বিকাল ৪:০৬, শনিবার, ২৭শে মে, ২০১৭ ইং
/ সম্পাদকীয় / সাবমেরিন যুগে প্রবেশ
সাবমেরিন যুগে প্রবেশ
মার্চ ১৪, ২০১৭

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে দুটি সাবমেরিন যুক্ত হওয়ায় নৌশক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গুণগতভাবে এক ধাপ বাড়ল। বহিঃ শত্রুর আক্রমণ মোকাবেলা করার সামর্থ্য অর্জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মনোবলও চাঙ্গা রাখে।

কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধ কিংবা সংঘাত কাম্য না হলেও আক্রান্ত হলে আক্রমণকারীদের যাতে সমুচিত জবাব দেওয়া যায় সে জন্য প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে সময়ের চাহিদা মনে রেখে। নৌবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিকরূপে গড়ে তোলার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন।

 তিনি গত রোববার চট্টগ্রাম নৌ ঘাঁটিতে একটি আনন্দঘন অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী যুক্ত প্রথম দুটি সাবমেরিন বানৌজ নবযাত্রা ও ‘বানৌজ জয়যাত্রা’ উদ্বোধন করে দুই কমান্ডারের হাতে কমিশনিং ফরমান বা সমুদ্র যাত্রার অনুমতি পত্র তুলে দেন।

বিশ্বের যে গুটিকতক দেশ সাবমেরিন পরিচালনা করে থাকে, সে তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম। এই দুই সাবমেরিন দিয়ে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে তার বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করল, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষায় জলসীমার সবিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দূর অতীতে এ জাতিকে যেমন আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে হয়েছে সেসব হুমকি অনেকাংশে এসেছে জলসীমানা থেকে।

 আধুনিক যুগেও জাতীয় প্রতিরক্ষায় নৌবাহিনীর সক্ষমতার বিষয়টি প্রাসঙ্গিকতার দাবিদার। বাংলাদেশ যুদ্ধ নয় শান্তি এই ভাবনা বুকে ধারণ করলেও কখনো কারের দ্বারা যাতে আক্রান্ত হতে না হয়, সে জন্য প্রতিরক্ষার চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শান্তিবাদী হয়েও প্রতিরক্ষা শক্তিতে বাংলাদেশের দুর্বল থাকা চলে না। দুর্বলের সঙ্গে কারও সমমর্যাদার সম্পর্ক হয় না। নৌবাহিনীতে সাবমেরিন যুগের সুচনা দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল, মর্যাদাবান ও শক্তিশালী করে তুলবে -এটিই আমাদের আশা।



লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন :




Go Back Go Top