্শকের কাছে আমার বেশ ভালো একটা পরিচিতি আছে। সেই পরিচয়টা বেশ সম্মানের সাথে আমি ধরে রাখতে চাই। আর সেটা একমাত্র সম্ভব এখানে ভালো ভালো কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করার মধ্যদিয়ে।’ শুভ বলেন,‘ একটি সিনেমার গল্প’র সাথে আমি সম্পৃক্ত আছি-এটাই আমার অনেক অনেক ভালোলাগার বিষয়। মনে হচ্ছে যেন একটি ইতিহাসের সাথে আমি সম্পৃক্ত হয়ে আছি।’ চলতি মাসের পুরোটা সময়ই ‘একটি সিনেমার গল্প’র শুটিং হবে বিএফডিসিতে। চলচ্চিত্রের কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য রচনা করেছেন আলমগীর নিজেই। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

একসঙ্গে এই প্রথম তারা তিনজন

বিনোদন প্রতিবেদক ঃ একসঙ্গে এবারই প্রথম কোন নাটকে অভিনয় করেছেন এফএস নাঈম, ডায়না ও তন্ময়। দাউদ হোসাইন রনির রচনা ও নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের নির্দেশনায় তারা তিনজন ‘ভালোবাসা না বাসা’ নাটকে অভিনয় করেছেন। এরইমধ্যে রাজধানীর উত্তরা ও নিকেতনে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। নাটকটির গল্প প্রসঙ্গে নাট্যকার দাউদ হোসাইন রনি বলেন,‘ নাঈম ও ডায়নার সুখের সংসার। কিন্তু দিন দিন স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্বর মধ্যে কেমন যেন কমতি দেখে স্বামী। এক সময় তাদের ঘরে চলে আসে ডায়নারই বোন তন্ময়।

 তন্ময় ও নাঈমের মধ্যে বেশ একটি সুসম্পর্ক তৈরী হয়। ঘটনা মোড় নিতে থাকে। একসময় নাঈম তন্ময়কে তার বাসায় দিয়ে আসতে যায়। তখন তন্ময় নাঈমকে জিজ্ঞেস করে আমাদের এই কয়েকদিনের সব ঘটনা কী শুধুই অভিনয় ছিলো?’ এমনই চমৎকার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘ভালোবাসা না বাসা’ নাটকটি। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে নাঈম বলেন,‘ আমি আর ডায়না প্রথম একসঙ্গে কাজ করি খিজির হায়াত খানের জাগো চলচ্চিত্রে। এরপর দীর্ঘদিন কেটে গেছে। বহুদিন পর নাটকে অভিনয় করে বেশ ভালোলেগেছে। ডায়না অভিনয়ে আগের চেয়ে বেশ ভালো করছে।

 কাজটি নিয়ে আমি খুব আশাবাদী।’ ডায়না বলেন,‘ দাউদ হোসাইন রনির রচনা আমার কাছে বেশ চমৎকার লেগেছে। তাছাড়া দীর্ঘদিন পর বন্ধু নাঈমের সঙ্গে অভিনয় করেছি। সবমিলিয়ে খুউব ভালোলেগেছে আমারও। নাটকটি টিভির পর্দায় দেখার জন্য ভীষণভাবে অপেক্ষা করছি।’ তন্ময় বলেন,‘ গল্পে আমার উপস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ, যে কারণে কাজটি করতেও বেশ ভালোলেগেছে। নাঈম ভাই, ডায়নার সঙ্গে কাজটি আমিও বেশ উপভোগ করেছি।

’ এদিকে গেলো ঈদে এফএস নাঈম অভিনীত আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত ‘বখতিয়ারের বাইক’ নাটকটি দর্শকের মাঝে বেশ সাড়া ফেলে। এই নাটকে দর্শক নতুন এক নাঈমকে খুঁজে পেয়েছে। নাঈম বলেন,‘ আমি সবসময়ই চেষ্টা করি চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতে। বকতিয়ারের বাইক আমার অভিনয় জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি নাটক।’ ‘ভালোবাসা না বাসা’ নাটকটি শিগগিরই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে।
ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

‘একটি সিনেমার গল্প’ নতুন দিনের সূচনা…

ত্রিশ বছর পর আজ মুখোমুখি আলমগীর-চম্পা
দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর আজ থেকে চিত্রনায়ক আলমগীরের নির্দেশনায় আবারো চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা চম্পা। চলচ্চিত্রটির নাম ‘একটি সিনেমার গল্প’। এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য আলমগীরের নিজের। ১৯৮৬ সালে চম্পা আলমগীরের নির্দেশনাতেই ‘নিষ্পাপ’ চলচ্চিত্রে আলমগীরের বিপরীতে অভিনয় করেন। একক নায়িকা হিসেবে এটিই ছিলো চম্পার প্রথম চলচ্চিত্র। এরপর আলমগীরের সঙ্গে আরো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও আলমগীরের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ হয়ে উঠেনি তার। দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর আলমগীরেরই নির্দেশনায় আলমগীরের বিপরীতে অভিনয় করার সুযোগ পেলেন চম্পা। এরইমধ্যে নিজের পোশাক, অভিনয় কেমন হতে পারে তা নিয়ে আলমগীরের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন চম্পা। কারণ দীর্ঘদিন পর তার কাছে এটি নতুন এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াচ্ছে। যে কারণে ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়ে বিগত বেশ কিছুদিন বেশ ভাবনায় ছিলেন চম্পা।

 চম্পা প্রসঙ্গে আলমগীর বলেন,‘ চম্পা খুবই সিরিয়াস একজন অভিনেত্রী। নিজের অভিনয় কীভাবে সুন্দর করা যায় সেই চেষ্টাটা তার এখনো আছে। অভিনয়ের প্রতি তার দুর্বলতা, একাগ্রতা, নিষ্ঠাই সাধারণত চোখে পড়ে না। আর এ কারণেই আমার চলচ্চিত্রে কাজ করার বিষয়ে চুড়ান্ত হবার পর থেকেই অভিনয়ের বিষয়ে নানান বিষয় নিয়েই আলোচনা করছে। এটা একাগ্রতারই দৃষ্টান্ত।’ দীর্ঘদিন পর আলমগীরের বিপরীতে আলমগীরেরই নির্দেশনায় অভিনয় প্রসঙ্গে চম্পা বলেন,‘ আমি যে সময়ে তার নির্দেশনায় কাজ করেছি সে সময় চলচ্চিত্র সম্পর্কে আমার ধারণাই কম ছিলো।

