সন্ধ্যা ৭:৩৩, শনিবার, ২৫শে মার্চ, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / সোনা চোরাচালানে মাফিয়া চক্র
সোনা চোরাচালানে মাফিয়া চক্র
মার্চ ৮, ২০১৭

বিমান বন্দর দিয়ে সোনা চোরাচালান হয় সবাই জানেন, কিন্তু হোতা বা গডফাদার কখনও ধরা পড়েন না। সোনা সব সময় উদ্ধার হয় বিমানের সিটের নিচে টয়লেটের ভেতর। কারা রাখেন এসব চোরাচালানের মালামাল ? বিমানের এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারি এইসব সোনা চোরাচালানের সাথে জড়িত সে খবর আমাদের গণমাধ্যমে বারংবার উঠে এসেছে। চুনোপুটিদের নামে মামলা হয়, পর্দার আড়ালে গডফাদারদের এড়িয়ে যাওয়া হয়। মামলা হলেও আইনের ফাঁক-ফোকর গলিয়ে আসামীরা পার পেয়ে যান।

 হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সাতটি টয়লেট থেকে ১০৬ কেজি সোনা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ বিমানের দশ কর্মকর্তাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটে বলা হয়েছে, আসামিরা সোনা চোরাচালানের কথা জানতেন। তারা সোনাগুলো বাইরে আনার জন্য বিমান বন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করেছিলেন।

 পরস্পরের যোগ সাজসে দুবাই থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে ৯০৪ পিস সোনার বার বাংলাদেশে আনায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। বিমান বন্দর ব্যবহার করে চোরাচালানের ঘটনা দেশবাসী জানতে পারে, যখন কোনো অবৈধ চালান ধরা পড়ে। কিন্তু নির্বিঘেœ নিরাপদে এ ধরনের চালান পার পেয়ে যায়, কেউ জানে না। দেশি-বিদেশি চক্রের সদস্যরা নিরাপদ রুট হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই এই বন্দর ব্যবহার করে আসছে।

 বিভিন্ন সংস্থা সক্রিয় থাকার পরও কেন ঢাকার এ বিমান বন্দরটি চোরাচালান চক্রকে দমন করতে পারছে না, এ প্রশ্ন স্বাভাবিক। আইনের ফাঁক-ফোকর গলিয়ে অপরাধীরা যেন বেরিয়ে যেতে না পারে- সে ব্যাপারে চার্জশিট ব্যাপারে যতœশীল ও সতর্ক থাকা উচিত। কঠোর হস্তে সোনা চোরাচালান রোধ করতে হবে। ধরতে হবে গডফাদারদের।

 



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top