সকাল ১০:০৩, রবিবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / হজ এজেন্সিগুলোর অব্যবস্থাপনা
হজ এজেন্সিগুলোর অব্যবস্থাপনা
আগস্ট ১২, ২০১৭

ভিসা জটিলতার কারণে যাত্রী সংকট হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুটি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। আর এ জন্য বিমান বাংলাদেশ ও হজ এজেন্সিগুলো একে অপরকে দোষারোপ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ১০ হাজারের বেশি হজযাত্রী। গত ১৬ দিনে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স ও সৌদিয়া এয়ার লাইন্সের ২৫টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব ফøাইটের প্রতিটিতে ৪১৯ জন যাত্রী পরিবহনের কথা ছিল। সংকট মোকাবিলায় বিমান ও হজ অফিস একটি ফ্লাইট রিসিডিউল করে হাতে গোনা কয়েকজন যাত্রী পাঠাতে সক্ষম হয়। এখানে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের ১০ হাজারের বেশি যাত্রী অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

এ ছাড়া বাড়ি ভাড়া,  ভিসা জটিলতা ও এজেন্সিগুলোর গাফলতিসহ বিভিন্ন কারণে এখন পর্যন্ত  ভিসা হয়নি প্রায় ৪২ হাজার হজ যাত্রীর। ১৭ আগস্ট আবেদনের শেষ সময় মাথায় রেখে ৪৮ এজেন্সিকে তাগিদ দিয়েছে হজ অফিস। বৃহস্পতিবার সে সময় সীমাও শেষ হয়েছে। এদিকে একজন হজযাত্রীকে রেখেও নিজে হজে যাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। তিনি বলেন, সরকারের আন্তরিক চেষ্টার পরও কিছু এজেন্সির গাফিলতির কারণে ফøাইট বাতিল হচ্ছে। হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বলছে, নির্ধারিত সময়ে বিমানের টিকিট না পাওয়ায় যাত্রী সংকট শুরু হয়। অন্যদিকে বিমান বাংলাদেশ বলছে, হজ এজেন্সিগুলো সমন্বয়হীনভাবে বাড়ি ভাড়া করার কারণেই মূলত হজ ফ্লাইটের সিডিউলে বিপর্যয় ঘটেছে।

পত্রিকার খবরে প্রকাশ ৩৭৭টি হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৭ হাজারের বেশি লোক হজে যাবে। তাদের মধ্যে ৫৬ হাজার ৫৫০ জন ভিসা নিয়েও যেতে পারছেন না। ৯৫টি এজেন্সি এখনো একটি লোকও পাঠায়নি। তাদের মাধ্যমে ভিসা পেয়ে বসে আছেন ১৮ হাজারের বেশি হজযাত্রী। অনেক হজযাত্রী এখনো ভিসাই পাননি। এজেন্সিগুলোকে তারা সব টাকাই দিয়েছেন। অথচ এজেন্সিগুলো এখনো মুয়াল্লিম ও আবাসন ঠিক করতে পারেনি। হজযাত্রা নির্বিঘœ করার জন্য সরকারকে কঠোর হতে হবে। এজেন্সিগুলো যদি বিড়ম্বনা সৃষ্টির প্রবণতা জিইয়ে রাখে, তাহলে সরকারকে ভাবতে হবে তাদের মাধ্যমে হজযাত্রী পাঠাবে কিনা।

এই বিভাগের আরো খবর



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top