সন্ধ্যা ৭:১০, বুধবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং
/ বিনোদন

বিনোদন প্রতিবেদক-  আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের এই আয়োজনে এফডিসিতে স্মরণ করা হলো ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবির কারিগর জহির রায়হানকে। পাশাপাশি সম্মাননা নিলেন রাজ্জাক , সুচন্দা ও আমজাদ হোসেন।  ১৯৬৯ সালে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিটি মুক্তি পায়। মুক্তির এতো বছর পর এবার সেই ছবির জীবিত তিন শিল্পীকে নিয়ে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেছে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। গতকাল দুপুরে এফডিসির জহির রায়হান কালারল্যাব মিলনায়তনে ছবিটির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠান হয়। রাজ্জাক, সুচন্দা, আমজাদ হোসেনের পাশাপাশি বক্তৃতায় অংশ নেন অনেকে।

 এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।  রাজ্জাক তার বক্তব্যে দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের সময় ২১ ফেব্রুয়ারির আগের দিন এফডিসির রাস্তাগুলো পানি দিয়ে ধোয়া হতো। আজ এফডিসিতে ঢুকতে গিয়ে দেখলাম ঝরাপাতা, ময়লা-আবর্জনা।’ তিনি জহির রায়হান সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘তিনি নায়করাজ রাজ্জাককে সৃষ্টি করেছেন। তিনি আমার ওস্তাদ ছিলেন। একদিন জহির রায়হানের মা (চাচী) আমাকে বলেছিলেন, তুমি ওর একটু উপকার করো। কী সেটা? আমার কাজ ছিলো প্রতিটি ঈদের সময় নামাজটা শেষ ওস্তাদের পায়ে ধরে সালাম করা।

 জহির সাহেব ধর্মকর্ম তেমন করতেন না। পরিবারও কিছু ছিলো না তার কাছে। পকেটে সিগারেট না থাকলে হতাশ হতেন। হঠাৎ সেই লোক আজমীর শরীফ যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। এর আগে কিন্তু এমন ছিলেন না তিনি।’ সুচন্দা বলেন, “জহির রায়হান মানে সাহস, জহির রায়হান মানে প্রতিবাদ। জহির রায়হান একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করেননি। তার অস্ত্র ছিলো কলম ও ক্যামেরা। তার ‘স্টপ জেনোসাইড’ দেখেছেন বিশ্ববাসী। আমি তাকে নিয়ে গর্ব করি।” অনুষ্ঠানে ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবির সহ-রচয়িতা আমজাদ হোসেনকেও সম্মাননা জানানো হয়। জহির রায়হানকে জাতীয় চলচ্চিত্রকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য তার বক্তব্যে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আমজাদ  হোসেন।

নীপাকে আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র অভিনন্দন

বাংলাদেশের বরেণ্য নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক এবং আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র  নৃত্য বিষয়ক উপদেষ্টা শামীম আরা নীপা একুশে পদক ২০১৭ ভূষিত হয়েছেন। ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র কাছ থেকে সম্মানজনক এই পদক গ্রহণ করেন। নৃত্যকলায় বিশেষ অবদানের জন্য শামীম আরা নীপাকে এই পদক প্রদান করা হয়। তাঁর এই পদক প্রাপ্তিতে আমরা ক’জন শিল্পী গোষ্ঠী’র সভাপতি আব্দুস সামাদ পলাশ এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন আব্দুল মোবিন অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। খবর বিজ্ঞপ্তির।

গোলাম মুস্তাফা আবৃত্তি পদক’র যাত্রা শুরু

অভি মঈনুদ্দীন : বাংলাদেশের আবৃত্তির প্রেরণা পুরুষ গোলাম মুস্তাফা। তার হাত ধরেই এদেশে আবৃত্তি চর্চার উর্বর ভূমি রচিত হয়েছে। তাই আবৃত্তিতে তার ভূমিকা অনন্য। অনন্য বলেই এই কিংবদন্তীর মৃত্যুর একযুগেরও বেশি সময় পর তার বর্ণাঢ্য জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ’ চলতি বছর থেকে চালু করেছে ‘গোলাম মুস্তাফা আবৃত্তি পদক’।

 আবৃত্তিতে আবৃত্তির পুরোধা ব্যক্তিত্বদের অসামান্য অবদানের জন্য ‘গোলাম মুস্তাফা আবৃত্তি পদক’ প্রদান করা হয়েছে গোলাম মুস্তাফারই প্রয়াণ দিবসে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় একুশের প্রথম প্রহর উদ্যাপন এবং গোলাম মুস্তাফাকে স্মরণ’সহ দশ জনকে পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধার অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী ও ‘আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ’র সভাপতি আসাদুজ্জামান নূর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোলাম মুস্তাফা কন্যা অভিনয় ও আবৃত্তিশিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই আসাদুজ্জামান নূর আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ কবিতা আবৃত্তি করেন। এ সময় মিলনায়তনে উপস্থিত সকল দর্শক শ্রোতা তারসঙ্গে কন্ঠ মেলান। এরপর শুরু হয় পদক প্রদানের পালা।

 অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি পদকপ্রাপ্তদের উত্তরীয় , দশ হাজার টাকার চেক এবং পদক প্রদান করেন। পদক প্রদান শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন,‘ বাংলাদেশের আবৃত্তিকে শিল্পে উন্নিত করতে মুস্তাফা ভাইয়ের ভূমিকা ছিলো অনস্বীকার্য। তার পরিবারের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক, আতœার সম্পর্ক। তারসঙ্গে আমার অভিনয়ের যেমন দারুণ অভিজ্ঞতা ছিলো ঠিক তেমনি ছিলো আবৃত্তিরও অভিজ্ঞতা। এমন মহান মানুষের বর্ণাঢ্য জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যে পদক আজ চালু হলো তা সত্যিই গর্বের, আনন্দের। আমরা আবৃত্তির পুরোধা ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা নিজেরা সম্মানিত বোধ করছি। আবৃত্তি শিল্পীদের প্রতি সত্যিই এটি শ্রেষ্ঠ উপহার।

 সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন,‘ আমার বাবা আমাকে মানুষকে ভালোবাসতে, শ্রদ্ধা করতে এবং স্বাধীনভাবে পথ চলতে শিখিয়েছেন। আমি কথা দিচ্ছি আগামী বছর থেকে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে গোলাম মুস্তাফার জীবনকে উদ্যাপন করবো।’ ‘গোলাম মুস্তাফা আবৃত্তি পদক’ যারা পেলেন তারা হচ্ছেন নিখিল সেন, সৈয়দ হাসান ইমাম, কামাল লোহানী, আশরাফুল আলম। এই চারজন পেয়েছেন জীবদ্দশায়। মরণোত্তর হিসেবে পেয়েছেন যে ছয়জন তারা হচ্ছেন মৃণাল সরকার, ওয়াহিদুল হক, নাজিম মাহমুদ, হেমচন্দ্র ভট্টাচার্র্য্য, অধ্যাপক নরেন বিশ্বাস, কাজী আবু জাফর সিদ্দিকী। পদক প্রদানের পর আবৃত্তি পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন কন্ঠশীলন, স্বরশ্রুতি, কথা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র’সহ আরো বেশ কয়েকটি সংগঠন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ‘আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ’র জেনারেল সেক্রেটারী আহকাম উল্লাহ।

জন্মদিনে শুটিং-এ নুসরাত ইমরোজ তিশা

 

অভি মঈনুদ্দীন : ইচ্ছে থাকা’র পরেও আজকের দিনটিতে ছুটি কাটাতে পারছেন না তিশা। আজ নন্দিত এই অভিনেত্রীর জন্মদিন বলে ইচ্ছে ছিলো নিজের মতো করে সময়টা কাটাতে। কিন্তু সবমিলিয়ে একটি ভালো স্ক্রিপ্টের নাটকের সিডিউল দেয়া হয়ে যায় আজকের দিনটিতেই। তাই জন্মদিনের অধিকাংশ সময় নুসরাত ইমরোজ তিশার কাটবে আজ কালিয়াকৈর জমিদার বাড়িতে। সেখানে তিনি সাইমুর রহমান সোহান রচিত ও পরিচালিত ‘ইলিশ কথা’ নাটকের শুটিং করবেন আজ। সহশিল্পী হিসেবে থাকবেন সেখান আবুল হায়াত ও ইন্তেখাব দিনার।

 নাটকে তিশা অভিনয় করবেন ফুলমতি চরিত্রে। তিশার বাবা এনামুল হক যতোদিন বেঁচেছিলেন ততোদিন পর্যন্ত তিশার জন্মদিন উদযাপিত হতো টানা দু’দিন ধরে। কিন্তু ২০০৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বরেরর পর থেকে এভাবে তিশার জন্মদিন আর উদ্যাপিত হয়নি। ২০০৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারিই ছিলো বাবার সঙ্গে তিশার শেষ জন্মদিন। সেই জন্মদিনে মেয়ের জন্য এনামুল হক একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। প্রতিবারই জন্মদিনে তিশাকে তার বাবা বলতেন,‘আজকের দিনে আজকের পৃথিবীতে তুমি নতুন এক মানুষ। এইদিনে তোমার যাতে খুশি লাগে তাই করবে’।