কিন্তু সেই সময়ের কথা আজ মনে পড়লে একটি বিষয়ই আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে দাঁড়ায় , আর তা হলো সেই সময়ই আলমগীর ভাই একজন নির্মাতা হিসেবে ছিলেন অসাধারণ। তিনি অবশ্যই অনেক বড় মাপের একজন অভিনেতা। কিন্তু তারপরও আমি বলবো অন্য অনেকের চেয়ে তিনি অনেক গুণী একজন নির্মাতা। আলমগীর ভাই চাইলেই আরো অনেক ভালো ভালো চলচ্চিত্র দর্শককে উপহার দিতে পারতেন। আলমগীর ভাই সবসময়ই অত্যন্ত বিনয়ী এবং খুবই সহযোগিতা পরায়ণ একজন শিল্পী। তার নির্দেশনায় এতোদিন পর কাজ করতে যাচ্ছি, এ অনুভূতি সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়।’ আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘আইকন এন্টারটেইনম্যান্ট’র ব্যানারে ‘একটি সিনেমার গল্প’ নির্মিত হচ্ছে। নির্দেশনায় তাকে সহযোগিতা করছেন শাহআলম কিরণ।


যেভাবে শুরু হলো ‘একটি সিনেমার গল্প’
চিত্রনায়ক ও পরিচালক আলমগীরের নির্দেশনায় নির্মাণ কাজ শুরু হলো ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের শুটিং। গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১.৩০ মিনিটে বিএফডিসির চার নম্বর ফ্লোরে একটি দৃশ্য ধারণের মধ্যদিয়ে আলমগীর তার নির্দেশিত নতুন চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু করেন। তবে শুটিং শুরুর আগে বিসমিল্লাহ পড়ে চলচ্চিত্রটির শুভযাত্রা করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা ও বরেণ্য অভিনেতা, নির্দেশক সৈয়দ হাসান ইমাম। এই সময় অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রটির নির্দেশক ও অভিনেতা আলমগীর, আঁখি আলমগীর, চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ , ওপার বাংলার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং আঁখি আলমগীরের দুই কন্যা ¯েœহা ও আরিয়া।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলচ্চিত্রটির শুটিং চলবে বলে জানান আলমগীর। এই চলচ্চিত্রের কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্য রচনা করেছেন আলমগীর নিজেই। এতে আলমগীরের বিপরীতে অভিনয় করবেন চম্পা। চিত্রগ্রহণে আছেন আসাদুজ্জামান মজনু। রুনা লায়লা বলেন, ‘একটি সিনেমার গল্প’র জন্য রইলো শুভ কামনা। এই চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়েই একজন সুরকার হিসেবে আমার অভিষেক হলো। গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং গেয়েছেন আঁখি আলমগীর। চলচ্চিত্রটির অন্যান্য গানগুলো বেশ চমৎকার। সবমিলিয়ে চমৎকার গল্পের একটি সিনেমা একটি সিনেমার গল্প।’ সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন,‘ গল্পটা আমার কাছে বেশ ভালোলেগেছে। আলমগীর নির্দেশক হিসেবে পরীক্ষিত একজন। আশা করছি এটি অতীতের চেয়েও আরো অনেক বেশি ভালো মানের একটি সিনেমা হবে।’


ঋতুপর্ণার যতো কথা…
ঋতুপর্ণা, যেন আমাদের পাশের বাড়িরই এক মেয়ে। চলনে বলনে যেন তেমন আপনজনই মনে হয়। তাবৎ দুনিয়াজুড়ে তিনি ঋতুপর্ণা নামে পরিচিত থাকলেও পরিবারের সবার কাছে তিনি আদর আর ভালোবাসার চুমকি।‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়ে আবারো ঢাকার চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছেন দুই বাংলার নন্দিত এই নায়িকা। এর আগে চিত্রনায়ক আলমগীরের সঙ্গে একই চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও এবারই প্রথম তিনি আলমগীরের নির্দেশনায় অভিনয় করছেন। গেলো ৯ সেপ্টেম্বর শুটিং শুরুর দিন থেকেই তিনি প্রতিদিন বিএফ ডিসিতে শুটিং করছেন। চলচ্চিত্রেটিতে তিনি একজন নায়িকার চরিত্রেই অভিনয় করছেন বলে জানান ঋতুপর্ণা। আলমগীরের নির্দেশনায় চলচ্চিত্রে কাজ করা প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা বলেন,‘ আলমগীর ভাই নিঃসন্দেহে একজন গুনী অভিনেতা। খুব ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষও বটে। তিনি আমাকে খুব ¯েœহ করেন, আদর করেন।

প্রতিটি দৃশ্যের আগে আমাকে বেশ ভালোভাবে সবকিছু এতো সুন্দরভাবে বুঝিয়ে যে আমি আপন মনে কাজ করতে পারি। এককথায় আমার চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে আমাকে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। শুধু আলমগীর ভাই-ই নন। পুরো ইউনিটই আসলে আমাকে খুউব সহযোগিতা করছে। যিনি আমার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন, সাবেরী আলম আপা-তিনিও আমাকে খুব ¯েœহ করেন। এই কয়েকদিনে যারা আমার সঙ্গে নতুন কাজ করছেন সবাই খুব আপন হয়েছেন। বেশ কয়েকবছর বিরতির পর বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কাজ করছি। তাই ভালোলাগাটা ভীষণ। এখানে মোটামুটি প্রায় সব নায়কের সঙ্গেই আমি কাজ করেছি। তবে আমি এখানে এমন আরো ভালো কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই যেন এখানকার দর্শক আমার নামটি শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ করেন। সেই চেষ্টা আর সেই সাধনাটা আমার মধ্যে থাকবে।


