বিকাল ৩:১০, রবিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং
/ দেশজুড়ে

জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদক অপরাধী ও চাঁদাবাজ নির্মূলে গাজীপুরে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চলাকালে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ জানায়, তাদের পাঁচ শতাধিক সদস্য জয়দেবপুর থানা এলাকার নয়টি ওয়ার্ডের ৪৫টি পয়েন্টে একযোগে অভিযান শুরু করেছেন। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত একটানা এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গাজীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ অভিযান শুরুর আগে শনিবার দুপুরে জেলা পুলিশ লাইনে সাংবাদিকদের জানান, রাজধানীর পাশে থাকায় গাজীপুরের শিল্প শহর জয়দেবপুর থানা এলাকায় জঙ্গি সংগঠনের নেতা-কর্মী, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিরা অবস্থান করতে পারে এমন আশঙ্কায় এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

“জয়দেবপুর এলাকার নয়টি ওয়ার্ডকে ৪৫ ভাগে বিভক্ত করে পাঁচ শতাধিক পুলিশ বেলা ৩টার দিকে একযোগে অভিযান শুরু করেন। অভিযানকালে পুলিশ সদস্যরা এলাকার প্রতিটি বাড়িতে যাবেন। বাড়ির মালিকদের সহযোগিতায় ভাড়াটিয়াদের ফ্ল্যাট বা কক্ষে তল্লাশি চালাবেন।”

যেসব বাড়িতে বাড়িওয়ালাদের পাওয়া যাবে না সেগুলোতে পুলিশ সরাসরি প্রবেশ করবেন বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, এসব এলাকার যেসব বাড়িতে বাড়ির মালিকরা থাকেন না সেখানে কারা, কতদিন ধরে অবস্থান করছেন, তাদের পেশা কী এবং কখন বাড়িতে যাওয়া-আসা করেন এসব বিষয় মাথায় রেখে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালানো হবে এবং তথ্য সংগ্রহ করবে। এ অভিযান পর্যায়ক্রমে পুরো জেলায় চালানো হবে।

রাজধানী সংলগ্ন হওয়ায় জেলার জয়দেবপুর এলাকায় হাজার হাজার বাড়িতে লাখ লাখ মানুষ বসবাস করেন। প্রতিদিন এখান থেকে অগণিত মানুষ রাজধানীতে প্রবেশ করেন। রাজধানীর কাছের নগরী হওয়ায় অপরাধীরা নিরাপদে গাজীপুরে আশ্রয় নিয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

 

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়েছে ঝুট গুদাম, ঘর

শনিবার রাতে আকবর শাহ রেল গেইট এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া  বলেন, রাতে ১২টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। “আগুনে মো. মোখলেস নামে একজনের মালিকানাধীন জুট কাপড়ের গুদাম ও মো. নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির বসত ঘর পুড়েছে।”

আগ্রাবাদ ও বন্দর ফায়ার স্টেশনের পাঁচটি গাড়ি গিয়ে রাত ২টার দিকে আগুন নেভায় বলে জানান তিনি।

পাবনায় যুবকের লাশ উদ্ধার

পাবনার সুজানগরে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুজানগর থানার ওসি উবাইদুল হক জানান, তাতিবন্দ ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের একটি মাঠ থেকে সকাল ৯টার দিকে হাফিজুর রহমান (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়।

হাফিজুর ওই গ্রামের মাজেদ খন্দকারের ছেলে।  জানান ওসি উবাইদুল জানান, সকালে মাঠের মধ্যে হাফিজের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তা উদ্ধার করে।

“নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।” হাফিজুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানালেও প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত পারেনি এ পুলিশ কর্মকর্তা।  

লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

ফেনীতে পুলিশের ব্লক রেইড, আটক ৪

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীতে পুলিশের জঙ্গি বিরোধী অভিযান ‘ব্লক রেইডে’ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার শহরের বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার। তিনি বলেন, শহরের পাঠানবাড়ি, রামপুর, মাস্টারপাড়া ও সহদেবপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়াদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নিকটস্থ থানায় জমা দিতে বলা হয়। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) উক্য সিং মার্মা, ফেনী মডেল থানার ওসি রাশেদ খাঁন চৌধুরীসহ চার শতাধিক পুলিশ এ অভিযানে অংশ নেয়।

 

 

 

গাজীপুরে ৪৫ স্থানে জঙ্গি বিরোধী সাড়াশি অভিযান

গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাকে ৪৫ভাগে ভাগ করে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে পুলিশ এ অভিযান শুরু করে বলে গাজীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ জানান। বেলা ২টার দিকে জেলা পুলিশ লাইন মাঠে এ সংক্রান্ত এক ব্রিফিং শেষে এ অভিযান শুরু হয়। এসময় পুলিশ জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে।

পুলিশ সুপার বলেন, রাজধানীর পাশে থাকায় জঙ্গি সংগঠনের নেতা-কমী ও সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিরা গাজীপুরে অবস্থান করতে পারে এমন আশঙ্কায় এ অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব এলাকার যেসব বাড়িতে মালিকথাকেন না; সেখানে কারা, কতদিন ধরে অবস্থান করছেন, তাদের পেশা কী, পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব তথ্য নিচ্ছে। এছাড়া এ সময় বাড়ির মালিকদের সন্ত্রাসী ও জঙ্গি বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে লিফলেট এবং ভাড়াটেদের তথ্য ফরম বিতরণ করা হয় বলে জানান তিনি। এ অভিযান পর্যায়ক্রমে পুরো জেলায় চলবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ (সার্কেল) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ছয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও তিন সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক পুলিশ জয়দেবপুর থানার আওতায় নয়টি ওয়ার্ডের ৪৫টি স্থানে একযোগে এ অভিযান শুরু করেছে। এরআগে গত ২৩ এপ্রিল টঙ্গী থানার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬০টি স্থানে একযোগে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ ১০ জনকে আটক করা হয়।

 



Go Top