 বাবার সেই কথা প্রতি জন্মদিনেই কানে বেজে উঠে তিশার। যেহেতু নিজের জন্মদিনের পরের দিনই একুশে ফেব্রুয়ারি, তাই জন্মদিনে সাধারণত কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানেও অংশ নেননা তিশা। নিজের জন্মদিন এবং বর্তমান কাজ প্রসঙ্গে নুসরাত ইমরোজ তিশা বলেন,‘ আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে আমি খুব ভালো একটি পরিবারে জন্মেছি, বেড়ে উঠেছি। আমার পরিবার আমাকে যে শিক্ষা দিয়ে বড় করেছেন তাতে আমি নিজেকে সারাজীবন একজন পজিটিভ মানুষ হিসেবেই গড়ে তুলেছি। জন্মদিন এলে স্বাভাবিকভাবেই বাবার কথা বেশি মনেপড়ে। তবে এটা সত্য যে আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার একার কোন ভূমিকা নেই। আমার মা শাহীন মাহফুজা হক আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। তিনি চাইলেই অনেক বড় ডাক্তার হতে পারতেন।

 কিন্তু আমাকে সময় দিতে গিয়ে আমাকে মানুষ করতে গিয়ে তিনি নিজের পেশাকে বিসর্জন দিয়েছেন। আমি, আমার মা অনেক কষ্ট করেই আজকের এই অবস্থানে এসেছি। পাশাপাশি আমাকে চারপাশ থেকে অনেকেই সহযোগিতা করেছেন, তাদের কাছে ঋণী আমি। আমার সাংবাদিক ভাই বোনেরা, আমার পরিচালকেরা ধৈর্য্য ধরে আমাকে নিয়ে কাজ করেছেন। সত্যিই আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।’ এদিকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে তিশা পরমব্রতের বিপরীতে তাহের শিপন এবং মুকুল রায় চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘হলুদবণি’ চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু করবেন কলকাতায়। ছবি ঃ মোহসীন আহমেদ কাওছার।

মাতৃভাষা দিবসে সৈয়দ আব্দুল হাদীর ভিডিও গান ‘বর্ণমালা’

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৭ উপলক্ষে সকল ভাষা শহীদ স্মরনে সা রে গা মা একাডেমির ভাষার গান- বর্ণমালা।
দেশ বরেণ্য সংগীত শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সা রে গা মা একাডেমির শিশু শিল্পীদের কন্ঠে নতুন এ ভাষার গানটির কথা লিখেছেন- মাহফুজ বিল্লাহ্ শাহী। সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন- শেখ সাদী খান।

বর্ণমালা গানের ভিডিডিওটি সিডি চয়েস এর ব্যনারে মুক্তি পাবে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সিডি চয়েস এর অফিসিয়াল ইউটিব চ্যানেলে এবং পাশাপাশি শুনতে পাবেন জিপি মিউজিকে। গানটির ভিডিওতে সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সা রে গা মা একাডেমী’র শিশু কিশোররা অংশগ্রহণ করেছেন। গানটি সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন কিংবদন্তী ভাষা সৈনিক অধ্যাপিকা চেমন আরা। তিনি বলেন- আমি ’৫২ তে ভাষা আন্দলন করেছি তখন আমি ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি ইডেন গার্লস কলেজে। এই ভাষা আন্দোলনের সাথে মিছিল করেছি এই ভাষা আন্দোলনের অনেক কিছু করেছি পত্রিকায় লিখেছি।

কিন্তু যে আনন্দটুকু পেয়েছিলাম সেই বয়সে তারুন্যের জীবন দিয়ে। আজ এই বৃদ্ধ বয়সে এসে আমি সেই জীবনে ফিরে গেছি তোমার এই বর্ণমালা গানটি শুনে। সা রে গা মা একাডেমির বর্ণমালা গানটি আমার মনে হচ্ছে যে ভাষা আন্দোলন একটি নতুন দিক উন্মোচন দিল। আমরা শুভকামনা জানাচ্ছি তোমাদেরকে তোমরা যাতে নতুন পথে এগিয়ে যাও এবং তোমাদের আরো সাম যশ বেড়িয়ে পড়–ক, ভাষা আন্দোলনে তো আমরা অনেক দূর এগিয়েছি আমরা যেখানে ছেড়ে দিলাম সেখানে তোমাদের যাত্রা শুরু হল।

গানটির শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন- সা রে গা মা একাডেমি এবারের ২১’শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষার উপর একটি নতুন গান করেছেন। গানটি আমি গেয়েছি এবং আমার সঙ্গে বেশ কিছু শিশু-কিশোর তারাও গেয়েছেন। সা রে গা মা একাডেমি অত্যন্ত যতেœর সাথে গানটি তৈরী এবং শুধু যতœ নয় আন্তরিকতার সাথে গানটি তৈরী করেছেন। তাদের সীমিত সম্পদ শর্তেও আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে কাজটি করেছি এ জন্য বিশেষ করে যে, এই নতুন প্রজন্মের শিশু কিশোররা এর মাধ্যমে ভাষার প্রতি তাদের যে একটি দায়িত্ব রয়েছে ভাষার প্রতি তাদের যে ভালোবাসা সেই ভালোবাসা আবার নতুন করে প্রাণ পাবে।

 আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে আপনাদের সমর্থন থাকবে গানটির প্রতি। সুরকার ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান বলেন- সা রে গা মা’র এই বর্ণমালা গানটি শিশুদেরকে বর্ণমালা শিক্ষার জন্য সাহায্য করবে এবং আমি মনে করি বিরাট একটা ভূমিকা পালন করবে। গানটির গীতিকার ও একাডেমির পরিচালক মাহফুজ বিল্লাহ্ শাহী বলেন- “বর্ণমালা” গানটি দেশের প্রত্যেকটি শিশু কিশোরদের গান হিসাবে স্বীকৃতি পাবে বলে আমি মনে করি। ফিরোজ কবীর ডলারের পরিচালনায় গানটির গ্রন্থনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সা রে গা মা একাডেমির পরিচালক- মাহফুজ বিল্লাহ্ শাহী। প্রযোজনায় সা রে গা মা একাডেমি।

নাঈমের নিমন্ত্রণে নলশোঁধায় আবুল হায়াত

অভি মঈনুদ্দীন : চিত্রনায়ক নাঈম তার বাবা’র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একদশক আগে ‘খাজা মুরাদ স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’-এর যাত্রা শুরু করেন টাঙ্গাইলের পাথরাইল ইউনিয়নের নলশোঁধা গ্রামে। নাঈমের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত ‘নলশোঁধা যুব সংঘ’র আয়োজনেই এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’র আয়োজন করা হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় গেলো শুক্রবার নলশোঁধায় টুর্নামেন্টটির ‘টি-টোয়েন্টি’ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ১৬টি গ্রামের বেশকয়েকটি দল অংশগ্রহণ করে। খেলার উদ্বোধনীতে উদ্বোধক হিসেবে নাঈমের নিমন্ত্রণে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্মাতা আবুল হায়াত।

 দুপুর বারোটায় নলশোঁধা খেলার মাঠে যখন আবুল হায়াত উপস্থিত হন তখন শত শত শিক্ষার্থী তাকে বরণ করে নেন। মাঠের চারপাশে ছিলো তখন হাজার হাজার উপচে পড়া দর্শক। এ সময় আবুল হায়াতের সঙ্গে তার স্ত্রী শিরীন হায়াতও ছিলেন। আবুল হায়াতের উপস্থিতি যেন সবারমধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ বইয়ে দেয়। ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর এ্যানি, ছোট্ট শিশুশিল্পী এ্যামিলি নৃত্য পরিবেশন করে। পাশাপাশি ছোট্ট নাটিকাও পরিবেশন করা হয়। জুম্মার নামাজের শেষে আবুল হায়াত ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী ঘোষণা করেন।

 এ সময় নাঈমের করা বোলিং-এ আবুল হায়াত ব্যাটিং করেন। আবুল হায়াত বলেন,‘ সত্যিই এমন একটি পরিবেশে এসে নিজেকে ধন্য মনেকরছি। আমি যে সত্যিকার অর্থে কতোটা ক্রিকেট পাগল মানুষ তা আমার স্ত্রীই সবচেয়ে বেশি ভালো জানেন। আমি এখনো ক্রিকেট ছাড়া কিচ্ছু বুঝিনা। আমি একসময় খুব ভালো ক্রিকেট খেলতাম সেট্যা ব্যাটিং-এ হোক কিংবা বোলিং-এ। তাই আজ এখানে এসে পিছনে ফেলে আসা দিনের কথা খুব মনে পড়ছে বারবার। বিশেষ ধন্যবাদ নাঈম ও শাবনাজের প্রতি। কারণ তাদের আহ্বানেই এমন একটি চমৎকার পরিবেশ নিজের চোখে দেখতে পারা।

 ’ নাঈম বলেন,‘ পুরো এলাকাবাসী আজ আনন্দিত হায়াত ভাইয়ের উপস্থিতিতে। এমন বরেণ্য মানুষ আমাদের সঙ্গে এই গ্রামে এসে সময় কাটাবেন এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। এলাকার যুব সমাজ যেন বিপথে না যায়, গ্রামে প্রাকৃতিক পরিবেশ যেন ভারসাম্যে থাকে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ-যৌতুক নেয়া যেন বন্ধ হয় পাশাপাশি সর্বোপরি গ্রামের মানুষ যেন শান্তিতে থাকে এর জন্য আমি গ্রামেই পড়ে থাকি, গ্রাম নিয়ে কাজ করি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’ উল্লেখ্য ফাইনাল খেলায় করটিয়া ক্রিকেট দল ও ম্যাসিভ এ আর দলের মধ্যে করটিয়া ক্রিকেট দল তিন উইকেট-এ জয়লাভ করে। খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন শাবনাজ নাঈম এবং তাদের সহযোগিতা করেছেন শাবনাজের ছোট বোন অভিনেত্রী মৌ ও তার স্বামী মনিরুল আলম।