 কারণ বাংলাদেশের দর্শকের কাছে আমার বেশ ভালো একটা পরিচিতি আছে। সেই পরিচয়টা বেশ সম্মানের সাথে আমি ধরে রাখতে চাই। আর সেটা একমাত্র সম্ভব এখানে ভালো ভালো কিছু চলচ্চিত্রে কাজ করার মধ্যদিয়ে।’ বাংলাদেশে বহুবার এসেছেন ঋতুপর্ণা। আর এখানে আসতে আসতে যেসব খাবার তার ভালোলেগেছে সেগুলো হচ্ছে কাচ্চি বিরিয়ানী, হাজীর বিরিয়ানী, চিংড়ি মাছের ভর্তা, ইলিশ মাছ আর চিতল মাছ। গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে টানা কাজ করে যাচ্ছেন তিনি ক্লান্তি বিহীন। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রের প্রথম লটের শুটিং করবেন। অক্টোবরে তিনি দ্বিতীয় লটের শুটিং করতে আবারো ঢাকায় আসবেন। কলকাতায় ফিরেই তিনি পূজাতে ব্যস্ত হয়ে উঠবেন।  যুগে যুগে, কালে কালে ঋতু বদলায় কিন্তু সত্যি, যে ঋতুপর্ণাকে গেলো ক’দিন কাছে থেকে দেখেছি-এই ঋুত যেন একটুও বদলায়নি। এই ঋুত যেন ‘শ্বেত পাথরের থালা’, ‘দাদাগিরি’ ‘দহন’, ‘স্বামী কেন আসামী’, ‘সাগরিকা’, ‘রাঙ্গা বউ’, ‘পারমিতার একদিন’, ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’ কিংবা আরো কতো না দর্শক সমাদৃত হওয়া চলচ্চিত্রের ঋতু।


 এই ঋতু সত্যিই আজও বদলায়নি। হয়তো ঋতুপর্ণা বদলাবার নয়, তাই আজো বদলায়নি। তাইতো আজও এপার বাংলা কিংবা ওপার বাংলায় তার জনপ্রিয়তা-দর্শকপ্রিয়তা ঠিক সেই আগেরই মতোন। ঋতু হয়তো জানেন দর্শকের মাঝে কিভাবে সময়ের পর সময়ে বেঁচে থাকতে হয়। ঋতু সেই জাদু জানেন। জানেন বলেই আজও তিনি আগেরই মতোন চিরসবুজ। দুই বাংলার চলচ্চিত্র পরিবারের কাছ থেকে ঋতু যেমন সবসময় সহযোগিতা পেয়ে আসছেন ঠিক তেমনি ১৯৯৯ সালে বিয়ের পর শ্বশুর বাড়ি থেকেও যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছেন ঋতুপর্ণা। বিশেষ করে তার স্বামী সঞ্জয় চক্রবর্তী মনেপ্রাণে তাকে সহযোগিতা করেছেন। আর তাই হয়তো ছেলে অঙ্কন চক্রবর্তী, মেয়ে ঋসোনা চক্রবর্তীকে নিয়ে বেশ সুখের সময় পার করছেন ঋতুপর্ণা। ঋতুপর্ণ ঘাষের ‘দহন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়েল জন্য তিনি ১৯৯৮ সালে শ্রেষ্ঠ অভিনত্রেী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।  


ঋতুপর্ণাকে নিয়ে তারা যা বললেন..
আলমগীর, একটি সিনেমার গল্প’র পরিচালক : ঋতুপর্ণা অসাধারণ একজন ম্যাচিউরড আর্টিস্ট। কিছু কিছু দৃশ্যে আমার প্রত্যাশার বাইরে অনেক ভালো অভিনয় করছে। এতোটা ভালো অভিনয় করবে আমি ভাবতেও পারিনি। সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্রটিতে ঋতু তার চরিত্রে টু হান্ড্রেপ পারসেন্ট এক হয়ে গেছে। চলচ্চিত্রটি ঋতু কবিতা চরিত্রে অভিনয় করছে। কিন্তু চরিত্রটিতে সে এতোটাই মিশে গেছে যে ঋতু আর ঋতু নাই, যেন কবিতাই হয়েগেছে। তার জন্য আমার শুভ কামনা।

রঞ্জিত মল্লিক : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ঋতু আবারো অভিনয় করছে। তার জন্য শুভ কামনা। দীর্ঘদিন অনেক চলচ্চিত্রে ঋতু আমার সঙ্গে অভিনয় করেছে এবং এখনো করছে। ঋতু প্রচ- ভালো একজন অভিনেত্রী। খুউব ট্যালেন্টেড, সিনসিয়ার একজন অভিনেত্রী। আমার সঙ্গে যতোগুলো চলচ্চিত্রে ঋতু অভিনয় করেছে প্রতিটি চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি। তার পারফর্ম্যান্সে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। বাংলাদেশে তার নতুন সিনেমা ‘একটি সিনেমার গল্প’র জন্য শুভ কামনা রইলো।

ফেরদৌস আহমেদ : ঋতুপর্ণার আমার খুউব ভালো একজন বন্ধু। চলচ্চিত্র পরিবারে দুই বাংলায় আমার যে ক’জন ভালো বন্ধু আছে তাদের মধ্যে অন্যতম একজন ঋতুপর্ণা। তারসঙ্গে আমার প্রথম চলচ্চিত্র সুভাষ সেন’র নির্দেশনায় নির্মিত ‘ওস্তাদ’। এরপর আমরা দু’জন ‘সুয়োরানী দুয়োরানী’, ‘প্রেমের প্রতিদান’, ‘মন যারে চায়’, ‘ তুমি যদি আমার হতে’, ‘জীবনের চারকোন’, ‘কামব্যাক’, ‘জনম জনমের সাথী’, ‘ফুল আর পাথর’, ‘প্রতিহিংসা’, ‘আকর্ষণ’ এবং সর্বশেষ ‘খাঁচা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। ঋতু খুউব ভালো একজন মানুষ, একজন অসম্ভব গুণী একজন অভিনেত্রী। দুটোর সমন্বয় খুউব কমই পাওয়ায় যায়। কিন্তু ঋতুর এই দুটো গুনই আছে। তারসঙ্গে আমার সম্পর্কটা পারিবারিক। যে কারণে আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পকর্, কাজের সম্পর্কের বাইরেও একটি শ্রদ্ধার সম্পর্ক বিদ্যমান। আমি জানি ঋতু এফডিসিতে শুটিং করছে আলমগীর ভাইয়ের নির্দেশনায়। ব্যস্ততার জন্য সময় হয়ে উঠেনি দেখা করার। তবে শিগগিরই দেখা করতে যাবো।’

