সকাল ৭:৫২, মঙ্গলবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
জিডিপি প্রবৃদ্ধি রেকর্ডের বছর
জানুয়ারি ৭, ২০১৭

 

প্রায় এক দশক পর দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের ঘর অতিক্রম করে ৭ শতাংশও অতিক্রম করেছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ১১ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।

 বেড়েছে মানুষের গড় আয়ু। বিশ্ব ব্যাংকের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫-১৬ অর্থ বছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৬৬ ডলারে। শুধু তাই নয় মাথা পিছু আয়ের ভিত্তিতে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতিও পেয়েছে বাংলাদেশ। মূল্যস্ফীতির চাপ বলা যায় পুরোপুরিই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। প্রবাসী আয়ও বেড়েছে। রপ্তানী আয়েও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি। তবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি আর বিনিয়োগের খরা কাটেনি সারা বছরেও।

 বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে নভেম্বরে শেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা আগের মাস অক্টোবরে ছিল ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত বছরের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকায় এবং বেশির ভাগ ভোগ্যপণ্য মূল্য স্থিতিশীল থাকায় মূল্য স্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হয়েছে। চলতি অর্থ বছর শেষে অর্থাৎ জুন ২০১৭ শেষে মূল্যস্ফীতি চাপ ৫ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যেই থাকবে বলে বাজেট বক্তৃতায় ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। ডলারের বিপরীতে টাকার মানও মোটামুটি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

 ফলে বৈদেশিক বাণিজ্য এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য সঠিক পথে রয়েছে। এমনকি উচ্চ রেমিট্যান্স আর উচ্চ রপ্তানি আয় বাংলাদেশের রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে যা কোনভাবেই কাটানো যাচ্ছে না। ফলে বড় ধরনের কোনো বিনিয়োগে কেউ এগিয়ে আসছে না। উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের আগে পুঁজির নিশ্চয়তা চান। ফলে বিনিয়োগ হচ্ছে না যার প্রভাবে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য বাড়ছে। নতুন বছরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top