চলন্ত গাড়িতে ভাবনার শ্লীলতাহানি

বিনোদন ডেস্ক : চলতি গাড়িতে অপহরণ ও শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন মালায়ালাম অভিনেত্রী ভাবনা। গত শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে আনুমানিক রাত ৯টা সময় এরনাকুলামের আথানি নামক স্থানে তার গাড়িতে জোর করে প্রবেশ করে একদল ব্যক্তি।

 এরপর তার গাড়িতেই অপহরণ করা হয় এ অভিনেত্রীকে। তার শ্লীলতাহানি করা হয়। দুর্বৃত্তরা এই অভিনেত্রীর ছবি তোলেন এবং ভিডিও করেন। এ অভিনেত্রীকে এক ঘণ্টার মতো গাড়িতে বন্দি রাখা হয় এবং গাড়িটি শহরের বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে চালানো হয়। পরবর্তী সময়ে গাড়িটি পালারিভাত্তম নামক জায়গায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা অন্য একটি গাড়িতে উঠে পালিয়ে যায়। রপর অভিনেত্রী ভাবনা মালায়লাম পরিচালক লালের বাড়িতে যান এবং এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করার জন্য তার সাহায্য চান। এ ঘটনায় ভাবনার গাড়িচালক মার্টিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 তবে মূল আসামি সুনীল কুমার এখনো পলাতক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং এর সঙ্গে কমপক্ষে পাঁচজন ব্যক্তি জড়িত। আর এর মূল হোতা সুনীল। এ ঘটনায় অপহরণ ও শ্লীলতাহানির মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ। ১৬ বছর বয়স থেকে অভিনয় করছেন ভাবনা। এ পর্যন্ত প্রায় ৭৬টির মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। দুইবার কেরালা স্টেট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তামিল ও তেলেগু সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন তিনি।

নায়ক আলমগীরের অফিসে কিরণ, মৌসুমী ও সানি

বিনোদন ডেস্ক, গত ৭ই ফেব্রুয়ারি ছিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি কার্যক্রমের শেষ দিন। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরইমধ্যে আসছে নির্বাচনের জন্য সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওমর সানি-ইলিয়াস কোবরা এবং মিশা সওদাগর-জায়েদ খান নিজেদের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রচারণায় এগিয়ে কারা সেটা হিসাব নিকাশের সময় এখনও আসেনি।

 গতকাল চিত্রনায়ক আলমগীরের অফিসে যান ওমর সানি ও মৌসুমী। আরও উপস্থিত ছিলেন গুনী পরিচালক শাহ আলম কিরণ। ওমর সানির নির্বাচনের প্যানেলে কি তারা সমর্থন দিয়েছেন? এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওমর সানি বলেন, গ্রেট পার্সোনালিটির মানুষ আলমগীর সাহেব। তিনি সব সময় ভেবেচিন্তে কথা বলেন। আমি আর মৌসুমী  গিয়েছিলাম তার অফিসে। খুব আগ্রহ নিয়ে তিনি সময় দিলেন এবং খোঁজ নিলেন আমার পরিবার ও নির্বাচনের। তার ওখান থেকে ভীষণ খুশী মন নিয়ে ফিরলাম। তিনি জানিয়েছেন, সব সময় তিনি আমাদের পাশে থাকবেন।

 এছাড়া আমাদের পাশে থাকার জন্য কিরণ ভাইকেও ধন্যবাদ। অন্যদিকে শিল্পী সমিতির আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের নির্বাচনে প্রচারণার সেøাগান হচ্ছে ‘নীতিগতভাবে আমরা এক’। আর ওমর সানির স্লোগান হচ্ছে ‘চলচ্চিত্রে বাঁচি, চলচ্চিত্র বাঁচাই’। কদিন পরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এরপর মিশা সওদাগর-জায়েদ খান এবং ওমর সানি-ইলিয়াস কোবরার প্যানেলের সব প্রার্থীদের নাম জানা যাবে।

মার্চে আসছে ওমর সানী ও রেসির ‘শূন্য’

 

বিনোদন প্রতিবেদক : একসময়ের ঢাকাই জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। দীর্ঘদিন অভিনয়ের বাইরে ছিলেন তিনি। নিজেকে আকর্ষণীয় করে বিরতি ভেঙে আবার চলচ্চিত্রে ফিরেছেন এ তারকা। অন্যদিকে সংসার ও সন্তান সামলে চলচ্চিত্রে নিয়মিত হয়েছেন চিত্রনায়িকা মৃদুলা হক রেসি। এ দুই তারকা জুটি হয়ে একটি ছবিতে অভিনয় করেন। বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত এ ছবিটির নাম ‘শূন্য’। কিছুদিন আগে সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ছবিটি। এবার ঘোষণা করা হল ছবিটির মুক্তির তারিখ। ২৪ মার্চ সিনেমাটি সারা দেশে মুক্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

 এতে অভিনয় প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, ‘বেশ কিছুদিন আগে ছবিটিতে অভিনয় করেছি।
গল্পের প্রয়োজনেই এতে আমি আর রেসি জুটি হয়েছি। আশা করি ছবিটি দর্শকদের কাছে ভালো লাগবে।’ রেসি বলেন, ‘এটি ওমর সানী ভাইয়ের সঙ্গে আমার প্রথম জুটির ছবি। তাই ছবিটি নিয়ে বাড়তি প্রত্যাশা কাজ করছে। আশা করি, দর্শকরা ছবিটি ভালোভাবেই গ্রহণ করবেন। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন নবাগত তুরাজ খান, সানজিদা তন্ময়, অরুণা বিশ্বাস, ড. এজাজ, সাদেক বাচ্চু, সিরাজ হায়দার, রেবেকা ও শিমুল খান প্রমুখ।

চার শতাধিক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী রেহানা জলি

অভি মঈনুদ্দীন : সোনা মিয়া, এদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের এক সময়ের দর্শকপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা।  চলচ্চিত্রে যার অভিষেক হয়েছিলো ‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে। এরপর সোনামিয়া বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন। সেই প্রখ্যাত অভিনেতার সুযোগ্য কন্যা চলচ্চিত্রের মমতাময়ী মা চরিত্রের অভিনেত্রী রেহানা জলি। ১৯৮৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় চারশো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। আজ থেকে বাইশ বছর আগে কামাল আহমেদ পরিচালিত ‘মা ও ছেলে’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে রেহানা জলির যাত্রা শুরু হয়।

 অভিনয়ে জলি এতোটাই পারদর্শী ছিলেন যে প্রথম চলচ্চিত্র অভিনয় করেই ১৯৮৫ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি ভূষিত হন। প্রথম চলচ্চিত্রেই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি যেন রেহানা জলিকে অভিনয়ে আরো দায়িত্ববান করে তোলে। ফলে একধরনের স্পৃহা নিয়েই তিনি আজ পর্যন্ত চলচ্চিত্রে কাজ করে চলেছেন নিরলসভাবে। ‘মা ও ছেলে’র পর রেহানা জলি ‘নিষ্পাপ’, ‘বিরাজ বৌ’, ‘প্রেম প্রতিজ্ঞা’, ‘প্রায়শ্চিত্ত’সহ আরো বেশ কিছু চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন। এজে মিন্টু পরিচালিত ‘প্রথম প্রেম’ চলচ্চিত্রে রেহানা জলি প্রথম নায়কের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন। সেই থেকে আজ অবধি তিনি চারশো’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের একজন অবধারিত মা’তে পরিণত হয়েছেন তিনি। একজন মমতাময়ী মা হিসেবে চলচ্চিত্রাঙ্গনে রয়েছে তার বেশ সুনাম। যে কেউ চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে গেলে শুরুতেই রেহানা জলির কথা ভেবে রাখেন। কারণ মা’র চরিত্রে অভিনয় করতে করতে তিনি নিজেকে দক্ষ করে তুলেছেন।

 যে কোন চ্যালেঞ্জিং মা চরিত্রে তিনি অতুলনীয়। নিজের অভিনয় জীবন নিয়ে রেহানা জলি বলেন,‘ আমার বাবা সোনা মিয়া এবং ভাই ব্ল্যাক আনোয়ার অভিনয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও অভিনেত্রী হতে গিয়ে আমাকে অনকে কষ্ট পেতে হয়েছে। কারণ আমি অভিনয় করি এটা পরিবারের কেউই চাইতেন না। একসময় অভিনয়ের প্রতি আমার প্রবল আগ্রহ দেখে আমার মা রাবেয়া খানম আমাকে সমর্থন করেন। তার আগ্রহ, উৎসাহেই আমার এতোদূর এগিয়ে আসা। তবে আমার ছোট ভাই খোকনও চাইতো আমি যেন অভিনয় করি। কিন্তু সেই ভাইটি আমার মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে মারা যায়।

আমার পরিবারের একমাত্র দুঃখ বা কষ্ট হচ্ছে অসময়ে ভাইকে হারানো। আমার ভাই মারা যাবার পর সেই যে আমার মা বিছানায় পড়েন, এখনো সেই বিছানাতেই সময় কাটছে তার। তারপরও সবকিছু মেনে নিয়ে দর্শকের কথা, পরিবারের কথা চিন্তা করে আমি নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছি। আজীবন সম্মান নিয়ে মানুষের মাঝে থাকতে চাই, চলচ্চিত্রে থাকতে চাই। বর্তমানে জলি হাছিবুল ইসলাম মিজান পরিচালিত ‘ফুলবানু’ চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত।