আরিফিন শুভ : এবারই প্রথম জুটিবদ্ধ হয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা ও আরিফিন শুভ। ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রেই তারা দু’জন অভিনয় করছেন। আরিফিন শুভ বলেন-ঋতু দিদি অনেক বড় মাপের একজন অভিনেত্রী, গুনী একজন অভিনেত্রী। তার তুলনায় আমি অতি ক্ষুদ্র একজন শিল্পী। কিন্তু তিনি আমাকে এমন একটি আরামদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি করে দিয়েছেন যাতে আমি খুউব সহজেই অভিনয় করতে পারি। এতো বড় মাপের একজন শিল্পী হয়ে তিনি আমাকে যেভাবে সহযোগিতা করছেন তাতে প্রতিনিয়তই  ঋতু’তে মুগ্ধ হচ্ছি আমি। তিনি আমাকে এমনভাবেই সহযোগিতা করছেন যেন অভিনয়ে আমার কোনরকম সমস্যা না হয়। আর আলমগীর স্যারের কথাতো অবশ্যই বলতে হয়, তিনি আমাকে বুকে আগলে নিয়ে আদর করে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন। সবমিলিয়ে আমাদের দু’জনের কাজ যেন পর্দায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠে সেই চেষ্টাটাই করেছেন তিনি।

আমিন খান :  ঋতুপর্ণার সঙ্গে আমি তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। একটি মোহাম্মদ হোসেনের ‘রাঙ্গা বউ’। অন্য দুটি হচ্ছে এম এম সরকারের ‘তোমার আমার প্রেম’ ও বাদল খন্দকারের ‘সাগরিকা’।  শুধু এতোটুকু বলতে চাই ঋতুপর্ণা খুউব ভালো মনের মানুষই শুধু নন একজন শতভাগ প্রফেশনাল অভিনেত্রী। আমি মনেকরি একজন শিল্পী যখন শতভাগ প্রফেশনাল হয় তখন আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়াটা তার জন্য খুব সহজ হয়। শতভাগ প্রফেশনাল বলেই ঋতু আবারো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। এটা নিঃসন্দেহে সে প্রশংসা পাওয়ার দাবী রাখে।

‘একটি সিনেমার গল্প’ এবং সাবেরী আলমের জন্মদিন
গেলো ১২ সেপ্টেম্বর ছিলো ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে ঋতুপর্ণার মা সাবেরী আলমের জন্মদিন। সকাল থেকেই ইউনিটের সবাই জানতেন যে সেদিন ছিলো সাবেরী আলমের জন্মদিন। কিন্তু তা কেউই তাকে বুঝতে দেয়নি। বিকেলে চলচ্চিত্রের পরিচালক আলমগীর আগে থেকেই ফুলের তোড়া এবং কেক এনে রাখেন। কিন্তু সাবেরী আলমকে কীভাবে সারপ্রাইজ দেয়া যায় সেই ভাবনায় ছিলেন আলমগীর। অবশেষে একটি দৃশ্যে আবারো অভিনয়ের কথা বলে শুটিং ফ্লোরে নিয়ে যান আলমগীর। আর সেটে প্রবেশ করেই রীতিমতো অবাক হয়ে যান।

 কারণ সেখানে ফুল হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাদেক বাচ্চু, শাহআলম কিরণ, ঋতুপর্ণা, আরিফিন শুভ ও সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন। আলমগীরের আয়োজিত জন্মদিনের এমন সারপ্রাইজে মুগ্ধ হন সাবেরী আলম। সাবেরী আলম বলেন,‘ সত্যিই ভীষণ খুশি হয়েছিলাম আলমগীর ভাইয়ের এমন সারপ্রাইজে। জন্মদিনে এমন আয়োজনে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি কৃতজ্ঞ আলমগীর ভাই’সহ ইউনিটের সবার প্রতি।
ছবি তুলেছেন ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার ও আলিফ হোসেন রিফাত।

এই বিভাগের আরো খবর

উচ্চারণ একাডেমির ঈদ মিলন মেলা

উচ্চারণ একাডেমি বগুড়ার উদ্যোগে গতকাল বিকেলে শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তন চত্বরে ঈদ মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারি  মোঃ আতিকুর রহমান মিঠুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বগুড়ার সভাপতি তৌফিক হাসান ময়না, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবিএম জিয়াউল হক বাবলা, সেলিম রেজা কাজল, রকিবুল হক খান রতন, মোঃ আব্দুল মতিন মন্ডল, সৈয়দ মঞ্জুর মোর্শেদ মুন, খলিলুর রহমান চৌধুরী, ইসলাম রফিক, উচ্চারণ একাডেমির পরিচালক পলাশ খন্দকার প্রমুখ। মিলনমেলায় সংগঠনের শিশু-কিশোর শিল্পীদের পরিচালনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। খবর বিজ্ঞপ্তির।

এই বিভাগের আরো খবর

‘সানফ্লাওয়ার’ শেষ করলেন তারিন

বিনোদন প্রতিবেদক : গত বছর কোরবানীর ঈদেও পর দিনাজপুর শহরে তারিন শুরু করেছিলেন এনটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক নাটক নজরুল ইসলাম রাজু পরিচালিত ‘সানফ্লাওয়া’র এর কাজ। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ‘বড় ছেলে’ টেলিফিল্মে অভিনয় করে এই সময়ে আলোচনার শীর্ষে থাকা অপূর্ব। এদিকে এরইমধ্যে একমাসের জন্য আমেরিকায় গেছেন তারিন।

বড় বোনের সঙ্গে সময় কাটাবেন তিনি। গেলো সোমবার রাতের ফ্লাইটে তিনি আমেরিকা গেলেন। আমেরিকার উদ্দেশ্যে উড়াল দেবার আগে রাজধানীর অদূরে পূবাইলে শেষ করে দিয়ে গেছেন এনটিভিতে প্রচার চলতি নজরুল ইসলাম রাজু পরিচালিত ‘সানফ্লাওয়ার’ ধারাবাহিক নাটকের কাজ। গত বছরই সেপ্টেম্বর মাসে দিনাজপুরে ‘সানফ্লাওয়ার’ ধারাবাহিক নাটকের শুটিং শুরু হয়েছিলো।

