বিকাল ৩:১৪, শনিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
/ দেশজুড়ে / সুন্দরগঞ্জ উপনির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ হলে নতুন নির্বাচন কমিশন আস্থা অর্জন করবে
ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী
সুন্দরগঞ্জ উপনির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ হলে নতুন নির্বাচন কমিশন আস্থা অর্জন করবে
মার্চ ১৩, ২০১৭

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি : সুন্দরগঞ্জ উপনির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ হলে নতুন নির্বাচন কমিশন আস্থা অর্জন করবে।
এই আসনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে।  নতুন নির্বাচন কমিশনকে এই আসনের ২২ মার্চের উপ-নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী  সোমবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মুখে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে বললেও সুন্দরগঞ্জে বিভিন্ন সময়ে তারা জামায়াত-শিবিরকে লালন করেছে।  কেননা এমপি লিটন হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট জাতীয় পার্টির সাবেক  এমপি কর্ণেল (অবঃ) ডাঃ আব্দুল কাদের খানের প্রধান সহযোগী ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দফতর সম্পাদক চন্দন সরকার। এমনকি সুন্দরগঞ্জের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তার দলীয় সমর্থকরা জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, এমপি লিটন হত্যাকান্ডে জাতীয় পার্টির  সাবেক এমপি কর্ণেল (অবঃ) ডাঃ আব্দুল কাদের খান গ্রেফতার হলেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তার জনপ্রিয়তা কমেনি। এছাড়াও নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে সে বিষয়ে  কোন প্রতিক্রিয়া  নেই।
তিনি বলেন, সুন্দরগঞ্জে উপজেলায় ৭০ হাজার মানুষের বিরুদ্ধে অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রকৃত আসামি ছাড়াও অধিকাংশ নিরাপরাধ ও নিরীহ মানুষ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নিরপেক্ষভাবে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে হয়রানি থেকে রেহাই দিতে হবে অসহায় মানুষকে।

ব্যরিস্টার শামিম বলেন , তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে সুন্দরগঞ্জে সুষ্ঠু রাজনীতি ফিরিয়ে আনবেন।  অসুন্দর জনপদে পরিণত সুন্দরগঞ্জকে আবারও সুন্দর এলাকায় পরিণত করবেন। এছাড়াও অবহেলিত এই অঞ্চলে শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, আরেকটি উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবেন। তদুপরি তিনি নির্বাচিত হলে অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ভুমিকা নেবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সুন্দরগঞ্জ যেহেতু জাতীয় পার্টির এলাকা। সুতরাং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।
মতবিনিময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক এমপি আব্দুর রশিদ সরকার, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শাহজাহান খান আবু, সাংবাদিক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top