অভিভূত মোশাররফ করিম…

বিনোদন রিপোর্টার : তখন দুপুর একটা। রাজধানীর উত্তরায় শামীম জামান পরিচালিত আরটিভিতে প্রচার চলতি ধারাবাহিক ‘ঝামেলা আনলিমিটেড’ ধারাবাহিক নাটকের শুটিং-এর জন্য পুরো ইউনিট বসা। সকাল দশটা থেকে ইউনিট বসা। কারণ যে অভিনেত্রীর সকালে আসার কথা ছিলো তিনি পেটৗঁছাননি। লোকেশনে গিয়েই জানা যায় এই তথ্য। জানা যায় দুপুর ২টায় পরিচালকের দেয়া কলটাইম অনুযায়ী সেট-এ প্রবেশ করবেন মোশাররফ করিম। উত্তরার নীলাঞ্জনা শুটিং হাউজের বাইরে দাঁড়িয়ে তখন কথা হচ্ছিলো শামীম জামানের সঙ্গে।

 ঘড়ির কাঁটায় তখন ১.৩৫ মিনিট। রিক্সায় চড়ে উপস্থিত মোশাররফ করিম। রিক্সা থেকে নেমেই শেরপুরের রিক্সওয়ালা রাজ্জাকের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন মোশাররফ করিম। রাজ্জাক’র কোন মোবাইল নেই, নিজের বয়স কতো তাও জানে না তিনি। তবে উত্তরার নং নম্বর সেক্টরের ছাপড়া মসজিদের রিক্স গ্যারেজে সারাদিনের কষ্ট শেষে সেখানে ফিরে মোশাররফ করিম অভিনীত নাটক দেখেন। ভাড়া চুকিয়ে দিয়ে মোশাররফ করিম যখন শুটিং হাউজের দিকে পা বাড়াচ্ছিলেন তখন রাজ্জাক ডেকে বলেন,‘ আপনের নাটক বালা লাগে’।

 শুনে মোশাররফ করিম মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকেন। অভিভূত হন তিনি। রাজ্জাক মোশাররফ করিমের নাম না জানলেও তিনি যে এদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা তা অবগত রাজ্জাক। সারাদিনের কষ্ট শেষে মোশাররফ করিমের নাটক দেখে ক্লান্তি ভুলে যান রাজ্জাক। মোশাররফ করিম বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই আপনি আমার বয়সে বড় না ছোট জানি না। তবে ভালোলাগছে যে আপনি আমার নাটক দেখেন। আপনাদের কারণেই অভিনয় করি, আপনাদের ভালোলাগার মাঝে আমি আমার নিজেকে খুঁজে পাই। দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুন, সুস্থ রাখুন।

’ রিক্সা নিয়ে নিজের গন্তব্যের দিকে পা বাড়ানোর আগে রাজ্জাক বলেন,‘ আমার নাম রাজ্জাক, নায়ক রাজ্জাকের সিনেমা দেখছি ছোটবেলায় অনেক। তারে একবার সামনে থাইক্যা দেখার খুব ইচ্ছা। বড় হয়ে আপনাকে দেখার মনে মনে ইচ্ছা ছিলে, সেই ইচ্ছা আমার পূরণ হইছে।’ রাজ্জাক চলে যাবার পর মোশাররফ করিম সেট-এ প্রবেশ করেন। শুটিং-ও শুরু হয় নায়িকা ছাড়াই। বিকেল তিনটা ত্রিশ মিনিটে নায়িকা আসেন লোকেশনে। ততোক্ষণে পরিচালক শামীম জামানের মাথা গরম। কারণ কাজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ না করতে পারলে মাথা গরম হওয়াটাই স্বাভাবিক। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত

বই মেলায় মোড়ক উন্মোচন করলেন তারকারা…

বিনোদন প্রতিবেদক : অমর একুশে বই মেলায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয় । কিন্তু তারকাদের দিয়ে  বইয়ের মোড়ক উন্মোচন কমই হয় । সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক শাহআলম সাজুর নতুন উপন্যাস তুমি বৃষ্টিময়ী বইটির মোড়ক উন্মোচন হয়েছে বই মেলায় । মোড়ক উন্মোচনে অংশ নেন বেশ কজন তারকা । অনিন্দ্য প্রকাশ থেকে প্রকাশিত ‘তুমি বৃষ্টিময়ী’ উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচনে অংশ নেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত দুই শিল্পী । তারা হলেন  তারিক আনাম খান, চঞ্চল চৌধুরী । আরো অংশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি ও শানারেই দেবী শানু ।

 উপস্থিত ছিলেন প্রকাশক আফজাল হোসেন , লেখক নিজে এবং রাকিব হোসেন। প্রচন্ড ভিড় ঠেলে জনপ্রিয় তারকারা অনিন্দ্য প্রকাশনীর স্টলের সামনে আসেন । তাদের এক নজর দেখার জন্য প্রচুর মানুষ ছুটে আসেন । সবাই প্রিয় তারকাদের সাথে সেলফি তুলতে চান। ভিড়ের মধ্যেই তারকারা বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন । তারিক আনাম খান বলেন, বই মেলায় এত এত মানুষের সমাগম দেখেই বুঝতে পারছি বই বিক্রি বেড়েছে । আজকে মোড়ক উন্মোচন করতে এসেছি খুব প্রিয় একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক সাজুর । সাজু বইটি আমাকে উৎসর্গ করে ভালোবাসার বন্ধনে জড়িয়ে ফেলেছে ।

 চন্চল চৌধুরী তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, তুমি বৃষ্টিময়ী বইটির সাফল্য কামনা করছি । সাজু একদিন জনপ্রিয় লেখক হবে সেই শুভ কামনা করছি। প্রকাশক আফজাল হোসেন বলেন, ‘তুমি বৃষ্টিময়ী বইটির পাঠক প্রিয়তা প্রত্যাশা করছি । লেখক ও সাংবাদিক সাজু বলেন, একজন পাঠক প্রিয় লেখক হতে চাই । তুমি বৃষ্টিময়ী উপন্যাসটির জন্য পাঠকের সাড়া পাব সেই স্বপ্ন দেখছি।  উল্লেখ্য,তুমি বৃষ্টিময়ী উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে অনিন্দ্য প্রকাশ ।

আবারও ধারাবাহিকে জুটিবদ্ধ দিনার-নাদিয়া

 

অভি মঈনুদ্দীন : ছোটপর্দার অনবদ্য জুটি ইন্তেখাব দিনার ও নাদিয়া আহমেদ। তারা দু’জন আবারো জুটিবদ্ধ হয়ে একটি নতুন ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। নাটকের নাম ‘অল্প স্বল্প গল্প’। নাটকটি রচনা করেছেন রূপান্তর এবং নির্দেশনা দিচ্ছেন মোন্তাসির বিপন। বাস্তব জীবনে ইন্তেখাব দিনারের জুটি বিজরী বরকত উল্যাহ এবং নাদিয়ার জুটি নাঈম। তবে পর্দায় দিনার এবং নাদিয়ার রসায়নও বেশ জমে উঠে। আজ থেকে বেশ কয়েকবছর আগে মোহন খানের নির্দেশনায় ‘দূরের মানুষ’ নামক দীর্ঘ ধারাবাহিকে প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন দিনার ও নাদিয়া। নাদিয়া প্রসঙ্গে ইন্তেখাব দিনার বলেন,‘ মানুষ হিসেবে নাদিয়া এক কথায় অসাধারণ।

 কথা ও কাজে শতভাগ সৎ একজন মানুষ। শিল্পী হিসেবেও নাদিয়া অনন্য। আমার সহকর্মী হিসেবেই শুধু নয় নাদিয়া যারসঙ্গেই কাজ করেছেন তারা মুগ্ধ হয়েছেন তার কাজে। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমরা যারা এই মিডিয়াতে কাজ করি খুব সহজেই একে অন্যের সম্পর্কে জেনে যাই। কারণ এই জায়গাটা খুব ছোট্ট। তাই কেউ ভালো হলে তার সম্পর্কে সবাই ভালো বলতেই বাধ্য থাকেন। নাদিয়া একজন ভালো মানুষ বলেই সবাই তাকে নিয়ে কাজ করে সন্তুষ্ট। আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী হিসেবে তার জন্য শুভ কামনা।

 এই মুহুর্তে আমরা অল্প স্বল্প গল্প নামের একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করছি, দু’জনেই বেশি উপভোগ করছি কাজটি। তাছাড়া নির্মাতা হিসেবে বিপন বেশ মেধাবী।’ দিনার প্রসঙ্গে নাদিয়া বলেন,‘ দিনার ভাই অবশ্যই একজন ভালো মনের মানুষ, একজন নির্ভেজাল মানুষ। শুটিংস্পটে তিনি েিনজর মতোই থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে এটাও সত্যি যে তিনি খুব বুদ্ধিমান একজন মানুষ। শুটিং স্পটে তিনি বেশ মজাও করেন। এটা সত্যি যে সহশিল্পী হিসেবে যে কারো সঙ্গে যখন দিনার ভাই থাকেন তখন কাজটি খুব সহজেই শেষ হয়ে যায় কোনরকম ভাবনা বা দুঃশ্চিন্তা ছাড়া। কারণ সহশিল্পীকে, পরিচালককে তিনি দারুণভাবে সহযোগিতা করেন। ’ দিনার ও নাদিয়া সর্বশেষ একসঙ্গে তুহিনের নির্দেশনায় ‘গন্তব্য নিরুদ্দেশ’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।