 দিনাজপুরের গল্প যখন ঢাকায় এসে এগিয়ে যাওয়া শুরু হলো তখন আর দিনাজপুরের দিনগুলোতে আর ফিরে যেতে হয়নি। যে কারণে আর কখনোই দিনাজপুরে শুটিং করার প্রয়োজনও হয়ে উঠেনি। তাই রাজধানী কেন্দ্রিক গল্পেই শেষ হতে যাচ্ছে তারিন অভিনীত এই সময়ের দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘সানফ্লাওয়ার’। ‘সানফ্লাওয়ার’ ধারাবাহিকে অভিনয় করা প্রসঙ্গে তারিন বলেন,‘ এতোদিন ভেবেছি যে দর্শকের হয়তো নাটক দেখার সুযোগই হয়ে উঠেনা। কিন্তু সানফ্লাওয়ার ধারাবাহিকে অভিনয় করে আমি বুঝতে পেরেছি ভালো গল্পের নাটক, ভালো নাটক দর্শক দেখেন। এই ধারাবাহিকে অভিনয় করে আমি দেশে বিদেশে সরাসরি অনেক সাড়া পেয়েছি। নাটক দেখে দর্শক আমাদেরকে ফোনে হয়তো সরাসরি তাদের অনুভুতির কথা বলতে পারেন না।

 কিন্তু যখন কোথাও দর্শকের সঙ্গে দেখা হয় তখন দেখি যে প্রায় প্রতিটি দৃশ্যই তারা বলতে পারছেন। এতেই বুঝা যায় যে দর্শক নাটক দেখেন, সানফ্লাওয়ার দেখেছেন। এছাড়া ইউটিউবে এখন নাটক দেখা যাচ্ছে। সেখানে গিয়েও দর্শকের কমেন্টস পড়তে পারি। একটি পর্ব আপলোড করা হলেই পরবর্তীটিরি জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। ভালোলাগে বলেই তারা অপেক্ষা করেন। পরিচালক রাজু ভাই দর্শকের মেজাজ বুঝেই গল্পটিকে যথাযথভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। একটি ধারাবাহিক নাটক যখন দর্শকপ্রিয়তা পায় তখন এটা ধরে রাখাও একজন পরিচালকের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

 রাজু ভাই সেই চ্যালেঞ্জটি নিয়ে নাটকটি নির্মাণ করে যাচ্ছেন। দর্শকের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে তারা এমন ভালো একটি নাটক নিয়মিত দেখছেন। পুরো ইউনিটের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কারণ একটি নাটকের দর্শকপ্রিয়তা নির্ভর করে পুরো ইউনিটের আন্তরিকতার উপর।’ এদিকে গেলো ঈদে তারিনকে তিনটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যায়। তৌকীর আহমেদ’র ‘মেঘের ওপারে মেঘ’, গোলাম সোহরাব দোদুলের ‘দ্য অ্যাক্টর’ এবং নিয়াজ মাহবুবের ‘ইলিশ’ নাটকে তার অনবদ্য অভিনয় দর্শক উপভোগ করেন। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার

এই বিভাগের আরো খবর

নিজের লেখা ও সুরে লুবনা লিমি’র ‘ভালোবাসি বলতে চাই’

বিনোদন প্রতিবেদক : সুরের খেয়াতে ভাসতেই ভালোলাগে তার। তাই ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো এই দেশের গানের ভুবনে গড়ে তুলবেন নিজের আপন ভুবন। হয়েছেও ঠিক তাই। অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আজ তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত সঙ্গীত শিল্পী। বলছিলাম ময়মনসিংহের মেয়ে লুবনা লিমির কথা। যে মেয়েটির চোখে মুখে যেন গানেরই প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে। তবে গানের পথে এগিয়ে চলাটা অনেকটা ধীরে ধীরেই। তার বিশ্বাস ধীরে ধীরেই এগিয়ে যাওয়াটা উত্তম। শিল্পীর সাধনা এমন এক বিষয় যেখানে তাড়াহুড়ার কিছু নেই-এমনটাই ভাষ্য তার। আর তাই বিগত কয়েক বছরে লুবনা লিমি তার ভক্ত-শ্রোতা’র জন্য তিনটি একক অ্যালবাম উপহার দিলেও এবার তিনি একটি নতুন একক গান নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। গানের শিরোনাম ‘ভালোবাসি বলতে চাই’।

 গানের কথা,সুর নিজের হলেও এর সঙ্গীতায়োজন করেছে স্টুডিও ডকিয়ার্ড। এরইমধ্যে গানটির অডিও ভার্সন ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। সংগীতার ঈদ এক্সক্লুসিভ অডিও সং হিসেবে এটি এরইমধ্যে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। গানটি প্রসঙ্গে লুবনা লিমি বলেন,‘ গানের কথা খুউব সহজ, স্বাভাবিক। গানের মধ্যে কথায় কথায় খুউব সাদামাটা অথচ অনেক গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আছে। তাই ভীষণভাবে আশা রাখছি গানটি শ্রোতাদের ভালোলাগবে।’ লুবনা লিমি জানান, আপাতত শিগগিরই গানটির ভিডিও নির্মাণ করে প্রকাশ করা হবে।

লুবনা লিমি’র প্রথম একক অ্যালবাম ‘সত্যি বলছি ছয়’ ২০১২ সালে প্রকাশ হয়। অ্যালবামের সবুগলো গানের কথা ও সুর লুবনা লিমির নিজের ছিলো। তবে পরবর্তীতে ২০১৫ সালে প্রকাশিত দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘একটুখানি ঘুম’ তাকে নিয়ে এসে একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে বেশ আলোচনায়। এই অ্যালবামে নচিকেতা, মানাম আহমেদ, সেতু চৌধুরী, পৃথ্বিরাজ, মুন’র সঙ্গীতে লুবনা লিমির গাওয়া গানগুলো শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়।

 লিমিও যেন সঙ্গীতাঙ্গনে নিজের আশ্রয় খুঁজে পান নতুন করে, বুকে অনেক সাহস নিয়ে। যে কারণে পরবর্তীতে ২০১৬ সালে তিনি বাংলাদেশে প্রথম থ্রিয়েট্রিক্যাল অ্যালবাম ‘গান গল্প ও ভালোবাসা’ প্রকাশ করেন। এই অ্যালবামের গানগুলোও ছিলো শ্রতিমধুর। ঈদের ছুটির পর লুবনা লিমি আবারো স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। এরইমধ্যে গেলো সপ্তাহে তিনি রাজশাহীতে স্টেজ শো’তে পারফর্ম করেছেন। গানে লুবনা লিমি’র হাতেখড়ি ওস্তাদ মাসুদ করিমের কাছে।