 এই মুহুর্তে ইন্তেখাব দিনার রহমতুল্লাহ তুহিনের নির্দেশনায় ‘টক অব দ্য টাউন’, ‘যখন কখনো’, দীপংকর দীপনের ‘টক্কর’ ধারাবাহিকে কাজ করছেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’র নির্বাচনে ইন্তেখাব দিনার সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কোনরকম প্রচারণা ছাড়াই একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া একটি বিশাল রেকর্ডও বটে। ইন্তখাব দিনার প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘জয়যাত্রা’য়। এরপর তিনি বাদল রহমানের ‘ছানা ও মুক্তিযুদ্ধ’, বদরুল আনাম সৌদ’র ‘খ- গল্প ১৯৭১’,  তামিম নূরের ‘ফিরে এসো বেহুলা’ এবং মুরাদ পারভেজ’র ‘বৃহন্নলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। নাদিয়া বর্তমানে এসএ হক অলিকের ‘আয়নাঘর’, অঞ্জন আইচের ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে’, আবু হায়ত মাহমুদের ‘বৃষ্টিদের বাড়ি’, সকাল আহমেদ’র ‘বাবুই পাখির বাসা’ ধারাবাহিকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত

একই দিনে রেডিও ও টিভিতে রিজভী

বনিোদন প্রতবিদেক : একই দনিে রডেওি ও টলেভিশিন এই দুই মাধ্যমরে দুটি অনুষ্ঠানে ১৬ ফব্রেুয়ার,ি বৃহস্পতবিার উপস্থতি থাকবনে লখেক-সাংবাদকি-অভনিতো রজোউর রহমান রজিভী। অনুষ্ঠান দুটি হলো বাংলাভশিনরে নয়িমতি প্রভাতী আয়োজন ‘দনি প্রতদিনি’ ও সটিি এফএম-এর সাপ্তাহকি আয়োজন ‘এন্টি ভাইরাস’।  বাংলাভশিনে ‘দনি প্রতদিনি’ প্রচার হবে আজ সকাল ৮টা ৩০ মনিটি।ে

 অপরদকিে সটিি এফএম ৯৬.০-এ মডলে-অভনিতো নরিব খানরে সঞ্চালনায় আজ রাত ৯টায় সরাসরি প্রচারতি হবে ‘এন্টি ভাইরাস’।  দুটি অনুষ্ঠানইে এবাররে একুশে বইমলোয় রজিভীর প্রকাশতি প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভালোবাসার অবাক চোখ’ সর্ম্পকে লখেক বলবনে। এছাড়া রজিভী তার সাম্প্রতকি অন্যান্য কাজরে বষিয়ওে র্দশক-শ্রোতাদরে জানাবনে।

আট বছর পর একসঙ্গে নাঈম-ডায়না

অভি মঈনুদ্দীন : দীর্ঘ আটবছর পর আবারো জুটিবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে অভিনয় করছেন ছোটপর্দার এই সময়ের নন্দিত অভিনেতা  নাঈম ও ডায়না। আটবছর আগে তারা দু’জন ‘জাগো’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এরপর তারা দু’জন আর একসঙ্গে কোন চলচ্চিত্রে বা নাটকে অভিনয় করেননি। সাংবাদিক দাউদ হোসাইন রনি রচিত ও নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘ভালোবাসা না বাসা’ নাটকে তারা দু’জন জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করছেন।

 গতকাল থেকে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে নাটকটির দৃশ্যধারনের কাজ শুরু হয়েছে। নাটকে নাঈম অভিনয় করছেন রামিম চরিত্রে এবং ডায়না অভিনয় করছেন নিকিতা চরিত্রে। গল্পে দেখা যাবে যে রামিম ও নিকিতা স্বামী স্ত্রী। কিন্তু স্বামীর ব্যাপারে নিকিতা একটু উদাসীন। পরিকল্পনা করে একদিন নিজের বাসায় রামিম তার খালাতো বোনকে নিশাকে নিয়ে আসে। তারসঙ্গেই তখন সময় কাটে রামিমের। এগিয়ে যায় নাটকের গল্প। আবারো দীর্ঘ সময় পর ডায়নার সঙ্গে অভিনয় প্রসঙ্গে নাঈম বলেন,‘ মাঝে এতোটা বছর কেটে গেছে তা আজ উপলদ্ধি করছি। সত্যিই সময় খুব দ্রুত চলে যায়।

 জাগো’র সেইসব দিনগুলোর কথা আজ বারবার মনে পড়ছে। আমি, ডায়না’সহ যারা কাজ করেছিলাম তাদের কথা আজ বড্ড বেশি মনে পড়ছে। ডায়নাও অভিনয়ে নিজেকে বেশ দক্ষ করে তুলেছেন। নেয়ামুলের নির্দেশনায় আমি এবং ডায়না এর আগে আলাদাভাবে কাজ করেছি। কিন্তু এবারই প্রথম আমরা দু’জন নেয়ামুলের নির্দেশনায় একসঙ্গে কাজ করছি। খুব চমৎকার গল্পের নাটক। আশাকরি ভালো একটি কাজ হবে।’ ডায়না বলেন,‘ সত্যিই অনেক বেশি উচ্ছসিত আমি এবং নাঈম। কারণ দীর্ঘ সময় পর আমরা কাজ করছি। পরিচালক নেয়ামুল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ আমাকে এবং নাঈমকে নিয়ে নাটকটি নির্মাণ করার জন্য।

 আমার এবং নাঈমের পথচলা বলা যায় একই সময়ে। যে কারণে আমাদের দু’জনের সম্পর্কটা বন্ধুত্বের। এতো বছর পর কাজ করলেও মনেই হচ্ছেনা এতোটা সময় পেরিয়ে এসে আমরা কাজ করছি।’ নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল জানান শিগগিরই নাটকটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে। নাঈম ও ডায়না ২০০৮ সালে ‘জাগো’ চলচ্চিত্রে প্রথম একসঙ্গে জুটি হয়ে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি মুক্তি পায়। ‘ভালোবাসা না বাসা’ নাটকে নাঈমের খালাতো বোনের চরিত্রে অভিনয় করছেন ভিট তারকা তন্ময়।

ভূত হবেন না বিপাশা

বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু ‘রাজ’, ‘আত্মা’, ‘অ্যালোন’সহ বেশকিছু ভৌতিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। এ জন্য তার পেছনে বলিউডের ‘হরর কুইন’ তকমাও লেগেছে। তবে ভৌতিক ছবিতে আর অভিনয় করবেন না বলে জানিয়েছেন বিপাশা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি ভৌতিক ছবি থেকে সরে এসেছি। এ ধরনের ছবিতে আর অভিনয় করব না। কারণ, ভূতের দৃশ্যগুলো বাচ্চাদের জন্য ইতিবাচক নয়।

 আমি সবাইকেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছি।’ এর আগে টেলিভিশন মিনি সিরিজ ‘ডর সব কো লাগতা হ্যায়’ সঞ্চালনা করে বেশ সফলতা পেয়েছিলেন বিপাশা। এরপর ‘কই লট কে আয়া হ্যায়’ হরর টিভি সিরিজে তার অভিনয়ের কথা শোনা যায়। তবে গুঞ্জন মিথ্যা জানিয়ে এ অভিনেত্রী জানান, আপাতত রোমান্টিক ছবিকে ঘিরে তার সব চিন্তা। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের সিরিজে অভিনয়ের কোনো প্রশ্নই আসে না। ছবিকে আমি বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তেমন মজার কিছু না পাওয়া পর্যন্ত টেলিভিশন নিয়ে আমি ভাবছি না।’ ২০১৭ সালে বেশ ব্যস্ত সময় পার করবেন এ অভিনেত্রী। কয়েকজন নির্মাতার সঙ্গে তার কথাও হয়েছে জানিয়ে বিপাশা বলেন, ‘ইতোমধ্যে বেশ কটি বিজ্ঞাপনের শুটিং করেছি। অচিরেই কয়েকটি ভালো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হব।’

ঈর্ষায় কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক : বলিউডে একজনই নায়িকাকেই দেখা যায় যিনি যেকোনো বিষয়ে স্পষ্ট কথা বলেন। ইন্ডাস্ট্রিতে সেজন্য তার পরিচিতিটাও আলাদা। বলা হচ্ছে ‘কুইন’ খ্যাত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের কথা। গেল বছরও হৃতিক রোশনের সঙ্গে আইনি লড়াই নিয়ে মিডিয়ায় নানা বিস্ফোরক মন্তব্য করতে দেখা গেছে তাকে। সাহসী বক্তব্যের জন্য অনেক হোঁচটও খেয়েছেন কঙ্গনা।

 তবে এবার যাকে বা যা নিয়ে বললেন সেটা শুনলে অনেকের চোখ কপালে উঠতে পারে। ‘কফি উইথ করণ’-এর সেটে গিয়ে কঙ্গনা কথা বলেন আমির খানের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত দুনিয়া কাঁপানো ছবি ‘দঙ্গল’ নিয়ে। তিনি বলেন, আমির খানের দঙ্গল হিট হওয়ার খুব হিংসা হয়েছে আমার। কঙ্গনার এই মন্তব্য শুনে অবাক গোটা বলিউড। যেখানে সবাই ‘দঙ্গল’-এর প্রশংসা করছেন, সেখানে এমন বিরূপ মন্তব্য কেন? ‘কফি উইথ করণ’-এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন কঙ্গনা ও সাইফ আলি খান। শো-র উপস্থাপক করণ জোহরের প্রশ্নের উত্তরে কঙ্গনা বলেন এ কথা। তবে কেন তার হিংসা হয়েছে সে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন নায়িকা।

কঙ্গনার মতে, আসলে দঙ্গল এত টাকা আয় করেছে সেটা দেখেই আরো হিংসা হচ্ছে আমার। কঙ্গনার এই ব্যখ্যা শুনে বি-টাউনের একটা অংশ বলছে, কঙ্গনার মতো এমনটা হয়তো অনেকেই ভাবেন, কিন্তু প্রকাশ্যে বলেন না। তাই কঙ্গনা সত্যি কথা বলে কিছু ভুল করেননি। আর একটা অংশের দাবি, প্রকাশ্যে এভাবে হিংসার কথাটা না বললেই ভালো করতেন তিনি। কারণ বলিউডে খানদের দাপট অন্য নায়কের চেয়ে একটু বেশিই বটে। কঙ্গনার ক্যারিয়ারে বাজে প্রভাব পড়ার সম্ভবনাও পড়তে পারে বলে অনেকের ধারণা।

প্রযোজনায় ফিরতে চান নূতন, তবে…

 

অভি মঈনুদ্দীন : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে নায়িকা হিসেবে এখনো দর্শকের কাছে নূতনের গ্রহণযোগ্যতা অন্যরকম। পর্দায় এখনো তার উপস্থিতি হলের দর্শককে অধিক সচেতন হতে বাধ্য করে। বিশেষ করে তার গ্ল্যামারাস উপস্থিতি, অনবদ্য অভিনয় এবং সর্বোপরি তার নায়িকা সূলভ আদ্যোপান্ত বিচরণ দর্শককে মুগ্ধ করে। সেই নূতন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি এক সময় বেশ কিছু চলচ্চিত্রও প্রযোজনা করেছেন।

 যদি চলচ্চিত্রের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়, দর্শক আরো হলমুখী হয় তাহলে প্রযোজনায় ফিরবেন নূতন। তার প্রযোজনা সংস্থা বিএন প্রোডাকশন থেকে এর আগে ‘চাঁদ সুরুজ’, ‘কাবিন’, ‘সাহস’, ‘রূপের রানী গানের রাজা’, ‘নাচে নাগিন’, ‘শত্রু ধ্বংস’সহ আরো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। কিন্তু মাঝে বেশ কয়েকবছর হলো তিনি প্রযোজনা থেকে দূরে আছেন। নূতন বলেন,‘ এখনতো সত্যি বলতে কী চলচ্চিত্রের সার্বিক পরিস্থিতি ব্যবসা করার অনুকূলে নয়। হলের সংখ্যা তিনশো’রও কম। চলচ্চিত্র ব্যবসা খুব মন্দা যাচ্ছে। যদি পরিস্থিতির উন্নতি হয় তবে ইচ্ছে আছে আবার চলচ্চিত্র প্রযোজনায় ফেরার।

’ চলচ্চিত্রে প্রযোজনায় নূতনের ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও অভিনয়ে তিনি বেশ নিয়মিতই বলা চলে। এরইমধ্যে তিনি শেষ করেছেন শাহাদাৎ হোসেন লিটনের নির্দেশনায় ‘অহংকার’ চলচ্চিত্রের কাজ। এতে তিনি চিত্রনায়িকা বুবলীর মা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন যা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। নূতন বলেন,‘ একটি চলচ্চিত্রে নায়ক নায়িকা থাকবে, তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যদি আমাকে নেয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে যেন আমার চরিত্রটিও গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে। যদি তা না হয় তাহলেতো কাজ করা সম্ভব নয়। কারণ একজন নায়িকা হিসেবে এদেশের চলচ্চিত্রে অনন্যাদের মতো আমারও অবদান আছে।

 আমি খুব সহজ, সরল একজন মানুষ। তাই আমার চাওয়াগুলো খুব সাধারণ এবং স্বাভাবিক। ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ে নূতনের অভিষেক হয় মোস্তফা মেহমুদ পরিচালিত ‘নূতন প্রভাত’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা প্রযোজিত , চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘ওরা ১১জন’র একজন অন্যতম একজন অভিনেত্রী তিনি।

 এরপর আরো বেশকিছু চলচ্চিত্রে নূতন অভিনয় করলেও কিছুদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন তিনি। নায়ক রাজ রাজ্জাকের ‘পাগলা রাজা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আবারো নূতনের শূভযাত্রা শুরু হয়। ‘স্ত্রীর পাওনা’ চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য নূতন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। এদিকে শাহ মোঃ সংগ্রামের নির্দেশনায় নূতন শিগগিরই নতুন আরেকটি চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। পাশাপাশি স্বাধীনতা’র আরো একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত

বর্তমান চলচ্চিত্র নিয়ে পাঁচ তারকা যা বললেন

অভি মঈনুদ্দীন : অমিত হাসান, ওমরসানী, আমিন খান, মৌসুমী ও পূর্ণিমা চলচ্চিত্রের সার্বিক পরিস্থিত নিয়ে কথা বলেছেন এক ঘরোয়া আড্ডায়। গল্পে , আড্ডায় অমিত হাসান বলেন,‘ আমি মনেকরি চলচ্চিত্রের বর্তমানে যে দূরবস্থা চলছে তার জন্য প্রয়োজন প্রযোজক সমিতির বিরাট ভূমিকা। কারণ প্রযোজক সমিতিই হচ্ছে চলচ্চিত্রের প্রশাসক। কিন্তু তারাই যদি নেতৃত্বে না থাকে তাহলে ভালো চলচ্চিত্রে হবে না।

 টুকটাক ভালো চলচ্চিত্র নির্মিত হলেই হবে না। বছরজুড়ে ভালো ভালো চলচ্চিত্র নির্মিথ হতে হবে। তা না হলে এই শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। যেমন আমি এর আগে কে আপন কে পর নামের একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছিলাম। কিন্তু এখন আর সাহস পাই না। কারণ নেতৃত্বে নেই প্রযোজক সমিতি। শুধু পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি সুসংগঠিত হলে হবে না। প্রযোজক সমিতিকে সুসংগঠিত হতে হবে।’ ওমরসানী বলেন, ‘সারা দেশের সিনেমা হলকে একটি বিএফডিসির একটি সার্ভারের মধ্যে নিয়ে আসার উচিত। তাহলে ভিডিও পাইরেসি বন্ধ হবে। ই-টিকেটিং সিস্টেম চালু করতে হবে। সর্বোপরি গৎ বাধা গল্পের যেমন আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমায় না পেলে মরে যাবো-এই ধরনের প্রেম পীরিতি টাইপের গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করলেও হবে না। স্ক্রিপ্ট’র ক্ষেত্রে মনোযোগ দিতে হবে। কারণ স্ক্রিপ্টই হচ্ছে একটি চলচ্চিত্রের মূল ভিত্তি। এখনে মনোযোগ দেয়াটা খুব জরুরী। ’ তবে আমিন খান বলেছেন ভিন্ন কথা।

আমিন খান বলেন,‘ চলচ্চিত্রে যারা কাজ করতে আসেন তাদেরকে শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষিত মানে এই নয় যে শুধু লেখাপড়ায় শিক্ষিত, চলচ্চিত্রের যে যেই কাজটি করতে আসেন তিনি যেন সেই কাজটি শিখে যেন আসেন। আগের মতো দেখে দেখে শিখে এলাম , তা যেন না হয়। কারণ এখন সারা বিশ্বেও চলচ্চিত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। কিন্তু আমরা পড়ে আছি সেই আগের স্থানে। কোথায় যেন আমরা আটকে আছি, বের হতে পারছিনা। সর্বোপরি একজন পরিচালককে হতে হবে সবচেয়ে বেশি চৌকস। কারণ তার হাতেই নির্ভর করে একটি চলচ্চিত্রের সফলতা, দর্শকপ্রিয়তা ’ চিত্রনায়িকা মৌসুমীও অমিত হাসানের সুরে সর মিলিয়ে প্রযোজক সমিতিকে নেতৃত্বে আসার প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

 পাশাপাশি মৌসুমী বলেন, ‘আমি মনেকরি চলচ্চিত্রের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিল্পীদেরও অধিক সচেতন হতে হবে। বিশ্বের নানা দেশ চলচ্চিত্রে কতো এগিয়ে গেছে। ডিজিটাল এই যুগে মানুষ এখন খুব সহজে হলে যান না। তাদেরকে দেখার মতো কিছু না দিতে পারলে তারা হলে না গিয়ে ইউটিউবেই সিনেমা দেখে নিতে পারেন। তবে আমি আরেকটি বিষয়ে বিশেষত বলতে চাই তা হলো শুধু নায়ক নায়িকা দিয়েই সিনেমা নির্মাণের ধারাবাহিকতা বন্ধ হওয়া উচিত। মাল্টিকাস্টিং করে সিনেমা নির্মাণ করা উচিত। একটি সময়ে আমি, আমার নায়ক, শাবানা আপা, আলমগীর ভাই, জসীম ভাই একই সিনেমায় অভিনয় করেছি। এসব সিনেমা দর্শক প্রাণ ভরে উপভোগ করেছেন। একটি সিনেমার একটি গল্প থাকাটাও জরুরী।

সবমিলিয়ে এখন সত্যিকার অর্থেই সিনেমার নির্মাণে মনোযোগী হওয়া উচিত। ’ চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা বলেন,‘ সত্যি বলতে কী চলচ্চিত্র ব্যবসাকে আমরা এখন ব্যবসা হিসেবে দেখছিনা। আগে যারা কাজ করতেন সেটা প্রযোজকই হোক কিংবা পরিচালকই হোক না কেন তারা চলচ্চিত্রটিতে ব্যবসা হিসেবে দেভতেন। যে কারণে শিল্পীরাও দিনরাত পরিশ্রম করে কাজ করতেন। প্রযোজনা কিংবা পরিচালনা দুটোর একটিতেও পেশাদারীত্ব নেই, নেই শিল্পীদের মধ্যেও পেশাদারীত্ব। যে কারণে একটি চলচ্চিত্র ব্যবসায়িকভাবে লাভের মুখ দেখে না।