এরপর তিনি সুমিতা নাহা, স্বপন ধর, আনোয়র হোসেন’র কাছেও গানে তালিম নিয়েছেন। তবে যখন তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী সেই সময়েই তিনি ময়মনসিংহের উদীচি থেকে ছয় বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। একজন তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে ২০০১ সাল থেকে বিটিভিতে গান গেয়ে আসছেন লিমি। ময়মনসিংহের প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে এসএসসি, মুমিনুন্নেসা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে সমাজ কল্যাণে অসার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন লুবনা লিমি।  ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

একসঙ্গে এই প্রথম মীর সাব্বির, অপূর্ব, নাদিয়া ও মম

অভি মঈনুদ্দীন : জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব’র অভিনয় জীবনের সেরা সময়ই যেন পার করছেন এখন। কারণ মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ টেলিফিল্মে অপূর্ব এবং মেহজাবিনের অনবদ্য অভিনয় দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছে ঈদের দিন থেকে প্রতিদিন। যারাই নাটকটি দেখছেন তারাই অপূর্ব এবং মেহজাবিনের অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে ফেসবুকে তাদের দু’জনের অভিনয়ের প্রশংসা প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। অভিনেতা অপূর্ব দর্শকের প্রতি এবং পুরো ইউনিটের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গত সোমবার তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। এদিকে এবারই প্রথম অপূর্ব মীর সাব্বির, নাদিয়া ও মম’র সঙ্গে একই ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘বিড়ম্বনা’। এটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন এ জাবির রাসেল।

 নাটকের গল্প প্রসঙ্গে মীর সাব্বির বলেন,‘ দুই বন্ধু বিশেষ দিনে ঘুরতে যায় কক্সবাজার। কিন্তু বাসে কিছুটা দেরি হওয়াতে হোটেলে গিয়ে রুম না পাওয়ায় হোটেলের কড়িডোরে থাকার প্ল্যান করে তারা। এরই মধ্যে পাশে কয়েকটি মেয়ে এসে একই ঘটনায় পরে এবং তারাও হোটেলের কড়িডোরে থাকে। এদের সাথে দুই বন্ধুর বাসেই দেখা হয়েছিলো আসার পথে। কিন্তু দেখাটা ঝগরাটে ভাবের। এক পর্যায়ে কিছুটা প্রেম হয়, বাড়িতেও ফিরে। কিন্তু বাড়িতে আসার পর গ্রামের লোকজন তাদের বিয়ে করিয়ে দেয়। চলে আসে তারা শহরে। কিন্তু বাড়ি ভাড়া নিতে পারে না। বিয়ের পেপারস চায় বাড়িওয়ালা।

 এগিয়ে যাবে নাটকের গল্প। জাবির বেশ যতœ করেই নাটকটি নির্মাণ করেছে। বাকীটা দর্শকের উপর নির্ভর করছে। ’ অপূর্ব বলেন,‘ জাবিরের নির্দেশনায় আগেও অভিনয় করেছি। ভালো কাজ নির্মাণের চেষ্টাটা তারমাঝে বেশ প্রবল। আমরা সবাই বেশ আন্তরিকতা নিয়ে কাজটি করেছি।’ নাদিয়া বলেন,‘ গল্পটা বেশ মজার। দর্শক উপভোগ করবেন-এটা নিশ্চিত বলতে পারি।’ মম বলেন,‘ আমি সবসময়ই ভালো স্ক্রিপ্ট পেলে ধারাবাহিক নাটকে কাজ করি। জাবিরের এই নাটকের গল্প ভাবনাটা ভালোলেগেছে। আমরা বেশ মজা করতে করতেই শুটিং করেছি। আশাকরি ভালোলাগবে দর্শকের।

 আসছে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি বাংলা ভিশনে মঙ্গল ও বুধবার রাত ৯.০৫ মিনিটে বিরতিহীনভাবে প্রচার হবে। গেলো ঈদে মীর সাব্বির নির্দেশিত ও অভিনীত ‘বাপ বেটা মডার্ণ’ ও ‘কাইল্যা চোরা’ নাটক দুটি দর্শকের কাছে ছিলো ভীষণ উপভোগ্য। অন্যদিকে মম’র অনবদ্য অভিনীত তানিয়া আহমেদ’র ‘ছায়া’, শিহাব শাহীনের ‘সোলমেইট’, মাহমুদুর রহমান হিমির ‘জলে তার ছায়া’ দর্শকনন্দিত হয়েছে। সকাল আহমেদ’র নির্দেশনায় মাহফুজ আহমেদ’র বিপরীতে ‘তোমার জন্য ২০০ কাঠবেলি’তে নাদিয়ার প্রাণবন্ত অভিনয়ে মুগ্ধ হন দর্শক। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

এই বিভাগের আরো খবর

বাপ্পী-মাহির ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’

বিনোদন প্রতিবেদক : সবগুলো সিকোয়েন্স শেষ, বাকি আছে শুধু গানের দুটি গানের দৃশ্যধারণ। একটি টাইটেল গান অন্যটি রোমান্টিক। বর্তমানে টাইটেল গানের শুটিং চলছে বান্দরবনে। এই গান দুটির শুটিং সম্পন্ন হলেই শেষ হবে ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবির শুটিং। এমনটাই বলছিলেন এই ছবির নির্মাতা শাহনেওয়াজ সানু। তিনি জানান, ‘গান ছাড়া সব সিকোয়েন্সের শুটিং শেষ। এমনকি ডাবিংও শেষ হয়েছে। গত ১০ তারিখ থেকে শেষ লটের শুটিং শুরু করেছি। এখন বান্দরবন আছি। ক্যামেরা ক্লোজ করে ঢাকা ফিরবো ১৬ তারিখ।’নির্মাতা শাহনেওয়াজ শানুর পরিচালনায় এটি দ্বিতীয় ছবি।

 তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘মাটির পিঞ্জিরা’ মুক্তি পায় ২০১২ সালে। এই নির্মাতা আশা করছেন আগামী নভেম্বরেই ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিটি তিনি মুক্তি দেবেন। ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিতে মাহির চরিত্রের নাম থাকছে বন্যা। একজন সুপার মডেলের উত্থান-পতনের পাশাপাশি এ ছবিতে একটি পরিবারের গল্প থাকবে। এরমধ্যেই মাহির জীবনে এন্ট্রি নেবেন বাপ্পী। আরো অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, সাদেক বাচ্চু, জারা, আহমেদ শরীফ, শিবা শানু প্রমুখ। রোমান্টিক-অ্যাকশন ঘরানায় নির্মিত ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিটি প্রযোজনা করছে ফোর সিজন ফিল্মস।