 ফলে একবার যিনি প্রযোজনায় আসেন, পরবর্তীতে তাকে আর খুুঁজে পাওয়া যায়না। বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্রের গল্প মিলিয়ে সিনেমা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। আমাদের দেশেই অনেক মৌলিক গল্প আছে। নিজের দেশ, নিজের মাটি, নিজের মানুষকে তুলে ধরার মতো অনেক গল্প আছে। তা নিয়ে একটু ভাবলেই ভালো গল্প দাঁড়ায়। হতে পারে ভালো ভালো চলচ্চিত্র। সময়ের সাথে তাল মিলিয়েই আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু আধুনিকতার নামে যেন নোংরামী না হয়।’

‘ভালোবাসার রংতুলিতে মইনুল-কনক

 

বিনোদন প্রতিবেদক : আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বিশেষ এই দিবসে দর্শকের জন্য চ্যানলে আই আজ দুপুর ১.৩০ মিনিটে প্রচার করবে সুরকার সঙ্গীত পরিচালক বগুড়ার সন্তান মইনুল ইসলাম খান ও তার স্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী করকচাঁপাকে নিয়ে ভালোবাসা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ভালোবাসার রংতুলি’। অনুষ্ঠানে মইনুল ইসলাম খান এবং করকচাঁপাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান অনুষ্ঠানের উপস্থাপক পুনম প্রিয়ম। মইনুল ইসলাম খান বলেন,‘ সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা।

 সেইসাথে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ থাকলো। এই অনুষ্ঠানে আমি একটি গানও গেয়েছি। আশাকরি দর্শক শ্রোতাদের অনুষ্ঠানটি ভালোলাগবে। ’ মইনুল ইসলাম খান জানান অনুষ্ঠানে তিনি কলম ভাস্কর্য নিয়ে একটি গান গাইবার চেষ্টা করেছেন। গানটির কথা লিখেছেন রফিক উজ জামান। মূল গানটি গেয়েছেন মাকসুদ ও কনকচাঁপা। গানটির সুর সঙ্গীত করেছেন মইনুল ইসলাম খান। কনকচাঁপা তার সদ্য আলোচিত কাজ ‘দেবদাস’র মিউজিক ভিডিও নিয়ে কথা বলেছেন। ভালোবাসা দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ভালোবাসার রংতুলি’ দর্শকের ভালোলাগবে, এমনটাই বিশ্বাস মইনুল ও কনকের।

ক্ষুদে গানরাজের বিচারক সুবর্ণা মুস্তাফা

 

বিনোদন রিপোর্টার : ডিয়ন চকলেট চ্যানেল আই ক্ষুদে গানরাজ এর ১ম অ্যালিমিনেশন রাউন্ড এ অতিথি হিসেবে থাকছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুবর্ণা মুন্তাফা। ডেঞ্জার জোন এ থাকা ১০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে ৬ জন প্রতিযোগী যোগ দেবে এ পর্বে। সেফ জোনে থাকা ১২ জন প্রতিযোগী থেকে বিদায় নিতে হবে আরো ৪ জন প্রতিযোগীকে। মোট ১৯ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হচ্ছে  অ্যালিমিনেশন রাউন্ড।

প্রতিযোগিরা হলো- সাইফ, ঈশিকা, তিলোত্তমা, ঐন্দ্রিলা, অথি, ঐক্য জিৎ, তানিশা, পুষ্পিতা, প্রান্ত, রাইসা, দিয়া, বিজয়, অংকন, ঐশী, সজীব, স্বর্না, সৃজন, পাওয়েল ও জয়ী। প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ফেরদৌস আরা এবং ব্যান্ড তারকা এস আই টুটুল। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছেন মীম চৌধুরী এবং পরিকল্পনা ও পরিচালনা করছেন ইজাজ খান স্বপন। পুরো অনুষ্ঠানটি স্পন্সর করেছেন ডিয়ন অ্যালমন্ড চকলেট বার। প্রচার হবে আজ রাত ৮টায়।

অপুর ওজন কমানোর মিশন


বিনোদন প্রতিবেদক :  ‘নিজেকে আকর্ষণীয় করেই সবার সামনে হাজির হব’- এমন মন্তব্য করেছেন অপু বিশ্বাস। আপাতত শরীরের ওজন কমানোর অভিযানে নেমেছেন তিনি। এজন্য বেশ খাটতে হচ্ছে তাকে। নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন। পরিচিত লোকের নাকের ডগা দিয়ে বোরকা পরে পার্কে হাঁটছেন। এ প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আগেই বলেছি একান্ত কিছু সময় কাটাতেই ছোট একটা ব্রেক নিয়েছিলাম।

 আবার ফিরেছি। তবে এবার সবার সামনে ভিন্ন অপু হয়েই আসতে চাইছি। আপাতত ওজন কমানোর অভিযানে আছি। কাঙ্খিত ওজন পেলেই আবার কাজে ফিরব।’ উল্লেখ্য, ঢাকাই চলচ্চিত্রের কুইনখ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস দীর্ঘ ১০ মাস পর আড়াল ভেঙেছেন। এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে মুখ খোলেননি এখনও। তবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কোথায় ছিলেন এবং কেন ছিলেন এ বিষয়ে বিস্তারিত বলবেন বলে জানিয়েছেন।

 এছাড়াও আগামী মাস থেকেই সিনেমার শুটিংয়ে দেখা যেতে পারে এ নায়িকাকে। আপাতত যে সিনেমাগুলো তার জন্য থেমে আছে সেগুলো শেষ করতে চান। পরে নতুন সিনেমায় কাজ করার ব্যাপারে ভাববেন।  ২০০৪ সালে আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন এ তারকা। এরপর এফআই মানিক পরিচালিত ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রে শাকিব খানের বিপরীতে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন।

সভাপতি সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক নাসিম

বিনোদন প্রতিবেদক : সব জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। টানা ১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর টিভি নাটকের শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’-এর প্রথম নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে জনপ্রিয় অভিনেতা শহিদুল আলম সাচ্চু এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আহসান হাবিব নাসিম। এছাড়া সহসভাপতি হয়েছেন আজাদ আবুল কালাম, জাহিদ হোসেন শোভন ও তানভিন সুইটি।

 যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঃ রওনক হাসান ও আনিসুর রহমান মিলন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে জয়ী হয়েছেন লুৎফর রহমান জর্জ। অন্যদিকে তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক হয়েছেন ওমর আয়াজ অনি, অনুষ্ঠান সম্পাদক বন্যা মির্জা, দপ্তর সম্পাদক শামস সুমন, আইন ও কল্যাণ সম্পাদক শামীমা তুষ্টি এবং প্রচার সম্পাদক উর্মিলা শ্রাবন্তী কর। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জয়ী হয়েছেন ইন্তেখাব দিনার, সেলিম মাহবুব, জাকিয়া বারী মম, নিকুল কুমার মন্ডল, সুজাত শিমুল, সনি রহমান ও মুকুল সিরাজ।

বিজ্ঞাপনে এবারই প্রথম ইমন-ইশানা

অভি মঈনুদ্দীন ঃ এর আগে চিত্রনায়ক ইমন ও মডেল-অভিনেত্রী ইশানা বেশকিছু নাটকে অভিনয় করলেও এবারই প্রথম তারা দু’জন জুটি হয়ে একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। রানা মাসুদের নির্দেশনায় তারা দু’জন ‘স্পার্ক এনার্জি ড্রিংকস’র বিজ্ঞাপনে জুটিবদ্ধ হয়ে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। এরইমধ্যে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং লালবাগের কেল্লায় বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।

 বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে ইমন বলেন,‘ ইশানার সঙ্গে এর আগে আমি বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছি। তবে বিজ্ঞাপনে আমরা এবারই প্রথম মডেল হিসেবে কাজ করেছি। রানা মাসুদ ভাই একজন অভিজ্ঞ বিজ্ঞাপন নির্মাতা। তার নির্দেশনাতে এবারই প্রথম বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি। খুব যতœ নিয়ে তিনি বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন। তাই আমি এই কাজটি নিয়ে খুব আশাবাদী। ’ ইশানা বলেন,‘ জিঙ্গেল বেইজড এই বিজ্ঞাপনটির জিঙ্গেল করেছেন রিপন খান। খুব মনোযোগ দিয়ে যতœ সহকারে রানা মাসুদ ভাই বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন।

 তাই কাজটি করে আমি তৃপ্ত। ’ নির্মাতা রানা মাসুদ জানান শিগগিরই বিজ্ঞাপনটি দেশের প্রায় সবগুলো চ্যানেলে প্রচারে আসবে একযাগে। ইমন ও ইশানা প্রথম জুয়েল শরীফের নির্দেশনায় একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গল্পের নাটকে অভিনয় করেন। সর্বশেষ তারা দু’জন শাহজাদা মামুনের নির্দেশনায় একটি নাটকে অভিনয় করেন। ইমন সম্প্রতি সারিকার সঙ্গে জুটি হয়ে প্রথম বিজ্ঞাপনে কাজ করেন সনক মিত্রের নির্দেশনায়।

 এদিকে ইশানা ব্যস্ত বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ নিয়ে। ধারাবাহিকগুলো হচ্ছে সৈয়দ শাকিলের ‘শান্তি অধিদপ্তর’, হাসান জাহাঙ্গীরের ‘চাপাবাজ’, মাইনুল হাসান খোকনের ‘চাপাবাজ’। প্রতিটি ধারাবাহিকেই ইশানা নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। এদিকে ইমন বর্তমানে টিভি নাটকে এবং টেলিফিল্মে অভিনয়েই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার অভিনীত ‘পরবাসিনী’ চলচ্চিত্রটি শিগগিরই মুক্তি পাবে বলে তিনি জানান। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত

বইমেলায় আফজাল হোসেনের তিন বই

বিনোদন প্রতিবেদক : আফজাল হোসেনকে সবাই একজন অভিনেতা হিসেবেই অধিক চিনেন। একজন লেখক হিসেবেও তার বেশ সুনাম রয়েছে। জীবন প্রথম তার লেখা গল্পের বই প্রথম বইমেলায় প্রকাশ হয় তারই ঘনিষ্ঠ বন্ধু কথা সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের সঙ্গে এক মলাটে দুটি গল্পের বই ‘যুবকদ্বয়’। বন্ধুরা জানতেন আফজাল হোসেন মাঝে মাঝে কবিতাও লিখেন।

সেই জানা থেকেই তারই আরেক বন্ধু ফরিদুর রজো সাগর আগ্রহী হয়ে আফজাল হোসেনের লেখা কবিতা নিয়ে প্রথম কবিতার বই ‘শুধু একটাই পা’ ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়। সেই ধারাবাহিকতাতেই এবারের বই মেলাতেও তার লেখা আরেকটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। যার নাম ‘কোনো জোনাকি এ অন্ধকার চেনেনা’। বিভিন্ন সময় আফজাল হোসেনের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক লেখার সংকলন নিয়ে প্রকাশিত বইটির নাম ‘কথায় কথায় রাত’।

 আবার এবারের বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম ‘জাহাঙ্গীর বাদশার ঘোড়া’। এই তিনটি বই এবারের বইমেলাতে পাওয়া যাচ্ছে অনন্যা প্রকাশনীর ব্যানারে। আফজাল হোসেনের জীবনের প্রথম বই ‘যুবকদ্বয়’ প্রকাশিত হয়েছিলো অনন্যা প্রকাশনী থেকেই। নিজের লেখা এবারের বইগুলো প্রসঙ্গে আফজাল হোসেন বলেন,‘ সত্যি বলতে কী আমি কবিতা লিখতাম এটা আমার বন্ধুরা জানতো।

 তো প্রথম কবিতার বই প্রকাশের পর যখন বেশ সাড়া পেলাম তখন কবিতা লেখায় আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। বিভিন্ন সময়ে আমি বিভিন্ন বিষয়ের উপর লিখে থাকি। সেইসব বিষয়ভিত্তিক লেখা নিয়েও এবার বকই প্রকাশিত হয়েছে। গল্পের বইও আছে এবার। সবমিলিয়ে এবারের বইমেলা আমার কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি যে ধরনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি , তার থেকে সময় বের করে বইমেলায় যাওয়াটা একটু কঠিনই বৈকি। তবে ইচ্ছে আছে আজ বইমেলা যাবার।’ আফজাল হোসেনের লেখা চারটি উপন্যাস হচ্ছে ‘বিরহকাল’, ‘কানামাছি’, ‘পারলেনা রুমকি’ ও ‘কুসুম ও কীট’। তার একমাত্র ভ্রমন রচনা হচ্ছে ‘মানস ভ্রমন’। 

বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনে কলকাতার নুসরাত

বিনোদন প্রতিবেদক : টলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত জাহান ঢাকায় আসছেন। এখানকার কোনো চলচ্চিত্রে কিংবা ইভেন্টের কাজে নয়। নুসরাতকে পাওয়া যাবে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে।  শিগগিরই এর শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন তিনি। এটি নির্মাণ করবেন সালাহ উদ্দিন। বিজ্ঞাপনটিতে নুসরাতের সঙ্গে পাওয়া যাবে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজকে।

এমনটাই নিশ্চিত করে জানিয়েছেন নির্মাতা। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে নুসরাত বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আগামাী মাসেই এর শুটিং করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি নাভানা প্লাস্টিক ও কিচেন সিরিজের বিজ্ঞাপন। কনসেপ্টটি বেশ দারুণ। ঢাকার নায়ক রিয়াজ ও কলকাতার  নুসরাতের রসায়ন দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি। ‘লাভ এক্সপ্রেস’, ‘জুলফিকার’, ‘পাওয়ার’সহ বেশ কয়েকটি দর্শকপ্রিয় অসংখ্য ছবির নায়িকা নুসরাত।

 তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য অন্য ছবির মধ্যে রয়েছে, ‘শত্রু’, ‘খিলাড়ী’, ‘জামাই ৪২০’ ইত্যাদি। সম্প্রতি নুসাতের ‘হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন অঙ্কুশ।

 

এবার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তানজিন তিশা

অভি মঈনুদ্দীন, টিভি নাটকে এবং টেলিফিল্মেই সাধারণত অভিনয়ে দেখা যায় এই সময়ের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে। তবে এবার দেখা যাবে তাকে নতুনরূপে সঞ্জয় সমদ্দার পরিচালিত ‘জলের শরীর’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। এর আগে তানজিন তিশা একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে বেশ কয়েকবছর আগে অভিনয় করলেও মাঝে বেশকিছু সময় বিভিন্ন স্বলদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও গল্প ভালোলাগেনি বিধায় তিশা অভিনয় করেননি। ‘জলের শরীর’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির গল্প ভালোলেগেছে বিধায় তানজিন তিশা এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

 পরিচালক জানান ‘জলের শরীর’র গল্প ভাবনা সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সংলাপ ও চিত্রনাট্য করেছেন সঞ্জয় সমদ্দার। এরইমধ্যে আসছে ভালোবাসা দিবসে ইউটিউবে প্রচারের লক্ষ্যে পনেরো মিনিটেরও অধিক সময়ের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির কাজ শেষ হয়েছে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে। পাশাপাশি শিগগিরই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলেও এটি প্রচার হবে বলে জানা যায়। পরিচালক জানান ‘জলের শরীর’র চলচ্চিত্রটি বোধের , প্রেমের, শরীরের গল্পের। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে তানজিন তিশা বলেন,‘ মাঝে বেশ কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রস্তাব এসেছে। কিন্তু গল্প ভালোলাগেনি বিধায় করিনি। কিন্তু সঞ্জয় দাদার চলচ্চিত্রটির গল্প ভালোলাগেছে। পাশাপাশি আমার চরিত্রটিও অসাধারণ।

 তাই বেশ আগ্রহ নিয়েই আমি কাজটি করেছি। আমি অনেক বেশি আশাবাদী এই কাজটি নিয়ে। কারণ এটা আমার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছি আমি। ’ এতে তিশা ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন শম্পা রেজা, জোভান এবং তুখোড় সিনেমাখ্যাত নায়ক শিবলী। এদিকে তানজিন তিশা সম্প্রতি কলকাতা থেকে একটি বহুজাতিক কোম্পানীর নতুন বিজ্ঞাপনের কাজ শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন। পাশাপাশি ভালোবাসা দিবসের বেশ কয়েকটি নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি। তবে নতুন কোন ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তানজিন তিশা। কারণ চলতি বছরে তিনি নতুন কোন ধারাবাহিকে অভিনয় করবেন না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। ছবি ঃ আলিফ হোসেন রিফাত

ছবিতে ছবিতে অভিনয় শিল্পী সংঘ নির্বাচন

গতকাল সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচন। নির্বাচনে অভিনয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে উৎসব মুখর হয়ে উঠে শিল্পকলা প্রাঙ্গন। ছবিতে ছবিতে তুলে ধরা হলো তার কিছু অংশ। ছবি তুলেছেন আলিফ হোসেন রিফাত

বইমেলায় পলাশ মাহবুবের ৭ নতুন বই

 

বিনোদন প্রতিবেদক : অমর একুশে বইমেলায় লেখক, নাট্যকার পলাশ মাহবুবের বেশ কিছু নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। নতুন বইয়ের মধ্যে আছে মজার কিশোর উপন্যাস ‘লজিক লাবু’। এটি প্রকাশ করেছে পাঞ্জেরী। এছাড়া পলাশ মাহবুবের জনপ্রিয় কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সিরিজ টো টো কোম্পানি’র সপ্তম উপন্যাস ‘টো টো কোম্পানি ও বীরপ্রতীকের মেডেল’ বরাবরের মতো প্রকাশিত হয়েছে অন্বেষা থেকে।  অন্যপ্রকাশ থেকে আসছে ছোটদের গল্পের বই ‘সূর্যমুখিরা দুইবোন’। পাঞ্জেরী থেকে আসবে আরও দুটি বই। কিশোর গল্পের বই ‘তালা’ এবং ছড়াগ্রন্থ ‘থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে’। তাম্রলিপি প্রকাশ করছে বড়দের গল্পের বই ‘রোমিওপ্যাথি’। অনিন্দ্য প্রকাশন থেকে মেলায় এসেছে পলাশ মাহবুবের জনপ্রিয় প্রেমাণুকাব্য সিরিজের দ্বিতীয় বই ‘প্রেমাণুকাব্য-২’। পাশাপাশি ১৫ বছর আগে প্রকাশিত প্রেমাণুকাব্য-১ বইটিও পুনঃমুদ্রণ করেছে অনিন্দ্য প্রকাশন।  এছাড়া কিশোর উপন্যাস ‘পিটি রতন সিটি খোকন’ নতুনভাবে আসবে পাঞ্জেরী থেকে এবং কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘বই খুললেই ভুত’ পুনঃমুদ্রিত হচ্ছে অনিন্দ্য প্রকাশন থেকে।