এই বিভাগের আরো খবর

এটিএম শামসুজ্জামানের অন্য রকম জন্মদিন উদ্যাপন

বিনোদন প্রতিবেদক : দীর্ঘ ৫২ বছর যাবত চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত জীবন্ত কিংবদন্তী অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। কিন্তু তার অভিনয় জীবনের দীর্ঘ এই পথচলায় কখনোই সাংবাদিকদের সঙ্গে নিজ গৃহে আড্ডা দেবার সময় হয়ে উঠেনি কখনো। তবে এবারের জন্মদিনে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ঘরোয়া আড্ডা মেতে উঠেছিলেন। উপলক্ষ ছিলো জন্মদিন। গেলো ১০ সেপ্টেম্বর ছিলো বরেণ্য এই অভিনেতার জন্মদিন। ঈদের আগেই এটিএম শামসুজ্জামান ও সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন পরিকল্পনা করেন যে জন্মদিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘরোয়া আড্ডা দিবেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গেলো ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সূত্রাপুরে এটিএম শামসুজ্জামানের বাসায় বেশ কয়েকজন সাংবাদিক তারসঙ্গে জন্মদিনের বিশেষ সময় পার করেন গল্পে, আড্ডায়।

 সন্ধ্যার পর থেকেই এটিএম শামসুজ্জামানের বাসায় সাংবাদিকরা আসতে শুরু করেন। রাত দশটা পর্যন্ত এটিএম শামসুজ্জামান নিজের ছোটবেলা থেকে অভিনয়ে আসার গল্প বলা’সহ কবি শামসুর রহমান, আহমদ ছফা, নায়করাজ রাজ্জাক, আব্দুল জব্বার, শবনম, প্রবীরমিত্র প্রসঙ্গ’সহ নিজের বাবা সম্পর্কে অনেক অজানা কথা বলেন। উপস্থিত সাংবাদিকরা আগ্রহ নিয়ে সেইসব না জানা কথা শুনেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের নিজে তদারকি করে খাইয়েছেন। খাওয়া দাওয়া শেষে রাত তখন এগারোটা, সবার বাড়ি ফেরার পালা। কিন্তু এটিএম শামসুজ্জামান চাইছিলেন আরো গল্প করতে। কিন্তু চাইলেও আর পারা যাচ্ছিলো না। কারণ তার বাসায় তার মেয়ের জামাই, নাতি নাতনীরা জন্মদিনের অনুষ্ঠান করা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। তাই ইচ্ছে থাকলেও তিনি আর আড্ডা দিতে পারছিলেন না।

 এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, ‘আজকের এই দিনটি আমার সারা জীবন মনে থাকবে, জানি না কয়দিন আর বাঁচবো। মনে থাকবে দিনটির কথা আমৃত্যু। কারণ আপনারা সবাই অনেক কষ্ট করে গরম আর বৃষ্টির দিনে এই পুরান ঢাকায় এসেছেন আমার কাছে আপনাদের ভালোলাগা-ভালোবাসা থেকে। আমি আপনাদের কাছে ঋণী হয়েগেলাম। আমি সত্যিই বেশ আনন্দিত আজ। আপনারা ভালো থাকবেন।’ এটিএম শামসুজ্জামানের সঙ্গে জন্মদিনের আড্ডায় যারা অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলেন তারা হচ্ছেন রিমন মাহফুজ, অভি মঈনুদ্দীন, নিথর মাহবুব, রকিব হোসেন, রেজাউর রহমান রিজভী, রুদ্র মাহফুজ, এমদাদুল হক মিল্টন, আলমগীর কবির, কামরুজ্জামান মিলু, ফটোগ্রাফার দীপু খান, আলিফ হোসেন রিফাত। গেলো ১০ সেপ্টেম্বর এটিএম শামসুজ্জামান ৭৭ বছরে পা রাখেন। ছবি তুলেছেন দীপু খান ও আলিফ হোসেন রিফাত।

এই বিভাগের আরো খবর

ওমানে গাইবেন আয়েশা মৌসুমি

বিনোদন প্রতিবেদক : ফোক-ফিউশন ধাঁচের কয়েকটি গান গেয়ে আয়েশা মৌসুমি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ইতিমধ্যে কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে মৌসুমিকে দেখা গেছে তার সহজ সাবলীল ভঙ্গিমায়। লাইভ কনসার্টেও নিয়মিত গান গাইছেন ‘পাওয়ার ভয়েস’খ্যাত এই প্রমিজিং সঙ্গীতশিল্পী।আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ওমানে গাইতে যাচ্ছেন মৌসুমি।

ওমানের মাস্কাটে অনুষ্ঠিতব্য ‘ঢালিউড ব্লাস্ট’ নামের অনুষ্ঠানে মৌসুমি যাচ্ছেন বাংলাদেশের আরো কয়েকজন সঙ্গীত ও অভিনয়শিল্পদের সঙ্গে। সেখানে আরো পারফর্ম করবেন শাকিব খান, আসিফ আকবর, আইরিন, নিরব, বিদ্যা সিনহা মিম, কুদ্দুস বয়াতিসহ অনেকে। ‘ঢালিউড ব্লাস্ট’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ঢালিউডের সুপারস্টার শাকিব খান, বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর, চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মীম, বিপাশা কবির, আইরিন, খল অভিনেতা মিশা সওদাগর, ডন, চিত্রনায়ক নিরব, সাঞ্জু জনসহ অনেকেই।

মৌসুমি জানালেন- ‘আমার নিজের গাওয়া চাঁদের গায়ে, ও মৌসুমিসহ ৫টি গান গাইবো সেখানে। সঙ্গে আরেকটি ডুয়েট গান গাইবো কলকাতার শিল্পী আকাশ সেন-এর সঙ্গে।’ এ বছরের জানুয়ারিতে সিঙ্গাপুরে গান গেয়ে এসেছেন মৌসুমি। ওমানের শো শেষে অক্টোবরে গান গাইতে যাবেন কুয়েতে। এরপর নভেম্বরে আরেকটি শো করতে বাহরাইন যাবেন বলেও জানালেন তিনি।

এই মুহূর্তে লাইভ শো আর নিজের নতুন কয়েকটি গান তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌসুমি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন বাংলাদেশের তানভীর তারেক ও কলকাতার পায়েল মুখার্জি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন চলচ্চিত্র পরিচালক অনন্য মামুন। ঢালিউড ব্লাস্ট আয়োজকরা বলছেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে যথাযথভাবে।

এই বিভাগের আরো খবর

ফের ঢাকায় মিতালী মুখার্জি

অভি মঈনুদ্দীন :  গেলো ৫ মে ক্ষুদে গান রাজ’র ‘গ্র্যা  ফিনালে’ অনুষ্ঠানে অতিথি বিচারক হিসেবে যখন বিচারকের কাজ শেষ করেন মিতালী মুখার্জি, সেই সময়ই চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর ঘোষণা দেন যে ‘সেরা কণ্ঠ’র প্রধান বিচারকের একজন হিসেবেও তিনি কাজ করবেন।

ঘোষণা অনুযায়ী ‘সেরা কণ্ঠ’র সিক্স সিজনের প্রধান বিচারক হিসেবে কাজ করতেই গেলো ৯ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকায় এসেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী এবং ভারতের গজল সম্রাজ্ঞী মিতালি মুখার্জি। ‘সেরা কণ্ঠ’র প্রধান বিচারক’দের একজন হিসেবে কাজ শুরুও করেছেন তিনি গেলো ১০ সেপ্টেম্বর থেকে। টানা ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এই বিচারকার্যে অংশ নিবেন বলে জানিয়েছেন মিতালী মুখার্জি নিজেই।

 কেমন লাগছে এবারের বিচারকার্যক্রম? জবাবে মিতালী মুখার্জি বলেন, ‘সারেগামার বিচারক হিসেবে যখন আমি ছিলাম, সেই সময় বাংলাদেশের তিন চারজন ছেলে মেয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলো। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে এখানে পেয়েছি আমি এবং আমাকে অবশ্যই বলতে হয় যে সব ধরনের গান তারা কী অদ্ভূত সুন্দর করে গাইছে। আমিতো রীতিমতো মুগ্ধ।

কারণ যারা অংশগ্রহণ করছে  তারা গান শিখে, জেনে বুঝেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে গান শেখার এখন যে আগ্রহ তৈরী হয়েছে সবার মধ্যে এটা সত্যিই অনেক ভালোলাগার এবং সঙ্গীতের জন্য এটা অনেক বড় একটি বিয়ষও। আমি অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে চাই ফরিদুর রেজা সাগর ভাই এবং ইজাজ খান স্বপনকে এই উদ্যোগের সাথে নিয়মিত থেকে গানকে সমৃদ্ধ করার জন্য।

 সেরা কণ্ঠ’র বিচারক হিসেবে থাকতে পেরে আমি ভীষণ খুশি।’ ‘সেরা কণ্ঠ’র এবারের আসরে বিচারক হিসেবে আরো যারা আছেন তারা হচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সামিনা চৌধুরী ও কুমার বিশ্বজিৎ। এদিকে সম্প্রতি মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত ‘খাজানা-এ ফ্যাস্টিভ্যাল অব গজল’-এ মিতালী মুখার্জির স্বামী ভূপেন্দর সিং লাইফ টাইম এচিভম্যান্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন।

আলাউদ্দিন আলীর সুর সঙ্গীতে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘দুই পয়সার আলতা’ চলচ্চিত্রে ‘এই দুনিয়া এখনতো আর সেই দুনিয়া নাই’ গানটি গেয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। মিতালী মুখার্জির জš§ ময়মনসিংহে। সেখানেই তার বেড়ে উঠা। মিতালী মুখার্জির মা কল্যাণী মুখার্জি খুব ভালো গান গাইতেন। বাবা অমূল্য মুখার্জি বেশ ভালো বাঁশি বাজাতেন। ময়মনসিংহের ওস্তাদ সঞ্জীব দে’র বাবা ওস্তাদ মিথুন দে’র ছাত্র নারায়ণ দাসের কাছে গানে এক বছর তালিম নেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর

অভিনয় ছাড়ছেন মিশা সওদাগর!

বিনোদন প্রতিবেদক : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগর। ১৯৮৬ সালে ‘চেতনা’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে তার। তিন দশকের এই চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে এবার ইতি টানতে যাচ্ছেন তিনি। হ্যাঁ, জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর আর অভিনয় করবেন না। দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাক্ষাৎকারে তিনি এমন তথ্য জানিয়েছে। মিশা সওদাগর বলেন, আমি অনেক ভেবেচিন্তে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলচ্চিত্রে অনেক দিন তো হলো, এবার নিজের জন্য একটু সময় দিতে চাই। মহরত, শুটিং, ডাবিং, প্রিমিয়ার -এসব করেই তো জীবনের অনেকটা সময় পার করে দিয়েছি। তিনি বলেন, কোনো রাগ কিংবা অভিমান থেকে নয়, নিজেকে সময় দেয়ার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

 আসলে একটা ব্যাপার ইদানীং আমার মধ্যে খুব কাজ করছে- আমি টাকার জন্য বাঁচতে চাই না, নিজের জন্য বাঁচতে চাই। জনপ্রিয় এই অভিনেতা বলেন, তাছাড়া চলচ্চিত্রের খলনায়ক হিসেবে চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে যে পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয় তা এখন আর পারছি না। বয়সের কারণে মারপিটসহ অন্যান্য দৃশ্যে অভিনয় কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে বলেই অভিনয় থেকে সরে যাচ্ছি। অবসরের পর নিজের কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এখন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি। সংগঠনে পর্যাপ্ত সময় দেব। চলচ্চিত্রের গুণগত পরিবর্তনের জন্য কাজ করব।

 নিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবব। হাতে থাকা ছবিগুলো প্রসঙ্গে মিশা বলেন, কয়েকটি ছবি আছে। এ বছর এগুলোর কাজ শেষ করব। এরপর বিশ্রাম। আগামী বছর অন্য কিছু করার কথা ভাবছি। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট আমার খুব পছন্দের একটি কাজ। হয়তো এই কাজও করতে পারি। সবশেষে জনপ্রিয় এই খলনায়ক বলেন, কারও সাথে আমার কোনো বৈরিতা (শত্রুতা) নেই। এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। আমি চলচ্চিত্র ছাড়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটি একেবারেই চূড়ান্ত। আমি চাই আমার জায়গায় অন্য কেউ আসুক।

এই বিভাগের আরো খবর



Go Top